স্পোর্টস ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় দিনের চা বিরতিতে তানজিদের মেইডেন সেঞ্চুরি ও শান্তর অপরাজিত ৭৯ রানের ওপর ভর করে ৩ উইকেট হারিয়ে ২৮৬ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার থেকে ৮৮ রানে এগিয়ে থেকে চা বিরতিতে যায়।
ডারউইনের মারারারা ক্রিকেট গ্রাউন্ডে যেন রূপকথার দ্বিতীয় দিন দেখছে বাংলাদেশ। প্রথম দিনে হাসান মাহমুদের তোপে অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে থমকে দেওয়ার পর আজ (১৪ আগষ্ট) দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশন বাংলাদেশ যখন শেষ করে তখন বোর্ডে ছিল ২ উইকেট ১৮১ রান। দ্বিতীয় সেশনের শুরুর থেকে নিয়ন্ত্রণ নিজেদের করে নিল সফরকারীরা। ডারউইনের লাফিয়ে ওঠা পেসবান্ধব উইকেটে অজি বোলারদের একের পর এক বাউন্সার আর সুইং সামলে তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে রান তুলতে থাকে।
মধ্যাহ্নভোজের বিরতি থেকে ফিরেই অজি অধিনায়ক প্যাট কামিন্স আক্রমণে নিয়ে আসেন মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজলউডকে। কিন্তু উল্টো চাপ বাড়িয়ে দেন তানজিদ তামিম। ৫২তম ওভারে হ্যাজলউডের লেংথ বল পা ছড়িয়ে কভার দিয়ে সীমানার বাইরে পাঠিয়ে সেশনের প্রথম বাউন্ডারি হাঁকান তানজিদ। অন্য প্রান্তে তিন নম্বরে নামা অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ছিলেন শুরু থেকেই ইতিবাচক। ৫৪তম ওভারে দারুণ শট খেলে মিড-অফ দিয়ে চারে রূপান্তর করেন।
এরপর দুই ব্যাটসম্যান গ্যাপ খুঁজে বাউন্ডারি আদায় করতে থাকেন। স্টার্কের বলে ব্যাকওয়ার্ড পাঞ্চ করে বাউন্ডারি আদায় করলে প্রথমবারের মতো ইনিংসে বাংলাদেশ লিড পায়, এরই সঙ্গে দলীয় স্কোর দুইশ পাড় হয়। দুইজন দেখে শুনে খেলতে থাকেন, যার সুফল স্বরূপ শান্ত নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারের ৭ম ফিফটি পায়। এরই সঙ্গে অধিনায়ক হিসেবে বাংলাদেশের হয়ে ৯ম ৫০ উর্ধ্ব ইনিংস খেলার পাশাপাশি, টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ১০ম পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস খেলে ফেলেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।
শান্তর ফিফটির পর নাথান লায়নের বলে সিঙ্গেল নিয়ে নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম শতক পূর্ণ করেন তানজিদ তামিম। তাঁর নিজের ক্যারিয়ারের প্রথম শতক ছাড়াও এই ইনিংসটি অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে কোনো বাংলাদেশির প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি। তবে সেঞ্চুরি পাওয়ার পরে ইনিংসটা বেশি লম্বা করতে পারেননি তিনি। নাথান লায়নের বলে এগ্রেসিভ শট খেলতে গিয়ে স্টার্কের হাতে ডিপ মিড উইকেটে ক্যাচ তুলে দিয়ে ১০১ রান করে সাজঘরে ফেরেন এই ওপেনার। যার ফলে ৯৩ রানের জুটি ভেঙে যায়।
তানজিদের আউটের পর মুশফিকুর রহিম ব্যাট হাতে নামেন। এর আগে ১০২ টেস্ট খেলা মুশফিক কখনোই অস্ট্রেলিয়ায় খেলতে নামেননি। তানজিদ আউট হলেও রানের চাকা বাড়াতে ওয়েবস্টারের বলে কভার দিয়ে একটি বাউন্ডারি পান মুশফিক। মুশফিকের পর শান্তও ওয়েবস্টারের বলে বাউন্ডারি মেরে রানের চাকা ও লিড বাড়াতে থাকেন। জশ হ্যাজেলউডের বলে সিংগেল নিয়ে শান্ত দলীয় লিড ৫০ পার করেন।
প্রথম ইনিংসে তিন উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের আগে লিড নিয়েছিল শুধু ২০২৫ সালে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে। অস্ট্রেলিয়ায় ২০১০ সালের ইংল্যান্ডের পর প্রথম সফরকারী দল হিসেবে প্রথম ইনিংসে লিড নিয়েই তিন উইকেট হারাল বাংলাদেশ। লিড বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লায়নের বলে ডাউন দ্য উইকেটে এসে প্রথম ছক্কা হাঁকান অধিনায়ক। শান্তর পর মুশফিক সুইপ শট খেলে লায়নের বলে বাউন্ডারি আদায় করে নেন। দুই ব্যাটসম্যান গ্যাপ খুঁজে রানের চাকা বাড়িয়ে ৫০ রানের জুটি পূর্ন করে। শান্তর অপরাজিত ৭৯ ও মুশফিকের অপরাজিত ২৬ রানের ওপর ভর করে ৩ উইকেট হারিয়ে ২৮৬ রান সংগ্রহ করে, ৮৮ রানের লিড নিয়ে চা বিরতিতে যায় সফরকারীরা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
(দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশন শেষে): অস্ট্রেলিয়া (১ম ইনিংস): ১৯৮/১০ (স্মিথ ৭১; হাসান ৬/৫৫
বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২৮৬/৩ (তানজিদ ১০১, শান্ত ৭৯*, মুশফিক ২৬*; স্টার্ক ১/৫০)

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় দিনের চা বিরতিতে তানজিদের মেইডেন সেঞ্চুরি ও শান্তর অপরাজিত ৭৯ রানের ওপর ভর করে ৩ উইকেট হারিয়ে ২৮৬ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার থেকে ৮৮ রানে এগিয়ে থেকে চা বিরতিতে যায়।
ডারউইনের মারারারা ক্রিকেট গ্রাউন্ডে যেন রূপকথার দ্বিতীয় দিন দেখছে বাংলাদেশ। প্রথম দিনে হাসান মাহমুদের তোপে অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে থমকে দেওয়ার পর আজ (১৪ আগষ্ট) দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশন বাংলাদেশ যখন শেষ করে তখন বোর্ডে ছিল ২ উইকেট ১৮১ রান। দ্বিতীয় সেশনের শুরুর থেকে নিয়ন্ত্রণ নিজেদের করে নিল সফরকারীরা। ডারউইনের লাফিয়ে ওঠা পেসবান্ধব উইকেটে অজি বোলারদের একের পর এক বাউন্সার আর সুইং সামলে তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে রান তুলতে থাকে।
মধ্যাহ্নভোজের বিরতি থেকে ফিরেই অজি অধিনায়ক প্যাট কামিন্স আক্রমণে নিয়ে আসেন মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজলউডকে। কিন্তু উল্টো চাপ বাড়িয়ে দেন তানজিদ তামিম। ৫২তম ওভারে হ্যাজলউডের লেংথ বল পা ছড়িয়ে কভার দিয়ে সীমানার বাইরে পাঠিয়ে সেশনের প্রথম বাউন্ডারি হাঁকান তানজিদ। অন্য প্রান্তে তিন নম্বরে নামা অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ছিলেন শুরু থেকেই ইতিবাচক। ৫৪তম ওভারে দারুণ শট খেলে মিড-অফ দিয়ে চারে রূপান্তর করেন।
এরপর দুই ব্যাটসম্যান গ্যাপ খুঁজে বাউন্ডারি আদায় করতে থাকেন। স্টার্কের বলে ব্যাকওয়ার্ড পাঞ্চ করে বাউন্ডারি আদায় করলে প্রথমবারের মতো ইনিংসে বাংলাদেশ লিড পায়, এরই সঙ্গে দলীয় স্কোর দুইশ পাড় হয়। দুইজন দেখে শুনে খেলতে থাকেন, যার সুফল স্বরূপ শান্ত নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারের ৭ম ফিফটি পায়। এরই সঙ্গে অধিনায়ক হিসেবে বাংলাদেশের হয়ে ৯ম ৫০ উর্ধ্ব ইনিংস খেলার পাশাপাশি, টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ১০ম পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস খেলে ফেলেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।
শান্তর ফিফটির পর নাথান লায়নের বলে সিঙ্গেল নিয়ে নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম শতক পূর্ণ করেন তানজিদ তামিম। তাঁর নিজের ক্যারিয়ারের প্রথম শতক ছাড়াও এই ইনিংসটি অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে কোনো বাংলাদেশির প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি। তবে সেঞ্চুরি পাওয়ার পরে ইনিংসটা বেশি লম্বা করতে পারেননি তিনি। নাথান লায়নের বলে এগ্রেসিভ শট খেলতে গিয়ে স্টার্কের হাতে ডিপ মিড উইকেটে ক্যাচ তুলে দিয়ে ১০১ রান করে সাজঘরে ফেরেন এই ওপেনার। যার ফলে ৯৩ রানের জুটি ভেঙে যায়।
তানজিদের আউটের পর মুশফিকুর রহিম ব্যাট হাতে নামেন। এর আগে ১০২ টেস্ট খেলা মুশফিক কখনোই অস্ট্রেলিয়ায় খেলতে নামেননি। তানজিদ আউট হলেও রানের চাকা বাড়াতে ওয়েবস্টারের বলে কভার দিয়ে একটি বাউন্ডারি পান মুশফিক। মুশফিকের পর শান্তও ওয়েবস্টারের বলে বাউন্ডারি মেরে রানের চাকা ও লিড বাড়াতে থাকেন। জশ হ্যাজেলউডের বলে সিংগেল নিয়ে শান্ত দলীয় লিড ৫০ পার করেন।
প্রথম ইনিংসে তিন উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের আগে লিড নিয়েছিল শুধু ২০২৫ সালে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে। অস্ট্রেলিয়ায় ২০১০ সালের ইংল্যান্ডের পর প্রথম সফরকারী দল হিসেবে প্রথম ইনিংসে লিড নিয়েই তিন উইকেট হারাল বাংলাদেশ। লিড বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লায়নের বলে ডাউন দ্য উইকেটে এসে প্রথম ছক্কা হাঁকান অধিনায়ক। শান্তর পর মুশফিক সুইপ শট খেলে লায়নের বলে বাউন্ডারি আদায় করে নেন। দুই ব্যাটসম্যান গ্যাপ খুঁজে রানের চাকা বাড়িয়ে ৫০ রানের জুটি পূর্ন করে। শান্তর অপরাজিত ৭৯ ও মুশফিকের অপরাজিত ২৬ রানের ওপর ভর করে ৩ উইকেট হারিয়ে ২৮৬ রান সংগ্রহ করে, ৮৮ রানের লিড নিয়ে চা বিরতিতে যায় সফরকারীরা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
(দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশন শেষে): অস্ট্রেলিয়া (১ম ইনিংস): ১৯৮/১০ (স্মিথ ৭১; হাসান ৬/৫৫
বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২৮৬/৩ (তানজিদ ১০১, শান্ত ৭৯*, মুশফিক ২৬*; স্টার্ক ১/৫০)
.png)

ক্যারিয়ারের মাত্র দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নেমেই অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন তানজিদ হাসান তামিম। এতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশনে ডারউইনে ৮৮ রানে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় টেস্টে সেঞ্চুরিতে চা-বিরতির আগে ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ সংগ্রহ করেছে ২৮৬ রান।
৯ মিনিট আগে
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশন শেষে ২ উইকেটে ১৮১ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। ডারউইনে তানজিদের অপরাজিত ৭৪ ও মুমিনুলের ৪৯ রানে ভর করে বড় সংগ্রহের পথে রয়েছে সফরকারীরা।
৩ ঘণ্টা আগে
নতুন মৌসুমের শুরুতেই ট্রফি জয়ের স্বাদ পেল প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। অস্ট্রিয়ার রেড বুল অ্যারেনায় রোমাঞ্চকর ফাইনালে অ্যাস্টন ভিলাকে ২-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার উয়েফা সুপার কাপ জিতেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নস লিগজয়ীরা।
১৮ ঘণ্টা আগে
ছয় উইকেটের সবকটি স্পেশাল হলেও স্টিভ স্মিথকে আউট করা বেশি স্পেশাল বলে মন্তব্য করেছেন পেসার হাসান মাহমুদ। অস্ট্রেলিয়ার ডারউইনে টেস্টের প্রথম দিনে ৬ উইকেট শিকার করেছেন এই তরুণ পেসার। এর মধ্য দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ৫ উইকেট নেওয়া প্রথম বাংলাদেশি হলেন তিনি।
২০ ঘণ্টা আগে