নিখিল বাংলা কালচারাল ওয়ার সার্কাসআপনার কি কখনো মনে হইছে বাংলাদেশে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মতন একটা ঘটনা, যেটা বাংলাদেশের সব মানুষকে একছাতার নিচে এনেছিল, তার ঠিক দুই বছর পরে আমরা সবাই আর একছাতার নিচে নাই? বরং কয়েকটা ছাতার নিচে দাঁড়ায়ে বর্তমান বাংলাদেশ একটা ‘নিখিল বাংলা কালচারাল ওয়ার সমিতি’তে পরিণত হয়েছে।০২ মার্চ ২০২৬
ষষ্ঠ পর্ব•চর্যাপদ থেকে চব্বিশ: নতুন প্রজন্মের হাতে সাংস্কৃতিক সার্বভৌমত্ব১৯৫২ এর ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনে শুরু হওয়া, চব্বিশের বর্ষা বিপ্লবের হাত ধরে সফলভাবে এগিয়ে গিয়ে ২০২৬ এর ফেব্রুয়ারিতে পৌঁছে যাওয়া, চুয়াত্তর বছরের বাংলা ভাষার এই অভিযাত্রা এবং প্রেক্ষাপট অনেকটাই ভিন্ন।২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চতুর্থ পর্ব•চর্যাপদ থেকে চব্বিশ: ভাষা, স্বাধীনতা ও রাষ্ট্রগঠন—সফট পাওয়ার থেকে স্ট্র্যাটেজিক পাওয়ার১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বাংলা ভাষা কেবল যোগাযোগের মাধ্যমই নয়, বরং জাতীয় ঐক্যের প্রধান কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। গান, কবিতা, নাটক, সাহিত্য, ভাস্কর্য ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বাংলা ভাষা জাতিকে মানসিকভাবে একত্রিত রাখে।২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
তৃতীয় পর্ব•চর্যাপদ থেকে চব্বিশ: ভাষা যখন জাতীয় শক্তি১৯৫২ সাল পৃথিবীর সকল ভাষার ইতিহাসে একটি অগ্ন্যূৎপাত বা ভূমিকম্প। এখানে ভাষা কেবল সাহিত্য বা সংস্কৃতির বিষয় ছিল না, এ যেন ছিল রাষ্ট্রক্ষমতার বিরুদ্ধে বৈধতার এক পাহাড়সমান প্রশ্ন। মানুষ যখন মাতৃভাষার জন্য প্রাণ দেয়, তখন ভাষা হয়ে যায় সার্বভৌমত্বের প্রতীক।২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দ্বিতীয় পর্ব•চর্যাপদ থেকে চব্বিশ: আলাওল থেকে আল মাহমুদ—ভাষাকেন্দ্রিক জাতীয় সাংস্কৃতিক শক্তিবাংলা ভাষার প্রাচীন থেকে নবীন সকল কবি সাহিত্যিক প্রমাণ করেছেন যে ভাষা হলো জাতির ভিতরের শক্তি যা মানুষের মধ্যে চিন্তা, অনুভূতি ও প্রতিরোধ জাগায়। এটি শুধুই সাহিত্যিক সৌন্দর্য নয়; ভাষা নিজেই একটি সাংস্কৃতিক অস্ত্র, যা জাতিকে অদৃশ্যভাবে সংযুক্ত রাখে।২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
তোমাক ভালোবাসি ফেলচোম...হারিয়ে যাচ্ছে গাইবান্ধার এই আঞ্চলিক ভাষা‘যেদিন মুই তোমাক পতথম দেখচোম, সেইদিন থাইকেই মুই তোমাক ভালোবাসি ফেলচোম...’—গাইবান্ধার আঞ্চলিক ভাষার এমন মায়াবী আর আবেগময় প্রকাশ আজ আর আগের মতো শোনা যায় না। আধুনিকতা, শহরমুখী জীবনযাত্রা আর প্রমিত বাংলার প্রভাবে ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে রংপুরি বা কামতাপুরি উপ-ভাষার এই স্বতন্ত্র রূপটি। সচেতন মহল মনে করছেন,২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রথম পর্বচর্যাপদ থেকে চব্বিশ: ভাষা যখন জাতির আত্মার প্রথম স্থাপত্যভাষা কখনও নিছক যোগাযোগের উপায় নয়। ভাষার মাধ্যমেই গড়ে ওঠে একটি জাতির ইতিহাস, স্মৃতি, সংস্কৃতি, মূল্যবোধ ও ভবিষ্যৎ স্বপ্নের বিন্যাস। ভাষা যখন আঘাতপ্রাপ্ত হয়, জাতির আত্মাও আহত হয়। আবার ভাষা যখন জাগ্রত হয়, তখন জাতিসত্তা শক্তিরূপে উদ্ভাসিত হয়।২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
অমর একুশে•চোখের সামনেই হারিয়ে যাচ্ছে ভাষা, স্মৃতিকাতর শেষ ২ কথকমৌলভীবাজারের একটি চা বাগানে বাস দুই বোন– ভেরোনিকা কেরকেটা ও খ্রিস্টিনা কেরকেটার। তাদের আরেক পরিচয়– ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ‘খাড়িয়ার’ শেষ দুই কথক। তাঁদের কণ্ঠ থেমে গেলে চিরতরে স্তব্ধ হয়ে যাবে ভাষাটি। কারণ, চেষ্টা করেও কাউকে শেখাতে পারেননি ভাষাটি।২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সর্বস্তরে ভাষা চর্চার অধিকারে সংহত হবে একুশরাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে রফিক, জব্বার, সালাম, বরকতসহ অনেকের আত্মত্যাগ মলিন হতে বসেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের কর্মীরা।২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে বিশ্বের বিপন্ন ভাষাবিশ্বজুড়ে ভাষার তালিকা বা ক্যাটালগ তৈরি করা সংস্থা এথনোলগের তথ্যমতে, ইংরেজি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি কথিত ভাষা। ১৮৬টি দেশে প্রায় দেড় শ কোটি মানুষ এই ভাষায় কথা বলে। এর মধ্যে প্রতি ১০ জনের মধ্যে দুজন মানুষের মাতৃভাষা ইংরেজি। বাকি ৮০ শতাংশ মানুষ একে দ্বিতীয় বা তৃতীয় ভাষা হিসেবে ব্যবহার করে।২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভাষার গল্প - কর্নিশভাষা একবার মরে গেলে আর ফিরে আসে না—এমনটাই মনে করতেন ভাষাবিজ্ঞানীরা। অর্থাৎ কোনো ভাষার শেষ মাতৃভাষী মানুষটি মারা গেলে, সেই ভাষা চিরতরে হারিয়ে যায়। কিন্তু এই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে ইংল্যান্ডের কর্নওয়াল অঞ্চলের একটি ভাষা—কর্নিশ।২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬