
ডারউইনে টেস্টের দ্বিতীয় দিনের শেষ সেশনে কিছুটা ব্যাকফুটে গেলেও বাকিটা সময় নিজেদের করে নেয় বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানেরা। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একের পর এক রেকর্ডে করেছে টাইগাররা। ২০১০ সালের ইংল্যান্ডের পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম ইনিংসে তিন উইকেট হারানোর আগে লিড নেওয়া প্রথম সফরকারী দল এখন বাংলাদেশ।
১০১ রানের ইনিংসে প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটার হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সেঞ্চুরি করার রেকর্ড গড়েছেন তানজিদ হাসান। ২০২২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মাহমুদুল হাসান জয়ের ১৩৭ রানের ইনিংসের পর এটিই বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশি ওপেনিং ব্যাটসম্যানের প্রথম সেঞ্চুরি। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে এটি কোনো বাংলাদেশি ব্যাটারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ইনিংস। ২০০৬ সালে ফতুল্লায় শাহরিয়ার নাফীসের ১৩৮ রান এখনো প্রথমস্থানে।
অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ৮৪ রানের ইনিংস খেলে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেন। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশিদের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসে তানজিদের ১০১ রানের পর দ্বিতীয় স্থানে জায়গা করে নিয়েছে শান্তর ইনিংস।
তানজিদ ও শান্তর ৩য় উইকেটে ৯৩ রানের জুটিটি অজিদের বিরুদ্ধে টেস্টে বাংলাদেশের ৩য় বা তার নিচের উইকেটে তৃতীয় সর্বোচ্চ; যে তালিকায় ওপরে রয়েছে ২০১৭ সালে মিরপুরে সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবালের ১৫৫ এবং চট্টগ্রামে মুশফিকুর রহিম ও সাব্বির রহমানের ১০৫ রানের জুটি। অধিনায়ক হিসেবে এটি শান্তর ৯ম ৫০-ঊর্ধ্ব ইনিংস, যার মাধ্যমে তিনি ছুঁয়েছেন সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশারকে। তাঁর সামনে রয়েছেন কেবল মুশফিকুর রহিম (১৬টি) ও সাকিব আল হাসান (১১টি)।
এ ছাড়া টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে অনন্য রেকর্ডের মুখোমুখি হয়েছেন মুশফিকুর রহিম ও মুমিনুল হক। নিজের ক্যারিয়ারের ১০৩ টেস্ট খেলার পর প্রথম অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলছেন মুশফিক, যা কোনো নির্দিষ্ট দেশে প্রথমবার খেলার ক্ষেত্রে বিশ্ব ক্রিকেটের ইতিহাসেই সর্বোচ্চ অপেক্ষা। এই তালিকায় ৭৮ টেস্ট খেলে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন মুমিনুল হক।
.png)






-6aa393b956c75-fc1d5c-256x144.webp)