
অবৈধ বা অননুমোদনহীন অনলাইন অ্যাপের মাধ্যমে সুদের ফাঁদে ফেলে ক্ষুদ্রঋণ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সব ধরনের লেনদেন অবিলম্বে বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে এসব অ্যাপ বন্ধ ও অ্যাপ স্টোর থেকে অপসারণের জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) চিঠি দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।
দেশের সব তফসিলি ব্যাংক, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ও পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডারদের (পিএসপি) কাছে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, অনলাইনে সক্রিয় কিছু অবৈধ অ্যাপ চড়া সুদে ঋণ দেওয়ার নামে গ্রাহকদের মোবাইল থেকে স্পর্শকাতর তথ্য (কনট্যাক্ট লিস্ট, ছবি, মেসেজ) হাতিয়ে নিচ্ছে। পরে নির্ধারিত সময়ে ঋণ শোধ না করতে পারলে হুমকি, ব্ল্যাকমেল ও ব্যক্তিগত ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেমস আইন, ২০২৪’-এর ১৫(২) ধারা অনুযায়ী অনুমতি ছাড়া ঋণ দেওয়া বা অর্থ লেনদেন সম্পূর্ণ বেআইনি। ব্যাংক বা এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলো যদি এসব অ্যাপকে লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে সেবা দেয়, তবে সেগুলোকে অপরাধের সহযোগী হিসেবে গণ্য করা হবে।
চিহ্নিত ৩১টি অবৈধ অ্যাপ
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) প্রতারণা ও ডেটা চুরির সঙ্গে জড়িত ৩১টি অ্যাপ চিহ্নিত করেছে। এগুলো হলো—সাথী লোন, পপক্যাশ, ফিনক্যাশ, কুইক লোন, কুইক টাকা, ঢাকা ফিন, লোনভাইব, দোস্ত লোন, টাকা ক্যাশ লোন, কেওয়নজা লোন, এসএসএইচ মানি, লোনবাডি, ক্যাশহোরা, আলো ক্যাশ, ফাস্ট লোন, ইজি টাকা, ধৈর্য লোন, ফিন ডট ডু, বঙ্গক্যাশ, আশা লোন, সুবিধা লোন, স্মার্ট লোন বিডি, অনলাইন লোন বিডি, সিটি অনলাইন লোন, বিডি সহজ লোন, ক্যাশ লোন, সোনালী, লোনহাট ও টাকানাও।
ব্যাংকগুলোকে অবিলম্বে এসব অ্যাপের বিষয়ে সাধারণ গ্রাহকদের সচেতন করতে প্রচার চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
.png)


-40e58c.jpeg)



