আজ চৈত্রসংক্রান্তি বা চৈত্র মাসের শেষদিন। বিদায় হবে ১৪৩২ বঙ্গাব্দ। আগামীকাল সূর্যোদয়ের মধ্য দিয়ে শুরু হবে নতুন বাংলা বছর ১৪৩৩।
ফাবিহা বিনতে হক

চিরায়ত বাংলার পানি, মাটি ও মানুষের জীবনঘনিষ্ঠ বাস্তবতা থেকেই গড়ে উঠেছে আমাদের লোকসংস্কৃতি। এই সংস্কৃতির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ লোকনৃত্য। পুরোনো বছরকে বিদায় ও নতুন বছর বরণের সন্ধিক্ষণ চৈত্রসংক্রান্তি। এই দিন বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে লোকনৃত্যের বৈচিত্র্যময় পরিবেশনা দেখা যায়। যদিও কালের পরিক্রমায় এই ঐতিহ্য হারাতে বসেছে।
অঞ্চলভেদে এই উৎসব বা লোকনৃত্য ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত। আসুন জেনে নিই চৈত্র সংক্রান্তিকে ঘিরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী লোকনৃত্যের কথা।
উত্তরাঞ্চলের ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী এবং দিনাজপুরে চৈত্রসংক্রান্তি বা ‘বিষুয়া’ উৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো গোমিরা নাচ। এই নাচ পশ্চিমবঙ্গের (বিশেষ করে উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা) অঞ্চলেরও ঐতিহ্য। বিশেষ মুখোশ পরে এই নাচ পরিবেশিত হয় বলে একে ‘মুখা নাচ’ বা পৌরাণিক দেবীর প্রভাবে ‘চামুণ্ডা নাচ’ও বলা হয়। মূলত সনাতন ধর্মালম্বীদের সংস্কৃতি এটা।
এই নাচে শিব, কালী, রাবণ, হনুমান, বুড়ীকালী প্রভৃতি চরিত্রে সাধারণ মানুষ অংশ নেয়। বাদ্যযন্ত্র হিসেবে থাকে ঢাক, ঢোল, কাঁশি ও শঙ্খ। এই নাচের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এর প্রধান কোনো ব্রাহ্মণ হন না; সমাজের যেকোনো সাধারণ মানুষ, এমনকি ক্ষেত্রবিশেষে মুসলিমরাও এই ভূমিকা পালন করেন।

এ ছাড়া নাচে এক পীরের চরিত্রও থাকে। সেই চরিত্রে অংশ নেন মুসলিম। তার পোশাক হিসেবে লুঙ্গি মালকোচা করে পরা থাকে। এসব অঞ্চলে ঠাকুরের থানের পাশাপাশি একটু দূরে একটি পীরের থানও দেখা যায়। এভাবেই গোমিরা নাচ ধমীর্য় পরিমন্ডলের ঊর্ধ্বে ধর্ম-বর্ণ নিবিশেষে লোকমানুষের উৎসবে পরিণত হয়। হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সবাই এই নাচের মাধ্যমে প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও অন্যান্য সংকট থেকে রক্ষা পেতে প্রার্থনা করেন। উত্তরাঞ্চলের এই ‘গোমিরা’ নাচ ঐ অঞ্চলের মানুষের অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতিফলন।
গোমিরা নাচ মূলত দুটি পর্বে বিভক্ত—হাট খ্যাঁচা ও পাড়া খ্যাঁচা। হাট খ্যাঁচা হলো মহড়া পর্ব, যা মূল পূজার কয়েক দিন আগে হাটের কাছাকাছি পরিবেশিত হয়। আর পাড়া খ্যাঁচা হলো মূল উৎসব, যেখানে শিল্পীরা ঠাকুর থান থেকে শুরু করে পাড়ার প্রতিটি বাড়ি ঘুরে ঘুরে নাচ পরিবেশন করেন।
এ ছাড়া উত্তরাঞ্চলের কিছু এলাকায় শ্মশানে ‘পাতা নাচ’ অনুষ্ঠিত হয়। ভক্তরা ডাকিনী বা প্রেতিনীর রূপ ধরে ঢাকের তালে এই নাচ পরিবেশন করেন। এছাড়া আগুনের থালা হাতে এক ভক্তের উন্মাদনাপূর্ণ ‘পরী নাচ’ এবং অন্ধকার মন্দিরে মশালের আলোয় জীবন্ত কালীরূপী ভক্তদের ‘কালী কাচের নাচ’ চৈত্রসংক্রান্তির শেষ রাতের বিশেষ আকর্ষণ।
খুলনা, যশোর, কুষ্টিয়া, নড়াইল ও ফরিদপুর অঞ্চলে চৈত্রসংক্রান্তিতে ‘দেল’ বা দেউল পূজা হয়। এ সময় ‘বালা’ নামক পাঁচালি গায়কেরা নূপুর পায়ে নেচে নেচে শিবের গান করেন।

নড়াইল ও যশোরে শিবের ‘গাজন’ বেশ জনপ্রিয়। সন্ন্যাসীরা শিব ও পার্বতী সেজে ঢাক-কাঁসর বাজিয়ে তাণ্ডব নৃত্যসহ গাজন গান করেন। বৃহত্তর খুলনা অঞ্চলে শিব ও রাধাকৃষ্ণের লীলা নিয়ে দশ-বারো জনের একটি দল ঢোল, মৃদঙ্গ ও হারমোনিয়াম বাজিয়ে ‘অষ্টক নাচ’ পরিবেশন করে।
বৃহত্তর খুলনার বৈচিত্র্যময় লোকাচার হলো খেজুরভাঙা নাচ। যুবকরা খালি মন্ত্র জপ করতে করতে দুই পায়ে দুমড়ে মুষড়ে একাকার করে দেয় খেজুর গাছের সব পাতা। এসময় কেউ কোন শব্দ উচ্চারণ করে না। এই গাছের খেজুরকে পুণ্যের প্রতীক মনে করা হয়। মাঠের মধ্যে কাদামাটি দিয়ে কুমির ও হনুমানের মূর্তি বানিয়ে সেসব খেজু গেঁথে দেওয়া হয় তার শরীরে।

অন্যদিকে, বরিশাল ও বরগুনা অঞ্চলে শিব বা নীলকণ্ঠের পূজায় ভক্তরা শিব-গৌরী সেজে বাড়ি গিয়ে নৃত্য পরিবেশন করেন। এই বিশেষ নাচকে নীলের গাজন বলা হয়।
চৈত্রসংক্রান্তির প্রধান উৎসব চড়ক পূজা উপলক্ষে দেশের অনেক এলাকায় শিব-গৌরীর নাচ হয়। একজন শিব ও একজন গৌরী সাজেন। অন্য ভক্তরা নন্দী, ভূত-প্রেত, দৈত্য সেজে তাদের সঙ্গে নেচে চলেন। শিব-গৌরীর নাচ আরও দেখা যায় পুরান ঢাকার হিন্দুপ্রধান এলাকায়। চৈত্রসংক্রান্তির রাতে শিব-গৌরীর নাচ ও লোকাচার সহ পূজা-অর্চনা করা হয় এই এলাকার বাড়িতে বাড়িতে।
ঢাকা, টাঙ্গাইল ও কুমিল্লাসহ অনেক স্থানে কালীর মুখোশ পরে দুই হাতে তরবারি নিয়ে তাণ্ডব রসের ‘কালী নাচ’ পরিবেশিত হয়।
চট্টগ্রাম অঞ্চলে চৈত্রসংক্রান্তিতে বলি খেলা বা কুস্তি বেশ জনপ্রিয়। এই প্রতিযোগিতায় নামার আগে দুই কুস্তিগির বাজনার তালে তালে যে শারীরিক কসরত, হুঙ্কার ও বীরত্বপূর্ণ পদচারণা দেখান, তা আসলে এক ধরনের নাচ, যা ‘বলি নাচ’ নামে পরিচিত।
চৈত্রসংক্রান্তির এই লোকনৃত্যগুলো কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের মাঝে সীমাবদ্ধ নেই। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে চিরায়ত বাংলার এক সর্বজনীন সাংস্কৃতিক সম্পদে পরিণত হয়েছে। কালের বিবর্তনে অনেক লোকনৃত্য হারিয়ে গেলেও এই লোকজ সংস্কৃতিই আমাদের শিকড়, গর্বের ঐতিহ্য।

চিরায়ত বাংলার পানি, মাটি ও মানুষের জীবনঘনিষ্ঠ বাস্তবতা থেকেই গড়ে উঠেছে আমাদের লোকসংস্কৃতি। এই সংস্কৃতির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ লোকনৃত্য। পুরোনো বছরকে বিদায় ও নতুন বছর বরণের সন্ধিক্ষণ চৈত্রসংক্রান্তি। এই দিন বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে লোকনৃত্যের বৈচিত্র্যময় পরিবেশনা দেখা যায়। যদিও কালের পরিক্রমায় এই ঐতিহ্য হারাতে বসেছে।
অঞ্চলভেদে এই উৎসব বা লোকনৃত্য ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত। আসুন জেনে নিই চৈত্র সংক্রান্তিকে ঘিরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী লোকনৃত্যের কথা।
উত্তরাঞ্চলের ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী এবং দিনাজপুরে চৈত্রসংক্রান্তি বা ‘বিষুয়া’ উৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো গোমিরা নাচ। এই নাচ পশ্চিমবঙ্গের (বিশেষ করে উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা) অঞ্চলেরও ঐতিহ্য। বিশেষ মুখোশ পরে এই নাচ পরিবেশিত হয় বলে একে ‘মুখা নাচ’ বা পৌরাণিক দেবীর প্রভাবে ‘চামুণ্ডা নাচ’ও বলা হয়। মূলত সনাতন ধর্মালম্বীদের সংস্কৃতি এটা।
এই নাচে শিব, কালী, রাবণ, হনুমান, বুড়ীকালী প্রভৃতি চরিত্রে সাধারণ মানুষ অংশ নেয়। বাদ্যযন্ত্র হিসেবে থাকে ঢাক, ঢোল, কাঁশি ও শঙ্খ। এই নাচের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এর প্রধান কোনো ব্রাহ্মণ হন না; সমাজের যেকোনো সাধারণ মানুষ, এমনকি ক্ষেত্রবিশেষে মুসলিমরাও এই ভূমিকা পালন করেন।

এ ছাড়া নাচে এক পীরের চরিত্রও থাকে। সেই চরিত্রে অংশ নেন মুসলিম। তার পোশাক হিসেবে লুঙ্গি মালকোচা করে পরা থাকে। এসব অঞ্চলে ঠাকুরের থানের পাশাপাশি একটু দূরে একটি পীরের থানও দেখা যায়। এভাবেই গোমিরা নাচ ধমীর্য় পরিমন্ডলের ঊর্ধ্বে ধর্ম-বর্ণ নিবিশেষে লোকমানুষের উৎসবে পরিণত হয়। হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সবাই এই নাচের মাধ্যমে প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও অন্যান্য সংকট থেকে রক্ষা পেতে প্রার্থনা করেন। উত্তরাঞ্চলের এই ‘গোমিরা’ নাচ ঐ অঞ্চলের মানুষের অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতিফলন।
গোমিরা নাচ মূলত দুটি পর্বে বিভক্ত—হাট খ্যাঁচা ও পাড়া খ্যাঁচা। হাট খ্যাঁচা হলো মহড়া পর্ব, যা মূল পূজার কয়েক দিন আগে হাটের কাছাকাছি পরিবেশিত হয়। আর পাড়া খ্যাঁচা হলো মূল উৎসব, যেখানে শিল্পীরা ঠাকুর থান থেকে শুরু করে পাড়ার প্রতিটি বাড়ি ঘুরে ঘুরে নাচ পরিবেশন করেন।
এ ছাড়া উত্তরাঞ্চলের কিছু এলাকায় শ্মশানে ‘পাতা নাচ’ অনুষ্ঠিত হয়। ভক্তরা ডাকিনী বা প্রেতিনীর রূপ ধরে ঢাকের তালে এই নাচ পরিবেশন করেন। এছাড়া আগুনের থালা হাতে এক ভক্তের উন্মাদনাপূর্ণ ‘পরী নাচ’ এবং অন্ধকার মন্দিরে মশালের আলোয় জীবন্ত কালীরূপী ভক্তদের ‘কালী কাচের নাচ’ চৈত্রসংক্রান্তির শেষ রাতের বিশেষ আকর্ষণ।
খুলনা, যশোর, কুষ্টিয়া, নড়াইল ও ফরিদপুর অঞ্চলে চৈত্রসংক্রান্তিতে ‘দেল’ বা দেউল পূজা হয়। এ সময় ‘বালা’ নামক পাঁচালি গায়কেরা নূপুর পায়ে নেচে নেচে শিবের গান করেন।

নড়াইল ও যশোরে শিবের ‘গাজন’ বেশ জনপ্রিয়। সন্ন্যাসীরা শিব ও পার্বতী সেজে ঢাক-কাঁসর বাজিয়ে তাণ্ডব নৃত্যসহ গাজন গান করেন। বৃহত্তর খুলনা অঞ্চলে শিব ও রাধাকৃষ্ণের লীলা নিয়ে দশ-বারো জনের একটি দল ঢোল, মৃদঙ্গ ও হারমোনিয়াম বাজিয়ে ‘অষ্টক নাচ’ পরিবেশন করে।
বৃহত্তর খুলনার বৈচিত্র্যময় লোকাচার হলো খেজুরভাঙা নাচ। যুবকরা খালি মন্ত্র জপ করতে করতে দুই পায়ে দুমড়ে মুষড়ে একাকার করে দেয় খেজুর গাছের সব পাতা। এসময় কেউ কোন শব্দ উচ্চারণ করে না। এই গাছের খেজুরকে পুণ্যের প্রতীক মনে করা হয়। মাঠের মধ্যে কাদামাটি দিয়ে কুমির ও হনুমানের মূর্তি বানিয়ে সেসব খেজু গেঁথে দেওয়া হয় তার শরীরে।

অন্যদিকে, বরিশাল ও বরগুনা অঞ্চলে শিব বা নীলকণ্ঠের পূজায় ভক্তরা শিব-গৌরী সেজে বাড়ি গিয়ে নৃত্য পরিবেশন করেন। এই বিশেষ নাচকে নীলের গাজন বলা হয়।
চৈত্রসংক্রান্তির প্রধান উৎসব চড়ক পূজা উপলক্ষে দেশের অনেক এলাকায় শিব-গৌরীর নাচ হয়। একজন শিব ও একজন গৌরী সাজেন। অন্য ভক্তরা নন্দী, ভূত-প্রেত, দৈত্য সেজে তাদের সঙ্গে নেচে চলেন। শিব-গৌরীর নাচ আরও দেখা যায় পুরান ঢাকার হিন্দুপ্রধান এলাকায়। চৈত্রসংক্রান্তির রাতে শিব-গৌরীর নাচ ও লোকাচার সহ পূজা-অর্চনা করা হয় এই এলাকার বাড়িতে বাড়িতে।
ঢাকা, টাঙ্গাইল ও কুমিল্লাসহ অনেক স্থানে কালীর মুখোশ পরে দুই হাতে তরবারি নিয়ে তাণ্ডব রসের ‘কালী নাচ’ পরিবেশিত হয়।
চট্টগ্রাম অঞ্চলে চৈত্রসংক্রান্তিতে বলি খেলা বা কুস্তি বেশ জনপ্রিয়। এই প্রতিযোগিতায় নামার আগে দুই কুস্তিগির বাজনার তালে তালে যে শারীরিক কসরত, হুঙ্কার ও বীরত্বপূর্ণ পদচারণা দেখান, তা আসলে এক ধরনের নাচ, যা ‘বলি নাচ’ নামে পরিচিত।
চৈত্রসংক্রান্তির এই লোকনৃত্যগুলো কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের মাঝে সীমাবদ্ধ নেই। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে চিরায়ত বাংলার এক সর্বজনীন সাংস্কৃতিক সম্পদে পরিণত হয়েছে। কালের বিবর্তনে অনেক লোকনৃত্য হারিয়ে গেলেও এই লোকজ সংস্কৃতিই আমাদের শিকড়, গর্বের ঐতিহ্য।

মনে রাখবেন, টাকা জমানো আর জীবন উপভোগ করার মধ্যে কোনো বিরোধ নেই। নির্দিষ্ট সীমা মেনে চললে আজকের দিনটাও সুন্দর হবে। আবার ভবিষ্যতের নিরাপত্তাও নিশ্চিত হবে।
১ ঘণ্টা আগে
অনেক সময় আমাদের মনে প্রশ্ন জাগে, বিড়াল কি মানুষের মতো অতীত রোমন্থন করতে পারে? নাকি তাদের স্মৃতি কেবল খাবার আর বাসস্থানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ? বিজ্ঞান বলছে, বিড়ালের স্মৃতিশক্তি আমরা যতটা ভাবি, তার চেয়েও অনেক বেশি দীর্ঘস্থায়ী।
২০ ঘণ্টা আগে
কখনো ভেবে দেখেছেন, আপনার সাধারণ জীবনযাপনের সঙ্গে দুনিয়া কাঁপানো সুপারস্টারদের দারুণ একটি মিল রয়েছে? শুনতে অবাক লাগলেও মনস্তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে কথাটি একদম সত্য। ক্যালিফোর্নিয়ার মনোবিজ্ঞানী রবার্ট পাফ তাঁর প্রবন্ধে এমন কথাই বলেছেন। আমাদের সবার জীবনেই ‘অদৃশ্য দর্শক’ বা ‘ইনভিজিবল অডিয়েন্স’ রয়েছে, যা
১ দিন আগে
সম্প্রতি ওমানে গাড়ির ভেতরে চার বাংলাদেশি ভাইয়ের মৃত্যুর ঘটনাতে ময়নাতদন্তের পর কার্বন মনোক্সাইডে শ্বাস গ্রহণকে কারণ হিসেবে নিশ্চিত করেছে দেশটির পুলিশ।
২ দিন আগে