স্ট্রিম ডেস্ক

বিশ্বজুড়ে এখন উন্মাদনা চলছে ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ নিয়ে। এই বিশ্বকাপের জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মঞ্চ কাঁপিয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান ডিজে ও সংগীতশিল্পী সঞ্জয় দেব।
কানাডার টরন্টোতে আয়োজিত সেই অনুষ্ঠানে নোরা ফাতেহি ও ফরাসি শিল্পী ভেজেড্রিমের সঙ্গে একই মঞ্চে পারফর্ম করেন তিনি। তাঁদের গাওয়া ‘সির সির’ গানটি এখন সারা বিশ্বে দারুণ জনপ্রিয়। ফিফার অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে গানটি প্রকাশের মাত্র পাঁচ দিনেই ৪৩ মিলিয়নের বেশিবার দেখা হয়েছে।
তবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শুধু গান নয়, নিজের পোশাকের মাধ্যমেও নজর কাড়েন শ্রীমঙ্গলের ছেলে সঞ্জয়। কালো প্যান্টের সঙ্গে তিনি পড়েন লাল জ্যাকেট। জ্যাকেটের কারুকাজ করা হাতের অংশটি সবার নজর কেড়েছে। পারফর্ম করার সময় তিনি বারবার হাতার একটি অংশে দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
লাল জ্যাকেটের হাতাটি ছিল সবুজ, বাংলাদেশের পতাকার রঙের সঙ্গে মিল রেখে। বাংলাদেশের পতাকার লাল-সবুজ নকশার পাশাপাশি জ্যাকেটে জরির সুতা্র এমব্রয়ডারি করে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে রয়েল বেঙ্গল টাইগার ও জাতীয় ফুল শাপলার নকশাও। ভিন্নধর্মী ও অর্থবহ এই জ্যাকেটের নকশা করেছেন কোরিওগ্রাফার ছায়া কুমার।
সঞ্জয় দেবের শিকড় বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে। তাঁর জন্ম মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে। ছোটবেলায় পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান এবং ক্যালিফোর্নিয়ার সান হোসেতে বেড়ে ওঠেন। তাঁর মা মিতা দেব সুনামগঞ্জের পরিচিত সাংস্কৃতিক পরিবারের সন্তান এবং নিজেও সংগীতচর্চার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ফলে ছোটবেলা থেকেই সঞ্জয়ের বেড়ে ওঠায় সংগীতের প্রভাব ছিল।

‘এলএ উইকলি’র তথ্য মতে, ২০১১ সালে বলিউড গানের রিমিক্স ও ম্যাশআপ তৈরি করে সঞ্জয়ের পেশাদার সংগীত যাত্রার শুরু। বিশেষ করে ‘ছাম্মাক ছাল্লো’ গানের বুটলেগ রিমিক্স করে তিনি ভারত, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের তরুণদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান। এটিই ছিল তাঁর প্রথম বড় ব্রেকথ্রু। পরে ২০১৩ সালে বলিউড তারকা গায়িকা সুনিধি চৌহানের সঙ্গে ‘আব লট আ’ গান প্রকাশের পর তিনি আন্তর্জাতিকভাবে আলোচনায় আসেন। এই গানই তাঁর ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
এরপর সঞ্জয় বলিউডের সংগীত পরিচালক প্রীতম, সালিম-সুলেমানসহ বিভিন্ন শিল্পীর সঙ্গে কাজ করেন। তাঁর জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে সাংগ্রি-লা, ভিক্টিম অফ লাভ, এবং ওয়ান ইন এ মিলিয়ন। তিনি আমেরিকান আইডলের এলিয়ট ইয়ামিন, কে-পপ ব্যান্ড, মার্ক তুয়ান ও ইয়ংজে, গুরু রন্ধাওয়াসহ বহু শিল্পীর সঙ্গে কাজ করেছেন।
এ ছাড়া সঞ্জয়ের সংগীত প্রযোজনায় কাজ করেছেন বাংলাদেশের একাধিক জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী। এই তালিকায় আছেন হাবিব ওয়াহিদ, তাহসান খান ও জেফার রহমান। তিনি বাংলাদেশি-আমেরিকান সংগীতশিল্পী মুজার সঙ্গেও কাজ করেছেন। এ ছাড়াও তিনি ২০২৫ সালের বিপিএল এর থিম সং ‘আবার এলো বিপিএল’ গেয়েছেন।
বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উদ্বোধনী আয়োজনে পারফর্ম করার পাশাপাশি ফিফার অফিশিয়াল অ্যালবামেও জায়গা পেয়েছেন বাংলাদেশি-আমেরিকান এই ডিজে ও সংগীতশিল্পী।

বিশ্বজুড়ে এখন উন্মাদনা চলছে ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ নিয়ে। এই বিশ্বকাপের জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মঞ্চ কাঁপিয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান ডিজে ও সংগীতশিল্পী সঞ্জয় দেব।
কানাডার টরন্টোতে আয়োজিত সেই অনুষ্ঠানে নোরা ফাতেহি ও ফরাসি শিল্পী ভেজেড্রিমের সঙ্গে একই মঞ্চে পারফর্ম করেন তিনি। তাঁদের গাওয়া ‘সির সির’ গানটি এখন সারা বিশ্বে দারুণ জনপ্রিয়। ফিফার অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে গানটি প্রকাশের মাত্র পাঁচ দিনেই ৪৩ মিলিয়নের বেশিবার দেখা হয়েছে।
তবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শুধু গান নয়, নিজের পোশাকের মাধ্যমেও নজর কাড়েন শ্রীমঙ্গলের ছেলে সঞ্জয়। কালো প্যান্টের সঙ্গে তিনি পড়েন লাল জ্যাকেট। জ্যাকেটের কারুকাজ করা হাতের অংশটি সবার নজর কেড়েছে। পারফর্ম করার সময় তিনি বারবার হাতার একটি অংশে দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
লাল জ্যাকেটের হাতাটি ছিল সবুজ, বাংলাদেশের পতাকার রঙের সঙ্গে মিল রেখে। বাংলাদেশের পতাকার লাল-সবুজ নকশার পাশাপাশি জ্যাকেটে জরির সুতা্র এমব্রয়ডারি করে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে রয়েল বেঙ্গল টাইগার ও জাতীয় ফুল শাপলার নকশাও। ভিন্নধর্মী ও অর্থবহ এই জ্যাকেটের নকশা করেছেন কোরিওগ্রাফার ছায়া কুমার।
সঞ্জয় দেবের শিকড় বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে। তাঁর জন্ম মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে। ছোটবেলায় পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান এবং ক্যালিফোর্নিয়ার সান হোসেতে বেড়ে ওঠেন। তাঁর মা মিতা দেব সুনামগঞ্জের পরিচিত সাংস্কৃতিক পরিবারের সন্তান এবং নিজেও সংগীতচর্চার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ফলে ছোটবেলা থেকেই সঞ্জয়ের বেড়ে ওঠায় সংগীতের প্রভাব ছিল।

‘এলএ উইকলি’র তথ্য মতে, ২০১১ সালে বলিউড গানের রিমিক্স ও ম্যাশআপ তৈরি করে সঞ্জয়ের পেশাদার সংগীত যাত্রার শুরু। বিশেষ করে ‘ছাম্মাক ছাল্লো’ গানের বুটলেগ রিমিক্স করে তিনি ভারত, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের তরুণদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান। এটিই ছিল তাঁর প্রথম বড় ব্রেকথ্রু। পরে ২০১৩ সালে বলিউড তারকা গায়িকা সুনিধি চৌহানের সঙ্গে ‘আব লট আ’ গান প্রকাশের পর তিনি আন্তর্জাতিকভাবে আলোচনায় আসেন। এই গানই তাঁর ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
এরপর সঞ্জয় বলিউডের সংগীত পরিচালক প্রীতম, সালিম-সুলেমানসহ বিভিন্ন শিল্পীর সঙ্গে কাজ করেন। তাঁর জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে সাংগ্রি-লা, ভিক্টিম অফ লাভ, এবং ওয়ান ইন এ মিলিয়ন। তিনি আমেরিকান আইডলের এলিয়ট ইয়ামিন, কে-পপ ব্যান্ড, মার্ক তুয়ান ও ইয়ংজে, গুরু রন্ধাওয়াসহ বহু শিল্পীর সঙ্গে কাজ করেছেন।
এ ছাড়া সঞ্জয়ের সংগীত প্রযোজনায় কাজ করেছেন বাংলাদেশের একাধিক জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী। এই তালিকায় আছেন হাবিব ওয়াহিদ, তাহসান খান ও জেফার রহমান। তিনি বাংলাদেশি-আমেরিকান সংগীতশিল্পী মুজার সঙ্গেও কাজ করেছেন। এ ছাড়াও তিনি ২০২৫ সালের বিপিএল এর থিম সং ‘আবার এলো বিপিএল’ গেয়েছেন।
বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উদ্বোধনী আয়োজনে পারফর্ম করার পাশাপাশি ফিফার অফিশিয়াল অ্যালবামেও জায়গা পেয়েছেন বাংলাদেশি-আমেরিকান এই ডিজে ও সংগীতশিল্পী।
.png)

বিখ্যাত ‘গ্রেট মাইগ্রেশন’ সরাসরি প্রত্যক্ষ করার সুযোগ পেয়েছেন ভ্রমণপিপাসু তানভীর অপু। এটি মূলত সবুজ ঘাস ও পানির সন্ধানে লাখ লাখ ওয়াইল্ডবিস্ট এবং জেব্রার এক দেশ থেকে আরেক দেশে দলবেঁধে ছুটে চলার বার্ষিক মহাযাত্রা। বিশেষ করে মারা নদী পার হওয়ার সময় বন্যপ্রাণীদের জীবন-মৃত্যুর সেই রোমাঞ্চকর লড়াই তিনি খুব
৭ ঘণ্টা আগে
জীবনে তিনি রাজনীতিবিদ, সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী—এমন অনেক কিছুই হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বিচিত্র সব অভিজ্ঞতার পর শেষমেশ লেখক হওয়াকেই বেছে নেন আহমদ ছফা। নিজের লেখা একটি প্রবন্ধে তিনি নিজেই এ কথা স্বীকার করেছেন। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই লেখকের সমাজ ও দেশকে দেখার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ছিল।
৯ ঘণ্টা আগে
রাস্তার ধারে একটি ওয়ালেট পড়ে আছে। আশপাশে কেউ নেই। সুযোগ বুঝে আপনি সেটি তুলে নিলেন। খুলে দেখলেন, ভেতরে কিছু টাকা, ব্যাংক কার্ড আর মালিকের পরিচয়পত্র। এবার কী করবেন? মালিককে খুঁজে ওয়ালেট ফিরিয়ে দেবেন, নাকি চুপচাপ নিজের পকেটে পুরবেন?
১১ ঘণ্টা আগে
টেলিভিশন চালু করলেই টুথপেস্টের নানা রকম বিজ্ঞাপন চোখে পড়ে। কোনো বিজ্ঞাপনে জানতে চাওয়া হয় টুথপেস্টে নুন (লবণ) আছে কি না, কোনোটি দাঁতের শিরশির ভাব দূর করার কথা বলে, আবার কোনোটি দেয় নিঃশ্বাসের সতেজতা। সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, আমাদের ব্যবহৃত বেশিরভাগ টুথপেস্টেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি আছে। আর তা নিয়ে
২৭ জুলাই ২০২৬