স্ট্রিম ডেস্ক

ঈদ মানেই নতুন পোশাক, নতুন সাজ। নিজেকে একটু আলাদা করে সাজানোর দিন। ইদানীং ঈদের সাজে একটা বড় পরিবর্তন স্পষ্ট। এখন আর ‘সিঙ্গেল লুক’ নয়। বরং দিনের সময়, আবহাওয়া, আরাম আর ব্যক্তিত্ব—সব মিলিয়ে সাজ বদলানোই এখন ট্রেন্ড।
আগে অনেকেই যেমন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত একই ভারী মেকআপে থাকতেন, এখন সেই ধারণা বদলেছে। এখনকার সাজ অনেক বেশি আবহাওয়া ও সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে হয়। মোটাদাগে আরামদায়ক আর ‘স্কিন ফার্স্ট’ হতে হবে। অর্থাৎ, মেকআপ যেন ত্বকের স্বাভাবিক সৌন্দর্যটাই তুলে ধরে।
এবারের ঈদ যেহেতু গরমে, তাই মেকআপও এই ঋতুর উপযোগী হতে হবে। ভারী ফাউন্ডেশনের বদলে এখন বেশি ব্যবহার হচ্ছে স্কিন টিন্ট, বিবি ক্রিম বা হালকা ফাউন্ডেশন। লক্ষ্য একটাই, মেকআপ যেন ত্বকের ওপর চাপ না হয়।
বিউটিশিয়ানদের মতে, এখন এমন মেকআপই জনপ্রিয় যেটা হালকা। কারণ ঈদের দিনে অনেকক্ষণ বাইরে থাকা, দাওয়াত, ঘোরাঘুরি—সবকিছু মিলিয়ে মেকআপকে বাস্তব পরিস্থিতিতে টিকে থাকতে হয়।
ঈদের সকাল শুরু হয় পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো আর ছবি তোলার মধ্য দিয়ে। তাই সকালের সাজে এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে সতেজতা আর স্বাভাবিক লুকে।
ভারী কনট্যুর বা হাইলাইটারের বদলে ব্যবহার হচ্ছে হালকা বেজ, পিচ বা সফট পিঙ্ক ব্লাশ। ঠোঁটে টিন্টেড লিপ। এই সহজ কম্বিনেশনই এখন বেশি জনপ্রিয়।
চোখের সাজও সরল হতে পারে। যেমন নিউট্রাল আইশ্যাডো, পাতলা আইলাইনার আর হালকা মাসকারা। এর উদ্দেশ্য চোখকে ফ্রেশ আর খোলা দেখানো, অতিরিক্ত ড্রামাটিক না করা। ফ্যাশন ও বিউটি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সকালের সাজ এমন হওয়া উচিত যাতে অনেকক্ষণ থাকলেও অস্বস্তি না লাগে।
চুলের স্টাইলেও প্রচলিত ধারা রাখতে পারেন। বেণি করে পনিটেল, হালকা খোঁপা বা খোলা চুল। সবকিছুতেই এখন ‘এফোর্টলেস লুক’-এর চল। মানে, সাজটা যেন খুব কষ্ট করে করা, এমনটা মনে না হয়, বরং স্বাভাবিকভাবে সুন্দর লাগে।
ঈদের দুপুর বা বিকেলে থাকে দাওয়াত বা বাইরে ঘোরার পরিকল্পনা। এই সময় পুরো মেকআপ নতুন করে না করে ছোট ছোট টাচ আপই এখন ট্রেন্ড। যেমন ব্লটিং পেপার দিয়ে মুখের অতিরিক্ত তেল তুলে নেওয়া, টি-জোনে সামান্য কমপ্যাক্ট ব্যবহার, ঠোঁটে আবার লিপস্টিক দেওয়া।
এই ছোট ছোট পরিবর্তনেই মুখে আবার নতুন ফ্রেশ ভাব আসে। চাইলে একটু বেশি ব্লাশ বা হালকা হাইলাইটার যোগ করা যায়। এই ট্রেন্ডকে বলা হচ্ছে ‘refresh, don’t redo’, মানে পুরো মেকআপ নতুন করে নয়, বরং আগের লুকটাকে একটু সতেজ করে নেওয়া। এতে সময় বাঁচে, আর লুকও থাকে ন্যাচারাল।
ঈদের রাত মানেই দাওয়াত, আড্ডা আর একটু জমকালো পরিবেশ। তাই রাতের সাজে গ্ল্যামার একটু বাড়াতে পারেন, তবে সেটাও ধীরে ধীরে। সকালের হালকা মেকআপের ওপর চোখে একটু ডার্ক শেড যোগ করা যায়। শিমার বা গ্লিটার, একটু বোল্ড আইলাইনার—এই পরিবর্তনেই পুরো লুক বদলে যায়।
ঠোঁটে তখন রেড, বেরি বা ডিপ রোজ রঙ বেশি জনপ্রিয়। এর সঙ্গে হালকা কনট্যুর বা হাইলাইটার যোগ করে মুখের শেপ আরও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়।
তবে এখানেও একটি বিষয় পরিষ্কার, অতিরিক্ত ভারী বা কেকি মেকআপ এখন আর ট্রেন্ডে নেই। গ্ল্যামার থাকবে, কিন্তু সেটি হবে নিয়ন্ত্রিত।
চুলের স্টাইলে এখন স্লিক বান, সফট ওয়েভ, বেণি বা হালকা পনিটেল—সবই ট্রেন্ডে। বিকেলের দিকে চুলে ফুল পরার চলও আবার ফিরে এসেছে।
গয়নার ক্ষেত্রেও ‘less is more’। ভারী সেটের বদলে ছোট কানের দুল, স্টেটমেন্ট ইয়াররিং বা হালকা নেকপিস বেশি জনপ্রিয়। কারণ, পোশাকেই সঙ্গে সাজেও ভারসাম্য রাখা জরুরি।
সব মিলিয়ে ২০২৬ সালের ঈদের সাজের সবচেয়ে বড় বার্তা হলো—স্বস্তি, সহজতা আর ব্যক্তিত্ব।
এখন সাজ মানে শুধু মেকআপ নয়, বরং নিজের স্বাভাবিক সৌন্দর্যকে তুলে ধরা। হালকা থেকে ধীরে ধীরে গ্ল্যামারে যাওয়া, ত্বককে গুরুত্ব দেওয়া, আর নিজের মতো করে সাজা—এই তিনটিই এখন ট্রেন্ড।

ঈদ মানেই নতুন পোশাক, নতুন সাজ। নিজেকে একটু আলাদা করে সাজানোর দিন। ইদানীং ঈদের সাজে একটা বড় পরিবর্তন স্পষ্ট। এখন আর ‘সিঙ্গেল লুক’ নয়। বরং দিনের সময়, আবহাওয়া, আরাম আর ব্যক্তিত্ব—সব মিলিয়ে সাজ বদলানোই এখন ট্রেন্ড।
আগে অনেকেই যেমন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত একই ভারী মেকআপে থাকতেন, এখন সেই ধারণা বদলেছে। এখনকার সাজ অনেক বেশি আবহাওয়া ও সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে হয়। মোটাদাগে আরামদায়ক আর ‘স্কিন ফার্স্ট’ হতে হবে। অর্থাৎ, মেকআপ যেন ত্বকের স্বাভাবিক সৌন্দর্যটাই তুলে ধরে।
এবারের ঈদ যেহেতু গরমে, তাই মেকআপও এই ঋতুর উপযোগী হতে হবে। ভারী ফাউন্ডেশনের বদলে এখন বেশি ব্যবহার হচ্ছে স্কিন টিন্ট, বিবি ক্রিম বা হালকা ফাউন্ডেশন। লক্ষ্য একটাই, মেকআপ যেন ত্বকের ওপর চাপ না হয়।
বিউটিশিয়ানদের মতে, এখন এমন মেকআপই জনপ্রিয় যেটা হালকা। কারণ ঈদের দিনে অনেকক্ষণ বাইরে থাকা, দাওয়াত, ঘোরাঘুরি—সবকিছু মিলিয়ে মেকআপকে বাস্তব পরিস্থিতিতে টিকে থাকতে হয়।
ঈদের সকাল শুরু হয় পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো আর ছবি তোলার মধ্য দিয়ে। তাই সকালের সাজে এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে সতেজতা আর স্বাভাবিক লুকে।
ভারী কনট্যুর বা হাইলাইটারের বদলে ব্যবহার হচ্ছে হালকা বেজ, পিচ বা সফট পিঙ্ক ব্লাশ। ঠোঁটে টিন্টেড লিপ। এই সহজ কম্বিনেশনই এখন বেশি জনপ্রিয়।
চোখের সাজও সরল হতে পারে। যেমন নিউট্রাল আইশ্যাডো, পাতলা আইলাইনার আর হালকা মাসকারা। এর উদ্দেশ্য চোখকে ফ্রেশ আর খোলা দেখানো, অতিরিক্ত ড্রামাটিক না করা। ফ্যাশন ও বিউটি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সকালের সাজ এমন হওয়া উচিত যাতে অনেকক্ষণ থাকলেও অস্বস্তি না লাগে।
চুলের স্টাইলেও প্রচলিত ধারা রাখতে পারেন। বেণি করে পনিটেল, হালকা খোঁপা বা খোলা চুল। সবকিছুতেই এখন ‘এফোর্টলেস লুক’-এর চল। মানে, সাজটা যেন খুব কষ্ট করে করা, এমনটা মনে না হয়, বরং স্বাভাবিকভাবে সুন্দর লাগে।
ঈদের দুপুর বা বিকেলে থাকে দাওয়াত বা বাইরে ঘোরার পরিকল্পনা। এই সময় পুরো মেকআপ নতুন করে না করে ছোট ছোট টাচ আপই এখন ট্রেন্ড। যেমন ব্লটিং পেপার দিয়ে মুখের অতিরিক্ত তেল তুলে নেওয়া, টি-জোনে সামান্য কমপ্যাক্ট ব্যবহার, ঠোঁটে আবার লিপস্টিক দেওয়া।
এই ছোট ছোট পরিবর্তনেই মুখে আবার নতুন ফ্রেশ ভাব আসে। চাইলে একটু বেশি ব্লাশ বা হালকা হাইলাইটার যোগ করা যায়। এই ট্রেন্ডকে বলা হচ্ছে ‘refresh, don’t redo’, মানে পুরো মেকআপ নতুন করে নয়, বরং আগের লুকটাকে একটু সতেজ করে নেওয়া। এতে সময় বাঁচে, আর লুকও থাকে ন্যাচারাল।
ঈদের রাত মানেই দাওয়াত, আড্ডা আর একটু জমকালো পরিবেশ। তাই রাতের সাজে গ্ল্যামার একটু বাড়াতে পারেন, তবে সেটাও ধীরে ধীরে। সকালের হালকা মেকআপের ওপর চোখে একটু ডার্ক শেড যোগ করা যায়। শিমার বা গ্লিটার, একটু বোল্ড আইলাইনার—এই পরিবর্তনেই পুরো লুক বদলে যায়।
ঠোঁটে তখন রেড, বেরি বা ডিপ রোজ রঙ বেশি জনপ্রিয়। এর সঙ্গে হালকা কনট্যুর বা হাইলাইটার যোগ করে মুখের শেপ আরও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়।
তবে এখানেও একটি বিষয় পরিষ্কার, অতিরিক্ত ভারী বা কেকি মেকআপ এখন আর ট্রেন্ডে নেই। গ্ল্যামার থাকবে, কিন্তু সেটি হবে নিয়ন্ত্রিত।
চুলের স্টাইলে এখন স্লিক বান, সফট ওয়েভ, বেণি বা হালকা পনিটেল—সবই ট্রেন্ডে। বিকেলের দিকে চুলে ফুল পরার চলও আবার ফিরে এসেছে।
গয়নার ক্ষেত্রেও ‘less is more’। ভারী সেটের বদলে ছোট কানের দুল, স্টেটমেন্ট ইয়াররিং বা হালকা নেকপিস বেশি জনপ্রিয়। কারণ, পোশাকেই সঙ্গে সাজেও ভারসাম্য রাখা জরুরি।
সব মিলিয়ে ২০২৬ সালের ঈদের সাজের সবচেয়ে বড় বার্তা হলো—স্বস্তি, সহজতা আর ব্যক্তিত্ব।
এখন সাজ মানে শুধু মেকআপ নয়, বরং নিজের স্বাভাবিক সৌন্দর্যকে তুলে ধরা। হালকা থেকে ধীরে ধীরে গ্ল্যামারে যাওয়া, ত্বককে গুরুত্ব দেওয়া, আর নিজের মতো করে সাজা—এই তিনটিই এখন ট্রেন্ড।
.png)

একসঙ্গে থাকতে থাকতে অনেক দম্পতির জীবনেই একটা সময় আসে, যখন দুজনের মধ্যে আগের মতো ঘনিষ্ঠতা থাকে না। ভালোবাসা হয়তো আছে, কিন্তু কথা বলার সময় কমে যায়। কারও অফিস শেষ হতে রাত হয়ে যায়, কেউ আবার সারাদিন ঘরের কাজ সামলে ক্লান্ত। এর সঙ্গে যোগ হয় অভিমান, মানসিক চাপ কিংবা সম্পর্কের ছোট ছোট দূরত্ব। একসময় দেখা যায়,
১৪ আগস্ট ২০২৬
বিড়ালকে পরিবারের সদস্যের মতো করে যাঁরা বড় করেন, তাঁদের অনেকেই নিজেদের ‘ক্যাট মম’ বলতে পছন্দ করেন। কারও জীবনে এই সম্পর্কের শুরু অসুস্থ বিড়ালকে বাঁচানো থেকে, কারও আবার হঠাৎ পাওয়া বিড়ালছানাকে ঘিরে।
১৩ আগস্ট ২০২৬
হোমারের লেখা মহাকাব্য ‘ওডিসি’র প্রধান চরিত্র ওডিসিউস বাড়ি ফেরার পর তার বিশ্বস্ত কুকুর আর্গোস তাকে চিনতে পারে। তাদের পুনর্মিলনের এই আবেগঘন দৃশ্যটি বর্ণনা করতে হোমার ব্যবহার করেছেন মাত্র প্রায় ৪০টি লাইন। অথচ এটি পুরো মহাকাব্যের অন্যতম আবেগঘন ঘটনা। মহাকাব্যের এই দৃশ্যটি পর্দায় নতুন করে তুলে ধরেছেন
১১ আগস্ট ২০২৬
অলসতার জন্যও যে একটা দিন থাকতে পারে, তা শুনে হয়তো অবাক লাগছে! সারাদিন কাজের চাপ, ব্যস্ততা আর ‘প্রোডাক্টিভ’ থাকার দৌড়ে আমরা বিশ্রাম নেওয়াকেও অনেক সময় অপরাধ মনে করি। কিন্তু সত্যিই কি সব অলসতা খারাপ? বরং কিছু অভ্যাস, যেগুলোকে আমরা অলসতা ভাবি, সেগুলোই হতে পারে বুদ্ধিমত্তার ইঙ্গিত।
১০ আগস্ট ২০২৬