হিমায়িত খাদ্য খাতে দুই হাজার কোটির তহবিল, ৭% সুদে ঋণ

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ৩০ আগস্ট ২০২৬, ২২: ০৮
হিমায়িত চিংড়ি। ছবি: সংগৃহীত
হিমায়িত চিংড়ি। ছবি: সংগৃহীত

রপ্তানিমুখী হিমায়িত খাদ্য ও মৎস্য খাতের ভঙুর অবস্থা কাটাতে এবং বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে ২ হাজার কোটি টাকার প্রাক-অর্থায়ন তহবিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আওতায় সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন ব্যবসায়ীরা।

দীর্ঘ নগদ রূপান্তর চক্র, উচ্চ মজুত ব্যয় ও কোল্ড-চেইন পরিচালনায় দীর্ঘদিন ধরে স্বল্প সুদে ঋণের চাহিদার বিপরীতে তিন বছর মেয়াদি এই তহবিল করা হয়েছে। রোববার (৩০ আগস্ট) সব তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, অংশগ্রহণকারী ব্যাংকগুলো এই তহবিল থেকে অর্থ পাবে ৪ শতাংশ সুদে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, তফসিলি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে রপ্তানিমুখী হিমায়িত চিংড়ি, মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য এবং রেডি-টু-কুক খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো এই ঋণ পাবে। তবে ব্যাংক-কোম্পানি আইন অনুসারে খেলাপি ঋণগ্রহীতা বা খেলাপি প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া যাবে না। পাশাপাশি ইডিএফ বা ইএফপিএফের মতো অন্য কোনো সরকারি ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তহবিল থেকে সুবিধা চলমান থাকলে তারাও এই তহবিল থেকে ঋণ পাবেন না।

নীতিমালা অনুযায়ী, নতুন প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা স্থাপনে সর্বোচ্চ ৩০ কোটি টাকা এবং বিদ্যমান কারখানার সংস্কার বা আধুনিকায়নে সর্বোচ্চ ২০ কোটি টাকা পর্যন্ত মেয়াদি ঋণ পাওয়া যাবে। পাশাপাশি কাঁচামাল কেনা, শ্রমিকদের বেতন-ভাতা ও আনুষঙ্গিক পরিচালন ব্যয় মেটাতে সর্বোচ্চ ২০ কোটি টাকা পর্যন্ত চলতি মূলধন ঋণ নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

নতুন কারখানার ক্ষেত্রে এক বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ঋণ পরিশোধের সর্বোচ্চ মেয়াদ হবে সাত বছর। অন্যদিকে, সংস্কারের ক্ষেত্রে এক বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ মেয়াদ হবে পাঁচ বছর এবং চলতি মূলধনের ক্ষেত্রে মেয়াদ এক বছর হলেও সন্তোষজনক লেনদেন সাপেক্ষে তা সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত বাড়ানো যাবে।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত