বিখ্যাত ‘গ্রেট মাইগ্রেশন’ সরাসরি প্রত্যক্ষ করার সুযোগ পেয়েছেন ভ্রমণপিপাসু তানভীর অপু। এটি মূলত সবুজ ঘাস ও পানির সন্ধানে লাখ লাখ ওয়াইল্ডবিস্ট এবং জেব্রার এক দেশ থেকে আরেক দেশে দলবেঁধে ছুটে চলার বার্ষিক মহাযাত্রা। বিশেষ করে মারা নদী পার হওয়ার সময় বন্যপ্রাণীদের জীবন-মৃত্যুর সেই রোমাঞ্চকর লড়াই তিনি খুব কাছ থেকে দেখেছেন। অনন্য সেই অভিজ্ঞতার কথাই তিনি এবার স্ট্রিমের পাঠকদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন।
তানভীর অপু

আমার বহুদিনের অপেক্ষার অবসান হলো। চোখের সামনে জীবন্ত হয়ে ধরা দিল পৃথিবীর অন্যতম বিস্ময়কর প্রাকৃতিক ঘটনা—গ্রেট মাইগ্রেশন। এই অসাধারণ দৃশ্য দেখার স্বপ্ন নিয়েই গত বছর প্রথমবারের মতো তানজানিয়ার সেরেঙ্গেটি ন্যাশনাল পার্কে এসেছিলাম। কিন্তু ভাগ্য সেদিন সহায় ছিল না। প্রকৃতির এই মহা আয়োজন দেখার সৌভাগ্য তখন হয়নি। সেই অপূর্ণতা নিয়েই দেশে ফিরেছিলাম।
তবে মনে বিশ্বাস ছিল, একদিন ঠিকই আবার আসব। আর সেদিন হয়তো প্রকৃতি আমাকে খালি হাতে ফিরিয়ে দেবে না। সত্যিই ঠিক তা-ই হয়েছে। এ বছর আমরা যেন প্রকৃতির আশীর্বাদ নিয়েই এসেছি। অবশেষে নিজের চোখে দেখলাম সেই অবিশ্বাস্য, রোমাঞ্চকর এবং সারাজীবন মনে রাখার মতো এক দৃশ্য।
দূরে ধুলোর মেঘ উঠছে। হাজার হাজার নয়, যেন লাখ লাখ ওয়াইল্ডবিস্ট একসঙ্গে এগিয়ে আসছে। সঙ্গে রয়েছে অসংখ্য জেব্রা ও অন্যান্য তৃণভোজী প্রাণী। মুহূর্তের মধ্যেই পুরো মাঠটি যেন প্রাণ ফিরে পেল। এরপর শুরু হলো সবচেয়ে রোমাঞ্চকর অংশ, মারা নদী পার হওয়া। নদীর এক পাড় থেকে অন্য পাড়ে ছুটে চলা এই বিশাল প্রাণীর দল দেখে মনে হচ্ছিল, প্রকৃতি নিজেই যেন নিজের ইতিহাস লিখছে। হাজার হাজার প্রাণীর একসঙ্গে নদীতে ঝাঁপ দেওয়া, স্রোতের সঙ্গে লড়াই করে এগিয়ে চলা আর সেই দৃশ্যের প্রতিটি মুহূর্ত ক্যামেরায় নয়, মনের ভেতর গেঁথে রাখার অনুভূতি আসলে ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব।

অনেকেই মনে করেন, এটি শুধু প্রাণীদের এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাওয়ার সাধারণ ঘটনা। কিন্তু আসলে এটি প্রকৃতির সবচেয়ে অদ্ভুত ও সুন্দর জীবনচক্রগুলোর একটি। প্রতি বছর প্রায় ১৭ লাখ ওয়াইল্ডবিস্ট, ৬ লাখেরও বেশি জেব্রা এবং অসংখ্য গ্যাজেলসহ অন্যান্য তৃণভোজী প্রাণী সবুজ ঘাস আর পানির খোঁজে তানজানিয়ার সেরেঙ্গেটি থেকে কেনিয়ার মাসাই মারার দিকে প্রায় ৮০০ থেকে ১,০০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ ঘুরে ঘুরে পাড়ি দেয়। এই মহাযাত্রা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্তন্যপায়ী প্রাণীর স্থান পরিবর্তন হিসেবে পরিচিত এবং প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে এটি এক মহাবিস্ময়।

সেরেঙ্গেটি ন্যাশনাল পার্কের বিশাল তৃণভূমি বছরের একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত লাখ লাখ প্রাণীর খাবারের জোগান দিতে পারে। কিন্তু ধীরে ধীরে যখন ঘাস ফুরিয়ে আসে এবং পানির অভাব দেখা দেয়, তখন শুরু হয় নতুন ঘাস আর পানির খোঁজে তাদের দীর্ঘ যাত্রা। তারা ধীরে ধীরে উত্তর দিকে এগিয়ে কেনিয়ার বিখ্যাত মাসাই মারার দিকে চলে যায়। প্রকৃতির নিয়মে বেঁচে থাকার জন্য এই যাত্রা তাদের কাছে অনিবার্য বাস্তবতা।
তবে এই যাত্রা প্রাণীদের জন্য মোটেও সহজ নয়। সবচেয়ে ভয়ংকর আর উত্তেজনাপূর্ণ সময়টি আসে মারা নদী পার হওয়ার সময়। নদীর তীব্র স্রোত, পিচ্ছিল পাড় আর পানির নিচে ওত পেতে থাকা নীল নদের বিশাল সব কুমির মিলিয়ে প্রতিটি পদক্ষেপই যেন জীবন-মৃত্যুর লড়াই। অসংখ্য কুমির এই সময়ের জন্যই ওত পেতে অপেক্ষা করে থাকে। হাজার হাজার প্রাণী নদীতে ঝাঁপ দেয়; কেউ নিরাপদে ওপাড়ে পৌঁছে যায়, আবার কেউ প্রকৃতির নিষ্ঠুর নিয়মের কাছে হার মেনে শিকার হয়ে যায়।

শুধু কুমিরই নয়, পুরো পথজুড়ে ওত পেতে থাকে সিংহ, চিতাবাঘ, হায়েনা এবং অন্যান্য শিকারি প্রাণী। তারা জানে, এই সময়টাই শিকার করার সবচেয়ে বড় সুযোগ। অন্যদিকে তৃণভোজী প্রাণীরা জানে, এক সেকেন্ডের ভুল মানেই নিশ্চিত মৃত্যু। তাই এই মহাযাত্রা আসলে টিকে থাকার সংগ্রাম, সাহস, ধৈর্য এবং প্রকৃতির চিরন্তন ভারসাম্যের অসাধারণ উদাহরণ।
গ্রেট মাইগ্রেশন সারা বছর একই জায়গায় দেখা যায় না। ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত দক্ষিণ সেরেঙ্গেটির বিশাল সমতল মাঠে লাখ লাখ ওয়াইল্ডবিস্টের বাচ্চার জন্ম হয়। মে থেকে জুলাইয়ের মধ্যে তারা উত্তর দিকে যাত্রা শুরু করে এবং গ্রুমেটি নদী পার হয়। জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর হলো সবচেয়ে অপেক্ষার সময়, যখন তারা মারা নদী পার হয়ে মাসাই মারায় প্রবেশ করে। এরপর অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে তারা আবার ধীরে ধীরে দক্ষিণের দিকে ফিরে আসে। এভাবেই বছরের পর বছর, যুগের পর যুগ প্রকৃতির এই অদ্ভুত চক্রটি চলতেই থাকে।

সারা পৃথিবী থেকে হাজার হাজার পর্যটক, ফটোগ্রাফার, বন্যপ্রাণী গবেষক এবং প্রকৃতিপ্রেমী মানুষ শুধু এই একটি দৃশ্য দেখার জন্যই আফ্রিকায় ছুটে আসেন। কারণ এটি এমন এক অভিজ্ঞতা, যা কোনো ভিডিও, ছবি কিংবা ডকুমেন্টারি দিয়ে পুরোপুরি বোঝানো সম্ভব নয়। নিজের চোখে না দেখলে এই বিস্ময়ের রূপ পুরোপুরি বোঝা অসম্ভব।
আমি যখন সেই বিশাল প্রাণীর স্রোতকে মারা নদীতে ঝাঁপ দিতে দেখছিলাম, তখন বারবার মনে হচ্ছিল, আমি যেন পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন এবং সবচেয়ে বিশাল এক জীবন্ত নাটকের দর্শক হয়ে দাঁড়িয়ে আছি। প্রকৃতির এই বিশাল আয়োজনের সামনে মানুষের সব অহংকার আর কৃত্রিমতা মুহূর্তেই তুচ্ছ হয়ে যায়। তখন কেবল অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকা ছাড়া আর কিছুই করার থাকে না।

গত বছর অপূর্ণ স্বপ্ন নিয়ে ফিরেছিলাম। কিন্তু এ বছর সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। জীবনের অসংখ্য ভ্রমণের মধ্যে অনেক সুন্দর মুহূর্ত এসেছে, অনেক অসাধারণ দৃশ্য দেখেছি, কিন্তু সেরেঙ্গেটির গ্রেট মাইগ্রেশন আমার হৃদয়ে চিরকাল বিশেষ একটি স্থান দখল করে থাকবে। এমন অভিজ্ঞতা জীবনে একবার পাওয়াও সত্যিই বড় ভাগ্যের ব্যাপার।

আমার বহুদিনের অপেক্ষার অবসান হলো। চোখের সামনে জীবন্ত হয়ে ধরা দিল পৃথিবীর অন্যতম বিস্ময়কর প্রাকৃতিক ঘটনা—গ্রেট মাইগ্রেশন। এই অসাধারণ দৃশ্য দেখার স্বপ্ন নিয়েই গত বছর প্রথমবারের মতো তানজানিয়ার সেরেঙ্গেটি ন্যাশনাল পার্কে এসেছিলাম। কিন্তু ভাগ্য সেদিন সহায় ছিল না। প্রকৃতির এই মহা আয়োজন দেখার সৌভাগ্য তখন হয়নি। সেই অপূর্ণতা নিয়েই দেশে ফিরেছিলাম।
তবে মনে বিশ্বাস ছিল, একদিন ঠিকই আবার আসব। আর সেদিন হয়তো প্রকৃতি আমাকে খালি হাতে ফিরিয়ে দেবে না। সত্যিই ঠিক তা-ই হয়েছে। এ বছর আমরা যেন প্রকৃতির আশীর্বাদ নিয়েই এসেছি। অবশেষে নিজের চোখে দেখলাম সেই অবিশ্বাস্য, রোমাঞ্চকর এবং সারাজীবন মনে রাখার মতো এক দৃশ্য।
দূরে ধুলোর মেঘ উঠছে। হাজার হাজার নয়, যেন লাখ লাখ ওয়াইল্ডবিস্ট একসঙ্গে এগিয়ে আসছে। সঙ্গে রয়েছে অসংখ্য জেব্রা ও অন্যান্য তৃণভোজী প্রাণী। মুহূর্তের মধ্যেই পুরো মাঠটি যেন প্রাণ ফিরে পেল। এরপর শুরু হলো সবচেয়ে রোমাঞ্চকর অংশ, মারা নদী পার হওয়া। নদীর এক পাড় থেকে অন্য পাড়ে ছুটে চলা এই বিশাল প্রাণীর দল দেখে মনে হচ্ছিল, প্রকৃতি নিজেই যেন নিজের ইতিহাস লিখছে। হাজার হাজার প্রাণীর একসঙ্গে নদীতে ঝাঁপ দেওয়া, স্রোতের সঙ্গে লড়াই করে এগিয়ে চলা আর সেই দৃশ্যের প্রতিটি মুহূর্ত ক্যামেরায় নয়, মনের ভেতর গেঁথে রাখার অনুভূতি আসলে ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব।

অনেকেই মনে করেন, এটি শুধু প্রাণীদের এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাওয়ার সাধারণ ঘটনা। কিন্তু আসলে এটি প্রকৃতির সবচেয়ে অদ্ভুত ও সুন্দর জীবনচক্রগুলোর একটি। প্রতি বছর প্রায় ১৭ লাখ ওয়াইল্ডবিস্ট, ৬ লাখেরও বেশি জেব্রা এবং অসংখ্য গ্যাজেলসহ অন্যান্য তৃণভোজী প্রাণী সবুজ ঘাস আর পানির খোঁজে তানজানিয়ার সেরেঙ্গেটি থেকে কেনিয়ার মাসাই মারার দিকে প্রায় ৮০০ থেকে ১,০০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ ঘুরে ঘুরে পাড়ি দেয়। এই মহাযাত্রা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্তন্যপায়ী প্রাণীর স্থান পরিবর্তন হিসেবে পরিচিত এবং প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে এটি এক মহাবিস্ময়।

সেরেঙ্গেটি ন্যাশনাল পার্কের বিশাল তৃণভূমি বছরের একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত লাখ লাখ প্রাণীর খাবারের জোগান দিতে পারে। কিন্তু ধীরে ধীরে যখন ঘাস ফুরিয়ে আসে এবং পানির অভাব দেখা দেয়, তখন শুরু হয় নতুন ঘাস আর পানির খোঁজে তাদের দীর্ঘ যাত্রা। তারা ধীরে ধীরে উত্তর দিকে এগিয়ে কেনিয়ার বিখ্যাত মাসাই মারার দিকে চলে যায়। প্রকৃতির নিয়মে বেঁচে থাকার জন্য এই যাত্রা তাদের কাছে অনিবার্য বাস্তবতা।
তবে এই যাত্রা প্রাণীদের জন্য মোটেও সহজ নয়। সবচেয়ে ভয়ংকর আর উত্তেজনাপূর্ণ সময়টি আসে মারা নদী পার হওয়ার সময়। নদীর তীব্র স্রোত, পিচ্ছিল পাড় আর পানির নিচে ওত পেতে থাকা নীল নদের বিশাল সব কুমির মিলিয়ে প্রতিটি পদক্ষেপই যেন জীবন-মৃত্যুর লড়াই। অসংখ্য কুমির এই সময়ের জন্যই ওত পেতে অপেক্ষা করে থাকে। হাজার হাজার প্রাণী নদীতে ঝাঁপ দেয়; কেউ নিরাপদে ওপাড়ে পৌঁছে যায়, আবার কেউ প্রকৃতির নিষ্ঠুর নিয়মের কাছে হার মেনে শিকার হয়ে যায়।

শুধু কুমিরই নয়, পুরো পথজুড়ে ওত পেতে থাকে সিংহ, চিতাবাঘ, হায়েনা এবং অন্যান্য শিকারি প্রাণী। তারা জানে, এই সময়টাই শিকার করার সবচেয়ে বড় সুযোগ। অন্যদিকে তৃণভোজী প্রাণীরা জানে, এক সেকেন্ডের ভুল মানেই নিশ্চিত মৃত্যু। তাই এই মহাযাত্রা আসলে টিকে থাকার সংগ্রাম, সাহস, ধৈর্য এবং প্রকৃতির চিরন্তন ভারসাম্যের অসাধারণ উদাহরণ।
গ্রেট মাইগ্রেশন সারা বছর একই জায়গায় দেখা যায় না। ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত দক্ষিণ সেরেঙ্গেটির বিশাল সমতল মাঠে লাখ লাখ ওয়াইল্ডবিস্টের বাচ্চার জন্ম হয়। মে থেকে জুলাইয়ের মধ্যে তারা উত্তর দিকে যাত্রা শুরু করে এবং গ্রুমেটি নদী পার হয়। জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর হলো সবচেয়ে অপেক্ষার সময়, যখন তারা মারা নদী পার হয়ে মাসাই মারায় প্রবেশ করে। এরপর অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে তারা আবার ধীরে ধীরে দক্ষিণের দিকে ফিরে আসে। এভাবেই বছরের পর বছর, যুগের পর যুগ প্রকৃতির এই অদ্ভুত চক্রটি চলতেই থাকে।

সারা পৃথিবী থেকে হাজার হাজার পর্যটক, ফটোগ্রাফার, বন্যপ্রাণী গবেষক এবং প্রকৃতিপ্রেমী মানুষ শুধু এই একটি দৃশ্য দেখার জন্যই আফ্রিকায় ছুটে আসেন। কারণ এটি এমন এক অভিজ্ঞতা, যা কোনো ভিডিও, ছবি কিংবা ডকুমেন্টারি দিয়ে পুরোপুরি বোঝানো সম্ভব নয়। নিজের চোখে না দেখলে এই বিস্ময়ের রূপ পুরোপুরি বোঝা অসম্ভব।
আমি যখন সেই বিশাল প্রাণীর স্রোতকে মারা নদীতে ঝাঁপ দিতে দেখছিলাম, তখন বারবার মনে হচ্ছিল, আমি যেন পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন এবং সবচেয়ে বিশাল এক জীবন্ত নাটকের দর্শক হয়ে দাঁড়িয়ে আছি। প্রকৃতির এই বিশাল আয়োজনের সামনে মানুষের সব অহংকার আর কৃত্রিমতা মুহূর্তেই তুচ্ছ হয়ে যায়। তখন কেবল অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকা ছাড়া আর কিছুই করার থাকে না।

গত বছর অপূর্ণ স্বপ্ন নিয়ে ফিরেছিলাম। কিন্তু এ বছর সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। জীবনের অসংখ্য ভ্রমণের মধ্যে অনেক সুন্দর মুহূর্ত এসেছে, অনেক অসাধারণ দৃশ্য দেখেছি, কিন্তু সেরেঙ্গেটির গ্রেট মাইগ্রেশন আমার হৃদয়ে চিরকাল বিশেষ একটি স্থান দখল করে থাকবে। এমন অভিজ্ঞতা জীবনে একবার পাওয়াও সত্যিই বড় ভাগ্যের ব্যাপার।
.png)

জীবনে তিনি রাজনীতিবিদ, সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী—এমন অনেক কিছুই হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বিচিত্র সব অভিজ্ঞতার পর শেষমেশ লেখক হওয়াকেই বেছে নেন আহমদ ছফা। নিজের লেখা একটি প্রবন্ধে তিনি নিজেই এ কথা স্বীকার করেছেন। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই লেখকের সমাজ ও দেশকে দেখার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ছিল।
৩ ঘণ্টা আগে
রাস্তার ধারে একটি ওয়ালেট পড়ে আছে। আশপাশে কেউ নেই। সুযোগ বুঝে আপনি সেটি তুলে নিলেন। খুলে দেখলেন, ভেতরে কিছু টাকা, ব্যাংক কার্ড আর মালিকের পরিচয়পত্র। এবার কী করবেন? মালিককে খুঁজে ওয়ালেট ফিরিয়ে দেবেন, নাকি চুপচাপ নিজের পকেটে পুরবেন?
৪ ঘণ্টা আগে
টেলিভিশন চালু করলেই টুথপেস্টের নানা রকম বিজ্ঞাপন চোখে পড়ে। কোনো বিজ্ঞাপনে জানতে চাওয়া হয় টুথপেস্টে নুন (লবণ) আছে কি না, কোনোটি দাঁতের শিরশির ভাব দূর করার কথা বলে, আবার কোনোটি দেয় নিঃশ্বাসের সতেজতা। সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, আমাদের ব্যবহৃত বেশিরভাগ টুথপেস্টেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি আছে। আর তা নিয়ে
২৭ জুলাই ২০২৬
বিশ্ব চলচ্চিত্রে যে কজন পরিচালক ‘সিনেমার ভাষা’ বদলে দিয়েছেন তাঁদের মধ্যে মার্কিন পরিচালক স্ট্যানলি কুবরিক একজন। তাঁর সিনেমা মানুষকে ভাবায়। ১৯২৮ সালের ২৬ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে তাঁর জন্ম। জীবদ্দশায় মাত্র ১৩টি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। সংখ্যায় কম হলেও প্রতিটি ছবিই সিনেমার ইতিহাসে বিশেষ জায়গা করে
২৭ জুলাই ২০২৬