স্ট্রিম ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘রসিকতা’ করে বলেছেন, ‘আজ শুক্রবার রাত, হাতে প্রচুর সময়। ফিরে গিয়ে ইরানে আরও বোমাবর্ষণ করব নাকি?’ একইসঙ্গে হরমুজ প্রণালি যুক্তরাষ্ট্রের সম্পত্তি দাবি করে তিনি বলেন, আমরা জিতেছি কি না তা-ই জানি না। তবে আমি বর্তমানে হরমুজকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড মনে করি।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যারোলাইনায় নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন ট্রাম্প।
এর আগে জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করতে চায় কিন্তু ‘সঠিক চুক্তিতে’ সায় দেওয়ার মতো অবস্থায় নেই। তিনি দাবি করেন, ‘ইরানের কোনো টাকা নেই, নৌবাহিনী নেই, বিমানবাহিনী নেই, তারা পুলিশ বা সৈন্যদের বেতন দিতে পারছে না এবং তাদের দেশে ৩৫০ শতাংশ মূল্যস্ফীতি চলছে। হরমুজ প্রণালির সীমান্ত ও নৌ-অবরোধের ওপর আমাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।’
একই সময়ে ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া পোস্টে ‘ইকোনমিক ডি-ডে’ নিষেধাজ্ঞা নিয়ে ট্রাম্প জানান, তেলের চোরাচালান নেটওয়ার্ক, সোয়াপ লাইন, নগদ অর্থ স্থানান্তর, মানি এক্সচেঞ্জ, জাহাজের রেজিস্ট্রি ও ফ্রন্ট কোম্পানিগুলো বন্ধ করতেই এই অর্থনৈতিক চাপ দেওয়া হবে। ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র না পায় সে জন্য ১০০ বার এমন সামরিক পদক্ষেপ নিতে তিনি রাজি আছেন।
ট্রাম্পের এই নতুন অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগকে পুরোনো ও ব্যর্থ কৌশল আখ্যা দিয়ে জবাব দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি লেখেন, ‘১৪ বছর আগে বলেছিলেন ইতিহাসের সবচেয়ে পঙ্গু করে দেওয়া নিষেধাজ্ঞা—ব্যর্থ হয়েছে। ৮ বছর আগে বলেছিলেন সর্বোচ্চ চাপ—ব্যর্থ হয়েছে। ৫ মাস আগে বলেছিলেন শর্তহীন আত্মসমর্পণ—ব্যর্থ হয়েছে। আজ বলছেন ইতিহাসের সবচেয়ে পিষে ফেলা অর্থনৈতিক অভিযান—এর পরিণতিও ব্যর্থতা। আমরা এই সিনেমা আগেও দেখেছি। একই ধানাইপানাই, কেবল নিপীড়নকারী ভিন্ন।’
তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘রসিকতা’ করে বলেছেন, ‘আজ শুক্রবার রাত, হাতে প্রচুর সময়। ফিরে গিয়ে ইরানে আরও বোমাবর্ষণ করব নাকি?’ একইসঙ্গে হরমুজ প্রণালি যুক্তরাষ্ট্রের সম্পত্তি দাবি করে তিনি বলেন, আমরা জিতেছি কি না তা-ই জানি না। তবে আমি বর্তমানে হরমুজকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড মনে করি।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যারোলাইনায় নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন ট্রাম্প।
এর আগে জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করতে চায় কিন্তু ‘সঠিক চুক্তিতে’ সায় দেওয়ার মতো অবস্থায় নেই। তিনি দাবি করেন, ‘ইরানের কোনো টাকা নেই, নৌবাহিনী নেই, বিমানবাহিনী নেই, তারা পুলিশ বা সৈন্যদের বেতন দিতে পারছে না এবং তাদের দেশে ৩৫০ শতাংশ মূল্যস্ফীতি চলছে। হরমুজ প্রণালির সীমান্ত ও নৌ-অবরোধের ওপর আমাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।’
একই সময়ে ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া পোস্টে ‘ইকোনমিক ডি-ডে’ নিষেধাজ্ঞা নিয়ে ট্রাম্প জানান, তেলের চোরাচালান নেটওয়ার্ক, সোয়াপ লাইন, নগদ অর্থ স্থানান্তর, মানি এক্সচেঞ্জ, জাহাজের রেজিস্ট্রি ও ফ্রন্ট কোম্পানিগুলো বন্ধ করতেই এই অর্থনৈতিক চাপ দেওয়া হবে। ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র না পায় সে জন্য ১০০ বার এমন সামরিক পদক্ষেপ নিতে তিনি রাজি আছেন।
ট্রাম্পের এই নতুন অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগকে পুরোনো ও ব্যর্থ কৌশল আখ্যা দিয়ে জবাব দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি লেখেন, ‘১৪ বছর আগে বলেছিলেন ইতিহাসের সবচেয়ে পঙ্গু করে দেওয়া নিষেধাজ্ঞা—ব্যর্থ হয়েছে। ৮ বছর আগে বলেছিলেন সর্বোচ্চ চাপ—ব্যর্থ হয়েছে। ৫ মাস আগে বলেছিলেন শর্তহীন আত্মসমর্পণ—ব্যর্থ হয়েছে। আজ বলছেন ইতিহাসের সবচেয়ে পিষে ফেলা অর্থনৈতিক অভিযান—এর পরিণতিও ব্যর্থতা। আমরা এই সিনেমা আগেও দেখেছি। একই ধানাইপানাই, কেবল নিপীড়নকারী ভিন্ন।’
তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
.png)

মিয়ানমারের মধ্যাঞ্চলে একটি বৌদ্ধবিহারে সামরিক বাহিনীর বিমান হামলায় ৩ নারীসহ অন্তত ১৪ নিহত এবং ২০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সাগাইং অঞ্চলের সোয়েল লে ও গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। সিভিল ডিফেন্স অ্যান্ড সিকিউরিটি অর্গানাইজেশন অব মিয়াউং টাউনশিপের (সিডিএসওএম) মুখপাত্র নওয়ে ও জানান, মান্দাল
১ ঘণ্টা আগে%E0%A6%95%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8-d501ce-256x144.webp)
মামলা নথিভুক্ত করায় ছয় ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলা ধর্না প্রত্যাহার করেছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। গত ২০ জুলাই নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে ‘সংসদ চলো’ মিছিলে পেলেট বন্দুকের ছররা গুলিতে ১৯ বছর বয়সী আন্দোলনকারী সাহিল লোচাব আহত হন। আহত শিক্ষার্থীর মামলা নিতে পুলিশ অস্বীকৃতি জান
১৪ ঘণ্টা আগে