স্ট্রিম প্রতিবেদক

বাজার মনিটরিং কার্যক্রমকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও কার্যকর করতে শিগগিরই পাওয়ার অ্যাপ চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) কার্যক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) মডেল এবং বর্তমান বাজার মনিটরিং অ্যাপকে আরও উন্নত ও কার্যকর করার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।
রোববার (৫ জুলাই) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘বাজার মনিটরিং কাজে নিয়োজিত টিম লিডারদের দক্ষতা বৃদ্ধি বিষয়ক কর্মশালা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানান বাণিজ্য সচিব আতাউর রহমান খান।
সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘বাজার মনিটরিং ব্যবস্থাকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে দ্রুত একটি পাওয়ার অ্যাপ উন্নয়ন, টিসিবির কার্যক্রমে এআইভিত্তিক মডেল প্রণয়ন এবং বিদ্যমান বাজার মনিটরিং অ্যাপকে আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে বাজার নজরদারি আরও শক্তিশালী হবে।’
তিনি আরও বলেন, বাজার মনিটরিং কার্যক্রমকে আরও কার্যকর, সমন্বিত ও ফলপ্রসূ করতে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয়, আন্তরিক সহযোগিতা এবং টিম লিডারদের নেতৃত্বের দক্ষতা বাড়ানো জরুরি।
বাণিজ্য সচিবের ভাষ্য, ‘বাজার তদারকির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানই অভিন্ন লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। এখানে সক্ষমতার ঘাটতির চেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কার্যকর সমন্বয়, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং মাঠপর্যায়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা নিশ্চিত করা।’
আতাউর রহমান খান বলেন, বাজার মনিটরিং কার্যক্রম বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও এর অধীন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে পরিচালিত হলেও সরকারের আরও কয়েকটি মন্ত্রণালয় এবং সংস্থাও এই কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছে। বাস্তবে এটি সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও সংস্থার সমন্বিত দায়িত্ব।
কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (আইআইটি) শিবির বিচিত্র বড়ুয়া এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) সেবাস্টিন রেমা। এ ছাড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

বাজার মনিটরিং কার্যক্রমকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও কার্যকর করতে শিগগিরই পাওয়ার অ্যাপ চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) কার্যক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) মডেল এবং বর্তমান বাজার মনিটরিং অ্যাপকে আরও উন্নত ও কার্যকর করার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।
রোববার (৫ জুলাই) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘বাজার মনিটরিং কাজে নিয়োজিত টিম লিডারদের দক্ষতা বৃদ্ধি বিষয়ক কর্মশালা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানান বাণিজ্য সচিব আতাউর রহমান খান।
সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘বাজার মনিটরিং ব্যবস্থাকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে দ্রুত একটি পাওয়ার অ্যাপ উন্নয়ন, টিসিবির কার্যক্রমে এআইভিত্তিক মডেল প্রণয়ন এবং বিদ্যমান বাজার মনিটরিং অ্যাপকে আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে বাজার নজরদারি আরও শক্তিশালী হবে।’
তিনি আরও বলেন, বাজার মনিটরিং কার্যক্রমকে আরও কার্যকর, সমন্বিত ও ফলপ্রসূ করতে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয়, আন্তরিক সহযোগিতা এবং টিম লিডারদের নেতৃত্বের দক্ষতা বাড়ানো জরুরি।
বাণিজ্য সচিবের ভাষ্য, ‘বাজার তদারকির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানই অভিন্ন লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। এখানে সক্ষমতার ঘাটতির চেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কার্যকর সমন্বয়, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং মাঠপর্যায়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা নিশ্চিত করা।’
আতাউর রহমান খান বলেন, বাজার মনিটরিং কার্যক্রম বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও এর অধীন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে পরিচালিত হলেও সরকারের আরও কয়েকটি মন্ত্রণালয় এবং সংস্থাও এই কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছে। বাস্তবে এটি সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও সংস্থার সমন্বিত দায়িত্ব।
কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (আইআইটি) শিবির বিচিত্র বড়ুয়া এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) সেবাস্টিন রেমা। এ ছাড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।
.png)

দেশীয় উৎসের প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত দ্রুত ফুরাচ্ছে। বিপরীতে নতুন কোনো গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান নেই। সরবরাহ সচল রাখতে সরকার রেকর্ড পরিমাণ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করেছে। এরপরও সংকট কাটছে না। গ্যাসের অভাবে ব্যাহত হচ্ছে শিল্পকারখানা, সার ও বিদ্যুৎ উৎপাদন।
৪ ঘণ্টা আগে
ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংকে চলতি ও এসটিডি হিসাব খোলা, ঋণ নেওয়াসহ সাতটি সেবায় বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (বিআইএন) দেখানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ বিষয়ে দেশের সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশনা দিতে বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
১২ ঘণ্টা আগে
বস্ত্রখাতে নগদ সহায়তা ১ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করেছে সরকার। এর অর্থ, যেসব তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সুতা ব্যবহার করবেন, তারাই বাড়তি এই নগদ সহায়তা পাবেন।
১২ জুলাই ২০২৬
দামের লাগাম টানতে ৬০টি নিত্যপণ্যের ওপর উৎসে কর কমিয়ে দশমিক ৫ শতাংশ করেছে সরকার। কিন্তু বাজারে ধান, চাল, ডাল, তেল-চিনি, গম, আলু, মাছ, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, চিনি, ভোজ্যতেলসহ এসব পণ্যের দামে হেরফের হয়নি। কিছু ক্ষেত্রে বেড়েছে।
১২ জুলাই ২০২৬