সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের বিশ্লেষণ
স্ট্রিম ডেস্ক

আসন্ন কয়েক দিনে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার তীব্রতা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন চীনা সামরিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। তাঁদের মতে, আগামী কয়েক সপ্তাহে মার্কিন বাহিনী ‘সীমিত স্থল অভিযান’ এবং তীব্র বিমান হামলার মাধ্যমে ইরানকে চূড়ান্ত সমঝোতায় বাধ্য করার কৌশল নিতে পারে ট্রাম্প প্রশাসন। হংকংভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক বিশ্লেষণে এসব দাবি করা হয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে এক ভাষণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়েছে। এই অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্যগুলো প্রায় সম্পন্ন হয়েছে উল্লেখ করে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দেন, আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে ইরানকে ‘প্রস্তর যুগে’ পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
ট্রাম্পের এই হুমকির জবাবে বৃহস্পতিবার তেহরান পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, ওয়াশিংটন ও জেরুজালেমকে ‘চিরস্থায়ী অনুশোচনা ও আত্মসমর্পণের’ মুখে না ফেলা পর্যন্ত তারা যুদ্ধ চালিয়ে যাবে। ইরানি সামরিক মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাগারি দাবি করেছেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের তথ্য অসম্পূর্ণ এবং তাদের গোপন ঘাঁটিগুলো শত্রুর নাগালের বাইরে।
বেইজিংভিত্তিক একজন সামরিক বিশ্লেষক জানিয়েছেন, ট্রাম্পের ভাষণের মাধ্যমে এই যুদ্ধের ‘দ্বিতীয় অংশ’ শুরু হলো। প্রথম ধাপে ইরানের নেতৃত্ব ও নৌ-সক্ষমতা ধ্বংস করার লক্ষ্য পূরণ হওয়ার পর এখন যুক্তরাষ্ট্র ‘এস্কেলেট টু ডি-এস্কেলেট’ বা সংঘাত বাড়িয়ে সমাধানের পথ খোঁজার নীতি গ্রহণ করবে। এর অংশ হিসেবে পারস্য উপসাগরের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র ‘খার্গ দ্বীপ’ দখল অথবা হরমুজ প্রণালির উপকূলীয় ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারগুলো ধ্বংস করতে মার্কিন মেরিন সেনারা নামতে পারে।
ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর মিডল ইস্টার্ন স্টাডিজের উপ-পরিচালক ঝাং চুচু বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র সম্ভবত কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সীমিত স্থল অভিযান পরিচালনা করবে। দরকষাকষিতে ব্যবহারের জন্য ট্রাম্পকে এখন একটি দৃশ্যমান বিজয় দেখাতে হবে। তাঁর মূল লক্ষ্য হলো হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা। এর জন্য তিনি ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে আরও জোরালো হামলা এবং ইউরেনিয়ামের মজুত কবজা করার চেষ্টা করতে পারেন।’
ঝাং আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র মাঝেমধ্যেই যুদ্ধ থেকে সরে যাওয়ার সংকেত দিচ্ছে মূলত মিত্রদেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে, যাতে তারা যুদ্ধের ব্যয়ভার বহনে এগিয়ে আসে। ট্রাম্প মূলত স্থায়ী যুদ্ধবিরতির চেয়ে সংঘাতের মাত্রা কমিয়ে বাজার স্থিতিশীল করতে চাইছেন।
সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক জোডি ওয়েন মনে করেন, ওয়াশিংটন আগামী দুই সপ্তাহ অত্যন্ত তীব্র হামলা চালাবে যাতে ইরান দীর্ঘ সময়ের জন্য পারমাণবিক বা আঞ্চলিক হুমকি হতে না পারে। তিনি আরও বলেন, চীন ও পাকিস্তানের প্রস্তাবিত ৫ দফা শান্তি পরিকল্পনা এই সংকট নিরসনে একটি শক্ত ভিত্তি হতে পারে।
ট্রাম্পের ভাষণের পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলার ছাড়িয়েছে এবং এশিয়ার শেয়ারবাজারে বড় ধস নেমেছে। ঝাং চুচু সতর্ক করে বলেন, ইরাক বা লিবিয়া যুদ্ধের মতো ইরানের কেন্দ্রীয় সরকার যদি চরম দুর্বল হয়ে পড়ে, তবে সেখানে রাজনৈতিক শূন্যতা তৈরি হতে পারে যা পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে আরও দীর্ঘস্থায়ী অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দেবে।

আসন্ন কয়েক দিনে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার তীব্রতা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন চীনা সামরিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। তাঁদের মতে, আগামী কয়েক সপ্তাহে মার্কিন বাহিনী ‘সীমিত স্থল অভিযান’ এবং তীব্র বিমান হামলার মাধ্যমে ইরানকে চূড়ান্ত সমঝোতায় বাধ্য করার কৌশল নিতে পারে ট্রাম্প প্রশাসন। হংকংভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক বিশ্লেষণে এসব দাবি করা হয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে এক ভাষণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়েছে। এই অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্যগুলো প্রায় সম্পন্ন হয়েছে উল্লেখ করে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দেন, আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে ইরানকে ‘প্রস্তর যুগে’ পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
ট্রাম্পের এই হুমকির জবাবে বৃহস্পতিবার তেহরান পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, ওয়াশিংটন ও জেরুজালেমকে ‘চিরস্থায়ী অনুশোচনা ও আত্মসমর্পণের’ মুখে না ফেলা পর্যন্ত তারা যুদ্ধ চালিয়ে যাবে। ইরানি সামরিক মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাগারি দাবি করেছেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের তথ্য অসম্পূর্ণ এবং তাদের গোপন ঘাঁটিগুলো শত্রুর নাগালের বাইরে।
বেইজিংভিত্তিক একজন সামরিক বিশ্লেষক জানিয়েছেন, ট্রাম্পের ভাষণের মাধ্যমে এই যুদ্ধের ‘দ্বিতীয় অংশ’ শুরু হলো। প্রথম ধাপে ইরানের নেতৃত্ব ও নৌ-সক্ষমতা ধ্বংস করার লক্ষ্য পূরণ হওয়ার পর এখন যুক্তরাষ্ট্র ‘এস্কেলেট টু ডি-এস্কেলেট’ বা সংঘাত বাড়িয়ে সমাধানের পথ খোঁজার নীতি গ্রহণ করবে। এর অংশ হিসেবে পারস্য উপসাগরের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র ‘খার্গ দ্বীপ’ দখল অথবা হরমুজ প্রণালির উপকূলীয় ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারগুলো ধ্বংস করতে মার্কিন মেরিন সেনারা নামতে পারে।
ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর মিডল ইস্টার্ন স্টাডিজের উপ-পরিচালক ঝাং চুচু বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র সম্ভবত কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সীমিত স্থল অভিযান পরিচালনা করবে। দরকষাকষিতে ব্যবহারের জন্য ট্রাম্পকে এখন একটি দৃশ্যমান বিজয় দেখাতে হবে। তাঁর মূল লক্ষ্য হলো হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা। এর জন্য তিনি ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে আরও জোরালো হামলা এবং ইউরেনিয়ামের মজুত কবজা করার চেষ্টা করতে পারেন।’
ঝাং আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র মাঝেমধ্যেই যুদ্ধ থেকে সরে যাওয়ার সংকেত দিচ্ছে মূলত মিত্রদেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে, যাতে তারা যুদ্ধের ব্যয়ভার বহনে এগিয়ে আসে। ট্রাম্প মূলত স্থায়ী যুদ্ধবিরতির চেয়ে সংঘাতের মাত্রা কমিয়ে বাজার স্থিতিশীল করতে চাইছেন।
সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক জোডি ওয়েন মনে করেন, ওয়াশিংটন আগামী দুই সপ্তাহ অত্যন্ত তীব্র হামলা চালাবে যাতে ইরান দীর্ঘ সময়ের জন্য পারমাণবিক বা আঞ্চলিক হুমকি হতে না পারে। তিনি আরও বলেন, চীন ও পাকিস্তানের প্রস্তাবিত ৫ দফা শান্তি পরিকল্পনা এই সংকট নিরসনে একটি শক্ত ভিত্তি হতে পারে।
ট্রাম্পের ভাষণের পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলার ছাড়িয়েছে এবং এশিয়ার শেয়ারবাজারে বড় ধস নেমেছে। ঝাং চুচু সতর্ক করে বলেন, ইরাক বা লিবিয়া যুদ্ধের মতো ইরানের কেন্দ্রীয় সরকার যদি চরম দুর্বল হয়ে পড়ে, তবে সেখানে রাজনৈতিক শূন্যতা তৈরি হতে পারে যা পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে আরও দীর্ঘস্থায়ী অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দেবে।

জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে গতকাল ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী ধ্বংস হয়ে গেছে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ও ড্রোন হামলার সক্ষমতা নাটকীয়ভাবে কমে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধে বিস্ময়কর সামরিক সাফল্য লাভ করেছে।
৩ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতার পথে বিভিন্ন ‘বাধা’ ও চ্যালেঞ্জ থাকলেও পাকিস্তান তার কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে বলে ঘোষণা করেছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) ইসলামাবাদে সাপ্তাহিক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে দেশটির পররাষ্ট্রদপ্তরের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধে চারটি প্রধান শর্ত দিয়েছে ইরান। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাশিয়ায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত কাজেম জালালি রুশ সংবাদ সংস্থা তাসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই শর্তের কথা জানান।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য যেকোনো স্থল অভিযান মোকাবিলায় অন্তত ৭০ লাখ ইরানি নাগরিক অস্ত্র হাতে যুদ্ধে নামতে প্রস্তুত বলে দাবি করেছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে এই দাবি করেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে