স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশের রপ্তানি বাণিজ্যকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৪৩টি খাতে রপ্তানি প্রণোদনা ও নগদ সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
গত রোববার (৫ জুলাই) জারি করা ‘এফইপিডি সার্কুলার নম্বর ১৭’-এর মাধ্যমে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে সার্কুলারটিতে স্বাক্ষর করেছেন ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি ডিপার্টমেন্ট-১-এর পরিচালক মো. হারুন-অর-রশিদ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত সময়ে জাহাজীকরণ করা পণ্যের ক্ষেত্রে এই প্রণোদনা বা নগদ সহায়তার সুবিধা প্রযোজ্য হবে।
সব অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও প্রিন্সিপাল অফিসে পাঠানো এই সার্কুলারে বলা হয়েছে, রপ্তানি প্রণোদনা বা নগদ সহায়তার বিপরীতে দাখিল করা আবেদনপত্র বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত বহিঃনিরীক্ষা ফার্ম দিয়ে নিরীক্ষা করাতে হবে। এ ছাড়া আগের প্রচলিত শর্তসহ অন্যান্য সার্কুলারের নির্দেশনা যথারীতি বহাল থাকবে।
যেসব খাতে প্রণোদনা দেওয়া হবে
সার্কুলার অনুযায়ী, তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতে শুল্ক বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাকের পরিবর্তে বিকল্প নগদ সহায়তা দেওয়া হবে ১ দশমিক ৫ শতাংশ। ইউরো অঞ্চলে বস্ত্রখাত রপ্তানিকারকদের জন্য অতিরিক্ত বিশেষ সহায়তা দেওয়া হবে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ। তৈরি পোশাক খাতের (নিট, ওভেন ও সোয়েটার) অন্তর্ভুক্ত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়া হবে ৩ শতাংশ। নতুন পণ্য বা নতুন বাজারে (আমেরিকা, কানাডা, ইইউ ও যুক্তরাজ্য ছাড়া) বস্ত্র খাত সম্প্রসারণে সহায়তা দেওয়া হবে ২ শতাংশ। তৈরি পোশাক খাতে বিশেষ নগদ শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ হারে সহায়তা দেওয়া হবে।
এ ছাড়া পাট ও পাটজাত পণ্যের মধ্যে বৈচিত্র্যকৃত পাটপণ্যে ১০ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া হবে। পাটজাত চূড়ান্ত পণ্যে (হেসিয়ান, সেকিং ও সিবিসি) দেওয়া হবে ৫ শতাংশ এবং পাট সুতায় (ইয়ার্ন ও টোয়াইন) ৩ শতাংশ।
চামড়াজাত দ্রব্যাদি রপ্তানিতে প্রণোদনা (সিলিং সীমা আগের মতো বহাল) দেওয়া হবে ১০ শতাংশ। সাভার চামড়া শিল্পনগরী এবং সাভারের বাইরে নিজস্ব ইটিপি সম্পন্ন কারখানায় উৎপাদিত ক্রাস্ট লেদার ও ফিনিশড লেদার রপ্তানিতে দেওয়া হবে ৬ শতাংশ।
কৃষিপণ্য (শাকসবজি ও ফলমূল) এবং প্রক্রিয়াজাত (অ্যাগ্রোপ্রসেসিং) কৃষিপণ্যে প্রণোদনা দেওয়া হবে ১০ শতাংশ। আলু রপ্তানিতে ১০ শতাংশ, শতভাগ হালাল মাংস ও প্রক্রিয়াজাত মাংসজাত পণ্যে ১০ শতাংশ, চাল রপ্তানিতে ৩ শতাংশ, দেশে উৎপাদিত চা রপ্তানিতে ২ শতাংশ এবং শস্য ও শাকসবজির বীজ রপ্তানিতে ৮ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া হবে।
এ ছাড়া হিমায়িত চিংড়ি ২০ শতাংশ পর্যন্ত বরফ আচ্ছাদনে ৮ শতাংশ প্রণোদনা পাবে। ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বরফ আচ্ছাদনে পাবে ৭ শতাংশ। ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত পাবে ৬ শতাংশ। ৪০ শতাংশের বেশি বরফ আচ্ছাদন থাকলে পাবে ৪ শতাংশ প্রণোদনা।
অন্যান্য হিমায়িত মাছ ২০ শতাংশ পর্যন্ত বরফ আচ্ছাদনে পাবে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ, ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত হলে পাবে ২ দশমিক ৫ শতাংশ, ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত হলে পাবে ২ শতাংশ এবং ৪০ শতাংশের বেশি হলে পাবে ১ দশমিক ৫ শতাংশ।
এ ছাড়া তথ্যপ্রযুক্তি, হালকা প্রকৌশল পণ্য, অ্যাকুমুলেটর ব্যাটারি, হস্তশিল্প, ফার্নিচার রপ্তানি, মোটরসাইকেল রপ্তানিসহ মোট ৪৩টি খাতে এই প্রণোদনা দেওয়া হবে।

দেশের রপ্তানি বাণিজ্যকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৪৩টি খাতে রপ্তানি প্রণোদনা ও নগদ সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
গত রোববার (৫ জুলাই) জারি করা ‘এফইপিডি সার্কুলার নম্বর ১৭’-এর মাধ্যমে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে সার্কুলারটিতে স্বাক্ষর করেছেন ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি ডিপার্টমেন্ট-১-এর পরিচালক মো. হারুন-অর-রশিদ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত সময়ে জাহাজীকরণ করা পণ্যের ক্ষেত্রে এই প্রণোদনা বা নগদ সহায়তার সুবিধা প্রযোজ্য হবে।
সব অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও প্রিন্সিপাল অফিসে পাঠানো এই সার্কুলারে বলা হয়েছে, রপ্তানি প্রণোদনা বা নগদ সহায়তার বিপরীতে দাখিল করা আবেদনপত্র বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত বহিঃনিরীক্ষা ফার্ম দিয়ে নিরীক্ষা করাতে হবে। এ ছাড়া আগের প্রচলিত শর্তসহ অন্যান্য সার্কুলারের নির্দেশনা যথারীতি বহাল থাকবে।
যেসব খাতে প্রণোদনা দেওয়া হবে
সার্কুলার অনুযায়ী, তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতে শুল্ক বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাকের পরিবর্তে বিকল্প নগদ সহায়তা দেওয়া হবে ১ দশমিক ৫ শতাংশ। ইউরো অঞ্চলে বস্ত্রখাত রপ্তানিকারকদের জন্য অতিরিক্ত বিশেষ সহায়তা দেওয়া হবে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ। তৈরি পোশাক খাতের (নিট, ওভেন ও সোয়েটার) অন্তর্ভুক্ত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়া হবে ৩ শতাংশ। নতুন পণ্য বা নতুন বাজারে (আমেরিকা, কানাডা, ইইউ ও যুক্তরাজ্য ছাড়া) বস্ত্র খাত সম্প্রসারণে সহায়তা দেওয়া হবে ২ শতাংশ। তৈরি পোশাক খাতে বিশেষ নগদ শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ হারে সহায়তা দেওয়া হবে।
এ ছাড়া পাট ও পাটজাত পণ্যের মধ্যে বৈচিত্র্যকৃত পাটপণ্যে ১০ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া হবে। পাটজাত চূড়ান্ত পণ্যে (হেসিয়ান, সেকিং ও সিবিসি) দেওয়া হবে ৫ শতাংশ এবং পাট সুতায় (ইয়ার্ন ও টোয়াইন) ৩ শতাংশ।
চামড়াজাত দ্রব্যাদি রপ্তানিতে প্রণোদনা (সিলিং সীমা আগের মতো বহাল) দেওয়া হবে ১০ শতাংশ। সাভার চামড়া শিল্পনগরী এবং সাভারের বাইরে নিজস্ব ইটিপি সম্পন্ন কারখানায় উৎপাদিত ক্রাস্ট লেদার ও ফিনিশড লেদার রপ্তানিতে দেওয়া হবে ৬ শতাংশ।
কৃষিপণ্য (শাকসবজি ও ফলমূল) এবং প্রক্রিয়াজাত (অ্যাগ্রোপ্রসেসিং) কৃষিপণ্যে প্রণোদনা দেওয়া হবে ১০ শতাংশ। আলু রপ্তানিতে ১০ শতাংশ, শতভাগ হালাল মাংস ও প্রক্রিয়াজাত মাংসজাত পণ্যে ১০ শতাংশ, চাল রপ্তানিতে ৩ শতাংশ, দেশে উৎপাদিত চা রপ্তানিতে ২ শতাংশ এবং শস্য ও শাকসবজির বীজ রপ্তানিতে ৮ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া হবে।
এ ছাড়া হিমায়িত চিংড়ি ২০ শতাংশ পর্যন্ত বরফ আচ্ছাদনে ৮ শতাংশ প্রণোদনা পাবে। ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বরফ আচ্ছাদনে পাবে ৭ শতাংশ। ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত পাবে ৬ শতাংশ। ৪০ শতাংশের বেশি বরফ আচ্ছাদন থাকলে পাবে ৪ শতাংশ প্রণোদনা।
অন্যান্য হিমায়িত মাছ ২০ শতাংশ পর্যন্ত বরফ আচ্ছাদনে পাবে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ, ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত হলে পাবে ২ দশমিক ৫ শতাংশ, ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত হলে পাবে ২ শতাংশ এবং ৪০ শতাংশের বেশি হলে পাবে ১ দশমিক ৫ শতাংশ।
এ ছাড়া তথ্যপ্রযুক্তি, হালকা প্রকৌশল পণ্য, অ্যাকুমুলেটর ব্যাটারি, হস্তশিল্প, ফার্নিচার রপ্তানি, মোটরসাইকেল রপ্তানিসহ মোট ৪৩টি খাতে এই প্রণোদনা দেওয়া হবে।
.png)

চীনের ইউনান প্রদেশের কুনমিংয়ের টোংদে কুনমিং প্লাজায় শুক্রবার (২১ আগস্ট) শুরু হচ্ছে ‘মেকং-লানচান ফ্রুটস ফেস্টিভ্যাল ২০২৬’। এই উৎসবে দ্বিতীয়বারের মতো সহ-আয়োজক হিসেবে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের কয়েকটি প্রতিষ্ঠান প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছে। চীনের বাজারে দেশের তাজা ও শুকনো ফল, কৃষি এবং প্রক্রিয়াজাত খা
৫ ঘণ্টা আগে
টানা তিন মাস পর জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের নিচে নামলেও বাজারে তার প্রভাব মিলছে না। নিত্যপণ্যের পাশাপাশি জ্বালানি, বিদ্যুৎ, পরিবহন ও অন্যান্য সেবার উচ্চমূল্যে সংসার সামলাতে হিমশিম নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ। মজুরি বৃদ্ধির হারের চেয়ে মূল্যস্ফীতি বেশি থাকায় কমছে সার্বিক ক্রয়ক্ষমতা।
১৯ আগস্ট ২০২৬
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ১০টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৮ হাজার ৪৮৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ থেকে ৯৩৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকা।
১৯ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে ডিজিটাল রূপান্তর এবং অবকাঠামো বিনিয়োগ ও অর্থায়ন নিয়ে দুটি যৌথ ব্যবসায়িক টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে ভারতের ব্যবসায়ী সংগঠন কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি (সিআইআই)।
১৮ আগস্ট ২০২৬