স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঋণনির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব সম্পদ ও রাজস্বের টাকায় উন্নয়নের পথে দেশকে নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, দেশের উন্নয়নকে ঋণনির্ভর থেকে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তর করতে অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ আরও শক্তিশালী করতে হবে।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে রাজস্ব সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আয়োজিত এ সম্মেলন উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আধুনিক, ক্যাশলেস ও কনট্যাক্টলেস রাজস্ব ব্যবস্থা সমৃদ্ধ বাংলাদেশের অন্যতম ভিত্তি হবে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, চলতি অর্থবছরে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হলে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার পথ আরও সুগম হবে।
তবে রাজস্ব আদায়ের এই লক্ষ্যমাত্রা গত অর্থবছরের প্রকৃত আদায়ের চেয়ে ৪৬ শতাংশ বেশি। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, লক্ষ্যমাত্রাটি উচ্চাভিলাষী মনে হতে পারে। তবে দেশের উন্নয়ন প্রয়োজন বিবেচনা করে এটি ইচ্ছাকৃতভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে অর্থনীতির চালিকাশক্তি উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়।
ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সময়মতো কর ও ভ্যাট পরিশোধ করা তাদের দায়িত্ব। আর প্রশাসনিক জটিলতা ও কর্মকর্তাদের কারণে ব্যবসায়ীরা যেসব সমস্যার মুখোমুখি হন, সেগুলো দ্রুত সমাধানে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। একসঙ্গে যারা কর ফাঁকি দিচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হবে।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক দর্শনের কথা তুলে ধরে আমির খসরু বলেন, বাংলাদেশকে ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে যেতে হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে নিজস্ব সম্পদ দিয়ে উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহ এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি।

ঋণনির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব সম্পদ ও রাজস্বের টাকায় উন্নয়নের পথে দেশকে নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, দেশের উন্নয়নকে ঋণনির্ভর থেকে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তর করতে অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ আরও শক্তিশালী করতে হবে।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে রাজস্ব সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আয়োজিত এ সম্মেলন উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আধুনিক, ক্যাশলেস ও কনট্যাক্টলেস রাজস্ব ব্যবস্থা সমৃদ্ধ বাংলাদেশের অন্যতম ভিত্তি হবে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, চলতি অর্থবছরে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হলে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার পথ আরও সুগম হবে।
তবে রাজস্ব আদায়ের এই লক্ষ্যমাত্রা গত অর্থবছরের প্রকৃত আদায়ের চেয়ে ৪৬ শতাংশ বেশি। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, লক্ষ্যমাত্রাটি উচ্চাভিলাষী মনে হতে পারে। তবে দেশের উন্নয়ন প্রয়োজন বিবেচনা করে এটি ইচ্ছাকৃতভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে অর্থনীতির চালিকাশক্তি উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়।
ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সময়মতো কর ও ভ্যাট পরিশোধ করা তাদের দায়িত্ব। আর প্রশাসনিক জটিলতা ও কর্মকর্তাদের কারণে ব্যবসায়ীরা যেসব সমস্যার মুখোমুখি হন, সেগুলো দ্রুত সমাধানে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। একসঙ্গে যারা কর ফাঁকি দিচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হবে।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক দর্শনের কথা তুলে ধরে আমির খসরু বলেন, বাংলাদেশকে ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে যেতে হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে নিজস্ব সম্পদ দিয়ে উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহ এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি।
.png)

দেশের বর্তমান জীবনযাত্রার ব্যয় ও দ্রব্যমূল্য নিয়ে সন্তুষ্ট নন বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, শুধু বাজার তদারকি করে পণ্যের দাম কমানো সম্ভব নয়। এর সঙ্গে জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম, সুদহার, উৎপাদনশীলতা, পরিবহন ও অবকাঠামোর মতো বিষয়গুলোও সরাসরি জড়িত।
২ ঘণ্টা আগে
সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির গতি ফেরাতে বেশ কিছু ভালো উদ্যোগ নেওয়া হলেও জ্বালানি, ব্যাংকিং এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে চ্যালেঞ্জ এখনও রয়েছে। এর মধ্যে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে সংকট অতি শিগগির শেষ হওয়ার নয়। সরকারের ১৮০ দিনের মূল্যায়নে এমন মতামত দিয়েছে বিকেএমইএ।
২ ঘণ্টা আগে
সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি আমদানিতে শুল্ক-কর রেয়াতের অস্পষ্টতা ও শুল্কায়ন জটিলতা নিরসনে নতুন ব্যাখ্যা দিয়ে পরিপত্র জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সোমবার (১৭ আগস্ট) এনবিআরের নীতি বিভাগ থেকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
১৭ আগস্ট ২০২৬
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কার্গো খালাসে জটিলতা নিরসনে একটি স্থায়ী ও একটি অস্থায়ী ওয়্যারহাউজ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ওষুধসহ তাপমাত্রা-সংবেদনশীল অন্যান্য পণ্য আমদানি-রপ্তানির সুবিধার্থে বিমানবন্দরে কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণেও গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।