ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পরিচালিত এই গবেষণায় উঠে এসেছে, স্ট্রিট ফুড বিক্রেতা নিজেরাই এ ধরনের পরজীবী দ্বারা সংক্রমিত। এর মধ্যে ৬৬ শতাংশ বিক্রেতা ব্লাস্টোসিস্টিস হোমিনিস দ্বারা সংক্রমিত।
ফাবিহা বিনতে হক

সন্ধ্যা হতে না হতেই রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে জমে ওঠে স্ট্রিট ফুডের ব্যবসা। চোখের সামনে সারি সারি খাবারের দোকান। চটপটি-ফুচকা, ভেলপুরি-পানিপুরি, কাবাব-চাপ—কী নেই সেখানে! এক সময় পিজ্জা, পাস্তা, নাচোসের মতো খাবারগুলো শুধু রেস্টুরেন্টেই পাওয়া যেত। এখন এগুলো পাওয়া যাচ্ছে অলিগলিতে, ছোট ছোট ভ্যানে। দোকানের নাম ‘লাইভ পিজ্জা’, ‘লাইভ পাস্তা’। কী রেখে কী খাবেন?
রাতে ফেসবুক স্ক্রল করলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে ফুড ভ্লগার আর কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ‘নান্দনিক উপায়ে’ খাওয়ার ভিডিও। এসব ভিডিও দেখলে মনে হবে, এই খাবার না খেলে রাতের ঘুম আর আসবে না! হয়তো আমার মতো অনেকেরই ফোনের গ্যালারি খুঁজলে এমন অনেক স্ক্রিনশট পাওয়া যাবে, যেখানে ঢাকার বিভিন্ন জনপ্রিয় স্ট্রিট ফুডের ঠিকানা লেখা আছে।
স্বাস্থ্যসম্মত নয় জানার পরেও চটপটি, ফুচকা, পানিপুরি, কাবাব কিংবা টক ভর্তা বা ঝালমুড়ির প্রতি আমাদের আগ্রহ কমে না। মনের অজান্তেই জিভে জল চলে আসে। এবারের শীতকালের আলোচিত খাবার ছিল ৩০০ ফিটের খোলা জায়গায় বিক্রি হওয়া হাঁসের মাংস আর রুটি। শীতের শহর ঘুমিয়ে গেলেও হাঁসের মাংস বিক্রেতাদের উনুনের আগুন নিভত না।
এসব খোলা খাবার যে আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য কতটা ঝুঁকি তৈরি করছে, তা আমরা গুরুত্ব সহকারে নিই না। গ্যাস্ট্রিকে ভোগা, ডায়রিয়া কিংবা স্বাস্থ্যের কোনো স্থায়ী ক্ষতির পেছনেও হয়তো থাকতে পারে এসব খাবার।
রাজধানীর স্ট্রিট ফুড নিয়ে একাধিক গবেষণায় বেশ উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। ২০২৪ সালে ‘নেচার’ জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, স্ট্রিট ফুড বিক্রেতাদের প্রায় ৭৮ শতাংশ সাধারণত অস্বাস্থ্যকর উপায়ে খাবার পরিবেশন করেন। গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, মাত্র ৫০ দশমিক ৬ শতাংশ বিক্রেতা রান্নার জন্য ফিল্টার করা পানি ব্যবহার করেন। তবে পানি পানের জন্য ৯০ দশমিক ৬ শতাংশ বিক্রেতা ফিল্টার করা পানি বেছে নেন।
বাসনপত্র ধোয়ার ক্ষেত্রে প্রায় ৮৫ শতাংশ বিক্রেতার প্রধান ভরসা কলের পানি। এই পানি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে খাবারে ডায়রিয়া, টাইফয়েড ও কলেরার মতো পানিবাহিত রোগের জীবাণু সহজেই মিশে যাচ্ছে।
২০২৬ সালের ‘জার্নাল অব ফুড কোয়ালিটি’তে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, রাস্তার খাবারে ই. কোলাই, সালমোনেলা এবং ভিব্রিওর মতো ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি রয়েছে। ই. কোলাই মূলত দেহে ডায়রিয়া, পেট ব্যথার মতো অসুখের জন্য দায়ী। বাইরের ছোলামুড়ি খাওয়ার মাধ্যমে এই জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি প্রায় ৪৫ দশমিক ৫ শতাংশ। এর পরেই রয়েছে চটপটি এবং আখের রস।
আমরা অনেকেই গরমে প্রাণ জুড়াতে অ্যালোভেরার শরবত খাই। টাইফয়েড জ্বরের জন্য দায়ী সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের সর্বোচ্চ ঝুঁকি দেখা গেছে অ্যালোভেরা শরবতে। অন্যদিকে, কলেরার জন্য দায়ী ভিব্রিও ব্যাকটেরিয়া সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে চটপটি ও স্যান্ডউইচে।
রাজধানীর প্রায় সব এলাকাতেই স্ট্রিট ফুডের ছোট ছোট দোকান বা কার্ট রয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের স্ট্রিট ফুডের নাম শুরুতেই আসবে। এখানকার খাবার নিয়েও গবেষণা চালান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক। সেখানে স্ন্যাকসের তেঁতুলের পানি, ফলের রস এবং কাটা ফলের নমুনা পরীক্ষা করে দেখা যায়, ৫০টির মধ্যে ৪৬ নমুনায় ব্লাস্টোসিস্টিস হোমিনিস, অ্যাসকারিস লুমব্রিকোয়েডিসের মতো পরজীবী বা কৃমি দ্বারা দূষিত।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পরিচালিত এই গবেষণায় উঠে এসেছে, ৯২ শতাংশ স্ট্রিট ফুড বিক্রেতা নিজেরাই এ ধরনের পরজীবী দ্বারা সংক্রমিত। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রেতা অর্থাৎ ৬৬ শতাংশ ব্লাস্টোসিস্টিস হোমিনিস দ্বারা সংক্রমিত।
অর্থাৎ, বিক্রেতার শরীর থেকে এসব জীবাণু খুব সহজেই খাবারের মাধ্যমে ক্রেতার শরীরে প্রবেশ করতে পারে।
২০২৪ সালে ঢাকার স্ট্রিট ফুড বিক্রেতাদের খাদ্য পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক জ্ঞান বা ‘হাইজিন’ নিয়ে গবেষণা প্রকাশিত হয় ‘নেচার’ জার্নালে। গবেষণায় অংশগ্রহণকারী বিক্রেতাদের বেশিরভাগই ২৫ থেকে ৩৪ বছর বয়সী তরুণ এবং তাঁদের অর্ধেকেরও বেশি মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। কিন্তু তাঁদের প্রায় ৮৫ শতাংশই জীবনে কখনোই খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক কোনো প্রশিক্ষণ পাননি।
‘টাকা ধরার পর হাত ধোয়া উচিত’ এমনটা মনে করেন মাত্র ৫৩ শতাংশ বিক্রেতা। রেডি-টু-ইট খাবার ধরার আগে হাতে গ্লাভস পরার কথা ভাবেন প্রায় অর্ধেক বিক্রেতা। তবে বাস্তব চিত্র আরও করুণ। কাঁচা পণ্য নাড়াচাড়া করার সময় মাত্র ৫ দশমিক ৬ শতাংশ এবং খাবার তৈরির সময় মাত্র ১ দশমিক ৩ শতাংশ বিক্রেতা গ্লাভস ব্যবহার করেন।
হাতে কোনো কাটা-ছেঁড়া থাকলে খাবার নিয়ে কাজ করা উচিত কি না—এ বিষয়ে মাত্র ২৮ শতাংশ অংশগ্রহণকারী বলেছেন, এই অবস্থায় খাবার স্পর্শ করা উচিত নয়। মাত্র ২ শতাংশ বিক্রেতা বলেছেন এমন অবস্থায় গ্লাভস পরে কাজ করা উচিত। ৩২ শতাংশ বিক্রেতা জানিয়েছেন, হাতে কাটা-ছেঁড়া থাকলেও তাঁরা স্বাভাবিকভাবে কাজ চালিয়ে যাবেন।
স্ট্রিট ফুড আমাদের শহুরে খাদ্য সংস্কৃতির অংশে পরিণত হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে এর জনপ্রিয়তা কমার কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে শুধু রসনাবিলাস বা সাময়িক আনন্দের জন্য আমরা নিজেদের শরীরকে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ফেলে দিচ্ছি কি না, তা ভেবে দেখা প্রয়োজন।

সন্ধ্যা হতে না হতেই রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে জমে ওঠে স্ট্রিট ফুডের ব্যবসা। চোখের সামনে সারি সারি খাবারের দোকান। চটপটি-ফুচকা, ভেলপুরি-পানিপুরি, কাবাব-চাপ—কী নেই সেখানে! এক সময় পিজ্জা, পাস্তা, নাচোসের মতো খাবারগুলো শুধু রেস্টুরেন্টেই পাওয়া যেত। এখন এগুলো পাওয়া যাচ্ছে অলিগলিতে, ছোট ছোট ভ্যানে। দোকানের নাম ‘লাইভ পিজ্জা’, ‘লাইভ পাস্তা’। কী রেখে কী খাবেন?
রাতে ফেসবুক স্ক্রল করলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে ফুড ভ্লগার আর কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ‘নান্দনিক উপায়ে’ খাওয়ার ভিডিও। এসব ভিডিও দেখলে মনে হবে, এই খাবার না খেলে রাতের ঘুম আর আসবে না! হয়তো আমার মতো অনেকেরই ফোনের গ্যালারি খুঁজলে এমন অনেক স্ক্রিনশট পাওয়া যাবে, যেখানে ঢাকার বিভিন্ন জনপ্রিয় স্ট্রিট ফুডের ঠিকানা লেখা আছে।
স্বাস্থ্যসম্মত নয় জানার পরেও চটপটি, ফুচকা, পানিপুরি, কাবাব কিংবা টক ভর্তা বা ঝালমুড়ির প্রতি আমাদের আগ্রহ কমে না। মনের অজান্তেই জিভে জল চলে আসে। এবারের শীতকালের আলোচিত খাবার ছিল ৩০০ ফিটের খোলা জায়গায় বিক্রি হওয়া হাঁসের মাংস আর রুটি। শীতের শহর ঘুমিয়ে গেলেও হাঁসের মাংস বিক্রেতাদের উনুনের আগুন নিভত না।
এসব খোলা খাবার যে আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য কতটা ঝুঁকি তৈরি করছে, তা আমরা গুরুত্ব সহকারে নিই না। গ্যাস্ট্রিকে ভোগা, ডায়রিয়া কিংবা স্বাস্থ্যের কোনো স্থায়ী ক্ষতির পেছনেও হয়তো থাকতে পারে এসব খাবার।
রাজধানীর স্ট্রিট ফুড নিয়ে একাধিক গবেষণায় বেশ উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। ২০২৪ সালে ‘নেচার’ জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, স্ট্রিট ফুড বিক্রেতাদের প্রায় ৭৮ শতাংশ সাধারণত অস্বাস্থ্যকর উপায়ে খাবার পরিবেশন করেন। গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, মাত্র ৫০ দশমিক ৬ শতাংশ বিক্রেতা রান্নার জন্য ফিল্টার করা পানি ব্যবহার করেন। তবে পানি পানের জন্য ৯০ দশমিক ৬ শতাংশ বিক্রেতা ফিল্টার করা পানি বেছে নেন।
বাসনপত্র ধোয়ার ক্ষেত্রে প্রায় ৮৫ শতাংশ বিক্রেতার প্রধান ভরসা কলের পানি। এই পানি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে খাবারে ডায়রিয়া, টাইফয়েড ও কলেরার মতো পানিবাহিত রোগের জীবাণু সহজেই মিশে যাচ্ছে।
২০২৬ সালের ‘জার্নাল অব ফুড কোয়ালিটি’তে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, রাস্তার খাবারে ই. কোলাই, সালমোনেলা এবং ভিব্রিওর মতো ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি রয়েছে। ই. কোলাই মূলত দেহে ডায়রিয়া, পেট ব্যথার মতো অসুখের জন্য দায়ী। বাইরের ছোলামুড়ি খাওয়ার মাধ্যমে এই জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি প্রায় ৪৫ দশমিক ৫ শতাংশ। এর পরেই রয়েছে চটপটি এবং আখের রস।
আমরা অনেকেই গরমে প্রাণ জুড়াতে অ্যালোভেরার শরবত খাই। টাইফয়েড জ্বরের জন্য দায়ী সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের সর্বোচ্চ ঝুঁকি দেখা গেছে অ্যালোভেরা শরবতে। অন্যদিকে, কলেরার জন্য দায়ী ভিব্রিও ব্যাকটেরিয়া সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে চটপটি ও স্যান্ডউইচে।
রাজধানীর প্রায় সব এলাকাতেই স্ট্রিট ফুডের ছোট ছোট দোকান বা কার্ট রয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের স্ট্রিট ফুডের নাম শুরুতেই আসবে। এখানকার খাবার নিয়েও গবেষণা চালান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক। সেখানে স্ন্যাকসের তেঁতুলের পানি, ফলের রস এবং কাটা ফলের নমুনা পরীক্ষা করে দেখা যায়, ৫০টির মধ্যে ৪৬ নমুনায় ব্লাস্টোসিস্টিস হোমিনিস, অ্যাসকারিস লুমব্রিকোয়েডিসের মতো পরজীবী বা কৃমি দ্বারা দূষিত।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পরিচালিত এই গবেষণায় উঠে এসেছে, ৯২ শতাংশ স্ট্রিট ফুড বিক্রেতা নিজেরাই এ ধরনের পরজীবী দ্বারা সংক্রমিত। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রেতা অর্থাৎ ৬৬ শতাংশ ব্লাস্টোসিস্টিস হোমিনিস দ্বারা সংক্রমিত।
অর্থাৎ, বিক্রেতার শরীর থেকে এসব জীবাণু খুব সহজেই খাবারের মাধ্যমে ক্রেতার শরীরে প্রবেশ করতে পারে।
২০২৪ সালে ঢাকার স্ট্রিট ফুড বিক্রেতাদের খাদ্য পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক জ্ঞান বা ‘হাইজিন’ নিয়ে গবেষণা প্রকাশিত হয় ‘নেচার’ জার্নালে। গবেষণায় অংশগ্রহণকারী বিক্রেতাদের বেশিরভাগই ২৫ থেকে ৩৪ বছর বয়সী তরুণ এবং তাঁদের অর্ধেকেরও বেশি মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। কিন্তু তাঁদের প্রায় ৮৫ শতাংশই জীবনে কখনোই খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক কোনো প্রশিক্ষণ পাননি।
‘টাকা ধরার পর হাত ধোয়া উচিত’ এমনটা মনে করেন মাত্র ৫৩ শতাংশ বিক্রেতা। রেডি-টু-ইট খাবার ধরার আগে হাতে গ্লাভস পরার কথা ভাবেন প্রায় অর্ধেক বিক্রেতা। তবে বাস্তব চিত্র আরও করুণ। কাঁচা পণ্য নাড়াচাড়া করার সময় মাত্র ৫ দশমিক ৬ শতাংশ এবং খাবার তৈরির সময় মাত্র ১ দশমিক ৩ শতাংশ বিক্রেতা গ্লাভস ব্যবহার করেন।
হাতে কোনো কাটা-ছেঁড়া থাকলে খাবার নিয়ে কাজ করা উচিত কি না—এ বিষয়ে মাত্র ২৮ শতাংশ অংশগ্রহণকারী বলেছেন, এই অবস্থায় খাবার স্পর্শ করা উচিত নয়। মাত্র ২ শতাংশ বিক্রেতা বলেছেন এমন অবস্থায় গ্লাভস পরে কাজ করা উচিত। ৩২ শতাংশ বিক্রেতা জানিয়েছেন, হাতে কাটা-ছেঁড়া থাকলেও তাঁরা স্বাভাবিকভাবে কাজ চালিয়ে যাবেন।
স্ট্রিট ফুড আমাদের শহুরে খাদ্য সংস্কৃতির অংশে পরিণত হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে এর জনপ্রিয়তা কমার কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে শুধু রসনাবিলাস বা সাময়িক আনন্দের জন্য আমরা নিজেদের শরীরকে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ফেলে দিচ্ছি কি না, তা ভেবে দেখা প্রয়োজন।

ভূ-পর্যটক তারেক অণুর ধারাবাহিক ভ্রমণ-কাহিনি ‘আমেরিকায় প্রবেশ নিষেধ’-এর ১৩তম পর্ব প্রকাশিত হলো আজ। চোখ রাখুন বাংলা স্ট্রিমের ফিচার পাতায়।
৩ ঘণ্টা আগে
ঢাকার রাস্তার চেহারা এখন বদলে গেছে। সন্ধ্যা হলেই দেখা যায় মোড়ে মোড়ে ছোট বা মাঝারি সাইজের ঝলমলে আলোয় সাজানো খাবারে ঠাসা ‘কার্ট’। কোনোটি থেকে কাবাবের ধোঁয়া উড়ে আসছে আবার কোথাও বানানো হচ্ছে লাইভ পিৎজা।
৫ ঘণ্টা আগে
অফিস শেষে কফির মগে চুমুক দিয়ে ফোন স্ক্রল করতেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে অন্যের রঙিন 'এস্থেটিক' জীবন। বিলাসবহুল ট্রিপ আর দামি প্রসাধনী দেখে কি আপনার নিজের জীবনটা পানসে লাগছে? 'সেলফ-লাভ' বা নিজেকে ভালোবাসার এই আধুনিক ট্রেন্ড কি সত্যিই মুক্তি?
১ দিন আগে
ইগোর কাজ হলো মানুষের মনের ভেতরে নিজের সম্পর্কে একটি কাল্পনিক শ্রেষ্ঠত্বের ধারণা তৈরি করা। ইগো মানুষকে সারাক্ষণ বোঝাতে থাকে যে সে-ই সবচেয়ে বুদ্ধিমান, সে সবসময় সঠিক এবং তার চিন্তাভাবনাই সবার চেয়ে উন্নত। ইগোসম্পন্ন মানুষ নিজেকে এতটাই নিখুঁত মনে করে যে, সে অন্যের কোনো যৌক্তিক কথা বা পরামর্শ গ্রহণ করতে প
১ দিন আগে