সুনীল কর্মকার: ভাষার ধ্যানে মগ্ন এক ‘দানবীয় প্রেমিক’সময়টা পাগলামির, অচেনা রাস্তা কিন্তু লক্ষ্য ছিল ভাষার দরদ। কবিতার ভেতর অশ্রুকণার মতো জীবন্ত এক অনুভূতি খুঁজে পাবার নেশায় তখন দুনিয়া ভুলতে বসেছি। রাস্তায় সামান্য এক টুকরো মরা ডাল দেখলেও তার ভেতর খুঁজে পেতাম করুণাভার চোখ, বিদ্রূপের হাসি, জীবনের অর্থহীনতা।
শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় বাউল সাধক সুনীল কর্মকারকে শেষ বিদায়প্রখ্যাত বাউল সাধক সুনীল কর্মকারকে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সিক্ত করে গৌরীপুরে সমাহিত করা হয়েছে। গুণী এই শিল্পীর বিদায়ে ময়মনসিংহের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে আসে।
বাউল সাধক সুনীল কর্মকারের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলিশুক্রবার আলো ফোটার আগেই, ভোরে অলোকলোকে চলে গেলেন বিখ্যাত বাউল ও লোকসংগীত শিল্পী সুনীল কর্মকার। তিনি শুধু একজন ব্যক্তিই ছিলেন না, ছিলেন একটি প্রতিষ্ঠান। তার অসংখ্য ভক্ত সাধক রয়েছেন, যাঁরা তার মৃত্যুতে হয়ে পড়েছেন অসহায় ও নিঃসঙ্গ।
সুনীল কর্মকার ও আমাদের যৌথস্মৃতিসুনীল কর্মকারকে প্রথমবার দেখি সেই শৈশবে। নিজের গ্রামের এক আসরে। তখনও রাত জেগে গান শোনার অনুমতি ছিল না। রাত দশটার দিকে বাউলরা এসে পৌঁছলেন আসরে। খুব মনে পড়ছে। ধান ও আখ কাটা হয়ে যাওয়ার পর যে খেত বিরান পড়ে থাকে তাতে খেজুরের রস জ্বাল করার বিশাল আড়ার পাশে মঞ্চ বানানো হয়েছিল।
মহাজনী সুরে সুনীল থাকবেনগত পরশু সন্ধ্যায় শুনলাম বাউল শিল্পী সুনীল কর্মকার অসুস্থ। বাথরুমে পড়ে গিয়েছিলেন। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মুমূর্ষু অবস্থায় শুয়ে আছেন। এই কথা শোনার পর থেকে মনে হচ্ছিল আজকের এই সন্ধ্যাটাকে কেউ নীলপর্দা দিয়ে ঢেকে দিচ্ছে।
‘বাংলাদেশপন্থা’ ধারণার দরকার হলো কেনগ্রামে এজমালি কাজে যৌথ শ্রমের রেওয়াজ এখনো আছে। জিয়াউর রহমানের খাল কাটা কর্মসূচি সফল হয়েছে এই এজমালি শ্রমদানের উৎসবের খাতিরেই। পশ্চিম বাংলার এক আমলা স্মৃতিকথায় বলেছিলেন, সেসময় তাঁরা সীমান্তের ওপার থেকে এই দৃশ্য মুগ্ধ হয়ে দেখতেন।
১১ দিন পর চালু হাদির ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারআততায়ীর গুলিতে নিহত শরিফ ওসমান হাদির ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার চালু হয়েছে। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজের পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২১ ডিসেম্বর কেন বছরের দীর্ঘতম রাত, পৃথিবীর নানা প্রান্তে যেভাবে উদযাপন হয়আজ ২১ ডিসেম্বর। আমাদের অর্থাৎ উত্তর গোলার্ধের দেশগুলোর জন্য আজকের রাতটি বিশেষ। কারণ আজ বছরের দীর্ঘতম রাত এবং ক্ষুদ্রতম দিন। এই ‘উইন্টার সলস্টিস’ বা শীতকালীন অয়নকাল পৃথিবীর নানা প্রান্তে কীভাবে উদযাপন হয়?
গুড়-নারিকেলের সুবাসে মুখরিত ধানমন্ডির পিঠা উৎসবপিঠা উৎসব হলো শীতকালে বাঙালি সংস্কৃতির এক ঐতিহ্যবাহী আয়োজন। যেখানে গুড়, নারিকেল, চালের গুঁড়া ও দুধের সুগন্ধে মুখরিত থাকে পরিবেশে। পিঠাকে শুধুমাত্র খাবার বললে ভুল হবে। হাজার বছর ধরে এটি আমাদের লোকজ সংস্কৃতির অংশ হয়ে আছে।
বিজয়ের মাসজুড়ে শিল্পকলায় যাত্রাপালা উৎসব: অংশ নেবে সারা দেশের ৩১টি দলবাঙালির প্রাণের উৎসব ও গৌরবের বিজয়ের মাস ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে শুরু হতে যাচ্ছে মাসব্যাপী জমজমাট যাত্রাপালা উৎসব। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই উৎসব গ্রামীণ লোকসংস্কৃতির এক অনন্য মিলনমেলায় পরিণত হ
ইকবালের শিকওয়া থেকে আবুল সরকারের পালাগান: যখন ‘মান-অভিমান’ হয় ব্লাসফেমিমানিকগঞ্জের বাউলশিল্পী আবুল সরকারকে গ্রেপ্তারের ঘটনা বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সহনশীলতার কফিনে আরও একটি পেরেক ঠুকে দিয়েছে। গত ৪ নভেম্বর মানিকগঞ্জের ঘিওরে পালাগানের আসরে আল্লাহকে নিয়ে কথিত ‘কটূক্তি’র অভিযোগে ১৯ নভেম্বর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
‘পিঠা’ শব্দটি কোথা থেকে এল‘পিঠা’ শব্দটি শোনা মাত্রই চোখে ভেসে ওঠে শীতের সকালের কুয়াশা, আগুন জ্বলা চুলা, গরম–গরম ভাপা পিঠা, গুড় আর খেজুর রসের ঘ্রাণ। কিন্তু ‘পিঠা’ শব্দটি এসেছে কোথা থেকে এবং কীভাবে বাংলা সংস্কৃতির সঙ্গে পিঠা এত গভীরভাবে মিশে গেছে, তা কি জানেন?
মাস্ত কালান্দার: উপমহাদেশে সম্প্রীতির জয়গানলাল শাহবাজ কালান্দার, সেহওয়ান শরীফের প্রসিদ্ধ সুফী সাধক যাকে আবার মিলিয়ে দেখা হয় সিন্ধি সম্প্রদায়ের পবিত্র দেবতা ঝুলেলালের সাথে। চলুন জেনে নেয়া যাক কীভাবে দুটি ভিন্ন ধর্ম দর্শনের আধ্যাত্মিক প্রতীক সাংস্কৃতিক সহাবস্থানের আদর্শকে জীবন্ত করে তোলে, কিভাবে এই গান এখনো বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ মানুষের হৃদয়ে অন
ফটো নিউজ•ডাকসুর আদি নববর্ষ উদযাপনবৈশাখের প্রথম দিনে নববর্ষ উদযাপনের ঐতিহ্যবাহী আয়োজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তবে প্রথমবারের মত অগ্রহায়ণের শুরুতে ‘নববর্ষ’ উদযাপন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু)। এই উৎসবের অংশ হিসেবে আনন্দ শোভাযাত্রা হয়।
শখের বসে শেখা বাঁশিই কৃষ্ণের জীবনসবুজ ছায়ায় ঘেরা চা বাগানে বাঁশিতে সুর তোলেন কৃষ্ণ দাস। ৪৫ বছর বয়সী একজন বাঁশিপ্রেমিক। শখের বসে শিখেছেন বাঁশি বাজানো। সুরের জাদুতে তাঁকে ঘিরে ভিড়। কারও প্রিয় গানের সুর তোলার আবদার। বাঁশির সুরেই জীবন চলে কৃষ্ণ দাসের।