স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপের কর্মসূচিতে প্রতিবেশী কেউ যোগ দিলে, তাকে শত্রু গণ্য করার ঘোষণা দিয়েছে তেহরান। ইরানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে এসব দেশে হামলা চালানো হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজাই। খবর আলজাজিরার।
শনিবার (২২ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
মোহসেন রেজাই বলেন, আমরা সব প্রতিবেশী দেশকে বলছি, তারা যেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক যুদ্ধে যোগ না দেয়। অন্যথায় আমরা তাদের শত্রু হিসেবে বিবেচনা করব।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে অর্থনৈতিক চাপের ঘোষণা আসার পর রেজাইয়ের এ বক্তব্য এল। গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে তাঁর সরকার ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর অর্থনৈতিক অভিযান চালাবে।
তিনি আরও বলেন, কোনো দেশ ইরানকে ‘যেকোনো ধরনের সহায়তা’ দিলে তাদের ‘ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতি’ ভোগ করতে হবে।
পরদিন একই হুঁশিয়ারি দেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। তিনি বলেন, আপনি হয় আমাদের সঙ্গে, নয়তো আমাদের বিরুদ্ধে।
রেজাই বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর বিষয়ে ইরানের কৌশল হবে তিন ধাপে। প্রথমে উত্তেজনা কমানোর জন্য এসব দেশের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। এরপর বন্ধুত্বপূর্ণ ভাষায় তাদের যুক্তরাষ্ট্র থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করা হবে। তিনি বলেন, আমরা আসলে যুদ্ধ ছড়িয়ে দিতে চাই না।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে থাকা দেশগুলোকে অবস্থান পরিবর্তনের জন্য সময় দেওয়া হবে। এরপরও তারা ইরানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে তৃতীয় ধাপে তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান রেজাই।
রেজাইয়ের ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে অর্থনৈতিক চাপ দিয়ে ইরানের অভ্যন্তরে বিভাজন তৈরি করা সম্ভব হবে। এতে বিক্ষোভ দেখা দিতে পারে এবং শেষ পর্যন্ত ইরানের যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা দুর্বল হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর যুদ্ধ শুরু হয়। এরপর ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ বন্ধ করে দেয়। এতে তেল ও সারের মতো পণ্যের দাম বেড়ে যায়। হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরশীল মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ এখন বিকল্প বাণিজ্যপথ ব্যবহারের চেষ্টা করছে।
রেজাই সতর্ক করেছেন, এসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপের কর্মসূচিতে অংশ নিলে উপসাগর থেকে তেল পরিবহনের বিকল্প পথগুলোতেও ইরান হামলা চালাবে।
শনিবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের নতুন পদক্ষেপের সমালোচনা করেছে। তেহরানের দাবি, এসব পদক্ষেপ জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ‘সীমান্তের বাইরে সার্বভৌমত্ব’ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা।
এদিকে, বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও হামলা চালানোর কথা বিবেচনা করছে। ট্রাম্পের সামরিক অভিযান সমর্থন করা ইউরোপের মিত্ররাও ইরানের সম্ভাব্য লক্ষ্য হতে পারে বলে এসব প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপের কর্মসূচিতে প্রতিবেশী কেউ যোগ দিলে, তাকে শত্রু গণ্য করার ঘোষণা দিয়েছে তেহরান। ইরানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে এসব দেশে হামলা চালানো হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজাই। খবর আলজাজিরার।
শনিবার (২২ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
মোহসেন রেজাই বলেন, আমরা সব প্রতিবেশী দেশকে বলছি, তারা যেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক যুদ্ধে যোগ না দেয়। অন্যথায় আমরা তাদের শত্রু হিসেবে বিবেচনা করব।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে অর্থনৈতিক চাপের ঘোষণা আসার পর রেজাইয়ের এ বক্তব্য এল। গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে তাঁর সরকার ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর অর্থনৈতিক অভিযান চালাবে।
তিনি আরও বলেন, কোনো দেশ ইরানকে ‘যেকোনো ধরনের সহায়তা’ দিলে তাদের ‘ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতি’ ভোগ করতে হবে।
পরদিন একই হুঁশিয়ারি দেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। তিনি বলেন, আপনি হয় আমাদের সঙ্গে, নয়তো আমাদের বিরুদ্ধে।
রেজাই বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর বিষয়ে ইরানের কৌশল হবে তিন ধাপে। প্রথমে উত্তেজনা কমানোর জন্য এসব দেশের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। এরপর বন্ধুত্বপূর্ণ ভাষায় তাদের যুক্তরাষ্ট্র থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করা হবে। তিনি বলেন, আমরা আসলে যুদ্ধ ছড়িয়ে দিতে চাই না।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে থাকা দেশগুলোকে অবস্থান পরিবর্তনের জন্য সময় দেওয়া হবে। এরপরও তারা ইরানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে তৃতীয় ধাপে তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান রেজাই।
রেজাইয়ের ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে অর্থনৈতিক চাপ দিয়ে ইরানের অভ্যন্তরে বিভাজন তৈরি করা সম্ভব হবে। এতে বিক্ষোভ দেখা দিতে পারে এবং শেষ পর্যন্ত ইরানের যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা দুর্বল হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর যুদ্ধ শুরু হয়। এরপর ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ বন্ধ করে দেয়। এতে তেল ও সারের মতো পণ্যের দাম বেড়ে যায়। হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরশীল মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ এখন বিকল্প বাণিজ্যপথ ব্যবহারের চেষ্টা করছে।
রেজাই সতর্ক করেছেন, এসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপের কর্মসূচিতে অংশ নিলে উপসাগর থেকে তেল পরিবহনের বিকল্প পথগুলোতেও ইরান হামলা চালাবে।
শনিবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের নতুন পদক্ষেপের সমালোচনা করেছে। তেহরানের দাবি, এসব পদক্ষেপ জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ‘সীমান্তের বাইরে সার্বভৌমত্ব’ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা।
এদিকে, বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও হামলা চালানোর কথা বিবেচনা করছে। ট্রাম্পের সামরিক অভিযান সমর্থন করা ইউরোপের মিত্ররাও ইরানের সম্ভাব্য লক্ষ্য হতে পারে বলে এসব প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
.png)

প্রতিবেশীরা কেবল ভারতের স্বার্থ রক্ষা করবে এমন প্রত্যাশা বাস্তবসম্মত নয় বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। বাংলাদেশসহ অন্যান্য প্রতিবেশীদের স্বার্থকে সম্মান জানানোর ওপর জোর দেন তিনি। শনিবার (২২ আগস্ট) নয়াদিল্লিতে ‘ইকোনমিক টাইমস (ইটি) ওয়ার্ল্ড লিডার্স ফোরাম’-এর অধিবেশনে এসব কথা
১০ মিনিট আগে
ভারতের ওডিশা উপকূল থেকে প্রায় ২৪০ নটিক্যাল মাইল দূরে বঙ্গোপসাগরে একটি কার্গো জাহাজ ডুবে গেছে। এতে এক বাংলাদেশিসহ ২৪ নাবিক ছিলেন। খবর এনডিটিভির।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা পরিকল্পনার নিন্দা জানিয়েছে তেহরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ অন্য দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ‘বহির্দেশীয় সার্বভৌমত্ব’ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা। শনিবার এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন বাঘাই।
১১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত হামলা ও হুমকির জেরে হরমুজ প্রণালি কার্যত অচল করে রেখেছে ইরান। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবাহিত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ বন্ধ থাকলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আকাশচুম্বী হওয়ার কথা। তবে নৌপথটি বন্ধ থাকলেও তেলের সরবরাহ সচল রাখার নতুন কৌশল নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা।