ঈদের কয়েক দিন আমরা ভারী তেল-মশলাযুক্ত খাবার খাই। শুরু হয় পেটে অস্বস্তি, বদহজম বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা। এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে লেবু-পানি হতে পারে দারুণ সহায়ক।
স্ট্রিম ডেস্ক

ঈদের সময় সবার ঘরেই নানা পদের সুস্বাদু খাবারের আয়োজন থাকে। সেমাই, পোলাও, রোস্ট, কোরমা আর মাংসের নানা আইটেম ছাড়া ঈদের কথা ভাবাই যায় না।
ঈদের কয়েক দিন আমরা এসব ভারী তেল-মশলাযুক্ত খাবার খাই। শুরু হয় পেটে অস্বস্তি, বদহজম বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা। এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে লেবু-পানি হতে পারে দারুণ সহায়ক।
ঈদের দিন প্রচুর চর্বিযুক্ত ও ভারী খাবার খাওয়া হয়। এসব খাবার হজম হতে পাকস্থলীর অনেক সময় লাগে। লেবুর রসে পর্যাপ্ত পরিমাণে সাইট্রিক এসিড থাকে। এই এসিড পাকস্থলীর হজমপ্রক্রিয়াকে সহজ করতে সাহায্য করে।
ভারী খাবার খাওয়ার কিছুক্ষণ পর এক গ্লাস হালকা গরম লেবু-পানি পান করা বেশ উপকারী হতে পারে। এতে পেটের গ্যাস ও পেট ফাঁপা ভাব দূর করে। ফলে শরীরে দ্রুত স্বস্তি ফিরে আসে।
ঈদের সময় ভারী ও মশলাদার খাবারের কারণে শরীরে অস্বস্তি তৈরি হতে পারে। লেবু-পানি শরীরকে হাইড্রেট রেখে স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়াকে সহায়তা করে।
তাই ঈদের সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস লেবু-পানি পান করলে পেটে অস্বস্তি বা গ্যাস্ট্রিক হওয়ার আশংকা অনেকটাই কমে। এটা শরীরকে সারা দিন সতেজ রাখতেও সাহায্য করে।
ঈদের ছুটিতে প্রচুর উচ্চ মাত্রার প্রোটিনজাতীয় খাবার খাওয়া হয়। যেমন গরুর মাংস, খাসির মাংস, মুরগী, বড় মাছ ইত্যাদি।
ভারী খাবারের পর শরীরের পানি চাহিদা বাড়ে। উৎসবের ব্যস্ততায় অনেকেই পর্যাপ্ত পরিমাণ সাধারণ পানি পান করতে ভুলে যান। লেবু-পানি শরীরের এই পানিশূন্যতা পূরণ করে দেয়।
লেবু-পানি ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। বিপাক হার বাড়লে শরীরের ক্যালরি দ্রুত খরচ হয়। কুসুম গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে তা অতিরিক্ত চর্বি কাটতে সাহায্য করে। তাই ঈদের সময় ওজন ঠিক রাখতে লেবু-পানি বেশ সহায়ক।
লেবু-পানি উপকারী হলেও ক্ষেত্রবিশেষে কিছু মানুষের জন্য এটি ক্ষতিকর হতে পারে। যাদের আগে থেকেই পেটে আলসারের সমস্যা আছে, তাঁদের লেবু-পানি না খাওয়াই ভালো। অতিরিক্ত এসিডের কারণে তাঁদের পেটে জ্বালাপোড়া বাড়তে পারে। যাদের দাঁতের এনামেল দুর্বল বা ক্ষয় হয়ে গেছে, তাদেরও লেবু-পানি পানে সতর্ক হওয়া উচিত।
লেবুর সাইট্রিক এসিড দাঁতের ক্ষতি করতে পারে। এসব ক্ষেত্রে স্ট্র দিয়ে লেবু-পানি পান করা ভালো। এ ছাড়া যাদের লেবুতে অ্যালার্জি আছে বা যারা কিডনির জটিলতায় ভুগছেন, তাঁদেরকেও ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে লেবু-পানি পান করা উচিত।
ঈদের আনন্দ পুরোপুরি উপভোগ করতে সুস্থ থাকা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। পেট ভালো থাকলে ঈদের আনন্দও পরিপূর্ণ হয়। তাই শরীরের অবস্থা বুঝে খাদ্যতালিকায় লেবু-পানি রাখা যেতে পারে।

ঈদের সময় সবার ঘরেই নানা পদের সুস্বাদু খাবারের আয়োজন থাকে। সেমাই, পোলাও, রোস্ট, কোরমা আর মাংসের নানা আইটেম ছাড়া ঈদের কথা ভাবাই যায় না।
ঈদের কয়েক দিন আমরা এসব ভারী তেল-মশলাযুক্ত খাবার খাই। শুরু হয় পেটে অস্বস্তি, বদহজম বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা। এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে লেবু-পানি হতে পারে দারুণ সহায়ক।
ঈদের দিন প্রচুর চর্বিযুক্ত ও ভারী খাবার খাওয়া হয়। এসব খাবার হজম হতে পাকস্থলীর অনেক সময় লাগে। লেবুর রসে পর্যাপ্ত পরিমাণে সাইট্রিক এসিড থাকে। এই এসিড পাকস্থলীর হজমপ্রক্রিয়াকে সহজ করতে সাহায্য করে।
ভারী খাবার খাওয়ার কিছুক্ষণ পর এক গ্লাস হালকা গরম লেবু-পানি পান করা বেশ উপকারী হতে পারে। এতে পেটের গ্যাস ও পেট ফাঁপা ভাব দূর করে। ফলে শরীরে দ্রুত স্বস্তি ফিরে আসে।
ঈদের সময় ভারী ও মশলাদার খাবারের কারণে শরীরে অস্বস্তি তৈরি হতে পারে। লেবু-পানি শরীরকে হাইড্রেট রেখে স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়াকে সহায়তা করে।
তাই ঈদের সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস লেবু-পানি পান করলে পেটে অস্বস্তি বা গ্যাস্ট্রিক হওয়ার আশংকা অনেকটাই কমে। এটা শরীরকে সারা দিন সতেজ রাখতেও সাহায্য করে।
ঈদের ছুটিতে প্রচুর উচ্চ মাত্রার প্রোটিনজাতীয় খাবার খাওয়া হয়। যেমন গরুর মাংস, খাসির মাংস, মুরগী, বড় মাছ ইত্যাদি।
ভারী খাবারের পর শরীরের পানি চাহিদা বাড়ে। উৎসবের ব্যস্ততায় অনেকেই পর্যাপ্ত পরিমাণ সাধারণ পানি পান করতে ভুলে যান। লেবু-পানি শরীরের এই পানিশূন্যতা পূরণ করে দেয়।
লেবু-পানি ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। বিপাক হার বাড়লে শরীরের ক্যালরি দ্রুত খরচ হয়। কুসুম গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে তা অতিরিক্ত চর্বি কাটতে সাহায্য করে। তাই ঈদের সময় ওজন ঠিক রাখতে লেবু-পানি বেশ সহায়ক।
লেবু-পানি উপকারী হলেও ক্ষেত্রবিশেষে কিছু মানুষের জন্য এটি ক্ষতিকর হতে পারে। যাদের আগে থেকেই পেটে আলসারের সমস্যা আছে, তাঁদের লেবু-পানি না খাওয়াই ভালো। অতিরিক্ত এসিডের কারণে তাঁদের পেটে জ্বালাপোড়া বাড়তে পারে। যাদের দাঁতের এনামেল দুর্বল বা ক্ষয় হয়ে গেছে, তাদেরও লেবু-পানি পানে সতর্ক হওয়া উচিত।
লেবুর সাইট্রিক এসিড দাঁতের ক্ষতি করতে পারে। এসব ক্ষেত্রে স্ট্র দিয়ে লেবু-পানি পান করা ভালো। এ ছাড়া যাদের লেবুতে অ্যালার্জি আছে বা যারা কিডনির জটিলতায় ভুগছেন, তাঁদেরকেও ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে লেবু-পানি পান করা উচিত।
ঈদের আনন্দ পুরোপুরি উপভোগ করতে সুস্থ থাকা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। পেট ভালো থাকলে ঈদের আনন্দও পরিপূর্ণ হয়। তাই শরীরের অবস্থা বুঝে খাদ্যতালিকায় লেবু-পানি রাখা যেতে পারে।

আমার বিশ্বাস, এর আগে আপনারা কোনো বারবনিতার চিঠি পাননি। সম্ভবত আজ পর্যন্ত আপনারা আমার মতো অন্য কোনো নারীর মুখও দেখেননি। আমি জানি আপনাদের এই চিঠি লেখা কতটা অশালীন। তাও আবার এমন খোলা চিঠি! কিন্তু কী করব, পরিস্থিতি আমাকে অসুহায় করেছ। আর এই দুই কিশোরীর দাবিও এতই তীব্র যে আমি এই চিঠি না লিখে পারলাম না।
১ ঘণ্টা আগে
মোহাম্মদপুরের পশ্চিমের এদিকটায় এখনো আকাশ দেখা যায়। ভোর-সকালে পাখির ডাক শোনা যায়। পর্দা সরিয়ে জানালা খুলে দিলে একঝলক ঠান্ডা হাওয়া ঘরময় ছড়িয়ে পড়ে। এমন সকালে আলস্য জড়িয়ে শুয়ে থাকতে ভালো লাগে।
৪ ঘণ্টা আগে
আজ ঈদ। গতকাল রাত থেকে ফোনে টুংটাং শব্দ শুরু হয়ে গেছে অনেকের। আমার ইনবক্স ভরে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের জুনিয়র আর কাজিনদের পাঠানো ‘ঈদ মুবারক’ মেসেজ। ভাবছেন, এ তো আনন্দের ব্যাপার! কিন্তু এখানে লুকিয়ে আছে অন্য রহস্য।
৫ ঘণ্টা আগে
আমাদের বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ এলো ২০০৩ সালে। তখন আমার হাইস্কুল যাত্রা শেষের দিকে। কৈশোরের ওই সময়টার আগ পর্যন্ত আমাদের, মানে আমাদের একান্নবর্তী পরিবারের ভাই-বোনদের ঈদ অভিজ্ঞতা খানিকটা অন্যরকম। স্মৃতি হাতড়ে যা মেলে, তা এ নিমিষেই গল্প করা সম্ভব। তবে সেই আবেগ হয়তো আরব্য রজনীর গল্পের চেয়েও টানটান।
৭ ঘণ্টা আগে