আগারগাঁও মেট্রো স্টেশন থেকে কয়েক মিনিট হাঁটলেই নির্বাচন ভবনের মোড়। স্থানীয়দের কাছে এই চওড়া রাস্তা পরিচিত ‘নতুন রাস্তা’ নামে। বিকেল নামলেই সেখানে বসে রঙিন সব খাবারের মেলা।
ঊর্মি শর্মা

খেতে ভালোবাসেন? ঘুরে ঘুরে কিছু কিনতেও মন্দ লাগে না? শহরের ভেতরেই যদি এমন কোনো জায়গা পাওয়া যায়, যেখানে একসঙ্গে পাওয়া যায় খাবার, আড্ডা আর কেনাকাটার আনন্দ—তবে সেটি নিঃসন্দেহে অনেকের কাছেই সেটি প্রিয় গন্তব্য। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে গড়ে উঠেছে ঠিক এমন একটি জমজমাট জায়গা।
আগারগাঁও মেট্রো স্টেশন থেকে কয়েক মিনিট হাঁটলেই নির্বাচন ভবনের মোড়। স্থানীয়দের কাছে এই চওড়া রাস্তা পরিচিত ‘নতুন রাস্তা’ নামে। বিকেল নামলেই সেখানে বসে রঙিন সব খাবারের মেলা, সারি সারি ফুডকার্টে ভরে ওঠে এলাকা। কারও স্টলে দেশি নাস্তা, কারওটিতে আধুনিক ফাস্টফুড।

শুক্র ও শনিবার বিকেলে এখানে জমে ওঠে যেন ছোটখাটো মেলা। ভ্রাম্যমাণ দোকানগুলোয় শুধু খাবারই নয়, মেলে কাপড়চোপড়, কসমেটিকস, খেলনা থেকে শুরু করে ঘরোয়া নানা জিনিস। সপ্তাহের অন্য দিনগুলোতেও থাকে মুখরোচক খাবারের ভিড়। এখন আশপাশের মানুষ তো বটেই, দূর-দূরান্ত থেকেও লোকজন ছুটে আসছেন আগারগাঁওয়ের এই নতুন রাস্তায়।
আসলে আগারগাঁওবাসীরা এখন তাঁদের এলাকাকে নির্দ্বিধায় ‘কেকপাড়া’ বলতে পারেন। মোড়ে নামলেই চোখে পড়বে টেবিলজোড়া নানা রঙের, নানা স্বাদের হোমমেড কেক। নাম শুনলেই জিভে জল আসে—বাটারস্কচ, রসমালাই কেক, চকলেট মাড কেক, লেমন কেক...।

বিভিন্ন সাইজে পাওয়া যায় এসব কেক—৫০০, ৮০০ বা ১০০০ গ্রাম। দাম ৬০০ থেকে ১৫০০ টাকার মধ্যে। প্রতি স্লাইস কেকও বিক্রি হয়, যার দাম ১২০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে।
বিক্রেতা শামীম আহমেদ বলছিলেন, ‘প্রচুর মানুষ আমাদের কেক খায়। অনেক নিয়মিত ক্রেতা আছেন, যারা প্রতিদিন বিকেলে শুধু কেক খেতে আসেন।’ শামীমের দোকানের পাশেই সারি সারি কেকের টেবিল। দোকানগুলো ছোট, কিন্তু সাজানো বেশ যত্নে—রঙিন কেকের ঘ্রাণে ভরে থাকে গোটা মোড়।
কেকের পাশাপাশি ফাস্টফুডপ্রেমীদের জন্যও রয়েছে বিশাল আয়োজন। চিকেন ফ্রাই, মিনি বার্গার, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, চিকেন বল, মিটবক্স—সবই মিলবে ৬০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে। কাঠের চুল্লিতে তৈরি লাইভ পিৎজার চাহিদা সবচেয়ে বেশি। নানা ফ্লেভারের এই পিৎজার দাম ১৮০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে।

শুক্র ও শনিবার এখানে বসে সাপ্তাহিক মেলা। আশপাশের মানুষ যেমন এই মেলায় ভিড় করেন, তেমনি ঢাকার বিভিন্ন এলাকার লোকজনও আসেন প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে বা শুধু ঘুরতে।
শনিবার (৪ অক্টোবর) বিকেলে তাসলিমা আক্তার এসেছিলেন ছেলের জন্য জুতা কিনতে। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ‘ছুটির দিনে এখান থেকে টুকটাক প্রয়োজনের জিনিস কিনে নিয়ে যায়। আজকে বাচ্চার জন্য জুতা কিনতে এসেছি। পছন্দ হলে আরও কিছু জিনিস কিনবো।’

এই মেলায় খাবারের দোকানের পাশাপাশি আছে নানা রকম ঘরোয়া জিনিসের দোকান। পাবেন কাপড়চোপড়, হাড়িপাতিল, ঘর সাজানোর জিনিস ও আসবাবের দোকান। ভাগ্য ভালো হলে আর দামাদামির দক্ষতা থাকলে এখান থেকে বাজারের তুলনায় কম দামে। আছে বাচ্চাদের খেলনা, মেয়েদের কসমেটিকস আইটেম।
বিক্রেতা মারিয়া তাসনিম বলছিলেন, ‘এখন প্রতিযোগিতা বেড়ে গেছে। প্রথম প্রথম এত দোকান ছিল না। অবশ্য এখন ক্রেতার চাপও বেশি।’
আগারগাঁওয়ের নতুন রাস্তা এখন শুধু খাবারের জায়গা হিসেবে পরিচিত নয়। এখানে যেমন রয়েছে লোভনীয় কেক আর মুখরোচক ফাস্টফুড, তেমনি আছে সাপ্তাহিক মেলায় কেনাকাটার আনন্দ। একসঙ্গে খাওয়া, আড্ডা আর বাজারের স্বাদ নিতে চাইলে একবার ঘুরে আসতেই পারেন এই জমজমাট রাস্তা থেকে। দিনের ব্যস্ততা শেষে কিংবা ছুটির দিনে পরিবার-বন্ধুদের নিয়ে সময় কাটানোর জন্য এটি হয়ে উঠেছে নতুন গন্তব্য।

খেতে ভালোবাসেন? ঘুরে ঘুরে কিছু কিনতেও মন্দ লাগে না? শহরের ভেতরেই যদি এমন কোনো জায়গা পাওয়া যায়, যেখানে একসঙ্গে পাওয়া যায় খাবার, আড্ডা আর কেনাকাটার আনন্দ—তবে সেটি নিঃসন্দেহে অনেকের কাছেই সেটি প্রিয় গন্তব্য। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে গড়ে উঠেছে ঠিক এমন একটি জমজমাট জায়গা।
আগারগাঁও মেট্রো স্টেশন থেকে কয়েক মিনিট হাঁটলেই নির্বাচন ভবনের মোড়। স্থানীয়দের কাছে এই চওড়া রাস্তা পরিচিত ‘নতুন রাস্তা’ নামে। বিকেল নামলেই সেখানে বসে রঙিন সব খাবারের মেলা, সারি সারি ফুডকার্টে ভরে ওঠে এলাকা। কারও স্টলে দেশি নাস্তা, কারওটিতে আধুনিক ফাস্টফুড।

শুক্র ও শনিবার বিকেলে এখানে জমে ওঠে যেন ছোটখাটো মেলা। ভ্রাম্যমাণ দোকানগুলোয় শুধু খাবারই নয়, মেলে কাপড়চোপড়, কসমেটিকস, খেলনা থেকে শুরু করে ঘরোয়া নানা জিনিস। সপ্তাহের অন্য দিনগুলোতেও থাকে মুখরোচক খাবারের ভিড়। এখন আশপাশের মানুষ তো বটেই, দূর-দূরান্ত থেকেও লোকজন ছুটে আসছেন আগারগাঁওয়ের এই নতুন রাস্তায়।
আসলে আগারগাঁওবাসীরা এখন তাঁদের এলাকাকে নির্দ্বিধায় ‘কেকপাড়া’ বলতে পারেন। মোড়ে নামলেই চোখে পড়বে টেবিলজোড়া নানা রঙের, নানা স্বাদের হোমমেড কেক। নাম শুনলেই জিভে জল আসে—বাটারস্কচ, রসমালাই কেক, চকলেট মাড কেক, লেমন কেক...।

বিভিন্ন সাইজে পাওয়া যায় এসব কেক—৫০০, ৮০০ বা ১০০০ গ্রাম। দাম ৬০০ থেকে ১৫০০ টাকার মধ্যে। প্রতি স্লাইস কেকও বিক্রি হয়, যার দাম ১২০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে।
বিক্রেতা শামীম আহমেদ বলছিলেন, ‘প্রচুর মানুষ আমাদের কেক খায়। অনেক নিয়মিত ক্রেতা আছেন, যারা প্রতিদিন বিকেলে শুধু কেক খেতে আসেন।’ শামীমের দোকানের পাশেই সারি সারি কেকের টেবিল। দোকানগুলো ছোট, কিন্তু সাজানো বেশ যত্নে—রঙিন কেকের ঘ্রাণে ভরে থাকে গোটা মোড়।
কেকের পাশাপাশি ফাস্টফুডপ্রেমীদের জন্যও রয়েছে বিশাল আয়োজন। চিকেন ফ্রাই, মিনি বার্গার, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, চিকেন বল, মিটবক্স—সবই মিলবে ৬০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে। কাঠের চুল্লিতে তৈরি লাইভ পিৎজার চাহিদা সবচেয়ে বেশি। নানা ফ্লেভারের এই পিৎজার দাম ১৮০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে।

শুক্র ও শনিবার এখানে বসে সাপ্তাহিক মেলা। আশপাশের মানুষ যেমন এই মেলায় ভিড় করেন, তেমনি ঢাকার বিভিন্ন এলাকার লোকজনও আসেন প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে বা শুধু ঘুরতে।
শনিবার (৪ অক্টোবর) বিকেলে তাসলিমা আক্তার এসেছিলেন ছেলের জন্য জুতা কিনতে। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ‘ছুটির দিনে এখান থেকে টুকটাক প্রয়োজনের জিনিস কিনে নিয়ে যায়। আজকে বাচ্চার জন্য জুতা কিনতে এসেছি। পছন্দ হলে আরও কিছু জিনিস কিনবো।’

এই মেলায় খাবারের দোকানের পাশাপাশি আছে নানা রকম ঘরোয়া জিনিসের দোকান। পাবেন কাপড়চোপড়, হাড়িপাতিল, ঘর সাজানোর জিনিস ও আসবাবের দোকান। ভাগ্য ভালো হলে আর দামাদামির দক্ষতা থাকলে এখান থেকে বাজারের তুলনায় কম দামে। আছে বাচ্চাদের খেলনা, মেয়েদের কসমেটিকস আইটেম।
বিক্রেতা মারিয়া তাসনিম বলছিলেন, ‘এখন প্রতিযোগিতা বেড়ে গেছে। প্রথম প্রথম এত দোকান ছিল না। অবশ্য এখন ক্রেতার চাপও বেশি।’
আগারগাঁওয়ের নতুন রাস্তা এখন শুধু খাবারের জায়গা হিসেবে পরিচিত নয়। এখানে যেমন রয়েছে লোভনীয় কেক আর মুখরোচক ফাস্টফুড, তেমনি আছে সাপ্তাহিক মেলায় কেনাকাটার আনন্দ। একসঙ্গে খাওয়া, আড্ডা আর বাজারের স্বাদ নিতে চাইলে একবার ঘুরে আসতেই পারেন এই জমজমাট রাস্তা থেকে। দিনের ব্যস্ততা শেষে কিংবা ছুটির দিনে পরিবার-বন্ধুদের নিয়ে সময় কাটানোর জন্য এটি হয়ে উঠেছে নতুন গন্তব্য।

আজ ১৪ জানুয়ারি পৌষ মাসের শেষ দিনে পুরান ঢাকায় পালিত হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী সাকরাইন উৎসব। কবে ও কীভাবে এই উৎসব শুরু হয়েছিল? কেন পুরান ঢাকায় পালিত হয়?
৯ ঘণ্টা আগে
ভূ-পর্যটক তারেক অণু পৃথিবীর নানা প্রান্তে ঘুরে বেড়িয়েছেন। আমেরিকা রোডট্রিপে তিনি অতিক্রম করেছেন প্রায় ৪০ হাজার কিলোমিটার। সেই অভিজ্ঞতার ঝুলি থেকে স্ট্রিমের পাঠকদের জন্য এবার তিনি মেলে ধরছেন তাঁর বেড়ানোর গল্প। নতুন ধারাবাহিক ভ্রমণ-কাহিনি ‘আমেরিকায় প্রবেশ নিষেধ’-এর প্রথম পর্ব প্রকাশিত হলো আজ। প্রতি বু
১১ ঘণ্টা আগে
আজ ১৪ জানুয়ারি নাট্যকার সেলিম আল দীনের মৃত্যুদিন। নাট্যরচনা ও নাট্যগবেষণা উভয়ক্ষেত্রে তাঁর বিশেষত্বের জন্য রবীন্দ্র-উত্তরকালের শ্রেষ্ঠ বাংলা নাট্যকার হিসেবে নির্দ্বিধায় তাঁকে মেনে নেওয়া যায়। আবহমান বাংলার জীবন ও সংস্কৃতির রেপ্রিজেন্টেশন সেলিম আল দীনের নাটকের মূল প্রসঙ্গ। তাঁর চাকা (১৯৯০) নাটকও এর বা
১৫ ঘণ্টা আগে
কয়েক মিনিটের কাজ। অথচ দেখা যায়, ঘড়ির কাঁটা একের পর এক ঘর পেরিয়ে যাচ্ছে কিন্তু কাজটা আর করা হয়ে উঠছে না। জানি কী করতে হবে, জানি সময়ও লাগবে না। তবু কাজটা পড়ে থাকে। এই ‘পরে করব সিনড্রোম’ কি কোনো রোগ? কেন কয়েক মিনিটের কাজও আমরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফেলে রাখি?
১ দিন আগে