ফোন বেজে উঠলেই বুক ধড়ফড় করে, মাথায় চলে আসে নানান চিন্তা? পরিচিত নাম দেখেও আঙুল যায় না ‘রিসিভ’-এ? এমন ভয় বা অস্বস্তি কেন হয়, টেলিফোবিয়া কি রোগ? আর এই সমস্যা কীভাবে সামলানো যায়? এসব জানা যাবে এ লেখায়।
অনন্ত রায়হান

সেদিন দুপুরে এক বন্ধুর ফোন এল। স্মার্টফোনের স্ক্রিনে নামটা দেখা যাচ্ছে, কিন্তু আঙুলটা কোনোভাবেই ‘রিসিভ’-এ যেতে চাইছে না। মাথায় এক মুহূর্তে ভাবনা এল, ‘কেন কল দিচ্ছে’, ‘কী বলব’। খানিকটা বুক ধড়ফড় করছে, গলা শুকিয়ে যাচ্ছে। একধরনের অজানা ভয় মনে আসছে, অস্বস্তি হচ্ছে। ভাবতে ভাবতেই শেষ পর্যন্ত ফোনটা বেজে থেমে গেল। একটু স্বস্তি, কিন্তু সঙ্গে সঙ্গেই মনেও এল একরকম অপরাধবোধ, ‘ওর ফোনটা কি ধরা উচিত ছিল না?’
এমন ঘটনা আজকাল অনেকেরই জীবনে ঘটে। ফোন বাজলে মনে হয় এখন না, পরে ধরব। কিংবা ফোন না ধরে পরে তাঁকে টেক্সট করবো। অনেক সময় পরিবার বা কাছের মানুষদের ফোন এলেও এমন হয়। আসলে এর পেছনে আছে এক ধরণের মানসিক অস্বস্তি বা ভয়, যা ধীরে ধীরে অনেকের মধ্যেই বেড়ে উঠছে।
এই ভয় বা অস্বস্তি নতুন কোনো বিষয় নয়। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই যুগে তা বেড়ে গেছে বহু গুণ। এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘টেলিফোবিয়া’ অর্থাৎ ফোন কলের প্রতি ভয় বা তীব্র অনিচ্ছা।
কিন্তু কেন এমন হয়? ফোন কল তো মানুষের যোগাযোগের সবচেয়ে সাধারণ মাধ্যম। তাহলে এতে ভয় এত ব্যাপক হলো কীভাবে?
মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, ফোনকলের প্রতি এই অস্বস্তি বা ভয় আসলে আধুনিক যোগাযোগ-সংস্কৃতির ফল। আজ আমরা কথা বলার চেয়ে লিখে বলায় বেশি স্বচ্ছন্দ। ইনবক্সে মেসেজ পাঠানো বা ভয়েস মেসেজ দেওয়া আমাদের এমন একটি পরিসর দেয়, যেখানে উত্তর দেওয়ার সময়টা আমরা নিজের মতো ঠিক করি। ভাবার সময় পাই, শব্দ বেছে নিতে পারি, আবার চাইলে মুছে ফেলি বা সম্পাদনা করতেও পারি।
অন্যদিকে ফোনকল মানেই তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দিতে হবে। এখনই উত্তর দিতে হবে, এখনই কিছু বলতে হবে। কোনো সুযোগ নেই তেমন ভেবে কথা বলার। আবার ফোনের অপরপ্রান্তের মানুষটি কেমন প্রতিক্রিয়া দেখাবে তা জানারও উপায় নেই। সে হয়তো রাগান্বিত, হয়তো খারাপ মুডে আছে বা এমন কিছু বলবে যা আমাদের প্রস্তুতিহীন করে দেয়। এই অজানার ভয় থেকেই অনেক সময় শরীরে অস্বস্তি তৈরি হয়। মনোবিজ্ঞানে এই প্রবণতাকে বলা হয় ‘ইনটলারেন্স অব আনসারটেইনিটি’, অর্থাৎ অনিশ্চয়তা সহ্য করতে না পারা।
যাদের মধ্যে এই মানসিক বৈশিষ্ট্য বেশি, তাঁরা হঠাৎ ফোনকল পেলে নার্ভাস হয়ে পড়েন। অনেকসময় ভেবে নেন এখন যদি ঠিকভাবে বলতে না পারি, যদি ভুল বোঝে, কী উত্তর দেব-এরনানান কিছু। এই চিন্তাগুলোই ভয়টাকে আরও বাড়িয়ে তোলে। ২০২২ সালে প্রকাশিত ‘বিহেভিয়ার অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলোজি’ জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, সামাজিক উদ্বেগ (স্যোসাল অ্যাংজাইটি) আর অনিশ্চয়তা সহ্য করতে না পারা এই ফোন-ভীতির প্রধান দুটি কারণ।

এই গবেষণায় অংশ নেওয়া অনেকেই বলেছেন, ফোন বাজলেই তাঁদের শরীরে অদ্ভুত সব প্রতিক্রিয়া হয়। কারো হাত ঘেমে যায়, কারো গলা শুকিয়ে আসে, আবার কারো বুক ধড়ফড় করে। কেউ কেউ বলেন, মনে হয় কোনো পরীক্ষার সামনে দাঁড়িয়ে আছি।
বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এই প্রবণতা এখন অনেক বেশি। কারণ, তাঁদের বড় হয়ে ওঠা ডিজিটাল যুগে। যেখানে বেশিরভাগ যোগাযোগ হয় মেসেজে বা চ্যাটে। সেখানে ভেবেচিন্তে উত্তর দেওয়া যায়, নিয়ন্ত্রনও থাকে। এই নিয়ন্ত্রণের অনুভূতিটাই ‘রিলিফ’ হিসেবে কাজ করে।
মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে, টেলিফোবিয়া কোনো ক্লিনিকাল ডায়াগনসিস নয়। অর্থাৎ, ডাক্তার বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা একে আলাদা রোগ হিসেবে চিহ্নিত করেন না। তবে এটি সামাজিক উদ্বেগজনিত সমস্যার একটি অংশ।
যাঁদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি, তাঁরা কল আসার মতো সাধারণ পরিস্থিতিতে অস্বস্তিতে পড়েন। অনেকে ভয়ও পান। শুরুর দিকে এই ধরণের সমস্যাকে ছোট মনে হলেও, ধীরে ধীরে তা জীবনের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। যেমন অফিসে ফোন রিসিভ না করা, প্রয়োজনীয় কল এড়িয়ে যাওয়া, বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হওয়া কিংবা সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হওয়া।
মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, যখন এই ভয় কাজ, সম্পর্ক বা দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত করতে শুরু করে, তখন বিষয়টিকে হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। এই পর্যায়ে পৌঁছালে চিকিৎসা প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে ‘কগনিটিভ বিহেভিয়ারাল থেরাপি’ কাজে দেয়। এই থেরাপির লক্ষ্য ভয়কে একদিনে দূর করা নয়, বরং ধীরে ধীরে তাকে নিয়ন্ত্রণে আনা। এই ধাপে ধাপে অভ্যস্ত হওয়ার মধ্য দিয়েই ভয়টা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কমে আসে।
টেলিফোবিয়া সামলানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো ধীরে ধীরে নিজেকে অভ্যস্ত করা। ভয়েস মেসেজে প্রথমে নিজের সঙ্গে নিজেই মেসেজ আদান-প্রদান করা। এরপর কাছের মানুষদের সঙ্গে ফোনে আড্ডা দেওয়া। এভাবে ধাপে ধাপে মস্তিষ্ক বুঝতে শেখে যে ফোনকল স্বাভাবিক ঘটনা।
রিংটোনও অনেক সময় উদ্বেগ বাড়িয়ে দেয়, তাই হঠাৎ উচ্চ শব্দের বদলে মৃদু বা প্রিয় কোনো সুর ব্যবহার করা ভালো। সব সময় ফোন ধরতেই হবে এই সামাজিক চাপ থেকেও বেরিয়ে আসা দরকার। বন্ধুকে বা সহকর্মীকে জানানো যেতে পারে যে আপনি টেক্সটে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। কিন্তু মাঝেমধ্যে সে যেন আপনাকে কল দেন কোনো প্রয়োজন ছাড়াই।
এছাড়া ফোন ধরার আগে কয়েক সেকেন্ড গভীর শ্বাস নেওয়া বা মনোসংযোগের অনুশীলন করলে শরীর শান্ত হয়, হার্টবিট স্বাভাবিক থাকে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কথোপকথনকে ‘পারফরম্যান্স’না ভেবে ‘আলাপ’হিসেবে নেওয়া।

সেদিন দুপুরে এক বন্ধুর ফোন এল। স্মার্টফোনের স্ক্রিনে নামটা দেখা যাচ্ছে, কিন্তু আঙুলটা কোনোভাবেই ‘রিসিভ’-এ যেতে চাইছে না। মাথায় এক মুহূর্তে ভাবনা এল, ‘কেন কল দিচ্ছে’, ‘কী বলব’। খানিকটা বুক ধড়ফড় করছে, গলা শুকিয়ে যাচ্ছে। একধরনের অজানা ভয় মনে আসছে, অস্বস্তি হচ্ছে। ভাবতে ভাবতেই শেষ পর্যন্ত ফোনটা বেজে থেমে গেল। একটু স্বস্তি, কিন্তু সঙ্গে সঙ্গেই মনেও এল একরকম অপরাধবোধ, ‘ওর ফোনটা কি ধরা উচিত ছিল না?’
এমন ঘটনা আজকাল অনেকেরই জীবনে ঘটে। ফোন বাজলে মনে হয় এখন না, পরে ধরব। কিংবা ফোন না ধরে পরে তাঁকে টেক্সট করবো। অনেক সময় পরিবার বা কাছের মানুষদের ফোন এলেও এমন হয়। আসলে এর পেছনে আছে এক ধরণের মানসিক অস্বস্তি বা ভয়, যা ধীরে ধীরে অনেকের মধ্যেই বেড়ে উঠছে।
এই ভয় বা অস্বস্তি নতুন কোনো বিষয় নয়। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই যুগে তা বেড়ে গেছে বহু গুণ। এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘টেলিফোবিয়া’ অর্থাৎ ফোন কলের প্রতি ভয় বা তীব্র অনিচ্ছা।
কিন্তু কেন এমন হয়? ফোন কল তো মানুষের যোগাযোগের সবচেয়ে সাধারণ মাধ্যম। তাহলে এতে ভয় এত ব্যাপক হলো কীভাবে?
মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, ফোনকলের প্রতি এই অস্বস্তি বা ভয় আসলে আধুনিক যোগাযোগ-সংস্কৃতির ফল। আজ আমরা কথা বলার চেয়ে লিখে বলায় বেশি স্বচ্ছন্দ। ইনবক্সে মেসেজ পাঠানো বা ভয়েস মেসেজ দেওয়া আমাদের এমন একটি পরিসর দেয়, যেখানে উত্তর দেওয়ার সময়টা আমরা নিজের মতো ঠিক করি। ভাবার সময় পাই, শব্দ বেছে নিতে পারি, আবার চাইলে মুছে ফেলি বা সম্পাদনা করতেও পারি।
অন্যদিকে ফোনকল মানেই তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দিতে হবে। এখনই উত্তর দিতে হবে, এখনই কিছু বলতে হবে। কোনো সুযোগ নেই তেমন ভেবে কথা বলার। আবার ফোনের অপরপ্রান্তের মানুষটি কেমন প্রতিক্রিয়া দেখাবে তা জানারও উপায় নেই। সে হয়তো রাগান্বিত, হয়তো খারাপ মুডে আছে বা এমন কিছু বলবে যা আমাদের প্রস্তুতিহীন করে দেয়। এই অজানার ভয় থেকেই অনেক সময় শরীরে অস্বস্তি তৈরি হয়। মনোবিজ্ঞানে এই প্রবণতাকে বলা হয় ‘ইনটলারেন্স অব আনসারটেইনিটি’, অর্থাৎ অনিশ্চয়তা সহ্য করতে না পারা।
যাদের মধ্যে এই মানসিক বৈশিষ্ট্য বেশি, তাঁরা হঠাৎ ফোনকল পেলে নার্ভাস হয়ে পড়েন। অনেকসময় ভেবে নেন এখন যদি ঠিকভাবে বলতে না পারি, যদি ভুল বোঝে, কী উত্তর দেব-এরনানান কিছু। এই চিন্তাগুলোই ভয়টাকে আরও বাড়িয়ে তোলে। ২০২২ সালে প্রকাশিত ‘বিহেভিয়ার অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলোজি’ জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, সামাজিক উদ্বেগ (স্যোসাল অ্যাংজাইটি) আর অনিশ্চয়তা সহ্য করতে না পারা এই ফোন-ভীতির প্রধান দুটি কারণ।

এই গবেষণায় অংশ নেওয়া অনেকেই বলেছেন, ফোন বাজলেই তাঁদের শরীরে অদ্ভুত সব প্রতিক্রিয়া হয়। কারো হাত ঘেমে যায়, কারো গলা শুকিয়ে আসে, আবার কারো বুক ধড়ফড় করে। কেউ কেউ বলেন, মনে হয় কোনো পরীক্ষার সামনে দাঁড়িয়ে আছি।
বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এই প্রবণতা এখন অনেক বেশি। কারণ, তাঁদের বড় হয়ে ওঠা ডিজিটাল যুগে। যেখানে বেশিরভাগ যোগাযোগ হয় মেসেজে বা চ্যাটে। সেখানে ভেবেচিন্তে উত্তর দেওয়া যায়, নিয়ন্ত্রনও থাকে। এই নিয়ন্ত্রণের অনুভূতিটাই ‘রিলিফ’ হিসেবে কাজ করে।
মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে, টেলিফোবিয়া কোনো ক্লিনিকাল ডায়াগনসিস নয়। অর্থাৎ, ডাক্তার বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা একে আলাদা রোগ হিসেবে চিহ্নিত করেন না। তবে এটি সামাজিক উদ্বেগজনিত সমস্যার একটি অংশ।
যাঁদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি, তাঁরা কল আসার মতো সাধারণ পরিস্থিতিতে অস্বস্তিতে পড়েন। অনেকে ভয়ও পান। শুরুর দিকে এই ধরণের সমস্যাকে ছোট মনে হলেও, ধীরে ধীরে তা জীবনের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। যেমন অফিসে ফোন রিসিভ না করা, প্রয়োজনীয় কল এড়িয়ে যাওয়া, বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হওয়া কিংবা সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হওয়া।
মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, যখন এই ভয় কাজ, সম্পর্ক বা দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত করতে শুরু করে, তখন বিষয়টিকে হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। এই পর্যায়ে পৌঁছালে চিকিৎসা প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে ‘কগনিটিভ বিহেভিয়ারাল থেরাপি’ কাজে দেয়। এই থেরাপির লক্ষ্য ভয়কে একদিনে দূর করা নয়, বরং ধীরে ধীরে তাকে নিয়ন্ত্রণে আনা। এই ধাপে ধাপে অভ্যস্ত হওয়ার মধ্য দিয়েই ভয়টা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কমে আসে।
টেলিফোবিয়া সামলানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো ধীরে ধীরে নিজেকে অভ্যস্ত করা। ভয়েস মেসেজে প্রথমে নিজের সঙ্গে নিজেই মেসেজ আদান-প্রদান করা। এরপর কাছের মানুষদের সঙ্গে ফোনে আড্ডা দেওয়া। এভাবে ধাপে ধাপে মস্তিষ্ক বুঝতে শেখে যে ফোনকল স্বাভাবিক ঘটনা।
রিংটোনও অনেক সময় উদ্বেগ বাড়িয়ে দেয়, তাই হঠাৎ উচ্চ শব্দের বদলে মৃদু বা প্রিয় কোনো সুর ব্যবহার করা ভালো। সব সময় ফোন ধরতেই হবে এই সামাজিক চাপ থেকেও বেরিয়ে আসা দরকার। বন্ধুকে বা সহকর্মীকে জানানো যেতে পারে যে আপনি টেক্সটে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। কিন্তু মাঝেমধ্যে সে যেন আপনাকে কল দেন কোনো প্রয়োজন ছাড়াই।
এছাড়া ফোন ধরার আগে কয়েক সেকেন্ড গভীর শ্বাস নেওয়া বা মনোসংযোগের অনুশীলন করলে শরীর শান্ত হয়, হার্টবিট স্বাভাবিক থাকে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কথোপকথনকে ‘পারফরম্যান্স’না ভেবে ‘আলাপ’হিসেবে নেওয়া।

কেনিয়ার প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক শহর হলো নাকুরু। রাজধানী নাইরোবি থেকে আমাদের যাত্রা শুরু হলো সাতসকালে। তখন ভোরের প্রথম আলো শহরের কংক্রিটের ভবনগুলোতে সোনালি আভা ছড়িয়ে দিচ্ছিল। রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় চোখে পড়ল গ্রামীণ জীবনের চমৎকার সব দৃশ্য। কেউ গরুর চামড়া মাথায় নিয়ে বাজারে যাচ্ছে, কারও হাতে সবজিভর্তি ব
৭ ঘণ্টা আগে
ভারতের আলোকচিত্রকলার অন্যতম পথিকৃৎ এবং লেন্সের জাদুকর রঘু রাই আর নেই। গত দুই বছর ধরে তিনি প্রোস্টেট এবং পাকস্থলীর ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি ক্যানসার তাঁর মস্তিষ্কে ছড়িয়ে পড়ে। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি সক্রিয় ছিলেন এবং মৃত্যুর কয়েক সপ্তাহ আগে পর্যন্তও তিনি তাঁর প
৯ ঘণ্টা আগে
আমাদের রান্নাঘরের অনেক জিনিসই প্লাস্টিকের তৈরি। তাই সহজেই এগুলো খাবারে মিশে যেতে পারে। তবে আমরা চাইলেই খাবারে প্লাস্টিকের উপস্থিতি কমানো সম্ভব। রান্নাঘরে কিছু ছোট ছোট পরিবর্তনের মাধ্যমে আমরা নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে পারি।
১৩ ঘণ্টা আগে
দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ায় মেলবোর্ন শহর থেকে ১৪০ কিলোমিটার দূরে ‘ফিলিপ আইল্যান্ড’ নামের এক অপূর্ব নৈসর্গিক জায়গায় আমরা এসেছি পেঙ্গুইনের খোঁজে! জি হ্যাঁ, পেঙ্গুইন! পেঙ্গুইন মানেই তো সেই কোট পরা ‘ভদ্রলোক’ পাখি! এর নাম শুনলেই আমাদের চোখে ভাসে, বরফ মহাদেশে হেঁটে যাচ্ছে গুটি গুটি পায়ে।
১ দিন আগে