স্ট্রিম প্রতিবেদক

খাদ্য মূল্যস্ফীতি নিম্নআয়ের মানুষের ওপর চরম চাপ সৃষ্টি করছে বলে জানিয়েছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে সংস্থাটির আয়োজিত সংলাপে এ কথা জানানো হয়।
সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, গত চার বছর ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতি অর্থনীতির জন্য বড় উদ্বেগের কারণ। নিম্নআয়ের পরিবারগুলোর ব্যয়ের বড় অংশ খাদ্যে চলে যাওয়ায় খাদ্য মূল্যস্ফীতির সবচেয়ে বড় চাপ তাদের ওপর পড়ছে। এর ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও সঞ্চয়ের মতো প্রয়োজনীয় ব্যয় সংকুচিত হচ্ছে। তিনি জানান, উৎপাদন ব্যয়, বাজারজাতকরণ, সরবরাহ ব্যবস্থার ত্রুটি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অদক্ষতা, মজুতদারি ও প্রতিযোগিতার অভাব খাদ্যের দাম বাড়ার জন্য দায়ী।
সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে সিপিডির জ্যেষ্ঠ গবেষণা সহযোগী ফখরুদ্দিন আল কবীর জানান, দেশের প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষ এখনো খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে। প্রকৃত মজুরি না বাড়ায় এবং ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় অনেক পরিবার সঞ্চয় ভেঙে বা ঋণের ওপর নির্ভর করে খরচ চালাচ্ছে।
সিপিডির গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে দরিদ্র ৫ শতাংশ পরিবার তাদের মোট ব্যয়ের ৫৯ দশমিক ৮ শতাংশ খাদ্যে ব্যয় করে। অন্যদিকে সবচেয়ে ধনী ৫ শতাংশ পরিবার ব্যয় করে ২৮ দশমিক ৯ শতাংশ। বর্তমানে ভোক্তা মূল্যসূচকের (সিপিআই) প্রায় ৫৯ শতাংশই খাদ্যপণ্যের ওপর নির্ভরশীল।
গবেষণায় ১০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ছয়টি পণ্যের ক্ষেত্রে খুচরা বিক্রেতারা প্রধানত নির্দিষ্ট কিছু নগর আড়তদারদের ওপর নির্ভরশীল। এই অতিনির্ভরতার ফলে বাজারে প্রতিযোগিতা কমে যাচ্ছে এবং মূল্য অস্থিরতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সরবরাহ শৃঙ্খল যত দীর্ঘ হয়, উৎপাদক থেকে ভোক্তা পর্যায়ে মূল্যবৃদ্ধির হারও তত বাড়ে। কাঁচা মরিচের ক্ষেত্রে এ হার ১১৬ শতাংশ, চালে ১০০ শতাংশ, পেঁয়াজে ৮৭ শতাংশ, ডালে ৭৮ শতাংশ, বেগুনে ৭২ শতাংশ এবং আলুতে ৫০ শতাংশ। তবে ডিম, ব্রয়লার মুরগি, গরুর মাংস ও রুই মাছের ক্ষেত্রে এই হার তুলনামূলক কম।
সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীরা উচ্চমূল্যের প্রধান কারণ হিসেবে সরবরাহ সংকট, ব্যবসায়ীদের যোগসাজশ ও মজুতদারিকে চিহ্নিত করেছেন।
অন্যদিকে শ্রম, সার, পরিবহন ও পশুখাদ্যের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদক মূল্য বাড়লেও কৃষকের প্রকৃত আয় কমেছে; এমনকি মুরগি ও গরুর মাংস উৎপাদনে খামারিদের নিট বিপণন মার্জিন ঋণাত্মক।
ফখরুদ্দিন আল কবীর বলেন, কেবল মধ্যস্বত্বভোগীদের দায়ী না করে উৎপাদন ব্যয় ও বাজার কাঠামোর সমন্বিত উন্নয়ন প্রয়োজন। বাজার স্থিতিশীল রাখতে সিপিডি সরবরাহ শৃঙ্খলের অপ্রয়োজনীয় স্তর কমানো, পাইকারি বাজারে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা ও নিয়মিত মূল্যতথ্য প্রকাশ, কোল্ড চেইন অবকাঠামো নির্মাণ এবং কৃষকের উৎপাদন ব্যয় কমানোর সুপারিশ করেছে।
সংলাপে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, কৃষি অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক এম এ সাত্তার মণ্ডলসহ সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞগণ অংশ নেন।

খাদ্য মূল্যস্ফীতি নিম্নআয়ের মানুষের ওপর চরম চাপ সৃষ্টি করছে বলে জানিয়েছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে সংস্থাটির আয়োজিত সংলাপে এ কথা জানানো হয়।
সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, গত চার বছর ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতি অর্থনীতির জন্য বড় উদ্বেগের কারণ। নিম্নআয়ের পরিবারগুলোর ব্যয়ের বড় অংশ খাদ্যে চলে যাওয়ায় খাদ্য মূল্যস্ফীতির সবচেয়ে বড় চাপ তাদের ওপর পড়ছে। এর ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও সঞ্চয়ের মতো প্রয়োজনীয় ব্যয় সংকুচিত হচ্ছে। তিনি জানান, উৎপাদন ব্যয়, বাজারজাতকরণ, সরবরাহ ব্যবস্থার ত্রুটি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অদক্ষতা, মজুতদারি ও প্রতিযোগিতার অভাব খাদ্যের দাম বাড়ার জন্য দায়ী।
সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে সিপিডির জ্যেষ্ঠ গবেষণা সহযোগী ফখরুদ্দিন আল কবীর জানান, দেশের প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষ এখনো খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে। প্রকৃত মজুরি না বাড়ায় এবং ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় অনেক পরিবার সঞ্চয় ভেঙে বা ঋণের ওপর নির্ভর করে খরচ চালাচ্ছে।
সিপিডির গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে দরিদ্র ৫ শতাংশ পরিবার তাদের মোট ব্যয়ের ৫৯ দশমিক ৮ শতাংশ খাদ্যে ব্যয় করে। অন্যদিকে সবচেয়ে ধনী ৫ শতাংশ পরিবার ব্যয় করে ২৮ দশমিক ৯ শতাংশ। বর্তমানে ভোক্তা মূল্যসূচকের (সিপিআই) প্রায় ৫৯ শতাংশই খাদ্যপণ্যের ওপর নির্ভরশীল।
গবেষণায় ১০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ছয়টি পণ্যের ক্ষেত্রে খুচরা বিক্রেতারা প্রধানত নির্দিষ্ট কিছু নগর আড়তদারদের ওপর নির্ভরশীল। এই অতিনির্ভরতার ফলে বাজারে প্রতিযোগিতা কমে যাচ্ছে এবং মূল্য অস্থিরতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সরবরাহ শৃঙ্খল যত দীর্ঘ হয়, উৎপাদক থেকে ভোক্তা পর্যায়ে মূল্যবৃদ্ধির হারও তত বাড়ে। কাঁচা মরিচের ক্ষেত্রে এ হার ১১৬ শতাংশ, চালে ১০০ শতাংশ, পেঁয়াজে ৮৭ শতাংশ, ডালে ৭৮ শতাংশ, বেগুনে ৭২ শতাংশ এবং আলুতে ৫০ শতাংশ। তবে ডিম, ব্রয়লার মুরগি, গরুর মাংস ও রুই মাছের ক্ষেত্রে এই হার তুলনামূলক কম।
সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীরা উচ্চমূল্যের প্রধান কারণ হিসেবে সরবরাহ সংকট, ব্যবসায়ীদের যোগসাজশ ও মজুতদারিকে চিহ্নিত করেছেন।
অন্যদিকে শ্রম, সার, পরিবহন ও পশুখাদ্যের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদক মূল্য বাড়লেও কৃষকের প্রকৃত আয় কমেছে; এমনকি মুরগি ও গরুর মাংস উৎপাদনে খামারিদের নিট বিপণন মার্জিন ঋণাত্মক।
ফখরুদ্দিন আল কবীর বলেন, কেবল মধ্যস্বত্বভোগীদের দায়ী না করে উৎপাদন ব্যয় ও বাজার কাঠামোর সমন্বিত উন্নয়ন প্রয়োজন। বাজার স্থিতিশীল রাখতে সিপিডি সরবরাহ শৃঙ্খলের অপ্রয়োজনীয় স্তর কমানো, পাইকারি বাজারে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা ও নিয়মিত মূল্যতথ্য প্রকাশ, কোল্ড চেইন অবকাঠামো নির্মাণ এবং কৃষকের উৎপাদন ব্যয় কমানোর সুপারিশ করেছে।
সংলাপে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, কৃষি অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক এম এ সাত্তার মণ্ডলসহ সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞগণ অংশ নেন।
.png)

আগস্টে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগস্টের জন্য সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ভোক্তা পর্যায়ে ফার্নেস অয়েলের দাম লিটারে ৮ টাকা ৭১ পয়সা কমিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন দর অনুযায়ী প্রতি লিটার তেল ১০০ টাকা ৩৯ পয়সায় বিক্রি হবে।
৩ ঘণ্টা আগে
স্বয়ংক্রিয় কর ফেরতের দাবির মধ্যেই উৎসে কর কর্তনকারীদের জন্য উইথহোল্ডিং আইডেন্টিফিকেশন নম্বর বা ‘ডব্লিউআইএন’ আইডি চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনবিআর। আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী তিনটি শ্রেণিতে এই স্বতন্ত্র পরিচিতি নম্বর দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।
২৯ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও পাট খাতে ৩০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে তুরস্কের শীর্ষস্থানীয় টেক্সটাইল প্রতিষ্ঠান সানকো। প্রতিষ্ঠানটি চট্টগ্রামের মিরসরাই শিল্পাঞ্চলে একটি সমন্বিত টেক্সটাইল উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা করছে।
২৮ জুলাই ২০২৬