মাহজাবিন নাফিসা

একসময় দেশের প্রায় প্রতিটি গ্রামেই বাড়ির আঙিনায় দু-চারটি দেশি মুরগি পালন করা হতো। উদ্দেশ্য ছিল পরিবারের জন্য ডিম ও মাংসের জোগান। বাজারের সঙ্গে এর সম্পর্ক ছিল খুবই সীমিত।
বর্তমানে সেই চিত্র বদলে গেছে। দাম কিছুটা হাতের নাগালে হওয়ায় এখন অধিকাংশ মানুষেরই প্রোটিনের চাহিদা মেটে ব্রয়লার মুরগি থেকে। এর আরেক নাম ‘ফার্মের মুরগি’।
পোলট্রি ফার্ম দেশের অন্যতম বড় কৃষিভিত্তিক শিল্প। খামার, হ্যাচারি, ফিড মিল, ভ্যাকসিন, ওষুধ, পরিবহন, পাইকারি বাজার, খুচরা বিক্রি—সব মিলিয়ে একটি বিশাল অর্থনৈতিক শৃঙ্খল গড়ে উঠেছে। দেশের প্রাণিজ প্রোটিনের চাহিদা পূরণে এই খাতের অবদান এখন সবচেয়ে বেশি।
কিন্তু তারপরেও ‘ফার্মের মুরগি’ কীভাবে কালক্রমে একটি নেতিবাচক শব্দ হয়ে উঠল, সেটি এক বড় প্রশ্ন।
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি ছিল পুষ্টি। মানুষের খাদ্যতালিকায় প্রাণিজ প্রোটিনের পরিমাণ ছিল খুবই কম। গরু বা খাসির মাংস অধিকাংশ পরিবারের নাগালের বাইরে ছিল, মাছের উৎপাদনও তখন আজকের মতো ছিল না। বেশিরভাগ পরিবারেই মাসে বা দুই মাসে একবার লাল মাংস খাওয়া হতো।
এই বাস্তবতায় সরকার প্রতিদিনের প্রোটিনের বিকল্প উৎস হিসেবে হাঁস-মুরগি পালনকে গুরুত্ব দিতে শুরু করে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ধীরে ধীরে দেশি পদ্ধতির বদলে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মুরগি পালনের ধারণা ছড়িয়ে দেয়। একই সময়ে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, বিশেষ করে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন প্রকল্প বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ খাতে প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে শুরু করে। এর ফলে উন্নত জাতের লেয়ার ও ব্রয়লার মুরগি, টিকা, রোগ ব্যবস্থাপনা এবং আধুনিক খামার পরিচালনার ধারণা ধীরে ধীরে দেশে বিস্তার লাভ করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আশির দশক থেকেই বাংলাদেশের বাণিজ্যিক পোলট্রি শিল্পের ভিত্তি তৈরি হতে শুরু করে। তবে প্রকৃত বিস্তার ঘটে নব্বইয়ের দশকে। তখন বাজারে গিয়ে যে কেউ অনায়াসে বলত, ‘এক কেজি ফার্মের মুরগি দিন।’ এখানে কোনো শ্রেণিগত ইঙ্গিত ছিল না।
কিন্তু আজ কাউকে ‘ফার্মের মুরগি’ বলা মানে তাকে দুর্বল, নিয়ন্ত্রিত, পরনির্ভরশীল কিংবা চিন্তাশক্তিহীন মানুষ হিসেবে চিহ্নিত করা।
মার্কিন ভাষাবিজ্ঞানী জর্জ ল্যাকফ দেখিয়েছেন, মানুষ পৃথিবীকে কেবল তথ্য দিয়ে বোঝে না। সে রূপক ও মানসিক কাঠামোর মাধ্যমে বোঝে। আমাদের চিন্তার বড় অংশই রূপকনির্ভর। তাই ফার্মের মুরগি বলতে আমরা কোনো মুরগিকে বুঝি না; বুঝি এমন একজন মানুষকে, যে নিজের পরিবেশ তৈরি করেনি, বরং অন্যের তৈরি কাঠামোর ভেতরে বেড়ে উঠেছে।
অর্থাৎ এখানে মুরগি নয়, ফ্রেমটাই আসল। এই ফ্রেমের রাজনৈতিক ব্যবহারও দেখা গেছে ২০১৮ সালে। ওই সময়ে নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের একাংশকে ‘ফার্মের মুরগি’ বলে কটাক্ষ করা হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল, এর মাধ্যমে আন্দোলনের নৈতিক বৈধতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করা। বোঝানো হয়েছিল, তারা নিজেরা ভাবছে না; কেউ তাদের পরিচালনা করছে।
তারও আগে ২০১৫ সালে একই শব্দ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ‘ভ্যাট আন্দোলনের’ সময়েও ব্যবহৃত হতে দেখা গেছে। অভিযোগ করা হয়, তারা নাকি ‘বাস্তব জীবন’ চেনে না; তারা অতিরিক্ত সুরক্ষিত পরিবেশে বড় হয়েছে। তাদের সংগ্রামের অভিজ্ঞতা কম।
ভাষা কেবল মতামত প্রকাশ করে না; এটি ক্ষমতার সম্পর্কও তৈরি করে। যেমন সমাজতাত্ত্বিক হাওয়ার্ড বেকার তাঁর লেবেলিং থিওরিতে দেখিয়েছেন, সমাজ মানুষকে শুধু বিচার করে না; তাকে একটি পরিচয়ও দেয়। আর সেই পরিচয়ই ধীরে ধীরে সামাজিক বাস্তবতায় পরিণত হয়। কাউকে ‘অপরাধী’, ‘অযোগ্য’ বা ‘উচ্ছৃঙ্খল’ বলা শুধু একটি বর্ণনা নয়; এটি একটি সামাজিক অবস্থানও তৈরি করে।
ফার্মের মুরগিও ঠিক তেমন একটি লেবেল। একটি শব্দের মাধ্যমে পুরো একটি গোষ্ঠীকে বলা হচ্ছে—তোমরা স্বাধীন নও, তোমরা তৈরি হয়েছ অন্যের কারখানায়। এখানে ব্যক্তির পরিচয় হারিয়ে যায়। থেকে যায় কেবল স্টেরিওটাইপ।
সমাজবিজ্ঞানী আর্ভিং গফম্যান তাঁর স্টিগমা গ্রন্থে দেখিয়েছেন, সমাজ প্রায়ই কিছু পরিচয়কে ‘নেতিবাচক’ পরিচয়ে রূপ দেয়। তখন মানুষকে তার ব্যক্তিত্ব দিয়ে নয়, বরং একটি সামাজিক ট্যাগ দিয়ে দেখা হয়। এখন ‘ফার্মের মুরগি’ সেই ধরনেরই একটি নেতিবাচক পরিচয়।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমরা কেন এই ধরনের শব্দ এত সহজে গ্রহণ করি? মনোবিজ্ঞান এর একটি ব্যাখ্যা দেয়।
মানুষের মস্তিষ্ক জটিল বাস্তবতাকে সরল করতে চায়। একে বলা হয় কগনিটিভ শর্টকাট বা মানসিক শর্টকাট। একজন মানুষের শিক্ষা, অভিজ্ঞতা, পারিবারিক পরিবেশ, রাজনৈতিক অবস্থান—এসব বিশ্লেষণ করা কঠিন। তার চেয়ে তাকে ফার্মের মুরগি বলে দেওয়া অনেক সহজ।
আরেকটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন ফরাসি সমাজতাত্ত্বিক পিয়েরে বুর্দো। তাঁর মতে, ভাষা কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়; ভাষা নিজেই ক্ষমতা। যে গোষ্ঠী সমাজে সাংস্কৃতিক কর্তৃত্ব অর্জন করে, তারাই ঠিক করে কোন শব্দ সম্মানের হবে, কোন শব্দ অপমানের হবে। সুতরাং ফার্মের মুরগি কোনো স্বাভাবিক গালি নয়; এটি সামাজিক ক্ষমতার ফল।
মানুষকে অপমান করতে আমাদের সমাজে প্রাণীর নাম বহুদিন ধরেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। যেমন গাধা, ছাগল, শূকর, কুকুর, শিয়াল ইত্যাদি। কিন্তু ফার্মের মুরগি আলাদা। এখানে প্রাণীটি নয়, উৎপাদনব্যবস্থাই অপমানের প্রতীক। মানুষ আসলে মুরগিকে নয়, শিল্পায়িত ও নিয়ন্ত্রিত জীবনের ধারণাকেই ব্যঙ্গ করছে।
ভাষা এভাবেই কাজ করে। ভাষা বাস্তবতার অনুলিপি নয়। ভাষা সমাজের কল্পনা, ক্ষমতা, শ্রেণিবোধ এবং সাংস্কৃতিক পক্ষপাতের আয়না।

একসময় দেশের প্রায় প্রতিটি গ্রামেই বাড়ির আঙিনায় দু-চারটি দেশি মুরগি পালন করা হতো। উদ্দেশ্য ছিল পরিবারের জন্য ডিম ও মাংসের জোগান। বাজারের সঙ্গে এর সম্পর্ক ছিল খুবই সীমিত।
বর্তমানে সেই চিত্র বদলে গেছে। দাম কিছুটা হাতের নাগালে হওয়ায় এখন অধিকাংশ মানুষেরই প্রোটিনের চাহিদা মেটে ব্রয়লার মুরগি থেকে। এর আরেক নাম ‘ফার্মের মুরগি’।
পোলট্রি ফার্ম দেশের অন্যতম বড় কৃষিভিত্তিক শিল্প। খামার, হ্যাচারি, ফিড মিল, ভ্যাকসিন, ওষুধ, পরিবহন, পাইকারি বাজার, খুচরা বিক্রি—সব মিলিয়ে একটি বিশাল অর্থনৈতিক শৃঙ্খল গড়ে উঠেছে। দেশের প্রাণিজ প্রোটিনের চাহিদা পূরণে এই খাতের অবদান এখন সবচেয়ে বেশি।
কিন্তু তারপরেও ‘ফার্মের মুরগি’ কীভাবে কালক্রমে একটি নেতিবাচক শব্দ হয়ে উঠল, সেটি এক বড় প্রশ্ন।
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি ছিল পুষ্টি। মানুষের খাদ্যতালিকায় প্রাণিজ প্রোটিনের পরিমাণ ছিল খুবই কম। গরু বা খাসির মাংস অধিকাংশ পরিবারের নাগালের বাইরে ছিল, মাছের উৎপাদনও তখন আজকের মতো ছিল না। বেশিরভাগ পরিবারেই মাসে বা দুই মাসে একবার লাল মাংস খাওয়া হতো।
এই বাস্তবতায় সরকার প্রতিদিনের প্রোটিনের বিকল্প উৎস হিসেবে হাঁস-মুরগি পালনকে গুরুত্ব দিতে শুরু করে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ধীরে ধীরে দেশি পদ্ধতির বদলে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মুরগি পালনের ধারণা ছড়িয়ে দেয়। একই সময়ে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, বিশেষ করে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন প্রকল্প বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ খাতে প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে শুরু করে। এর ফলে উন্নত জাতের লেয়ার ও ব্রয়লার মুরগি, টিকা, রোগ ব্যবস্থাপনা এবং আধুনিক খামার পরিচালনার ধারণা ধীরে ধীরে দেশে বিস্তার লাভ করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আশির দশক থেকেই বাংলাদেশের বাণিজ্যিক পোলট্রি শিল্পের ভিত্তি তৈরি হতে শুরু করে। তবে প্রকৃত বিস্তার ঘটে নব্বইয়ের দশকে। তখন বাজারে গিয়ে যে কেউ অনায়াসে বলত, ‘এক কেজি ফার্মের মুরগি দিন।’ এখানে কোনো শ্রেণিগত ইঙ্গিত ছিল না।
কিন্তু আজ কাউকে ‘ফার্মের মুরগি’ বলা মানে তাকে দুর্বল, নিয়ন্ত্রিত, পরনির্ভরশীল কিংবা চিন্তাশক্তিহীন মানুষ হিসেবে চিহ্নিত করা।
মার্কিন ভাষাবিজ্ঞানী জর্জ ল্যাকফ দেখিয়েছেন, মানুষ পৃথিবীকে কেবল তথ্য দিয়ে বোঝে না। সে রূপক ও মানসিক কাঠামোর মাধ্যমে বোঝে। আমাদের চিন্তার বড় অংশই রূপকনির্ভর। তাই ফার্মের মুরগি বলতে আমরা কোনো মুরগিকে বুঝি না; বুঝি এমন একজন মানুষকে, যে নিজের পরিবেশ তৈরি করেনি, বরং অন্যের তৈরি কাঠামোর ভেতরে বেড়ে উঠেছে।
অর্থাৎ এখানে মুরগি নয়, ফ্রেমটাই আসল। এই ফ্রেমের রাজনৈতিক ব্যবহারও দেখা গেছে ২০১৮ সালে। ওই সময়ে নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের একাংশকে ‘ফার্মের মুরগি’ বলে কটাক্ষ করা হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল, এর মাধ্যমে আন্দোলনের নৈতিক বৈধতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করা। বোঝানো হয়েছিল, তারা নিজেরা ভাবছে না; কেউ তাদের পরিচালনা করছে।
তারও আগে ২০১৫ সালে একই শব্দ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ‘ভ্যাট আন্দোলনের’ সময়েও ব্যবহৃত হতে দেখা গেছে। অভিযোগ করা হয়, তারা নাকি ‘বাস্তব জীবন’ চেনে না; তারা অতিরিক্ত সুরক্ষিত পরিবেশে বড় হয়েছে। তাদের সংগ্রামের অভিজ্ঞতা কম।
ভাষা কেবল মতামত প্রকাশ করে না; এটি ক্ষমতার সম্পর্কও তৈরি করে। যেমন সমাজতাত্ত্বিক হাওয়ার্ড বেকার তাঁর লেবেলিং থিওরিতে দেখিয়েছেন, সমাজ মানুষকে শুধু বিচার করে না; তাকে একটি পরিচয়ও দেয়। আর সেই পরিচয়ই ধীরে ধীরে সামাজিক বাস্তবতায় পরিণত হয়। কাউকে ‘অপরাধী’, ‘অযোগ্য’ বা ‘উচ্ছৃঙ্খল’ বলা শুধু একটি বর্ণনা নয়; এটি একটি সামাজিক অবস্থানও তৈরি করে।
ফার্মের মুরগিও ঠিক তেমন একটি লেবেল। একটি শব্দের মাধ্যমে পুরো একটি গোষ্ঠীকে বলা হচ্ছে—তোমরা স্বাধীন নও, তোমরা তৈরি হয়েছ অন্যের কারখানায়। এখানে ব্যক্তির পরিচয় হারিয়ে যায়। থেকে যায় কেবল স্টেরিওটাইপ।
সমাজবিজ্ঞানী আর্ভিং গফম্যান তাঁর স্টিগমা গ্রন্থে দেখিয়েছেন, সমাজ প্রায়ই কিছু পরিচয়কে ‘নেতিবাচক’ পরিচয়ে রূপ দেয়। তখন মানুষকে তার ব্যক্তিত্ব দিয়ে নয়, বরং একটি সামাজিক ট্যাগ দিয়ে দেখা হয়। এখন ‘ফার্মের মুরগি’ সেই ধরনেরই একটি নেতিবাচক পরিচয়।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমরা কেন এই ধরনের শব্দ এত সহজে গ্রহণ করি? মনোবিজ্ঞান এর একটি ব্যাখ্যা দেয়।
মানুষের মস্তিষ্ক জটিল বাস্তবতাকে সরল করতে চায়। একে বলা হয় কগনিটিভ শর্টকাট বা মানসিক শর্টকাট। একজন মানুষের শিক্ষা, অভিজ্ঞতা, পারিবারিক পরিবেশ, রাজনৈতিক অবস্থান—এসব বিশ্লেষণ করা কঠিন। তার চেয়ে তাকে ফার্মের মুরগি বলে দেওয়া অনেক সহজ।
আরেকটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন ফরাসি সমাজতাত্ত্বিক পিয়েরে বুর্দো। তাঁর মতে, ভাষা কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়; ভাষা নিজেই ক্ষমতা। যে গোষ্ঠী সমাজে সাংস্কৃতিক কর্তৃত্ব অর্জন করে, তারাই ঠিক করে কোন শব্দ সম্মানের হবে, কোন শব্দ অপমানের হবে। সুতরাং ফার্মের মুরগি কোনো স্বাভাবিক গালি নয়; এটি সামাজিক ক্ষমতার ফল।
মানুষকে অপমান করতে আমাদের সমাজে প্রাণীর নাম বহুদিন ধরেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। যেমন গাধা, ছাগল, শূকর, কুকুর, শিয়াল ইত্যাদি। কিন্তু ফার্মের মুরগি আলাদা। এখানে প্রাণীটি নয়, উৎপাদনব্যবস্থাই অপমানের প্রতীক। মানুষ আসলে মুরগিকে নয়, শিল্পায়িত ও নিয়ন্ত্রিত জীবনের ধারণাকেই ব্যঙ্গ করছে।
ভাষা এভাবেই কাজ করে। ভাষা বাস্তবতার অনুলিপি নয়। ভাষা সমাজের কল্পনা, ক্ষমতা, শ্রেণিবোধ এবং সাংস্কৃতিক পক্ষপাতের আয়না।
.png)

দেশজুড়ে টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টি ও তার জেরে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা-বন্যা পরিস্থিতির মধ্যেই সোমবার (১৩ জুলাই) অনুষ্ঠিত হয়েছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন পাঁচ জেলা ছাড়া দেশের বাকি অঞ্চলে নির্ধারিত সময়সূচি মেনেই পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
চলতি বছরের জানুয়ারিতে চীনের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী প্রায় ৬০৮ কোটি টাকার চুক্তি করে। বগুড়ায় সামরিক ড্রোন উৎপাদন ও সংযোজন কারখানা করার কথা ছিল ওই চুক্তিতে। কিন্তু ছয় মাস না যেতেই এলো আরেক ঘোষণা।
৮ ঘণ্টা আগে
প্রতিবছর বর্ষা মৌসুম এলেই আবহাওয়া অফিস থেকে শোনা যায়—‘আগামী তিন দিনে বন্যার আশঙ্কা রয়েছে’, ‘পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে’ কিংবা ‘ফ্ল্যাশ ফ্লাডের সতর্কতা জারি করা হলো’ ইত্যাদি। এ বছরও এমন পূর্বাভাসের মধ্যেই চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তত সাতটি জেলায় বন্যা দেখা দিয়েছে।
১৩ জুলাই ২০২৬
ইউনেস্কো ঘোষিত ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট ও ভারতের ঐতিহাসিক স্থাপনা তাজমহল নিয়ে নতুন এক আইনি ও সামাজিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। কথিত আছে, সম্রাট শাহজাহান তাঁর স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসা ও স্মৃতি সমাধি হিসেবে তাজমহল নির্মাণ করেছেন, তবে বিতর্ক শুরু হয়েছে তাজমহলের নিচে বা একই স্থানে আগে একটি প্রাচীন শিবমন্দির ছিল, য
১২ জুলাই ২০২৬