স্ট্রিম প্রতিবেদক

টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সরকার কল্যাণরাষ্ট্রভিত্তিক ও বিনিয়োগনির্ভর অর্থনৈতিক মডেলের দিকে এগোতে চায় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তিনি বলেন, উৎপাদনমুখী বিনিয়োগ বৃদ্ধি, রাজস্ব সংস্কার এবং সামাজিক সুরক্ষাকে সর্বজনীন কাঠামোয় রূপান্তরের মাধ্যমে একটি ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার পরিকল্পনা করছে সরকার।
বুধবার (৪ মার্চ) রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশের উন্নয়ন: স্বল্প ও মধ্যমেয়াদে নবনির্বাচিত সরকারের অগ্রাধিকার’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। সিপিডি ও ডেইলি স্টার যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী নেতা ও নীতিনির্ধারকরা অংশ নেন।
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, নতুন সরকারের অর্থনৈতিক দর্শনের মূল অংশ হলো রাষ্ট্রব্যবস্থার সংস্কার। টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রশাসনিক কাঠামোকে আরও কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে কাঠামোগত দুর্বলতা তৈরি হওয়ায় বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে ভঙ্গুর অবস্থা বিরাজ করছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সমন্বিত নীতি ও সংস্কার জরুরি।
অর্থনীতির ওপর ঋণের চাপ প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ঋণের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এই ঋণনির্ভর প্রবৃদ্ধি স্থিতিশীলতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি নতুন করে ঋণের ওপর নির্ভর না করে সরকারি অর্থের অপচয় রোধ এবং সম্পদের দক্ষ ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, “সরকার ধীরে ধীরে বিনিয়োগভিত্তিক অর্থনৈতিক মডেলের দিকে যেতে চায়। শিল্পায়ন জোরদার এবং রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আমরা অর্থনীতির ভিত্তি শক্তিশালী করব।”
সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে তিতুমীর বলেন, ভবিষ্যতে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির কোনো সেবা ডিজিটাল মাধ্যম ছাড়া দেওয়া হবে না। সরকার ‘ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার’ গড়ে তোলার দিকে এগোচ্ছে। তিনি ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান কার্ড’ ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনার কথা জানান। এই একক পরিচয়ভিত্তিক সেবা কাঠামো সামাজিক সুরক্ষায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করবে।
উপদেষ্টা আরও বলেন, বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে প্রকৃত উপকারভোগীরা তালিকাভুক্ত হন না। ডিজিটাল কার্ড চালু হলে এই সমস্যা সমাধান হবে। মূল্যস্ফীতির চাপে মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্তদের সুরক্ষা দিতে সরকার ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। এর মাধ্যমে পরিবারভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমকে শক্তিশালী এবং নারীকেন্দ্রিক করা হবে।
রাজস্ব সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০৩৫ সালের মধ্যে কর-জিডিপি অনুপাত ১৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের। করের ভিত্তি বাড়াতে ‘এলটিইউ’ (বৃহৎ করদাতা ইউনিট) নির্ভরতা কমিয়ে কর সংস্কৃতির বিস্তার ঘটানো হবে।
জ্বালানি খাতের বিষয়ে তিতুমীর বলেন, বিদ্যুৎ খাতে বছরে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি অর্থনীতির ওপর বড় চাপ সৃষ্টি করছে। এই উচ্চ ভর্তুকি দীর্ঘমেয়াদে টেকসই নয়। জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা বাড়াতে বিদ্যমান চুক্তিগুলো পুনর্মূল্যায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সিস্টেম লস কমিয়ে দেশীয় সক্ষমতা বাড়ানোই সরকারের লক্ষ্য।

টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সরকার কল্যাণরাষ্ট্রভিত্তিক ও বিনিয়োগনির্ভর অর্থনৈতিক মডেলের দিকে এগোতে চায় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তিনি বলেন, উৎপাদনমুখী বিনিয়োগ বৃদ্ধি, রাজস্ব সংস্কার এবং সামাজিক সুরক্ষাকে সর্বজনীন কাঠামোয় রূপান্তরের মাধ্যমে একটি ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার পরিকল্পনা করছে সরকার।
বুধবার (৪ মার্চ) রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশের উন্নয়ন: স্বল্প ও মধ্যমেয়াদে নবনির্বাচিত সরকারের অগ্রাধিকার’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। সিপিডি ও ডেইলি স্টার যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী নেতা ও নীতিনির্ধারকরা অংশ নেন।
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, নতুন সরকারের অর্থনৈতিক দর্শনের মূল অংশ হলো রাষ্ট্রব্যবস্থার সংস্কার। টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রশাসনিক কাঠামোকে আরও কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে কাঠামোগত দুর্বলতা তৈরি হওয়ায় বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে ভঙ্গুর অবস্থা বিরাজ করছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সমন্বিত নীতি ও সংস্কার জরুরি।
অর্থনীতির ওপর ঋণের চাপ প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ঋণের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এই ঋণনির্ভর প্রবৃদ্ধি স্থিতিশীলতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি নতুন করে ঋণের ওপর নির্ভর না করে সরকারি অর্থের অপচয় রোধ এবং সম্পদের দক্ষ ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, “সরকার ধীরে ধীরে বিনিয়োগভিত্তিক অর্থনৈতিক মডেলের দিকে যেতে চায়। শিল্পায়ন জোরদার এবং রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আমরা অর্থনীতির ভিত্তি শক্তিশালী করব।”
সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে তিতুমীর বলেন, ভবিষ্যতে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির কোনো সেবা ডিজিটাল মাধ্যম ছাড়া দেওয়া হবে না। সরকার ‘ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার’ গড়ে তোলার দিকে এগোচ্ছে। তিনি ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান কার্ড’ ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনার কথা জানান। এই একক পরিচয়ভিত্তিক সেবা কাঠামো সামাজিক সুরক্ষায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করবে।
উপদেষ্টা আরও বলেন, বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে প্রকৃত উপকারভোগীরা তালিকাভুক্ত হন না। ডিজিটাল কার্ড চালু হলে এই সমস্যা সমাধান হবে। মূল্যস্ফীতির চাপে মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্তদের সুরক্ষা দিতে সরকার ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। এর মাধ্যমে পরিবারভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমকে শক্তিশালী এবং নারীকেন্দ্রিক করা হবে।
রাজস্ব সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০৩৫ সালের মধ্যে কর-জিডিপি অনুপাত ১৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের। করের ভিত্তি বাড়াতে ‘এলটিইউ’ (বৃহৎ করদাতা ইউনিট) নির্ভরতা কমিয়ে কর সংস্কৃতির বিস্তার ঘটানো হবে।
জ্বালানি খাতের বিষয়ে তিতুমীর বলেন, বিদ্যুৎ খাতে বছরে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি অর্থনীতির ওপর বড় চাপ সৃষ্টি করছে। এই উচ্চ ভর্তুকি দীর্ঘমেয়াদে টেকসই নয়। জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা বাড়াতে বিদ্যমান চুক্তিগুলো পুনর্মূল্যায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সিস্টেম লস কমিয়ে দেশীয় সক্ষমতা বাড়ানোই সরকারের লক্ষ্য।
.png)

সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিট থেকে জাতীয় গ্রিডে দিনে প্রায় ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট হিসেবে রিগ্যাসিফায়েড লিকুইফায়েড ন্যাচারাল গ্যাস (আরএলএনজি) সরবরাহ শুরু হয়েছে। ধীরে ধীরে চাপ বাড়িয়ে রাত ২টার মধ্যে পূর্ণ সক্ষমতায় গ্যাস সরবরাহ সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
১৪ আগস্ট ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদার লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিত ফ্যাশন সোর্সিং ট্রেড ফেয়ারে বৈশ্বিক ক্রেতা ও তৈরি পোশাক শিল্পের অংশীদারদের নজর কেড়েছে বাংলাদেশের প্যাভিলিয়ন। গত ১০ থেকে ১২ আগস্ট অনুষ্ঠিত ‘সোর্সিং অ্যাট ম্যাজিক ২০২৬’ শিরোনামে অনুষ্ঠিত এ মেলায় নিজেদের সক্ষমতা ও পণ্যের বৈচিত্র্য তুলে ধরেছে বাংলাদেশ।
১৩ আগস্ট ২০২৬
সরকারি কাজে পুনঃচক্রায়িত কাগজ-কলম ব্যবহারে গুরুত্ব দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) এনবিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
১২ আগস্ট ২০২৬
ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইয়াসীন আলীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) তাঁকে ট্রেনিং একাডেমিতে সংযুক্ত করেছে।
১২ আগস্ট ২০২৬