গতকাল রাত সোয়া ১০টায় আমরা হারালাম বরেণ্য লালনসংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীনকে। এ লেখায় তাকানো হয়েছে করা হয়েছে তাঁর কিছু কম পরিচিত দিকের ওপর। এতে তুলে ধরা হয়েছে তাঁর চঞ্চল শৈশবের গল্প, উত্তম-সুচিত্রার সিনেমা ও মায়ের কোলে সংগীতের প্রথম ছোঁয়া, নজরুলগীতি থেকে লালনের গান পর্যন্ত শিল্পীজীবনের অজানা অধ্যায় এবং সেই বিশেষ গান যেটি বদলে দিয়েছিল তাঁর গানযাত্রার ধারা।
অনন্ত রায়হান

গতকাল রাত সোয়া ১০টায় প্রয়াত হয়েছেন বরেণ্য লালনসংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীন। বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের কাছে লালন সংগীত আর ফরিদা পারভীন এক ধরণের সমার্থক। লালনের গানকে বিশ্ব-দরবারে তুলে ধরার ক্ষেত্রে তাঁর রয়েছে অনন্য ভূমিকা।
শৈশবে ফরিদা পারভীন ছিলেন দারুণ চঞ্চল। দৌড়ঝাঁপ, খেলাধুলার পাশাপাশি নানা বিষয়ে তাঁর ছিল প্রবল কৌতূহল। ফরিদা পারভীনের জন্ম নাটোরের সিংড়ায়। বড় হয়েছেন কুষ্টিয়ায়। সিংড়ায় ফরিদা পারভীনের দাদার বাড়ি আর নানার বাড়ির মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে আত্রাইয়ের শাখা গৌর নদী বা গুড় নদী। এই নদী আর নানার বাড়ির পাশে বিশাল বিল ছিল তাঁর শৈশবের খেলার আসর।
বিলে ছোট ছোট ডিঙি নিয়ে গিয়ে শাপলা তোলা ছিল শৈশবের ফরিদার নিয়মিত কাজ। কখনো মামাতো ভাইবোনদের সঙ্গে মিলে পাখির বাসা খুঁজতে বেরিয়ে যেতেন, কখনো আবার মাঠে হৈচৈ করে সময় কাটাতেন। নানার আমবাগানের ছায়ায় মামাতো ভাইবোনদের সঙ্গে পাটি বিছিয়ে শুয়ে থাকা ছিল সেই সময়ে তাঁর প্রিয় অভ্যাস। বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান হওয়ায় সবার স্নেহও ছিল তাঁর প্রতি বেশি।

গানও তখন থেকেই সঙ্গী হয়ে উঠেছিল ফরিদার। রেডিওতে ভেসে আসা সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের গান শুনে তিনি মুগ্ধ হতেন, যদিও তখন গায়িকার নাম জানতেন না। বড় হওয়ার পরেও সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের উচ্চারণ আর সুরের আবেগ ফরিদা পারভীনকে গানের ভেলায় ভাসিয়ে নিত।
ফরিদা পারভীনের গান শেখার শুরু মাত্র পাঁচ–ছয় বছর বয়সে। তখন বাবার কর্মসূত্রে থাকতেন মাগুরায়। সেখানে সংগীতে তাঁর হাতেখড়ি হয়েছিল ওস্তাদ কমল চক্রবর্তীর কাছে। তবে গান তাঁর জীবনে ঢুকে গিয়েছিল তারও আগে, মায়ের কাছ থেকে।
শিশুকালে যখন ফরিদা পারভীন মায়ের বুকের দুধ খেতেন, তখন তাঁর মা গান গাইতেন। তিনি নিজেই বলেছিলেন, মায়ের সেই সুরই তাঁর ভেতরে থেকে গেছে সব সময়।
ফরিদা পারভীনের মা প্রায়ই বান্ধবীদের সঙ্গে উত্তম কুমার আর সুচিত্রার সেনের সিনেমা দেখতে যেতেন। সেই সিনেমার গান কিংবা লতা মঙ্গেশকরের গান মেয়েকে কোলে নিয়ে গাইতেন। রাতে ঘুম পাড়ানোর সময়ও চলত সেই সুরেলা গলা।

ফরিদা পারভীন মাগুরা গার্লস স্কুল থেকে কুষ্টিয়া গার্লস স্কুলে চলে আসেন বাবার বদলিসূত্রে। তখন ওস্তাদ ইব্রাহিম ছিলেন কুষ্টিয়া গার্লস স্কুলের গানের শিক্ষক। ফরিদার কণ্ঠ শুনে তিনি ফরিদাকে ক্ল্যাসিক্যাল গান শিখতে বলেছিলেন। তখন ফরিদা মাত্র ক্লাস থ্রি-ফোরে পড়ছেন। এরপর তিনি কুষ্টিয়ার রবীন্দ্রনাথ রায়, মোতালেব বিশ্বাস আর ওসমান গণির কাছে ক্ল্যাসিক্যালের তালিম নেন।
অনেকে শুনে অবাক হবেন, লালনগীতির জনপ্রিয় শিল্পী ফরিদা পারভীন আগে নজরুলের গান গাইতেন। লালনের গান গাওয়ার ইচ্ছা তাঁর ছিল না। কুষ্টিয়ার ওস্তাদ আবদুল কাদেরের কাছে তিনি নজরুলগীতি শিখেছেন। এরপর মেহেরপুরে মীর মোজাফফর আলীর কাছে শিখেছিলেন স্বরলিপি দিয়ে গান তোলা। ১৯৬৮ সালে তিনি রাজশাহী বেতারে নজরুলগীতির শিল্পী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছিলেন।
স্বাধীনতার পর ফরিদা পারভীন লালনের গান শেখা ও গাওয়া শুরু করেন। ১৯৭৩ সালের দিকের কথা। কুষ্টিয়ায় লালনের আখড়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত এক হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার ফরিদার বাবাকে জানিয়েছিলেন, দোলপূর্ণিমার দিনে লালনের আখড়ায় এক-দুটো গান শোনাতে হবে ফরিদার। বাবা রাজি হলেও ফরিদা পারভীন বলেছিলেন, ‘লালন ফকিরির গান করব! আমি তো নজরুলের গান করি। সেই আমি ফকিরির গান করব!’ হোমিও ডাক্তার তাঁকে লালনের ‘সত্য বল সুপথে চল’ গানটি শেখার কথা বললেন।

এরপর সবাই ফরিদা পারভীনকে অনেক বুঝিয়ে-সুজিয়ে লালনের গান শেখার জন্য রাজি করান। ‘ভালো না লাগলে গাইবো না’ শর্তে ফরিদা পারভীন রাজিও হয়ে গেলেন। আর লালনসংগীতের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব মকছেদ আলী সাঁইয়ের কাছে তিনি তালিম নেওয়া শুরু করলেন।
সে বছরই দোলপূর্ণিমায় লালনের আখড়ায় প্রথমবার মঞ্চে ওঠেন ফরিদা পারভীন। গেয়েছিলেন ‘সত্য বল সুপথে চল’। চারিদিকে তখন হাততালির শব্দ। শ্রোতারা আরও একটি গান গাইতে অনুরোধ জানালেন। ফরিদা পারভীন বলেছিলেন, ‘আমি একটি গান গাইতে শিখেছি। এরপর শিখে আরও গাইব।’
বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের কাছে লালনগীতি আর ফরিদা পারভীন এক ধরণের সমার্থক। বাউল সাধক লালন সাঁইয়ের গানকে একটি দেশ ও সেই দেশের মানুষের কাছে জনপ্রিয় করে তুলেছেন তিনি। তবে ফরিদা শুধু লালনের গানেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না। তিনি আধুনিক গান এবং দেশাত্মবোধক গানও সমানভাবে গেয়েছেন।
সত্তর দশকের শুরুতে আবু জাফরের লেখা ও সুরের কিছু আধুনিক গান গেয়ে তিনি তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন। এই গানগুলো সারা বাংলার মানুষের মুখে মুখে চলে আসে। জাতীয় অনুষ্ঠান থেকে যাত্রাপালা, যেকোনো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান; সব জায়গায় আবু জাফরের লেখা ‘এই পদ্মা, এই মেঘনা, এই যমুনা-সুরমা নদীতটে’ গানটি যেন অনিবার্য হয়ে উঠেছে। আর তার পাশাপাশি ‘নিন্দার কাঁটা যদি না বিঁধিল গায়ে’, ‘তোমরা ভুলেই গেছ মল্লিকাদির নাম’ বা ‘ও পাখিরে আয় দেখে যা কেমন আছি’ গানগুলোও ফরিদার কণ্ঠে কালজয়ী হয়ে উঠেছে।

গতকাল রাত সোয়া ১০টায় প্রয়াত হয়েছেন বরেণ্য লালনসংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীন। বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের কাছে লালন সংগীত আর ফরিদা পারভীন এক ধরণের সমার্থক। লালনের গানকে বিশ্ব-দরবারে তুলে ধরার ক্ষেত্রে তাঁর রয়েছে অনন্য ভূমিকা।
শৈশবে ফরিদা পারভীন ছিলেন দারুণ চঞ্চল। দৌড়ঝাঁপ, খেলাধুলার পাশাপাশি নানা বিষয়ে তাঁর ছিল প্রবল কৌতূহল। ফরিদা পারভীনের জন্ম নাটোরের সিংড়ায়। বড় হয়েছেন কুষ্টিয়ায়। সিংড়ায় ফরিদা পারভীনের দাদার বাড়ি আর নানার বাড়ির মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে আত্রাইয়ের শাখা গৌর নদী বা গুড় নদী। এই নদী আর নানার বাড়ির পাশে বিশাল বিল ছিল তাঁর শৈশবের খেলার আসর।
বিলে ছোট ছোট ডিঙি নিয়ে গিয়ে শাপলা তোলা ছিল শৈশবের ফরিদার নিয়মিত কাজ। কখনো মামাতো ভাইবোনদের সঙ্গে মিলে পাখির বাসা খুঁজতে বেরিয়ে যেতেন, কখনো আবার মাঠে হৈচৈ করে সময় কাটাতেন। নানার আমবাগানের ছায়ায় মামাতো ভাইবোনদের সঙ্গে পাটি বিছিয়ে শুয়ে থাকা ছিল সেই সময়ে তাঁর প্রিয় অভ্যাস। বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান হওয়ায় সবার স্নেহও ছিল তাঁর প্রতি বেশি।

গানও তখন থেকেই সঙ্গী হয়ে উঠেছিল ফরিদার। রেডিওতে ভেসে আসা সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের গান শুনে তিনি মুগ্ধ হতেন, যদিও তখন গায়িকার নাম জানতেন না। বড় হওয়ার পরেও সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের উচ্চারণ আর সুরের আবেগ ফরিদা পারভীনকে গানের ভেলায় ভাসিয়ে নিত।
ফরিদা পারভীনের গান শেখার শুরু মাত্র পাঁচ–ছয় বছর বয়সে। তখন বাবার কর্মসূত্রে থাকতেন মাগুরায়। সেখানে সংগীতে তাঁর হাতেখড়ি হয়েছিল ওস্তাদ কমল চক্রবর্তীর কাছে। তবে গান তাঁর জীবনে ঢুকে গিয়েছিল তারও আগে, মায়ের কাছ থেকে।
শিশুকালে যখন ফরিদা পারভীন মায়ের বুকের দুধ খেতেন, তখন তাঁর মা গান গাইতেন। তিনি নিজেই বলেছিলেন, মায়ের সেই সুরই তাঁর ভেতরে থেকে গেছে সব সময়।
ফরিদা পারভীনের মা প্রায়ই বান্ধবীদের সঙ্গে উত্তম কুমার আর সুচিত্রার সেনের সিনেমা দেখতে যেতেন। সেই সিনেমার গান কিংবা লতা মঙ্গেশকরের গান মেয়েকে কোলে নিয়ে গাইতেন। রাতে ঘুম পাড়ানোর সময়ও চলত সেই সুরেলা গলা।

ফরিদা পারভীন মাগুরা গার্লস স্কুল থেকে কুষ্টিয়া গার্লস স্কুলে চলে আসেন বাবার বদলিসূত্রে। তখন ওস্তাদ ইব্রাহিম ছিলেন কুষ্টিয়া গার্লস স্কুলের গানের শিক্ষক। ফরিদার কণ্ঠ শুনে তিনি ফরিদাকে ক্ল্যাসিক্যাল গান শিখতে বলেছিলেন। তখন ফরিদা মাত্র ক্লাস থ্রি-ফোরে পড়ছেন। এরপর তিনি কুষ্টিয়ার রবীন্দ্রনাথ রায়, মোতালেব বিশ্বাস আর ওসমান গণির কাছে ক্ল্যাসিক্যালের তালিম নেন।
অনেকে শুনে অবাক হবেন, লালনগীতির জনপ্রিয় শিল্পী ফরিদা পারভীন আগে নজরুলের গান গাইতেন। লালনের গান গাওয়ার ইচ্ছা তাঁর ছিল না। কুষ্টিয়ার ওস্তাদ আবদুল কাদেরের কাছে তিনি নজরুলগীতি শিখেছেন। এরপর মেহেরপুরে মীর মোজাফফর আলীর কাছে শিখেছিলেন স্বরলিপি দিয়ে গান তোলা। ১৯৬৮ সালে তিনি রাজশাহী বেতারে নজরুলগীতির শিল্পী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছিলেন।
স্বাধীনতার পর ফরিদা পারভীন লালনের গান শেখা ও গাওয়া শুরু করেন। ১৯৭৩ সালের দিকের কথা। কুষ্টিয়ায় লালনের আখড়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত এক হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার ফরিদার বাবাকে জানিয়েছিলেন, দোলপূর্ণিমার দিনে লালনের আখড়ায় এক-দুটো গান শোনাতে হবে ফরিদার। বাবা রাজি হলেও ফরিদা পারভীন বলেছিলেন, ‘লালন ফকিরির গান করব! আমি তো নজরুলের গান করি। সেই আমি ফকিরির গান করব!’ হোমিও ডাক্তার তাঁকে লালনের ‘সত্য বল সুপথে চল’ গানটি শেখার কথা বললেন।

এরপর সবাই ফরিদা পারভীনকে অনেক বুঝিয়ে-সুজিয়ে লালনের গান শেখার জন্য রাজি করান। ‘ভালো না লাগলে গাইবো না’ শর্তে ফরিদা পারভীন রাজিও হয়ে গেলেন। আর লালনসংগীতের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব মকছেদ আলী সাঁইয়ের কাছে তিনি তালিম নেওয়া শুরু করলেন।
সে বছরই দোলপূর্ণিমায় লালনের আখড়ায় প্রথমবার মঞ্চে ওঠেন ফরিদা পারভীন। গেয়েছিলেন ‘সত্য বল সুপথে চল’। চারিদিকে তখন হাততালির শব্দ। শ্রোতারা আরও একটি গান গাইতে অনুরোধ জানালেন। ফরিদা পারভীন বলেছিলেন, ‘আমি একটি গান গাইতে শিখেছি। এরপর শিখে আরও গাইব।’
বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের কাছে লালনগীতি আর ফরিদা পারভীন এক ধরণের সমার্থক। বাউল সাধক লালন সাঁইয়ের গানকে একটি দেশ ও সেই দেশের মানুষের কাছে জনপ্রিয় করে তুলেছেন তিনি। তবে ফরিদা শুধু লালনের গানেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না। তিনি আধুনিক গান এবং দেশাত্মবোধক গানও সমানভাবে গেয়েছেন।
সত্তর দশকের শুরুতে আবু জাফরের লেখা ও সুরের কিছু আধুনিক গান গেয়ে তিনি তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন। এই গানগুলো সারা বাংলার মানুষের মুখে মুখে চলে আসে। জাতীয় অনুষ্ঠান থেকে যাত্রাপালা, যেকোনো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান; সব জায়গায় আবু জাফরের লেখা ‘এই পদ্মা, এই মেঘনা, এই যমুনা-সুরমা নদীতটে’ গানটি যেন অনিবার্য হয়ে উঠেছে। আর তার পাশাপাশি ‘নিন্দার কাঁটা যদি না বিঁধিল গায়ে’, ‘তোমরা ভুলেই গেছ মল্লিকাদির নাম’ বা ‘ও পাখিরে আয় দেখে যা কেমন আছি’ গানগুলোও ফরিদার কণ্ঠে কালজয়ী হয়ে উঠেছে।

কেনিয়ার প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক শহর হলো নাকুরু। রাজধানী নাইরোবি থেকে আমাদের যাত্রা শুরু হলো সাতসকালে। তখন ভোরের প্রথম আলো শহরের কংক্রিটের ভবনগুলোতে সোনালি আভা ছড়িয়ে দিচ্ছিল। রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় চোখে পড়ল গ্রামীণ জীবনের চমৎকার সব দৃশ্য। কেউ গরুর চামড়া মাথায় নিয়ে বাজারে যাচ্ছে, কারও হাতে সবজিভর্তি ব
৭ ঘণ্টা আগে
ভারতের আলোকচিত্রকলার অন্যতম পথিকৃৎ এবং লেন্সের জাদুকর রঘু রাই আর নেই। গত দুই বছর ধরে তিনি প্রোস্টেট এবং পাকস্থলীর ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি ক্যানসার তাঁর মস্তিষ্কে ছড়িয়ে পড়ে। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি সক্রিয় ছিলেন এবং মৃত্যুর কয়েক সপ্তাহ আগে পর্যন্তও তিনি তাঁর প
৯ ঘণ্টা আগে
আমাদের রান্নাঘরের অনেক জিনিসই প্লাস্টিকের তৈরি। তাই সহজেই এগুলো খাবারে মিশে যেতে পারে। তবে আমরা চাইলেই খাবারে প্লাস্টিকের উপস্থিতি কমানো সম্ভব। রান্নাঘরে কিছু ছোট ছোট পরিবর্তনের মাধ্যমে আমরা নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে পারি।
১৩ ঘণ্টা আগে
দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ায় মেলবোর্ন শহর থেকে ১৪০ কিলোমিটার দূরে ‘ফিলিপ আইল্যান্ড’ নামের এক অপূর্ব নৈসর্গিক জায়গায় আমরা এসেছি পেঙ্গুইনের খোঁজে! জি হ্যাঁ, পেঙ্গুইন! পেঙ্গুইন মানেই তো সেই কোট পরা ‘ভদ্রলোক’ পাখি! এর নাম শুনলেই আমাদের চোখে ভাসে, বরফ মহাদেশে হেঁটে যাচ্ছে গুটি গুটি পায়ে।
১ দিন আগে