স্ট্রিম প্রতিবেদক

আধুনিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে জাতীয় নিরাপত্তা, সুশাসন এবং সামরিক-বেসামরিক প্রশাসনের কার্যকর সমন্বয়কে অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামছুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চলমান জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২৬-এর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগবিষয়ক অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।
মঙ্গলবার বিকালে পাঠানো আইএসপিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী প্রকৃত অর্থেই জনমানুষের বাহিনী। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঘোষণার মাধ্যমে যেমন স্বাধীন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়েছিল, তেমনি মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমেই জনগণ ও সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে এক ঐতিহাসিক বন্ধন সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী অস্থিতিশীল সময়ে সশস্ত্র বাহিনী রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও জননিরাপত্তা রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে দেশপ্রেমের পরিচয় দিয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, কোনো ব্যক্তির অপরাধের দায় প্রতিষ্ঠান হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর নয় এবং সিভিল-মিলিটারি সম্পর্কে ফাটল ধরানোর যেকোনো অপচেষ্টা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দিতে হবে।
বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নিরাপত্তার ধারণা কেবল সীমান্ত রক্ষায় সীমাবদ্ধ নয় উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, সাইবার হামলা, সন্ত্রাসবাদ, জলবায়ু পরিবর্তন ও তথ্যযুদ্ধের মতো বহুমাত্রিক হুমকি মোকাবিলায় ‘হোল অব দ্য গভরমেন্ট অ্যাপ্রচ’ গ্রহণ করতে হবে। জাতীয় প্রতিরক্ষা কেবল সামরিক বাহিনীর নয়, বরং এটি সমগ্র জাতির সম্মিলিত দায়িত্ব।
অধিবেশনে সেনাবাহিনী প্রধান সফল ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের অভিনন্দন জানান এবং যেকোনো সংকটে সেনাবাহিনীর প্রস্তুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
নৌবাহিনী প্রধান উপকূলীয় নিরাপত্তা এবং বিমানবাহিনী প্রধান বাহিনীর আধুনিকায়ন ও নতুন বিমান সংযোজনের পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা স্পষ্ট করেন যে বর্তমান সরকার একটি পেশাদার, দক্ষ ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত সশস্ত্র বাহিনী গঠনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা জেলা প্রশাসকদের মাঠপর্যায়ে পেশাদারত্ব ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান এবং প্রতিরক্ষা সচিব মো. আশরাফ উদ্দিনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আধুনিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে জাতীয় নিরাপত্তা, সুশাসন এবং সামরিক-বেসামরিক প্রশাসনের কার্যকর সমন্বয়কে অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামছুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চলমান জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২৬-এর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগবিষয়ক অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।
মঙ্গলবার বিকালে পাঠানো আইএসপিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী প্রকৃত অর্থেই জনমানুষের বাহিনী। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঘোষণার মাধ্যমে যেমন স্বাধীন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়েছিল, তেমনি মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমেই জনগণ ও সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে এক ঐতিহাসিক বন্ধন সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী অস্থিতিশীল সময়ে সশস্ত্র বাহিনী রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও জননিরাপত্তা রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে দেশপ্রেমের পরিচয় দিয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, কোনো ব্যক্তির অপরাধের দায় প্রতিষ্ঠান হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর নয় এবং সিভিল-মিলিটারি সম্পর্কে ফাটল ধরানোর যেকোনো অপচেষ্টা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দিতে হবে।
বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নিরাপত্তার ধারণা কেবল সীমান্ত রক্ষায় সীমাবদ্ধ নয় উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, সাইবার হামলা, সন্ত্রাসবাদ, জলবায়ু পরিবর্তন ও তথ্যযুদ্ধের মতো বহুমাত্রিক হুমকি মোকাবিলায় ‘হোল অব দ্য গভরমেন্ট অ্যাপ্রচ’ গ্রহণ করতে হবে। জাতীয় প্রতিরক্ষা কেবল সামরিক বাহিনীর নয়, বরং এটি সমগ্র জাতির সম্মিলিত দায়িত্ব।
অধিবেশনে সেনাবাহিনী প্রধান সফল ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের অভিনন্দন জানান এবং যেকোনো সংকটে সেনাবাহিনীর প্রস্তুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
নৌবাহিনী প্রধান উপকূলীয় নিরাপত্তা এবং বিমানবাহিনী প্রধান বাহিনীর আধুনিকায়ন ও নতুন বিমান সংযোজনের পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা স্পষ্ট করেন যে বর্তমান সরকার একটি পেশাদার, দক্ষ ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত সশস্ত্র বাহিনী গঠনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা জেলা প্রশাসকদের মাঠপর্যায়ে পেশাদারত্ব ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান এবং প্রতিরক্ষা সচিব মো. আশরাফ উদ্দিনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

খুলনা নগরে রাজু হাওলাদার নামের এক গুলিবিদ্ধ হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্স লক্ষ্য করে আবার গুলি করার অভিযোগ উঠেছে।
৬ মিনিট আগে
নাজরান ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাগ্রো প্রজেক্টের নামে গ্রাহকের প্রায় ৪০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ চক্রের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেপ্তার মো. ওবায়েদুল্লাহ (৩৩) ভোলার জাহানপুর গ্রামের প্রয়াত আবু নাইমের ছেলে।
১ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে বিচার বিভাগীয় সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়ায় আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবকে আদালত অবমাননার নোটিশ পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শিশির মনিরের পক্ষে এই আইনি নোটিশ পাঠানো হয়।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার তদন্ত প্রায় ৯০ শতাংশ শেষ। আগামী ৭ জুনের মধ্যে এই মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হতে পারে। মামলায় প্রধান আসামি হচ্ছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
২ ঘণ্টা আগে