লেখা:

মহাকাশ অভিযানের ইতিহাসে যুক্ত হয়েছে নতুন মাইলফলক। দীর্ঘদিনের পুরোনো রেকর্ড ভেঙে ইতিহাস গড়েছেন ‘আর্টেমিস ২’ মহাকাশযানের যাত্রীরা। এতদিন পৃথিবী থেকে মানুষের সবচেয়ে দূরে যাওয়ার রেকর্ডটি ছিল ‘অ্যাপোলো ১৩’ মহাকাশযানের দখলে। বহু বছর ধরে কেউ এই সীমানা পেরোতে পারেনি।
তবে এবার সেই রেকর্ড ভেঙেছেন আর্টেমিস ২-এর ক্রু’রা। চাঁদের উল্টো পাশ থেকেও সফলভাবে ঘুরে এসেছেন তাঁরা। সেখান থেকে পাঠিয়েছেন চাঁদের পৃষ্ঠের চমৎকার সব ছবি। এই সাফল্যের পেছনে মহাকাশচারীদের দীর্ঘ প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
মহাকাশচারীদের দীর্ঘ প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত লিখেছেন ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির পৃথিবী ও গ্রহবিজ্ঞানের অধ্যাপক গর্ডন ওসিনস্কি। তিনি প্রথম আর্টেমিস লুনার সারফেস সায়েন্স টিমের সদস্য। নাসার মহাকাশচারীরা চাঁদে যাওয়ার আগে যে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, সেই প্রস্তুতি-প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন তিনি।
আগের মহাকাশ মিশন থেকে এবারের মিশন অনেক দিক থেকেই আলাদা। অ্যাপোলো মিশনগুলো চাঁদের খুব কাছ দিয়ে ঘুরত। মহাকাশযানগুলো চাঁদের পৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১১০ কিলোমিটার ওপর দিয়ে প্রদক্ষিণ করত। কিন্তু আর্টেমিস ২ মহাকাশযানটি উড়েছে চাঁদের অনেক ওপর দিয়ে। চাঁদের পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬ হাজার ৫৪৫ কিলোমিটার উঁচুতে ছিল এর অবস্থান।

এত বিশাল দূরত্বের কারণে ক্রুরা এবার চাঁদকে সম্পূর্ণ গোলক হিসেবে দেখার দারুণ সুযোগ পেয়েছেন। চাঁদের উত্তর মেরু ও দক্ষিণ মেরুর কাছাকাছি অবস্থিত অনেক অঞ্চলের ছবি একবারে তুলতে পেরেছেন তাঁরা।
আর্টেমিস ২ মিশনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল ছবি তোলা। ক্রুরা চাঁদের পৃষ্ঠের বিভিন্ন ভূতাত্ত্বিক কাঠামোর ছবি তুলতে পেরেছেন। এই অনুসন্ধানের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ভবিষ্যতের মহাকাশ মিশনগুলোকে আরও বেশি সহায়তা করা।
আগামী ২০২৮ সালে আর্টেমিস ৪ মহাকাশযানের মাধ্যমে মানুষের আবারও চাঁদে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এবারের তোলা ছবিগুলো আগামী যাত্রায় অনেক কাজে লাগবে বলে জানিয়েছে নাসা। ক্রুরা ৪০০ মিলিমিটার লেন্স দিয়ে চাঁদের উল্টো পাশ থেকে ছবি তুলেছেন। ছবিগুলো এত স্পষ্ট যে এবড়োখেবড়ো ভূখণ্ডের রূপও খুব স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
এই মিশনে নাসার নতুন বিজ্ঞানীদের দল কাজ করেছে। মিশনের সময় নাসার সরাসরি সম্প্রচার বা লাইভস্ট্রিম চলছিল। সেখানে একটি বিষয় সবার নজর কেড়েছে। সম্প্রচারে কানাডিয়ান মহাকাশচারী জেরেমি হ্যানসেন ও সায়েন্স অফিসার কেলসি ইয়াংয়ের সরাসরি কথোপকথন শোনা গেছে। আর সায়েন্স অফিসাররা হলেন নাসার সিনিয়র ফ্লাইট কন্ট্রোলার। আর্টেমিস মিশনের সময় চাঁদের বিজ্ঞান এবং মাটি ও পাথর নিয়ে গবেষণা করাই তাদের কাজ।

তাঁরা মূলত বৃহত্তর মিশন কন্ট্রোল টিম ও আর্টেমিস ২ সায়েন্স টিমের মধ্যে প্রধান যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করেন।
শুধু তাই নয়, নাসায় এবার নতুন একটি কক্ষ তৈরি করা হয়েছে। এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘সায়েন্স ইভ্যালুয়েশন রুম’ বা সংক্ষেপে এসইআর। সায়েন্স টিম এই আলাদা কক্ষে বসে কাজ করেন। রুমটি টেক্সাসের হিউস্টনের নাসার জনসন স্পেস সেন্টারের মিশন কন্ট্রোলে তৈরি করা হয়েছে।
সায়েন্স অফিসার নিয়োগ কিংবা ইভ্যালুয়েশন রুম—এই দুটি বিষয়ই নাসার আর্টেমিস প্রোগ্রামের জন্য একদম নতুন উদ্যোগ। আগের অ্যাপোলো প্রোগ্রামে এসব ছিল না। চাঁদের বুকে প্রথম আর্টেমিস মিশনের জন্য বিজ্ঞানীরা এই রুমের কাঠামো তৈরি করেছেন।
নাসার লাইভস্ট্রিম যাঁরা শুনেছেন তাঁরা একটি বিষয়ে খুব অবাক হয়েছেন। মহাকাশচারীরা চাঁদের মাটি ও গর্ত নিয়ে খুব চমৎকার ভূতাত্ত্বিক বর্ণনা দিচ্ছিলেন। গর্ডন ওসিনস্কি বলেন, ‘মহাকাশচারীদের দেওয়া ভূতাত্ত্বিক বর্ণনাগুলো শুনে আমি বেশ মুগ্ধ হয়েছি। তাঁদের এই অগাধ জ্ঞান প্রমাণ করে যে নাসার দেওয়া ভূতাত্ত্বিক প্রশিক্ষণ কত ভালো ছিল।’
আর্টেমিস প্রোগ্রামের জন্য নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে কয়েক বছর ধরে মহাকাশচারীদের এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রথমেই ক্রুরা ‘লুনার ফান্ডামেন্টালস’ নামের একটি কোর্সে অংশ নেন। কোর্সটি ছিল চাঁদের ভূতত্ত্ব বিষয়ক ক্র্যাশ কোর্স। এক সপ্তাহ ধরে শ্রেণিকক্ষে বসে এই ক্লাস করেছেন মহাকাশচারীরা।

শুধু ক্লাসরুমে নয়, হাতে-কলমে শেখার জন্য মহাকাশচারীদের যুক্তরাষ্ট্র, আইসল্যান্ড ও কানাডার বিভিন্ন ‘সায়েন্স স্পটে’ নিয়ে যায় নাসা। প্রশিক্ষণের শুরুর দিকে, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে ক্রুদের তিনজন উত্তর ল্যাব্রাডরের কামেস্তাসটিন হ্রদ এলাকায় যান। নসেন, ক্রিস্টিনা কচ ও ব্যাক-আপ ক্রু জেনি গিবনস সেখানে গিয়ে ভূতত্ত্বের প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। এরপর ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে পুরো দলটি আইসল্যান্ড ভ্রমণ করেন।
দুর্গম এই হ্রদে পৌঁছাতে অধ্যাপক গর্ডন ওসিনস্কি ও তাঁর দলকে ‘টুইন অটার’ বিমানে করে যাত্রা করতে হয়েছিল। হ্রদের চারপাশ ঘুরে দেখতে তাঁরা ‘জোডিয়াক’ নৌকা ব্যবহার করেছিলেন।
কানাডার কামেস্তাসটিন হ্রদের এই প্রশিক্ষণে অধ্যাপক গর্ডন ওসিনস্কি নেতৃত্ব দেন। এই বিশেষ জায়গা বেছে নেওয়ার কারণ ছিল, এখানের প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখতে একদম চাঁদের পৃষ্ঠের মতো। আজ থেকে প্রায় সাড়ে তিন কোটি বছর আগে মহাকাশ থেকে একটি বড় গ্রহাণু পৃথিবীতে এসে পড়ে। সেই গ্রহাণুটি ছিল এক থেকে দুই কিলোমিটার চওড়া। এর বিশাল আঘাতেই কামেস্তাসটিন হ্রদের এই বড় গর্তটি তৈরি হয়। গ্রহাণুর আঘাতে সৃষ্ট অনেক বিশেষ পাথর এখনও সেখানে সংরক্ষিত আছে। তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো এখানকার পাথরের ধরন। চাঁদের উঁচু পাহাড়গুলো যে অ্যানোর্থোসাইট পাথর দিয়ে তৈরি, এই হ্রদ এলাকার পাথরও ঠিক একই রকম।

মহাকাশ অভিযানের ইতিহাসে যুক্ত হয়েছে নতুন মাইলফলক। দীর্ঘদিনের পুরোনো রেকর্ড ভেঙে ইতিহাস গড়েছেন ‘আর্টেমিস ২’ মহাকাশযানের যাত্রীরা। এতদিন পৃথিবী থেকে মানুষের সবচেয়ে দূরে যাওয়ার রেকর্ডটি ছিল ‘অ্যাপোলো ১৩’ মহাকাশযানের দখলে। বহু বছর ধরে কেউ এই সীমানা পেরোতে পারেনি।
তবে এবার সেই রেকর্ড ভেঙেছেন আর্টেমিস ২-এর ক্রু’রা। চাঁদের উল্টো পাশ থেকেও সফলভাবে ঘুরে এসেছেন তাঁরা। সেখান থেকে পাঠিয়েছেন চাঁদের পৃষ্ঠের চমৎকার সব ছবি। এই সাফল্যের পেছনে মহাকাশচারীদের দীর্ঘ প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
মহাকাশচারীদের দীর্ঘ প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত লিখেছেন ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির পৃথিবী ও গ্রহবিজ্ঞানের অধ্যাপক গর্ডন ওসিনস্কি। তিনি প্রথম আর্টেমিস লুনার সারফেস সায়েন্স টিমের সদস্য। নাসার মহাকাশচারীরা চাঁদে যাওয়ার আগে যে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, সেই প্রস্তুতি-প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন তিনি।
আগের মহাকাশ মিশন থেকে এবারের মিশন অনেক দিক থেকেই আলাদা। অ্যাপোলো মিশনগুলো চাঁদের খুব কাছ দিয়ে ঘুরত। মহাকাশযানগুলো চাঁদের পৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১১০ কিলোমিটার ওপর দিয়ে প্রদক্ষিণ করত। কিন্তু আর্টেমিস ২ মহাকাশযানটি উড়েছে চাঁদের অনেক ওপর দিয়ে। চাঁদের পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬ হাজার ৫৪৫ কিলোমিটার উঁচুতে ছিল এর অবস্থান।

এত বিশাল দূরত্বের কারণে ক্রুরা এবার চাঁদকে সম্পূর্ণ গোলক হিসেবে দেখার দারুণ সুযোগ পেয়েছেন। চাঁদের উত্তর মেরু ও দক্ষিণ মেরুর কাছাকাছি অবস্থিত অনেক অঞ্চলের ছবি একবারে তুলতে পেরেছেন তাঁরা।
আর্টেমিস ২ মিশনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল ছবি তোলা। ক্রুরা চাঁদের পৃষ্ঠের বিভিন্ন ভূতাত্ত্বিক কাঠামোর ছবি তুলতে পেরেছেন। এই অনুসন্ধানের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ভবিষ্যতের মহাকাশ মিশনগুলোকে আরও বেশি সহায়তা করা।
আগামী ২০২৮ সালে আর্টেমিস ৪ মহাকাশযানের মাধ্যমে মানুষের আবারও চাঁদে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এবারের তোলা ছবিগুলো আগামী যাত্রায় অনেক কাজে লাগবে বলে জানিয়েছে নাসা। ক্রুরা ৪০০ মিলিমিটার লেন্স দিয়ে চাঁদের উল্টো পাশ থেকে ছবি তুলেছেন। ছবিগুলো এত স্পষ্ট যে এবড়োখেবড়ো ভূখণ্ডের রূপও খুব স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
এই মিশনে নাসার নতুন বিজ্ঞানীদের দল কাজ করেছে। মিশনের সময় নাসার সরাসরি সম্প্রচার বা লাইভস্ট্রিম চলছিল। সেখানে একটি বিষয় সবার নজর কেড়েছে। সম্প্রচারে কানাডিয়ান মহাকাশচারী জেরেমি হ্যানসেন ও সায়েন্স অফিসার কেলসি ইয়াংয়ের সরাসরি কথোপকথন শোনা গেছে। আর সায়েন্স অফিসাররা হলেন নাসার সিনিয়র ফ্লাইট কন্ট্রোলার। আর্টেমিস মিশনের সময় চাঁদের বিজ্ঞান এবং মাটি ও পাথর নিয়ে গবেষণা করাই তাদের কাজ।

তাঁরা মূলত বৃহত্তর মিশন কন্ট্রোল টিম ও আর্টেমিস ২ সায়েন্স টিমের মধ্যে প্রধান যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করেন।
শুধু তাই নয়, নাসায় এবার নতুন একটি কক্ষ তৈরি করা হয়েছে। এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘সায়েন্স ইভ্যালুয়েশন রুম’ বা সংক্ষেপে এসইআর। সায়েন্স টিম এই আলাদা কক্ষে বসে কাজ করেন। রুমটি টেক্সাসের হিউস্টনের নাসার জনসন স্পেস সেন্টারের মিশন কন্ট্রোলে তৈরি করা হয়েছে।
সায়েন্স অফিসার নিয়োগ কিংবা ইভ্যালুয়েশন রুম—এই দুটি বিষয়ই নাসার আর্টেমিস প্রোগ্রামের জন্য একদম নতুন উদ্যোগ। আগের অ্যাপোলো প্রোগ্রামে এসব ছিল না। চাঁদের বুকে প্রথম আর্টেমিস মিশনের জন্য বিজ্ঞানীরা এই রুমের কাঠামো তৈরি করেছেন।
নাসার লাইভস্ট্রিম যাঁরা শুনেছেন তাঁরা একটি বিষয়ে খুব অবাক হয়েছেন। মহাকাশচারীরা চাঁদের মাটি ও গর্ত নিয়ে খুব চমৎকার ভূতাত্ত্বিক বর্ণনা দিচ্ছিলেন। গর্ডন ওসিনস্কি বলেন, ‘মহাকাশচারীদের দেওয়া ভূতাত্ত্বিক বর্ণনাগুলো শুনে আমি বেশ মুগ্ধ হয়েছি। তাঁদের এই অগাধ জ্ঞান প্রমাণ করে যে নাসার দেওয়া ভূতাত্ত্বিক প্রশিক্ষণ কত ভালো ছিল।’
আর্টেমিস প্রোগ্রামের জন্য নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে কয়েক বছর ধরে মহাকাশচারীদের এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রথমেই ক্রুরা ‘লুনার ফান্ডামেন্টালস’ নামের একটি কোর্সে অংশ নেন। কোর্সটি ছিল চাঁদের ভূতত্ত্ব বিষয়ক ক্র্যাশ কোর্স। এক সপ্তাহ ধরে শ্রেণিকক্ষে বসে এই ক্লাস করেছেন মহাকাশচারীরা।

শুধু ক্লাসরুমে নয়, হাতে-কলমে শেখার জন্য মহাকাশচারীদের যুক্তরাষ্ট্র, আইসল্যান্ড ও কানাডার বিভিন্ন ‘সায়েন্স স্পটে’ নিয়ে যায় নাসা। প্রশিক্ষণের শুরুর দিকে, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে ক্রুদের তিনজন উত্তর ল্যাব্রাডরের কামেস্তাসটিন হ্রদ এলাকায় যান। নসেন, ক্রিস্টিনা কচ ও ব্যাক-আপ ক্রু জেনি গিবনস সেখানে গিয়ে ভূতত্ত্বের প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। এরপর ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে পুরো দলটি আইসল্যান্ড ভ্রমণ করেন।
দুর্গম এই হ্রদে পৌঁছাতে অধ্যাপক গর্ডন ওসিনস্কি ও তাঁর দলকে ‘টুইন অটার’ বিমানে করে যাত্রা করতে হয়েছিল। হ্রদের চারপাশ ঘুরে দেখতে তাঁরা ‘জোডিয়াক’ নৌকা ব্যবহার করেছিলেন।
কানাডার কামেস্তাসটিন হ্রদের এই প্রশিক্ষণে অধ্যাপক গর্ডন ওসিনস্কি নেতৃত্ব দেন। এই বিশেষ জায়গা বেছে নেওয়ার কারণ ছিল, এখানের প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখতে একদম চাঁদের পৃষ্ঠের মতো। আজ থেকে প্রায় সাড়ে তিন কোটি বছর আগে মহাকাশ থেকে একটি বড় গ্রহাণু পৃথিবীতে এসে পড়ে। সেই গ্রহাণুটি ছিল এক থেকে দুই কিলোমিটার চওড়া। এর বিশাল আঘাতেই কামেস্তাসটিন হ্রদের এই বড় গর্তটি তৈরি হয়। গ্রহাণুর আঘাতে সৃষ্ট অনেক বিশেষ পাথর এখনও সেখানে সংরক্ষিত আছে। তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো এখানকার পাথরের ধরন। চাঁদের উঁচু পাহাড়গুলো যে অ্যানোর্থোসাইট পাথর দিয়ে তৈরি, এই হ্রদ এলাকার পাথরও ঠিক একই রকম।
.png)
চিত্রশিল্পী তৌহিন হাসান ঘুরে দেখেছেন দেশ-বিদেশের বিখ্যাত সব আর্ট মিউজিয়াম ও আর্ট গ্যালারি। প্রতিটি সংগ্রহশালায় ক্যানভাস থেকে ক্যানভাসে তিনি খুঁজেছেন শিল্পের ভাষা; রঙ, আলো আর তুলির আঁচড়ে অনুভব করেছেন শিল্পীদের জীবন, সময় ও সৃষ্টির গল্প। সেই শিল্পভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে শুরু হলো নতুন ধারাবাহিক ‘আর্ট মিউজ
২ ঘণ্টা আগে
ইন্টারনেটের হাজারো নেতিবাচকতার ভিড়ে প্রাণীদের ‘কিউট’ ভিডিও ছিল এক চিলতে স্বস্তি। কিন্তু এআই-এর যুগে সেই নির্ভেজাল বিশ্বাসে এখন ফাটল ধরেছে। কোনো ভিডিও দেখে হাসার বদলে আমাদের মনে আগে প্রশ্ন জাগছে, এটি কি আসল নাকি এআই দিয়ে তৈরি? অবিশ্বাসের এই ডিজিটাল চোরাবালিতে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন উঠছে, আমাদের ছোট ছোট আনন্দ
২৫ জুলাই ২০২৬
সমকালীন বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক জগতে এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। জনপ্রিয়তা ও মননশীলতার মেলবন্ধনের দুর্লভ উদাহরণ তিনি। সৃজনশীল ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি তিনি একজন কর্মবীর। আজ তিনি সাতাশি বছর পূর্ণ করলেন।
২৫ জুলাই ২০২৬
এইতো কিছুদিন আগে কথা। অফিস থেকে বেরিয়ে বিশেষ একটি কাজে শাহবাগের উদ্দেশ্যে রিকশায় উঠেছিলাম। বিকেলের ব্যস্ত ঢাকার চিরচেনা যানজটে রিকশাটি একসময় থেমে গেল। চারপাশে শুধু হর্নের শব্দ, মানুষের কোলাহল আর অসংখ্য গাড়ির সারি। ঠিক সেই মুহূর্তেই কানে ভেসে এলো এক পরিচিত সুর ‘আলো আমার আলো ওগো, আলো ভুবনভরা’…!
২৫ জুলাই ২০২৬