লেখা:

তারেক রহমানের সরকার নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। গণপরিবহনে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। দীর্ঘদিন ধরে বাসে নারীদের হয়রানি, অস্বস্তি ও অনিরাপত্তার অভিজ্ঞতা খুবই বাস্তব। তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। সেই জায়গা থেকে নারীদের জন্য আলাদা বাসের ব্যবস্থা কিছুটা স্বস্তির জায়গা তৈরি করতে পারে। বিআরটিসির ‘পিংক বাস’ চালুর উদ্যোগ তাই ইতিবাচকভাবেই দেখা যায়।
কিন্তু প্রশ্নটা অন্য জায়গায়।
একজন নারী প্রতিদিন অফিসে যাবেন। তিনি সকালে বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে আছেন। পিংক বাসের অপেক্ষা করছেন। ১০ মিনিট, ২০ মিনিট, আধা ঘণ্টা চলে গেল। তাঁর অফিসে পৌঁছাতে দেরি হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত তিনি একটি সাধারণ বাসে উঠলেন। সেই বাসে যদি কোনো পুরুষ তাঁকে হয়রানি করেন এবং তিনি প্রতিবাদ করেন, তখন কি তাঁকে উল্টো শুনতে হবে, ‘আপনি সাধারণ বাসে উঠেছেন কেন? নারীদের বাসে উঠলেন না কেন?’
যদি এমন প্রশ্ন ওঠে, তাহলে আমরা আসলে সমস্যার কতটা সমাধান করলাম?
একজন নারী কোন বাসে উঠবেন, সেটি তাঁর নিরাপত্তার দায় নির্ধারণ করতে পারে না। তিনি নারী বাসে উঠুন, সাধারণ বাসে উঠুন, ট্রেনে উঠুন, রিকশায় উঠুন কিংবা রাস্তায় হাঁটুন, কোনো অবস্থাতেই তাঁকে হয়রানি করার অধিকার কারও নেই। এই মৌলিক কথাটিই রাষ্ট্রীয় নীতির কেন্দ্রে থাকা দরকার।
নারীদের জন্য আলাদা বাস থাকতে পারে। অনেক নারী হয়তো এতে স্বস্তি পাবেন। কিন্তু এর পাশাপাশি সাধারণ গণপরিবহনকেও এমন নিরাপদ করতে হবে, যেখানে একজন নারী পিংক বাস না পেয়ে সাধারণ বাসে উঠলেও তাঁকে দ্বিতীয় শ্রেণির নিরাপত্তা নিয়ে চলতে হবে না।
এখানেই ‘আলাদা করে নিরাপদ রাখা’ আর ‘সবার জন্য নিরাপদ ব্যবস্থা তৈরি করা’র মধ্যে পার্থক্য।
আমাদের একটু সাবধান হতে হবে। নিরাপত্তার সমাধান হিসেবে আলাদা করে দেওয়ার নীতি খুব সহজেই একটি বড় সামাজিক নীতিতে পরিণত হতে পারে। আজ আলাদা বাস। কাল যদি বলা হয়, নারীদের জন্য আলাদা ক্লাসরুম দরকার, আলাদা স্কুল দরকার, আলাদা কলেজ দরকার, আলাদা বিশ্ববিদ্যালয় দরকার, তখন আমরা কী বলব? প্রতিটি ক্ষেত্রেই হয়তো নিরাপত্তার যুক্তি সামনে আসবে। কিন্তু তখনও প্রশ্ন থাকবে, আমরা কি নিরাপত্তার পরিবেশ তৈরি করছি, নাকি অনিরাপদ পরিবেশ থেকে নারীকে সরিয়ে নিচ্ছি?
এই প্রশ্নটি শুধু বাংলাদেশের নয়। ইতিহাসে ‘সেপারেট বাট ইকোয়েল’ নামে একটি ধারণা ছিল। সেখানে বলা হতো যে মানুষকে আলাদা রাখা যেতে পারে, যদি তাদের সুযোগ-সুবিধা সমান থাকে। যুক্তরাষ্ট্রে বর্ণবৈষম্যের ক্ষেত্রে এই ধারণা দীর্ঘদিন আইন ও নীতির অংশ ছিল। পরে ১৯৫৪ সালের ব্রাউন বনাম ভীর্ড অব এডুকেশন মামলায় মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল, সরকারি শিক্ষাব্যবস্থায় ‘সেপারেট বাট ইকোয়েল’-এর কোনো জায়গা নেই। আলাদা শিক্ষাব্যবস্থা মূলত অসম।
অবশ্যই নারী-পুরুষের আলাদা বাস এবং যুক্তরাষ্ট্রের বর্ণবৈষম্যের ইতিহাস এক জিনিস নয়। দুটি পরিস্থিতিকে এক করে দেখার কারণ নেই। কিন্তু ইতিহাসের সেই অভিজ্ঞতা আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করতে শেখায়: আলাদা ব্যবস্থা কি সবসময় সমাধান তৈরি করে? নাকি কখনো কখনো মূল সমস্যাটিকে আরও স্থায়ী করে?
আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত এমন একটি পরিবহনব্যবস্থা যেখানে নারী চাইলে আলাদা বাস ব্যবহার করতে পারবেন, কিন্তু সাধারণ বাসেও তিনি সমান নিরাপত্তা পাবেন। যেখানে বাসের চালক ও সহকারীদের জবাবদিহি থাকবে। যেখানে হয়রানির অভিযোগ করার সহজ ব্যবস্থা থাকবে। যেখানে অভিযোগ করলে ভুক্তভোগীকেই জিজ্ঞেস করা হবে না, ‘আপনি ওই বাসে উঠেছিলেন কেন?’ যেখানে একজন পুরুষ কোনো নারীকে হয়রানি করলে সামাজিকভাবে এবং আইনগতভাবে দায়টা হয়রানিকারীর ওপরই থাকবে।
কারণ একজন নারী সাধারণ বাসে উঠেছেন, সেটি কোনোভাবেই তাঁকে হয়রানির জন্য দায়ী করে না।
আরও বড় প্রশ্ন হলো, আমরা আসলে কেমন রাষ্ট্র চাই?
একটি রাষ্ট্র কি তার নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গিয়ে তাদের আলাদা আলাদা জায়গায় সরিয়ে রাখবে? নাকি এমন একটি রাষ্ট্র তৈরি করবে যেখানে মানুষ একসঙ্গে চলবে, পড়বে, কাজ করবে এবং নিরাপদ থাকবে?
অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্রের কথা বললে শুধু সুবিধা আলাদা করলেই হবে না। একই সঙ্গে এমন প্রতিষ্ঠান, আইন, পরিবহনব্যবস্থা ও সামাজিক সংস্কৃতি তৈরি করতে হবে যেখানে নারীকে নিজের নিরাপত্তার জন্য আলাদা হয়ে যেতে হবে না।
‘পিংক বাস’ হয়তো সেই যাত্রার একটি অংশ হতে পারে। কিন্তু এটিই যেন পুরো সমাধান না হয়ে যায়।
কারণ নারীর নিরাপত্তার সবচেয়ে বড় সাফল্য হবে তখনই, যখন একজন নারী বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে ভাববেন না, ‘নারীদের বাস কোনটা?’ বরং নিশ্চিন্তে ভাববেন, ‘যে বাসই আসুক, আমি নিরাপদে উঠতে পারব।’
তারেক রহমানের সরকার নিশ্চয়ই এই পার্থক্যটি বোঝে। এখন দেখার বিষয়, নারীদের জন্য আলাদা বাসের এই উদ্যোগটি কি একটি বৃহত্তর, নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক গণপরিবহন নীতির অংশ হয়, নাকি ধীরে ধীরে ‘আলাদা করে নিরাপদ রাখাই’ আমাদের নতুন সমাধান হয়ে দাঁড়ায়।
একটি ভালো রাষ্ট্র মানুষকে আলাদা করে নিরাপদ রাখে না। মানুষ যেখানে আছে, সেখানেই তাকে নিরাপদ রাখার ব্যবস্থা করে।
লেখক: ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক, করপোরেট কমিউনিকেশনসে কর্মরত

তারেক রহমানের সরকার নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। গণপরিবহনে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। দীর্ঘদিন ধরে বাসে নারীদের হয়রানি, অস্বস্তি ও অনিরাপত্তার অভিজ্ঞতা খুবই বাস্তব। তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। সেই জায়গা থেকে নারীদের জন্য আলাদা বাসের ব্যবস্থা কিছুটা স্বস্তির জায়গা তৈরি করতে পারে। বিআরটিসির ‘পিংক বাস’ চালুর উদ্যোগ তাই ইতিবাচকভাবেই দেখা যায়।
কিন্তু প্রশ্নটা অন্য জায়গায়।
একজন নারী প্রতিদিন অফিসে যাবেন। তিনি সকালে বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে আছেন। পিংক বাসের অপেক্ষা করছেন। ১০ মিনিট, ২০ মিনিট, আধা ঘণ্টা চলে গেল। তাঁর অফিসে পৌঁছাতে দেরি হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত তিনি একটি সাধারণ বাসে উঠলেন। সেই বাসে যদি কোনো পুরুষ তাঁকে হয়রানি করেন এবং তিনি প্রতিবাদ করেন, তখন কি তাঁকে উল্টো শুনতে হবে, ‘আপনি সাধারণ বাসে উঠেছেন কেন? নারীদের বাসে উঠলেন না কেন?’
যদি এমন প্রশ্ন ওঠে, তাহলে আমরা আসলে সমস্যার কতটা সমাধান করলাম?
একজন নারী কোন বাসে উঠবেন, সেটি তাঁর নিরাপত্তার দায় নির্ধারণ করতে পারে না। তিনি নারী বাসে উঠুন, সাধারণ বাসে উঠুন, ট্রেনে উঠুন, রিকশায় উঠুন কিংবা রাস্তায় হাঁটুন, কোনো অবস্থাতেই তাঁকে হয়রানি করার অধিকার কারও নেই। এই মৌলিক কথাটিই রাষ্ট্রীয় নীতির কেন্দ্রে থাকা দরকার।
নারীদের জন্য আলাদা বাস থাকতে পারে। অনেক নারী হয়তো এতে স্বস্তি পাবেন। কিন্তু এর পাশাপাশি সাধারণ গণপরিবহনকেও এমন নিরাপদ করতে হবে, যেখানে একজন নারী পিংক বাস না পেয়ে সাধারণ বাসে উঠলেও তাঁকে দ্বিতীয় শ্রেণির নিরাপত্তা নিয়ে চলতে হবে না।
এখানেই ‘আলাদা করে নিরাপদ রাখা’ আর ‘সবার জন্য নিরাপদ ব্যবস্থা তৈরি করা’র মধ্যে পার্থক্য।
আমাদের একটু সাবধান হতে হবে। নিরাপত্তার সমাধান হিসেবে আলাদা করে দেওয়ার নীতি খুব সহজেই একটি বড় সামাজিক নীতিতে পরিণত হতে পারে। আজ আলাদা বাস। কাল যদি বলা হয়, নারীদের জন্য আলাদা ক্লাসরুম দরকার, আলাদা স্কুল দরকার, আলাদা কলেজ দরকার, আলাদা বিশ্ববিদ্যালয় দরকার, তখন আমরা কী বলব? প্রতিটি ক্ষেত্রেই হয়তো নিরাপত্তার যুক্তি সামনে আসবে। কিন্তু তখনও প্রশ্ন থাকবে, আমরা কি নিরাপত্তার পরিবেশ তৈরি করছি, নাকি অনিরাপদ পরিবেশ থেকে নারীকে সরিয়ে নিচ্ছি?
এই প্রশ্নটি শুধু বাংলাদেশের নয়। ইতিহাসে ‘সেপারেট বাট ইকোয়েল’ নামে একটি ধারণা ছিল। সেখানে বলা হতো যে মানুষকে আলাদা রাখা যেতে পারে, যদি তাদের সুযোগ-সুবিধা সমান থাকে। যুক্তরাষ্ট্রে বর্ণবৈষম্যের ক্ষেত্রে এই ধারণা দীর্ঘদিন আইন ও নীতির অংশ ছিল। পরে ১৯৫৪ সালের ব্রাউন বনাম ভীর্ড অব এডুকেশন মামলায় মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল, সরকারি শিক্ষাব্যবস্থায় ‘সেপারেট বাট ইকোয়েল’-এর কোনো জায়গা নেই। আলাদা শিক্ষাব্যবস্থা মূলত অসম।
অবশ্যই নারী-পুরুষের আলাদা বাস এবং যুক্তরাষ্ট্রের বর্ণবৈষম্যের ইতিহাস এক জিনিস নয়। দুটি পরিস্থিতিকে এক করে দেখার কারণ নেই। কিন্তু ইতিহাসের সেই অভিজ্ঞতা আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করতে শেখায়: আলাদা ব্যবস্থা কি সবসময় সমাধান তৈরি করে? নাকি কখনো কখনো মূল সমস্যাটিকে আরও স্থায়ী করে?
আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত এমন একটি পরিবহনব্যবস্থা যেখানে নারী চাইলে আলাদা বাস ব্যবহার করতে পারবেন, কিন্তু সাধারণ বাসেও তিনি সমান নিরাপত্তা পাবেন। যেখানে বাসের চালক ও সহকারীদের জবাবদিহি থাকবে। যেখানে হয়রানির অভিযোগ করার সহজ ব্যবস্থা থাকবে। যেখানে অভিযোগ করলে ভুক্তভোগীকেই জিজ্ঞেস করা হবে না, ‘আপনি ওই বাসে উঠেছিলেন কেন?’ যেখানে একজন পুরুষ কোনো নারীকে হয়রানি করলে সামাজিকভাবে এবং আইনগতভাবে দায়টা হয়রানিকারীর ওপরই থাকবে।
কারণ একজন নারী সাধারণ বাসে উঠেছেন, সেটি কোনোভাবেই তাঁকে হয়রানির জন্য দায়ী করে না।
আরও বড় প্রশ্ন হলো, আমরা আসলে কেমন রাষ্ট্র চাই?
একটি রাষ্ট্র কি তার নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গিয়ে তাদের আলাদা আলাদা জায়গায় সরিয়ে রাখবে? নাকি এমন একটি রাষ্ট্র তৈরি করবে যেখানে মানুষ একসঙ্গে চলবে, পড়বে, কাজ করবে এবং নিরাপদ থাকবে?
অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্রের কথা বললে শুধু সুবিধা আলাদা করলেই হবে না। একই সঙ্গে এমন প্রতিষ্ঠান, আইন, পরিবহনব্যবস্থা ও সামাজিক সংস্কৃতি তৈরি করতে হবে যেখানে নারীকে নিজের নিরাপত্তার জন্য আলাদা হয়ে যেতে হবে না।
‘পিংক বাস’ হয়তো সেই যাত্রার একটি অংশ হতে পারে। কিন্তু এটিই যেন পুরো সমাধান না হয়ে যায়।
কারণ নারীর নিরাপত্তার সবচেয়ে বড় সাফল্য হবে তখনই, যখন একজন নারী বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে ভাববেন না, ‘নারীদের বাস কোনটা?’ বরং নিশ্চিন্তে ভাববেন, ‘যে বাসই আসুক, আমি নিরাপদে উঠতে পারব।’
তারেক রহমানের সরকার নিশ্চয়ই এই পার্থক্যটি বোঝে। এখন দেখার বিষয়, নারীদের জন্য আলাদা বাসের এই উদ্যোগটি কি একটি বৃহত্তর, নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক গণপরিবহন নীতির অংশ হয়, নাকি ধীরে ধীরে ‘আলাদা করে নিরাপদ রাখাই’ আমাদের নতুন সমাধান হয়ে দাঁড়ায়।
একটি ভালো রাষ্ট্র মানুষকে আলাদা করে নিরাপদ রাখে না। মানুষ যেখানে আছে, সেখানেই তাকে নিরাপদ রাখার ব্যবস্থা করে।
লেখক: ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক, করপোরেট কমিউনিকেশনসে কর্মরত
.png)

অর্থবছর এপ্রিল–মার্চে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রিসভা। এই সিদ্ধান্ত এমন একটি প্রশ্নের নিষ্পত্তি ঘটাল, যা দুঃখজনকভাবে গত চুয়ান্ন বছরে কখনোই যথাযথ গুরুত্ব পায়নি। অর্থবছর ১ জুলাই–৩০ জুন থেকে সরে গিয়ে হচ্ছে ১ এপ্রিল–৩১ মার্চ হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে-a30056.jpeg)
বলতে গেলে পাঁচ দশক ধরেই বাংলাদেশের রাজনীতি দিশেহারা। ১৯৭১ সালে গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ে লাখো আত্মত্যাগের বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জন করা দেশটি সেনাশাসনসহ নানা পালাবদলের ধারাবাহিকতায় এখন পর্যন্ত ১৩ টি জাতীয় নির্বাচন পেয়েছে। এর মধ্যে গত প্রায় ২০ বছর দেশটি চালিয়েছে বামঘেষা মধ্যমপন্থি দল হিসেবে পরিচিত বাং
৫ ঘণ্টা আগে
১৭ বছরের স্বৈরশাসনের পর একটি সরকারের ছয় মাসের কার্যক্রম দিয়ে তার পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন করা কঠিন। রাষ্ট্র পরিচালনা কোনো ১০০ মিটার দৌড় নয়। এটি দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া। বিশেষ করে একটি দীর্ঘ রাজনৈতিক সংকট, গণঅভ্যুত্থান এবং ক্ষমতার পরিবর্তনের পর যে সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে
৮ ঘণ্টা আগে
শেখ হাসিনার সম্প্রতি দেশে ফেরার অঙ্গীকার করেছেন। এই অঙ্গীকার বাংলাদেশের জন্য অস্থিতিশীলতার কারণ হতে পারে। তেমনি ভারতের জন্যও এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব দেখা দিতে পারে। বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে দিল্লি সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে।