ফ্রান্স-নরওয়ে বাধা টপকে নকআউট মিশনে সেনেগাল

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক

সেনেগাল ফুটবল দল। স্ট্রিম গ্রাফিক

আফিকার দেশ সেনেগাল তাদের ফুটবল ইতিহাসের চতুর্থ আসরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ২০০২ সালে অভিষেক বিশ্বকাপে তৎকালীন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল দেশটি। ওই বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনাল অবধি গিয়েছিল। ২০২৬ বিশ্বকাপে নিজেদের সেই সেরা সাফল্যকে ছাড়িয়ে যাওয়ার লক্ষ্যেই মাঠে নামবে তারা।

কাতার বিশ্বকাপেও শেষ ১৬-তে খেলা দলটির শক্তি ও ধারাবাহিকতা আন্তর্জাতিক মহলে বেশ প্রশংসিত। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে ১২ ম্যাচ খেলে ৫ জয়ের বিপরীতে ৪ পরাজয়ের স্বাদ পেয়েছে দলটি। ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ১৪তম দলটি ফুটবল বিশ্বে ‘টেরাঙ্গা লায়ন্স’ নামে পরিচিত। এবারের আসরে সেনেগালের কোচের দায়িত্বে আছেন দেশটির সাবেক তারকা পাপে থিয়াও।

আফ্রিকা অঞ্চলের বাছাইপর্বে ১০ ম্যাচে ৭ জয় ও ৩ ড্রতে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে অপরাজিত গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে মূল পর্বে জায়গা পায় তারা।

বিশ্বকাপে সেনেগাল লড়বে গ্রুপ ‘আই’-তে। আগামী ১৭ জুন ফ্রান্সের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু। এরপর ২৩ জুন নরওয়ে এবং ইরাকের মুখোমুখি হবে তারা।

২০০২ সালের ফরাসি বধের স্মৃতি ফিরিয়ে আনতে এবং গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যে প্রথম ম্যাচকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে টেরাঙ্গা লায়ন্সরা।

এবারের বিশ্বকাপে সেনেগালের প্রধান ‘প্লেয়ার টু ওয়াচ’ হলেন নির্ভরযোগ্য উইঙ্গার ও সর্বোচ্চ গোলদাতা সাদিও মানে। জাতীয় দলের হয়ে ৫২ গোল করা আল নাসরের এই তারকা উইঙ্গার এই মৌসুমে সৌদি প্রো লিগে ৯ গোল ও ৬ অ্যাসিস্ট করেছেন। বাছাইপর্বেও দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫ গোল করেছেন।

তাঁর সঙ্গে আক্রমণের বড় ভরসা বায়ার্ন মিউনিখের স্ট্রাইকার নিকোলাস জ্যাকসন। জাতীয় দলের হয়ে ৮ গোল এবং বায়ার্নের হয়ে চলতি ২৫-২৬ মৌসুমে ৮ গোল ও ২ অ্যাসিস্ট করা এই তারকার দিকে তাকিয়ে থাকবে সেনেগাল।

রক্ষণভাগ সামলানোর দায়িত্বে থাকবেন অভিজ্ঞ অধিনায়ক ও আল হিলালের ডিফেন্ডার কালিদু কুলিবালি।

ফুটবল বোদ্ধারা বলছেন, গ্রুপ ‘আই’-তে ফ্রান্স ফেভারিট হলেও সেনেগালের নকআউটে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত