স্ট্রিম প্রতিবেদক

বাংলাদেশে একজন হিন্দু নারী শিক্ষককে ইসলামপন্থীরা হামলা করেছেন দাবি করে রাজবাড়ীর একটি ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ছড়িয়ে পড়েছে।
Vikas Pokhariyal (@vikasindiafirst) নামের একটি ভেরিফায়েড এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে সোমবার (৩১ আগস্ট) ভিডিওটি পোস্ট করা হয়। ক্যাপশনে লেখা হয়, ‘Female Hindu teacher attacked by Islamists in Bangladesh’, অর্থাৎ বাংলাদেশে একজন হিন্দু নারী শিক্ষককে ইসলামপন্থীরা হামলা করেছেন।
প্রতিবেদন তৈরির সময় পর্যন্ত ভিডিওটি ৪৮ হাজার ৭০০ বারের বেশি দেখা হয়েছে। এতে প্রায় ২ হাজার ৩০০ লাইক, ৯৪৭ রিপোস্ট এবং ১০৮টি রিপ্লাই রয়েছে। পাশাপাশি পোস্টটি ১৫৯ বার বুকমার্ক করা হয়েছে।
তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ভিডিওটির ক্যাপশনে দেওয়া দাবি সঠিক নয়। ভিডিওটি মূলত কাদেরিয়া সুপার মার্কেটে জাকিয়া সুলতানাকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার দৃশ্য।
ভিডিওটি নিয়ে যা জানা গেল
ভাইরাল ভিডিওটির বিভিন্ন স্থিরচিত্র ও ঘটনার সূত্র ধরে অনুসন্ধানে রাজবাড়ীর স্থানীয় ফেসবুক পেজ Voice of Rajbari-তে ঘটনাটির ভিডিও পাওয়া যায়। ওই সূত্র ধরে ঘটনার প্রেক্ষাপট যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে কথা বলে স্ট্রিম। যাচাইয়ে জানা যায়, ভিডিওর নারী জাকিয়া সুলতানা। তিনি রাজবাড়ী শহরের কাদেরিয়া সুপার মার্কেটের ‘আস্থা’ নামের একটি পোশাকের দোকানের পরিচালক।
ঘটনার সূত্রপাত ও বিরোধের কারণ নিয়ে জাকিয়া সুলতানা ও তাঁর সাবেক কর্মচারী শাহানা পারভীন বৃষ্টি ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন।
জাকিয়া সুলতানার দাবি, ২৩ আগস্ট বৃষ্টি তাঁর দোকানে এসে হামলা করেন এবং এর প্রতিবাদে ২৯ আগস্ট দুপুরে দোকানের সামনে মানববন্ধন করার সময় আবারও তাঁর ওপর হামলা হয়।
অন্যদিকে বৃষ্টি দাবি করেন, তিনি ‘আস্থা’য় কাজ না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজে ব্যবসা শুরু করার পর তাঁদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। তিনি বেতন বকেয়া রাখাসহ জাকিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি অভিযোগ করেন।
জাকিয়া সুলতানার দাবি, পুলিশ নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার সময় কয়েকজন তাঁকে থাপ্পড় ও ঘুষি মারেন।
রাজবাড়ী সদর থানার ওসি উত্তম কুমার ঘোষও স্ট্রিমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ‘আস্থা’র মালিককে উদ্ধার করে নিয়ে আসে এবং পরে কয়েকজন তাঁকে থাপ্পড় ও ঘুষি মারেন।
ধর্মীয় হামলার কোনো প্রমাণ নেই
এক্সে ছড়ানো পোস্টে জাকিয়া সুলতানাকে ‘Hindu teacher’ এবং হামলাকারীদের ‘Islamists’ হিসেবে উল্লেখ করা হলেও ঘটনার সঙ্গে ধর্মীয় পরিচয়ের কোনো যোগসূত্র পাওয়া যায়নি।
জাকিয়া সুলতানা, তাঁর সাবেক কর্মচারী, স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং পুলিশের বক্তব্যে কেউই ধর্মীয় বিরোধ বা ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে হামলার কথা বলেননি।

বাংলাদেশে একজন হিন্দু নারী শিক্ষককে ইসলামপন্থীরা হামলা করেছেন দাবি করে রাজবাড়ীর একটি ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ছড়িয়ে পড়েছে।
Vikas Pokhariyal (@vikasindiafirst) নামের একটি ভেরিফায়েড এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে সোমবার (৩১ আগস্ট) ভিডিওটি পোস্ট করা হয়। ক্যাপশনে লেখা হয়, ‘Female Hindu teacher attacked by Islamists in Bangladesh’, অর্থাৎ বাংলাদেশে একজন হিন্দু নারী শিক্ষককে ইসলামপন্থীরা হামলা করেছেন।
প্রতিবেদন তৈরির সময় পর্যন্ত ভিডিওটি ৪৮ হাজার ৭০০ বারের বেশি দেখা হয়েছে। এতে প্রায় ২ হাজার ৩০০ লাইক, ৯৪৭ রিপোস্ট এবং ১০৮টি রিপ্লাই রয়েছে। পাশাপাশি পোস্টটি ১৫৯ বার বুকমার্ক করা হয়েছে।
তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ভিডিওটির ক্যাপশনে দেওয়া দাবি সঠিক নয়। ভিডিওটি মূলত কাদেরিয়া সুপার মার্কেটে জাকিয়া সুলতানাকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার দৃশ্য।
ভিডিওটি নিয়ে যা জানা গেল
ভাইরাল ভিডিওটির বিভিন্ন স্থিরচিত্র ও ঘটনার সূত্র ধরে অনুসন্ধানে রাজবাড়ীর স্থানীয় ফেসবুক পেজ Voice of Rajbari-তে ঘটনাটির ভিডিও পাওয়া যায়। ওই সূত্র ধরে ঘটনার প্রেক্ষাপট যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে কথা বলে স্ট্রিম। যাচাইয়ে জানা যায়, ভিডিওর নারী জাকিয়া সুলতানা। তিনি রাজবাড়ী শহরের কাদেরিয়া সুপার মার্কেটের ‘আস্থা’ নামের একটি পোশাকের দোকানের পরিচালক।
ঘটনার সূত্রপাত ও বিরোধের কারণ নিয়ে জাকিয়া সুলতানা ও তাঁর সাবেক কর্মচারী শাহানা পারভীন বৃষ্টি ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন।
জাকিয়া সুলতানার দাবি, ২৩ আগস্ট বৃষ্টি তাঁর দোকানে এসে হামলা করেন এবং এর প্রতিবাদে ২৯ আগস্ট দুপুরে দোকানের সামনে মানববন্ধন করার সময় আবারও তাঁর ওপর হামলা হয়।
অন্যদিকে বৃষ্টি দাবি করেন, তিনি ‘আস্থা’য় কাজ না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজে ব্যবসা শুরু করার পর তাঁদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। তিনি বেতন বকেয়া রাখাসহ জাকিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি অভিযোগ করেন।
জাকিয়া সুলতানার দাবি, পুলিশ নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার সময় কয়েকজন তাঁকে থাপ্পড় ও ঘুষি মারেন।
রাজবাড়ী সদর থানার ওসি উত্তম কুমার ঘোষও স্ট্রিমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ‘আস্থা’র মালিককে উদ্ধার করে নিয়ে আসে এবং পরে কয়েকজন তাঁকে থাপ্পড় ও ঘুষি মারেন।
ধর্মীয় হামলার কোনো প্রমাণ নেই
এক্সে ছড়ানো পোস্টে জাকিয়া সুলতানাকে ‘Hindu teacher’ এবং হামলাকারীদের ‘Islamists’ হিসেবে উল্লেখ করা হলেও ঘটনার সঙ্গে ধর্মীয় পরিচয়ের কোনো যোগসূত্র পাওয়া যায়নি।
জাকিয়া সুলতানা, তাঁর সাবেক কর্মচারী, স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং পুলিশের বক্তব্যে কেউই ধর্মীয় বিরোধ বা ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে হামলার কথা বলেননি।
.png)

ফেসবুকে একটি ভিডিও প্রচার করে দাবি করা হচ্ছে, প্রকাশ্য স্থানে অবৈধ অস্ত্র নিয়ে মহড়া দেওয়া হচ্ছে। ভিডিওটিতে দুই ব্যক্তিকে হাঁটতে দেখা যায়, যাদের দুজনের হাতেই বন্দুকের মতো দেখতে বস্তু রয়েছে। এ ধরনের আরও ভিডিও দেখুন এখানে, এখানে। তবে যাচাইয়ে দেখা যায়, ভিডিওটি প্রকাশ্যে অবৈধ অস্ত্র নিয়ে মহড়ার কোনো
২৫ আগস্ট ২০২৬
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দাবি করা হয়েছে, নিজ উপজেলা কচুয়ায় শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে (১, ২)। ভিডিওটির ক্যাপশনে তাঁকে অবমাননাকরভাবে ‘মুরগি মিলন’ উল্লেখ করে দাবি করা হয়েছে, গাড়ি ভাঙচুরের পর তিনি ফোন করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিষয়টি জানানোর অনুরোধ করেছেন।
২৪ আগস্ট ২০২৬
ফেসবুকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের নামে প্রচারিত একটি ফটোকার্ডে দাবি করা হয়েছে, নির্বাচনী খরচ বাঁচাতে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে কোনো উপনির্বাচন হবে না (১, ২)। ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা জামায়াতের প্রার্থীই ওই আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে গণ্য হবেন।
২৩ আগস্ট ২০২৬
সম্প্রতি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, রেলক্রসিংয়ের গেট না তোলায় এক ব্যক্তি গেটম্যানকে ধমক দিচ্ছেন। ভিডিওটির ক্যাপশনে দাবি করা হয়, ‘মিটিং আছে বলে রেল ক্রসিংয়ের গেট খুলে দিতে লাইনম্যানকে ধমক দিলেন এক স্থানীয় নেতা
২০ আগস্ট ২০২৬