স্ট্রিম প্রতিবেদক

বাংলাদেশে ব্যাংকনোট ছাপানোর খরচ কিছু ক্ষেত্রে ২০০ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। ডলারের মূল্য বৃদ্ধি খরচের ক্ষেত্রে বড় প্রভাব রেখেছে। এ ছাড়া, সময়মতো পরিকল্পনা না করা, জরুরি প্রয়োজনে আকাশপথে কাঁচামাল আমদানি ও একক ঠিকাদারের কারণেও টাকা ছাপানোর খরচ বেড়ে গেছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
বাংলাদেশে টাকা ছাপানোর কাজটি করে সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেড (এসপিসিবিএল)। এখন বছরে প্রায় সাড়ে চার শ কোটি টাকা খরচ হয় নতুন নোট মুদ্রণের জন্য।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এক অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত পাঁচ বছরের ব্যবধানে ২ টাকা থেকে শুরু করে ১ হাজার টাকার নোট ছাপাতে খরচ অনেক বেড়েছে। কোনো কোনো মূল্যমানের নোট ছাপাতে উৎপাদন ব্যয় ২০০ শতাংশের বেশিও বেড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত পাঁচ বছরে সবচেয়ে বেশি মুদ্রণ ব্যয় বেড়েছে ২০ ও ৫০ টাকার নোটে। ২০২০-২১ অর্থবছরে একটি ২০ টাকার নোট ছাপাতে খরচ হতো ১ টাকা ৫৮ পয়সা, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এসে দাঁড়িয়েছে ৫ টাকা ২০ পয়সায়। অর্থাৎ এ নোটে মুদ্রণ খরচ বেড়েছে প্রায় ২২৯ শতাংশ।
অন্যদিকে ২০২০-২১ অর্থবছরে একটি ৫০ টাকার নোট ছাপাতে খরচ হতো ১ টাকা ৫২ পয়সা, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরে লাফিয়ে বেড়ে দাঁড়ায় ৪ টাকা ৮৯ পয়সায়। এই সময়ে ৫০ টাকার নোটের ছাপানো খরচ বেড়েছে ২২২ শতাংশ।
২০২০-২১ অর্থবছরে দেশের সর্বোচ্চ মূল্যমান ১ হাজার টাকার একটি নোট মুদ্রণে খরচ হতো ৫ টাকা ৪৯ পয়সা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এই খরচ একলাফে দ্বিগুণের কাছাকাছি পৌঁছে ১০ টাকা ৪৪ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ এক হাজার টাকার নোট ছাপাতে ব্যয় বেড়েছে প্রায় ৯০ শতাংশ।
২০২০-২১ অর্থবছরে ৫০০ টাকার একটি নোট তৈরিতে যেখানে ৩ টাকা ৭৪ পয়সা লাগত, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ টাকা ৫৮ পয়সায়, যা আগের তুলনায় প্রায় ৭৬ শতাংশ বেশি।
১০০ টাকার নোটের ক্ষেত্রে প্রতি নোটে খরচ ৩ টাকা ৯৬ পয়সা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ টাকা ৫৮ পয়সায়, যেখানে ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে ৪১ শতাংশ। ২০০ টাকার নোট ছাপানোর খরচ ৩ টাকা ৮০ পয়সা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ টাকা ২১ পয়সা।
ক্ষুদ্র মূল্যমানের নোটগুলোর উৎপাদন খরচও ঊর্ধ্বমুখী। ২০২০-২১ অর্থবছরে ২ টাকার একটি নোট ছাপাতে খরচ হতো ১ টাকা ২০ পয়সা, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১ টাকা ৮২ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। ৫ টাকার নোট মুদ্রণ ব্যয় ১ টাকা ৫১ পয়সা থেকে বেড়ে হয়েছে ২ টাকা ৩৩ পয়সা। অবশ্য এই দুই নোট ছাপানো বন্ধ রেখেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
আর ১০ টাকার নোট মুদ্রণ খরচ ২০২০-২১ অর্থবছরের ১ টাকা ৪২ পয়সা থেকে বেড়ে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১ টাকা ৫৭ পয়সায় পৌঁছায়।

বাংলাদেশে ব্যাংকনোট ছাপানোর খরচ কিছু ক্ষেত্রে ২০০ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। ডলারের মূল্য বৃদ্ধি খরচের ক্ষেত্রে বড় প্রভাব রেখেছে। এ ছাড়া, সময়মতো পরিকল্পনা না করা, জরুরি প্রয়োজনে আকাশপথে কাঁচামাল আমদানি ও একক ঠিকাদারের কারণেও টাকা ছাপানোর খরচ বেড়ে গেছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
বাংলাদেশে টাকা ছাপানোর কাজটি করে সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেড (এসপিসিবিএল)। এখন বছরে প্রায় সাড়ে চার শ কোটি টাকা খরচ হয় নতুন নোট মুদ্রণের জন্য।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এক অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত পাঁচ বছরের ব্যবধানে ২ টাকা থেকে শুরু করে ১ হাজার টাকার নোট ছাপাতে খরচ অনেক বেড়েছে। কোনো কোনো মূল্যমানের নোট ছাপাতে উৎপাদন ব্যয় ২০০ শতাংশের বেশিও বেড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত পাঁচ বছরে সবচেয়ে বেশি মুদ্রণ ব্যয় বেড়েছে ২০ ও ৫০ টাকার নোটে। ২০২০-২১ অর্থবছরে একটি ২০ টাকার নোট ছাপাতে খরচ হতো ১ টাকা ৫৮ পয়সা, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এসে দাঁড়িয়েছে ৫ টাকা ২০ পয়সায়। অর্থাৎ এ নোটে মুদ্রণ খরচ বেড়েছে প্রায় ২২৯ শতাংশ।
অন্যদিকে ২০২০-২১ অর্থবছরে একটি ৫০ টাকার নোট ছাপাতে খরচ হতো ১ টাকা ৫২ পয়সা, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরে লাফিয়ে বেড়ে দাঁড়ায় ৪ টাকা ৮৯ পয়সায়। এই সময়ে ৫০ টাকার নোটের ছাপানো খরচ বেড়েছে ২২২ শতাংশ।
২০২০-২১ অর্থবছরে দেশের সর্বোচ্চ মূল্যমান ১ হাজার টাকার একটি নোট মুদ্রণে খরচ হতো ৫ টাকা ৪৯ পয়সা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এই খরচ একলাফে দ্বিগুণের কাছাকাছি পৌঁছে ১০ টাকা ৪৪ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ এক হাজার টাকার নোট ছাপাতে ব্যয় বেড়েছে প্রায় ৯০ শতাংশ।
২০২০-২১ অর্থবছরে ৫০০ টাকার একটি নোট তৈরিতে যেখানে ৩ টাকা ৭৪ পয়সা লাগত, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ টাকা ৫৮ পয়সায়, যা আগের তুলনায় প্রায় ৭৬ শতাংশ বেশি।
১০০ টাকার নোটের ক্ষেত্রে প্রতি নোটে খরচ ৩ টাকা ৯৬ পয়সা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ টাকা ৫৮ পয়সায়, যেখানে ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে ৪১ শতাংশ। ২০০ টাকার নোট ছাপানোর খরচ ৩ টাকা ৮০ পয়সা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ টাকা ২১ পয়সা।
ক্ষুদ্র মূল্যমানের নোটগুলোর উৎপাদন খরচও ঊর্ধ্বমুখী। ২০২০-২১ অর্থবছরে ২ টাকার একটি নোট ছাপাতে খরচ হতো ১ টাকা ২০ পয়সা, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১ টাকা ৮২ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। ৫ টাকার নোট মুদ্রণ ব্যয় ১ টাকা ৫১ পয়সা থেকে বেড়ে হয়েছে ২ টাকা ৩৩ পয়সা। অবশ্য এই দুই নোট ছাপানো বন্ধ রেখেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
আর ১০ টাকার নোট মুদ্রণ খরচ ২০২০-২১ অর্থবছরের ১ টাকা ৪২ পয়সা থেকে বেড়ে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১ টাকা ৫৭ পয়সায় পৌঁছায়।
.png)

১ হাজার কোটি টাকার বেশি অঙ্কের খেলাপিরা ঋণ পুনঃতফসিল বা নবায়নের জন্য সর্বোচ্চ ১৫ বছর সময় পাবেন। এর মধ্যে দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ডের সুযোগ থাকছে, যে সময়ে ঋণ পরিশোধে বিরতির সুবিধা পাওয়া যাবে। সোমবার (৩১ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংক এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ব্যক্তি শ্রেণীর হিসাবধারীরা আগামী ৭ সেপ্টেম্বর থেকে তাদের আমানতের মূল অর্থ তুলতে পারবেন। এককালীন নগদায়নের মাধ্যমে সম্পূর্ণ মূল অর্থ উত্তোলনের সুযোগ পাবেন তারা। তবে এক্ষেত্রে আমানতের বিপরীতে কোনো মুনাফা দেওয়া হবে না।
৬ ঘণ্টা আগে
চলতি অর্থবছরে ভূমি উন্নয়ন কর বাবদ প্রায় ১ হাজার ২০৮ কোটি ৪৫ লাখ ১৬ হাজার টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। রোববার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ কথা জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু।
৩০ আগস্ট ২০২৬
রপ্তানিমুখী হিমায়িত খাদ্য ও মৎস্য খাতের ভঙুর অবস্থা কাটাতে এবং বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে ২ হাজার কোটি টাকার প্রাক-অর্থায়ন তহবিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আওতায় সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন ব্যবসায়ীরা।
৩০ আগস্ট ২০২৬