স্ট্রিম প্রতিবেদক

সম্প্রতি মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত হন প্রতিষ্ঠানটির একজন শিক্ষক মাহরীন চৌধুরী (৪৬)। গত সোমবার (২১ মে) রাতে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার সময় শিশুদের উদ্ধর করতে গিয়ে গুরুতর আহত হন মাহরীন চৌধুরী এবং এক পর্যায়ে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মাতৃসুলভ আচরণ ও আত্মত্যাগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অত্যন্ত প্রশংসিত হয়। কিন্তু মাইলস্টোনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো অসংখ্য অপতথ্যের নিশানা থেকে মুক্তি পাননি মাহরীন চৌধুরীও।
ভিডিওটিতে মাহরীন চৌধুরীর মতো চরিত্রটিকে বলতে শোনা যায়, ‘মেহেরীন চৌধুরী। আপনাদের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, যদি আপনাদের সন্তানদের কিছু হয়, তবে আপনাদের আমার উপর দিয়ে যেতে হবে। আপনার সন্তানদের রক্ষার দায়িত্বও আমাদের। বিপদে-আপদে তাদের পাশে সবসময় থাকব।’

ঢাকা স্ট্রিমের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, মূলত মাহরীন চৌধুরীর একটি পুরোনো বক্তব্যের ভিডিও ব্যবহার করেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে বানানো হয়েছে এই ডিপফেক ভিডিও (প্রযুক্তির সহায়তায় বানানো নকল ভিডিও)। ইতোমধ্যে ভিডিওটির ভিউ ১০ লাখ ছাড়িয়েছে। অত্যন্ত নিখুঁতভাবে তৈরি হওয়ায় তা অনেকের কাছেই বিশ্বাসযোগ্য হয়ে ওঠে।
মূল ভিডিও ও ভাইরাল ভিডিওর তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে কিছু সুস্পষ্ট অসঙ্গতি পাওয়ায় ভিডিওটি প্রাথমিকভাবে ভুয়া বলে চিহ্নিত করা হয়। দেখা যায়, আসল ভিডিওতে মাহরীন চৌধুরী নিজের নাম যেভাবে উচ্চারণ করেছেন, ডিপফেক ভিডিওতে উচ্চারণ করেছেন ভিন্নভাবে। আসল ভিডিওতে বলেছেন ‘মাহরীন’, কিন্তু ডিপফেক এ বলতে শোনা যায় ‘মেহেরিন’। মেহেরিন তাঁর প্রকৃত নাম নয়।

১৭ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটিতে আরো কিছু অসঙ্গতি রয়েছে। প্রথমদিকে তাঁর হাতের চামড়া মসৃণ ও বয়সের ছাপহীন দেখালেও, কয়েক সেকেন্ড পরেই সেখানে বলিরেখা ফুটে ওঠে। এছাড়াও ভিডিওটির তিন সেকেন্ডের মাথায় তাঁর একটি আঙুল অস্বাভাবিকভাবে প্রসারিত হয়। যা মুহুর্তের মধ্যেই এক হাতে ছয়টি আঙুলের মতো প্রতীয়মান হয়।
এ ছাড়াও মূল ভিডিওর বক্তব্যের সঙ্গে ডিপফেক ভিডিওর বক্তব্যের তুলনা করে দেখা যায়, মাহরীন চৌধুরীর আসল বক্তব্যের সঙ্গে তা মিলছে না।
পরে সুনিশ্চিত হওয়ার জন্য স্ট্রিম যোগাযোগ করে আইএফসিএন স্বীকৃত তথ্য যাচাইকারী সংস্থা ফ্যাক্টওয়াচের সঙ্গে। এ প্রসঙ্গে সংস্থাটির সহকারী সম্পাদক শুভাশীষ দাস রায় দীপ স্ট্রিমকে জানান, ডিপফেক ভিডিও যাচাইকারী প্রযুক্তির মাধ্যমে দেখা গেছে যে মাহরীন চৌধুরীর ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। ইউনিভার্সিটি অব বাফেলোর একটি ডিপফেক শনাক্তকারী প্রযুক্তির মাধ্যমে এমন তথ্য জানা গেছে।

সম্প্রতি মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত হন প্রতিষ্ঠানটির একজন শিক্ষক মাহরীন চৌধুরী (৪৬)। গত সোমবার (২১ মে) রাতে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার সময় শিশুদের উদ্ধর করতে গিয়ে গুরুতর আহত হন মাহরীন চৌধুরী এবং এক পর্যায়ে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মাতৃসুলভ আচরণ ও আত্মত্যাগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অত্যন্ত প্রশংসিত হয়। কিন্তু মাইলস্টোনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো অসংখ্য অপতথ্যের নিশানা থেকে মুক্তি পাননি মাহরীন চৌধুরীও।
ভিডিওটিতে মাহরীন চৌধুরীর মতো চরিত্রটিকে বলতে শোনা যায়, ‘মেহেরীন চৌধুরী। আপনাদের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, যদি আপনাদের সন্তানদের কিছু হয়, তবে আপনাদের আমার উপর দিয়ে যেতে হবে। আপনার সন্তানদের রক্ষার দায়িত্বও আমাদের। বিপদে-আপদে তাদের পাশে সবসময় থাকব।’

ঢাকা স্ট্রিমের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, মূলত মাহরীন চৌধুরীর একটি পুরোনো বক্তব্যের ভিডিও ব্যবহার করেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে বানানো হয়েছে এই ডিপফেক ভিডিও (প্রযুক্তির সহায়তায় বানানো নকল ভিডিও)। ইতোমধ্যে ভিডিওটির ভিউ ১০ লাখ ছাড়িয়েছে। অত্যন্ত নিখুঁতভাবে তৈরি হওয়ায় তা অনেকের কাছেই বিশ্বাসযোগ্য হয়ে ওঠে।
মূল ভিডিও ও ভাইরাল ভিডিওর তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে কিছু সুস্পষ্ট অসঙ্গতি পাওয়ায় ভিডিওটি প্রাথমিকভাবে ভুয়া বলে চিহ্নিত করা হয়। দেখা যায়, আসল ভিডিওতে মাহরীন চৌধুরী নিজের নাম যেভাবে উচ্চারণ করেছেন, ডিপফেক ভিডিওতে উচ্চারণ করেছেন ভিন্নভাবে। আসল ভিডিওতে বলেছেন ‘মাহরীন’, কিন্তু ডিপফেক এ বলতে শোনা যায় ‘মেহেরিন’। মেহেরিন তাঁর প্রকৃত নাম নয়।

১৭ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটিতে আরো কিছু অসঙ্গতি রয়েছে। প্রথমদিকে তাঁর হাতের চামড়া মসৃণ ও বয়সের ছাপহীন দেখালেও, কয়েক সেকেন্ড পরেই সেখানে বলিরেখা ফুটে ওঠে। এছাড়াও ভিডিওটির তিন সেকেন্ডের মাথায় তাঁর একটি আঙুল অস্বাভাবিকভাবে প্রসারিত হয়। যা মুহুর্তের মধ্যেই এক হাতে ছয়টি আঙুলের মতো প্রতীয়মান হয়।
এ ছাড়াও মূল ভিডিওর বক্তব্যের সঙ্গে ডিপফেক ভিডিওর বক্তব্যের তুলনা করে দেখা যায়, মাহরীন চৌধুরীর আসল বক্তব্যের সঙ্গে তা মিলছে না।
পরে সুনিশ্চিত হওয়ার জন্য স্ট্রিম যোগাযোগ করে আইএফসিএন স্বীকৃত তথ্য যাচাইকারী সংস্থা ফ্যাক্টওয়াচের সঙ্গে। এ প্রসঙ্গে সংস্থাটির সহকারী সম্পাদক শুভাশীষ দাস রায় দীপ স্ট্রিমকে জানান, ডিপফেক ভিডিও যাচাইকারী প্রযুক্তির মাধ্যমে দেখা গেছে যে মাহরীন চৌধুরীর ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। ইউনিভার্সিটি অব বাফেলোর একটি ডিপফেক শনাক্তকারী প্রযুক্তির মাধ্যমে এমন তথ্য জানা গেছে।

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি পোস্ট ছড়িয়ে বলা হচ্ছে, বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন বিষয়ের অনার্স কোর্স বাতিল হচ্ছে। ফটোকার্ডে আরও বলা হয়েছে, পাঠ্যক্রমে যুক্ত হবে এআই, সাইবার সিকিউরিটি, আউটসোর্সিং ও অন্যান্য প্রযুক্তিনির্ভর বিষয়।
২ দিন আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, ডিভোর্সের পর কেউ দায়িত্ব না নেওয়ায় শিশু সন্তানকে এতিমখানায় ফেলে গেছেন জন্মদাতা বাবা-মা।
২ দিন আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, মাইন পাতার জন্য বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী বিএসএফের এক গুপ্তচরকে আটক করেছে বিজিবি। ভিডিওর ওপর বসানো লেখায় বলা হয়েছে, ‘সীমান্তে মাইন পাতার সময় ভারতীয় গুপ্তচর আটক।’
৩ দিন আগে
ফেসবুকে একটি ছবি ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, কারামুক্তির পর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী। ছবিতে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন আইভী।
৪ দিন আগে