ফাবিহা বিনতে হক

বলিউডের জনপ্রিয় সিনেমা ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর সেই দৃশ্যটির কথা মনে আছে? দীর্ঘ দশ বছর পর হারিয়ে যাওয়া বন্ধু রাঞ্চোকে খুঁজতে বেরিয়েছিল ফারহান আর রাজু। ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজছে শানের গলায় গাওয়া গান—‘বেহতি হাওয়া সা থা ও, উড়তি পাতাং সা থা ও, কাহা গায়া উসসে ঢুনডো..’।
হিন্দি ভাষায় গাওয়া গানটির বাংলা অর্থ করলে দাঁড়ায়, ‘সে ছিল বয়ে চলা হাওয়ার মতো, মুক্ত, বাধাহীন; সে ছিল উড়ন্ত ঘুড়ির মতো, নিজের মতো করে উড়ত। সে কোথায় হারিয়ে গেল, তাকে খুঁজে বের করো।’
বাস্তবজীবনে আমরা সবাই পরিস্থিতির চাপে রাঞ্চো হয়ে যাই। আমরা চাই বা না চাই, বাস্তবতা আমাদের প্রিয় বন্ধুদের থেকে দূরে নিয়ে যায়। মাঝে মাঝে হয়তো যোগাযোগও হারিয়ে ফেলি কেউ কেউ। কিন্তু প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে দেখা হওয়ার ব্যাকুলতা আমাদের সবার ভেতরেই লুকিয়ে থাকে। আর সেই ব্যাকুলতা পূর্ণতা পায় ঈদের ছুটিতে।
ঈদের ছুটি শুরু হতেই বাস, ট্রেন বা লঞ্চের জানালায় চোখ রেখে আমরা বাড়ির পথ ধরি। যানজটের ক্লান্তি আর পথের সব কষ্ট তখন তুচ্ছ মনে হয়। মনের অজান্তে বাজতে থাকে ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি আমার’ গান। শেকড়ের টানে নিজের চিরচেনা শহরে বা গ্রামে ফেরার এই আনন্দ অন্য কিছুর সঙ্গে মেলানো যায় না। কারণ, বাড়ি ফেরা মানে শুধু পরিবারের কাছে ফেরা নয়। এর মানে হলো ফেলে আসা শৈশব আর পুরোনো বন্ধুদের কাছে ফেরা।
শহুরে মানুষ যে যার মতো ভীষণ ব্যস্ত। কেউ অফিসে ফাইল বন্দি, কেউ ব্যবসায় ছুটছেন, কেউ বা চাকরির প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। কিন্তু ঈদের ছুটিতে যখন সবাই নিজের এলাকায় ফিরে আসেন, তখন সব ব্যস্ততা যেন উধাও হয়ে যায়। ঈদের দিন বিকেলেই পাড়ার সেই পুরোনো চায়ের দোকান, বন্ধুর বাসা কিংবা স্কুলের মাঠে জড়ো হতে থাকি আমরা। চায়ের দোকান হোক কিংবা কোনো রেস্তোরা, পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হওয়াই তো সেই ‘কফি হাউজের আড্ডা’। যে কফি হাউজের আড্ডার পরিণতি এড়াতে চাই সবসময়, বাস্তবতা সেদিকেই আমাদের চালিত করে। তাই তো আমরা খুঁজে ফিরি ঈদের ছুটির মত উপলক্ষের। যে উপলক্ষের বুকে ভর করে আমরা ফিরে যেতে পারব ‘আমাদের চিরচেনা কফি হাউজে’।
সময় বদলায়, আড্ডায় কথার বলার বিষয়বস্তুও বদলে যায়। আগে আড্ডায় বসলেই কথা হতো পড়াশোনা নিয়ে। কে অঙ্কে কত পেল, কার নোট লাগবে, কে কোন সিলেবাস শেষ করেছে—এসব ছিল কথা বলার প্রধান বিষয়। কৈশোরে যোগ হয়—প্রথম ভালোবাসার গল্প। ‘অমুক মেয়েটিকে ভালো লাগে’, ‘অমুক ছেলেটি আজ আমার দিকে তাকিয়েছে’, ‘ভালোবাসার মানুষটিকে কীভাবে মনের কথা বলা যায়’—এসব নিয়ে চলত গভীর আলোচনা।
এখন আড্ডায় উঠে আসে বাজারের দরদাম, অফিসে বসের ঝাড়ি, প্রমোশনের খোঁজ কিংবা সংসারের নানা হিসাব-নিকাশ। কারো হয়তো মাথার চুল কিছুটা কমেছে, কারো চশমার পাওয়ার বেড়েছে। সময়ের বিবর্তনে কথা বলার বিষয় বদলে যায় ঠিকই। কিন্তু বদলায় না শুধু সেই পুরোনো বন্ধুত্ব।
নতুন টপিকের ভিড়েও শৈশবের স্মৃতি হাতড়ে বেড়াই পুরোটা সময়। আগের দিনগুলোকে ফিরিয়ে আনার ব্যর্থ চেষ্টায় পুরোনো মানুষগুলোকেই আঁকড়ে ধরার চেষ্টা করি বারবার। এই বন্ধুরা জানে আমাদের পুরোনো ‘নির্ভেজাল’ সত্তাকে, তাঁরা জানে আমাদের প্রথম প্রেমের মিষ্টি অনুভূতির কথা কিংবা বোর্ড পরীক্ষায় ভালো নম্বর না পাওয়ার তীব্র হতাশার দিনগুলোকে। হয়ত এই মানুষগুলোর কাছে ‘হারিয়ে যাওয়া’ নিজেকে খুঁজতেই ঈদের আড্ডায় কিংবা পুজার ছুটিতে আমরা ফিরে যাই পাড়ার মোড়ে, চায়ের দোকানে কিংবা পুরোনো রেস্তোরাঁয় যেখানে প্রতিদিন নিয়ম করে চায়ের কাপে উঠতো ঝড়, হাসি-কান্নায় মিলেমিশে যেতো আমাদের বড় হয়ে ওঠার দিনগুলো।
জীবনের দীর্ঘ এই পথের বাঁকে অনেক কিছুই হারিয়ে যায়। সময়ের ফেরে অনেক প্রিয় বন্ধুর সঙ্গেও হয়তো যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। কারো সঙ্গে হয়তো তৈরি হয়েছে গভীর কোনো অভিমান। কিন্তু ঈদের মতো আনন্দের মুহূর্তে জীবনের চেনা হিসাব-নিকাশগুলো অন্যরকম হয়ে যায়। তখন মনের অজান্তেই হারিয়ে যাওয়া বন্ধুদের মুখ ভেসে ওঠে।
এমনকি স্কুলজীবনে যে সহপাঠীকে ছিল দারুণ অপছন্দের, তাকেও আজ খুব দেখতে ইচ্ছে করে। সব পুরোনো অভিমান ভুলে তাকে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে করে।
মানবমনের বিচিত্র এই রং বোঝা বড় দায়। সময় অনেক ক্ষতই ধুয়েমুছে দিতে পারে। একসময় যে ঘটনাগুলোকে ‘ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ’ বলে মনে হতো, পরিণত বয়সে সেই একই ঘটনা আমাদের কাছে ‘ছোটখাটো ভুল’ কিংবা ‘ছেলেমানুষি’ বলে মনে হয়। আমরা ক্ষমা করতে শিখি, ভালোবাসতে শিখি। তখন ভুলের চেয়ে ওই ‘ভুল করা বন্ধুটিই’ আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
ঈদের ছুটি একসময় ফুরিয়ে আসে। আবার সবাইকে ব্যাগ গুছিয়ে ফিরে যেতে হয় সাদা-কালো জঞ্জালে ভরা মিথ্যে কথার শহরে। কিন্তু তখন আর মন ভারী লাগে না। সুটকেসভর্তি কাপড়ের সঙ্গে থাকে বন্ধুদের আড্ডা আর হাসি-ঠাট্টার মধুর স্মৃতি। নিজের কাছে ফিরতেই আমরা বারবার ফিরে আসি চিরচেনা শৈশবের কাছে, প্রাণপ্রিয় বন্ধুদের কাছে। রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ এ কারণেই হয়ত লিখেছেন, ‘শেষমেশ যে যার সন্ধ্যার কাছে ফিরে যায়, যে যার অন্ধকারের কাছে।’

বলিউডের জনপ্রিয় সিনেমা ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর সেই দৃশ্যটির কথা মনে আছে? দীর্ঘ দশ বছর পর হারিয়ে যাওয়া বন্ধু রাঞ্চোকে খুঁজতে বেরিয়েছিল ফারহান আর রাজু। ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজছে শানের গলায় গাওয়া গান—‘বেহতি হাওয়া সা থা ও, উড়তি পাতাং সা থা ও, কাহা গায়া উসসে ঢুনডো..’।
হিন্দি ভাষায় গাওয়া গানটির বাংলা অর্থ করলে দাঁড়ায়, ‘সে ছিল বয়ে চলা হাওয়ার মতো, মুক্ত, বাধাহীন; সে ছিল উড়ন্ত ঘুড়ির মতো, নিজের মতো করে উড়ত। সে কোথায় হারিয়ে গেল, তাকে খুঁজে বের করো।’
বাস্তবজীবনে আমরা সবাই পরিস্থিতির চাপে রাঞ্চো হয়ে যাই। আমরা চাই বা না চাই, বাস্তবতা আমাদের প্রিয় বন্ধুদের থেকে দূরে নিয়ে যায়। মাঝে মাঝে হয়তো যোগাযোগও হারিয়ে ফেলি কেউ কেউ। কিন্তু প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে দেখা হওয়ার ব্যাকুলতা আমাদের সবার ভেতরেই লুকিয়ে থাকে। আর সেই ব্যাকুলতা পূর্ণতা পায় ঈদের ছুটিতে।
ঈদের ছুটি শুরু হতেই বাস, ট্রেন বা লঞ্চের জানালায় চোখ রেখে আমরা বাড়ির পথ ধরি। যানজটের ক্লান্তি আর পথের সব কষ্ট তখন তুচ্ছ মনে হয়। মনের অজান্তে বাজতে থাকে ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি আমার’ গান। শেকড়ের টানে নিজের চিরচেনা শহরে বা গ্রামে ফেরার এই আনন্দ অন্য কিছুর সঙ্গে মেলানো যায় না। কারণ, বাড়ি ফেরা মানে শুধু পরিবারের কাছে ফেরা নয়। এর মানে হলো ফেলে আসা শৈশব আর পুরোনো বন্ধুদের কাছে ফেরা।
শহুরে মানুষ যে যার মতো ভীষণ ব্যস্ত। কেউ অফিসে ফাইল বন্দি, কেউ ব্যবসায় ছুটছেন, কেউ বা চাকরির প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। কিন্তু ঈদের ছুটিতে যখন সবাই নিজের এলাকায় ফিরে আসেন, তখন সব ব্যস্ততা যেন উধাও হয়ে যায়। ঈদের দিন বিকেলেই পাড়ার সেই পুরোনো চায়ের দোকান, বন্ধুর বাসা কিংবা স্কুলের মাঠে জড়ো হতে থাকি আমরা। চায়ের দোকান হোক কিংবা কোনো রেস্তোরা, পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হওয়াই তো সেই ‘কফি হাউজের আড্ডা’। যে কফি হাউজের আড্ডার পরিণতি এড়াতে চাই সবসময়, বাস্তবতা সেদিকেই আমাদের চালিত করে। তাই তো আমরা খুঁজে ফিরি ঈদের ছুটির মত উপলক্ষের। যে উপলক্ষের বুকে ভর করে আমরা ফিরে যেতে পারব ‘আমাদের চিরচেনা কফি হাউজে’।
সময় বদলায়, আড্ডায় কথার বলার বিষয়বস্তুও বদলে যায়। আগে আড্ডায় বসলেই কথা হতো পড়াশোনা নিয়ে। কে অঙ্কে কত পেল, কার নোট লাগবে, কে কোন সিলেবাস শেষ করেছে—এসব ছিল কথা বলার প্রধান বিষয়। কৈশোরে যোগ হয়—প্রথম ভালোবাসার গল্প। ‘অমুক মেয়েটিকে ভালো লাগে’, ‘অমুক ছেলেটি আজ আমার দিকে তাকিয়েছে’, ‘ভালোবাসার মানুষটিকে কীভাবে মনের কথা বলা যায়’—এসব নিয়ে চলত গভীর আলোচনা।
এখন আড্ডায় উঠে আসে বাজারের দরদাম, অফিসে বসের ঝাড়ি, প্রমোশনের খোঁজ কিংবা সংসারের নানা হিসাব-নিকাশ। কারো হয়তো মাথার চুল কিছুটা কমেছে, কারো চশমার পাওয়ার বেড়েছে। সময়ের বিবর্তনে কথা বলার বিষয় বদলে যায় ঠিকই। কিন্তু বদলায় না শুধু সেই পুরোনো বন্ধুত্ব।
নতুন টপিকের ভিড়েও শৈশবের স্মৃতি হাতড়ে বেড়াই পুরোটা সময়। আগের দিনগুলোকে ফিরিয়ে আনার ব্যর্থ চেষ্টায় পুরোনো মানুষগুলোকেই আঁকড়ে ধরার চেষ্টা করি বারবার। এই বন্ধুরা জানে আমাদের পুরোনো ‘নির্ভেজাল’ সত্তাকে, তাঁরা জানে আমাদের প্রথম প্রেমের মিষ্টি অনুভূতির কথা কিংবা বোর্ড পরীক্ষায় ভালো নম্বর না পাওয়ার তীব্র হতাশার দিনগুলোকে। হয়ত এই মানুষগুলোর কাছে ‘হারিয়ে যাওয়া’ নিজেকে খুঁজতেই ঈদের আড্ডায় কিংবা পুজার ছুটিতে আমরা ফিরে যাই পাড়ার মোড়ে, চায়ের দোকানে কিংবা পুরোনো রেস্তোরাঁয় যেখানে প্রতিদিন নিয়ম করে চায়ের কাপে উঠতো ঝড়, হাসি-কান্নায় মিলেমিশে যেতো আমাদের বড় হয়ে ওঠার দিনগুলো।
জীবনের দীর্ঘ এই পথের বাঁকে অনেক কিছুই হারিয়ে যায়। সময়ের ফেরে অনেক প্রিয় বন্ধুর সঙ্গেও হয়তো যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। কারো সঙ্গে হয়তো তৈরি হয়েছে গভীর কোনো অভিমান। কিন্তু ঈদের মতো আনন্দের মুহূর্তে জীবনের চেনা হিসাব-নিকাশগুলো অন্যরকম হয়ে যায়। তখন মনের অজান্তেই হারিয়ে যাওয়া বন্ধুদের মুখ ভেসে ওঠে।
এমনকি স্কুলজীবনে যে সহপাঠীকে ছিল দারুণ অপছন্দের, তাকেও আজ খুব দেখতে ইচ্ছে করে। সব পুরোনো অভিমান ভুলে তাকে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে করে।
মানবমনের বিচিত্র এই রং বোঝা বড় দায়। সময় অনেক ক্ষতই ধুয়েমুছে দিতে পারে। একসময় যে ঘটনাগুলোকে ‘ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ’ বলে মনে হতো, পরিণত বয়সে সেই একই ঘটনা আমাদের কাছে ‘ছোটখাটো ভুল’ কিংবা ‘ছেলেমানুষি’ বলে মনে হয়। আমরা ক্ষমা করতে শিখি, ভালোবাসতে শিখি। তখন ভুলের চেয়ে ওই ‘ভুল করা বন্ধুটিই’ আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
ঈদের ছুটি একসময় ফুরিয়ে আসে। আবার সবাইকে ব্যাগ গুছিয়ে ফিরে যেতে হয় সাদা-কালো জঞ্জালে ভরা মিথ্যে কথার শহরে। কিন্তু তখন আর মন ভারী লাগে না। সুটকেসভর্তি কাপড়ের সঙ্গে থাকে বন্ধুদের আড্ডা আর হাসি-ঠাট্টার মধুর স্মৃতি। নিজের কাছে ফিরতেই আমরা বারবার ফিরে আসি চিরচেনা শৈশবের কাছে, প্রাণপ্রিয় বন্ধুদের কাছে। রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ এ কারণেই হয়ত লিখেছেন, ‘শেষমেশ যে যার সন্ধ্যার কাছে ফিরে যায়, যে যার অন্ধকারের কাছে।’

‘আমি চাই না আপনারা আমাকে দেখেন, মানুষ খুশি থাকলে আমিও খুশি’— অত্যন্ত সাধারণ এই জীবনবোধের অধিকারী কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার চরের বাসিন্দা তাইজুল ইসলাম তাজুর। তিনি আজ ইন্টারনেটে এক পরিচিত নাম।
১২ ঘণ্টা আগে
পৃথিবীর ইতিহাসে সংক্রামক ব্যাধির সঙ্গে মানুষের লড়াই অনেক পুরোনো। বিভিন্ন যুগে নানা রোগ মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব রোগে প্রাণহানি ঘটেছে কোটি কোটি মানুষের। চতুর্দশ শতাব্দীতে ‘ব্ল্যাক ডেথ’ বা প্লেগ রোগে ইউরোপের বিপুল সংখ্যক মানুষ মারা যায়। এরপর গুটিবসন্ত, কলেরা ও স্প্যানিশ ফ্লু পৃথিবীতে ব্যাপক ধ্বং
১৯ ঘণ্টা আগে
দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ায় একসময় হাম ছিল শিশুমৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। এক সময় এই সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগটি বহু শিশুর জীবন কেড়ে নিয়েছে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি টিকাদান কর্মসূচি, শক্তিশালী স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও কার্যকর নজরদারির মাধ্যমে আজ সেই চিত্র বদলে গেছে।
২ দিন আগে
আমাদের সমাজে শিশুর ঘুম নিয়ে প্রচলিত অনেক কথা আছে। যেমন, শিশু রাতে ১২ ঘণ্টা ঘুমাবে। কেউ বলেন, দিনে বেশি ঘুমালে রাতে ঘুম হবে না। আবার কেউ বলেন, দিনে বেশি ঘুমালে রাতেও ঘুমের অভ্যাস গড়ে উঠবে। এমন অনেক কথায় কান দিয়ে বাবা-মায়েরা সন্তানের ঘুম নিয়ে চিন্তায় পড়ে যান।
২ দিন আগে