স্ট্রিম প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক তোফায়েল আহমেদ গত ১ জুন চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে মারা যান। তাঁর মৃত্যুর পর ফেসবুকে একটি পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে। এতে দাবি করা হয়, আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে মৃত্যুর পর মুক্তিযোদ্ধা ও ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকাকে জাতীয় সংসদ ভবনে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে দেওয়া হয়নি। তাঁর মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারেও নিতে দেওয়া হয়নি।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা যায়, দাবিটি সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে, ২০১৯ সালের ৪ নভেম্বর নিউইয়র্কের মেমোরিয়াল স্লোয়ান ক্যাটারিং ক্যান্সার সেন্টারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাদেক হোসেন খোকা মারা যান। ৭ নভেম্বর মরদেহ দেশে আনার পর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজা হয়। পরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য নেওয়া হয়।
ওই সময়ের প্রথম আলোর প্রতিবেদনে বলা হয়, মরদেহ দেশে আনার পর বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তাঁর জানাজা হয়। দুপুর ১২টায় শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হয়।
বাংলা ট্রিবিউনের ৭ নভেম্বরে (২০১৯) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সাদেক হোসেন খোকার জানাজা হয়েছে। জানাজা শেষে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল শ্রদ্ধা জানিয়েছে।
সমকালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সাদেক হোসেন খোকার দ্বিতীয় জানাজা জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় হয়। জানাজা শেষে মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হয়েছে।
অর্থাৎ, সাদেক হোসেন খোকার মৃত্যু-পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে ছড়ানো দাবিটি সঠিক নয়। সংসদ ভবন ও শহীদ মিনারে তাঁকে শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ দেওয়া হয়নি—এমন তথ্য প্রামাণ্য সংবাদসূত্রের সঙ্গে মেলে না।

আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক তোফায়েল আহমেদ গত ১ জুন চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে মারা যান। তাঁর মৃত্যুর পর ফেসবুকে একটি পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে। এতে দাবি করা হয়, আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে মৃত্যুর পর মুক্তিযোদ্ধা ও ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকাকে জাতীয় সংসদ ভবনে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে দেওয়া হয়নি। তাঁর মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারেও নিতে দেওয়া হয়নি।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা যায়, দাবিটি সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে, ২০১৯ সালের ৪ নভেম্বর নিউইয়র্কের মেমোরিয়াল স্লোয়ান ক্যাটারিং ক্যান্সার সেন্টারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাদেক হোসেন খোকা মারা যান। ৭ নভেম্বর মরদেহ দেশে আনার পর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজা হয়। পরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য নেওয়া হয়।
ওই সময়ের প্রথম আলোর প্রতিবেদনে বলা হয়, মরদেহ দেশে আনার পর বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তাঁর জানাজা হয়। দুপুর ১২টায় শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হয়।
বাংলা ট্রিবিউনের ৭ নভেম্বরে (২০১৯) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সাদেক হোসেন খোকার জানাজা হয়েছে। জানাজা শেষে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল শ্রদ্ধা জানিয়েছে।
সমকালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সাদেক হোসেন খোকার দ্বিতীয় জানাজা জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় হয়। জানাজা শেষে মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হয়েছে।
অর্থাৎ, সাদেক হোসেন খোকার মৃত্যু-পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে ছড়ানো দাবিটি সঠিক নয়। সংসদ ভবন ও শহীদ মিনারে তাঁকে শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ দেওয়া হয়নি—এমন তথ্য প্রামাণ্য সংবাদসূত্রের সঙ্গে মেলে না।

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি পোস্ট ছড়িয়ে বলা হচ্ছে, বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন বিষয়ের অনার্স কোর্স বাতিল হচ্ছে। ফটোকার্ডে আরও বলা হয়েছে, পাঠ্যক্রমে যুক্ত হবে এআই, সাইবার সিকিউরিটি, আউটসোর্সিং ও অন্যান্য প্রযুক্তিনির্ভর বিষয়।
২ দিন আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, ডিভোর্সের পর কেউ দায়িত্ব না নেওয়ায় শিশু সন্তানকে এতিমখানায় ফেলে গেছেন জন্মদাতা বাবা-মা।
২ দিন আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, মাইন পাতার জন্য বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী বিএসএফের এক গুপ্তচরকে আটক করেছে বিজিবি। ভিডিওর ওপর বসানো লেখায় বলা হয়েছে, ‘সীমান্তে মাইন পাতার সময় ভারতীয় গুপ্তচর আটক।’
৩ দিন আগে
ফেসবুকে একটি ছবি ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, কারামুক্তির পর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী। ছবিতে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন আইভী।
৪ দিন আগে