স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা পরিকল্পনার নিন্দা জানিয়েছে তেহরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ অন্য দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ‘বহির্দেশীয় সার্বভৌমত্ব’ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা।
শনিবার এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বাঘাই বলেন, নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আন্তর্জাতিক আইনে কোনো ভিত্তি নেই। ‘সেকেন্ডারি নিষেধাজ্ঞার’ মাধ্যমে অন্য দেশের ব্যাংক, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বা বিমানবন্দরকে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধে বাধ্য করা যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে ইরানের বিরুদ্ধে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা’ আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। আগামী সোমবার স্থানীয় সময় বেলা ২টায় নতুন নিষেধাজ্ঞা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করার কথা রয়েছে তাঁর। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইরানকে যেকোনো ধরনের সহায়তা করা দেশের বিরুদ্ধে কঠোর পরিণতি ভোগ করার হুমকি দেন।
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন এই পদক্ষেপে ইরানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার চীনও চাপে পড়তে পারে। ২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী, ইরান থেকে রপ্তানি হওয়া তেলের ৮০ শতাংশের বেশি কিনেছে চীন। তবে চলমান পরিস্থিতির কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে বেইজিং।
এদিকে প্রায় ছয় মাস ধরে চলা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের মধ্যে দুই পক্ষ এখন পরস্পরের ওপর হামলা চালাচ্ছে না। তবে শান্তি আলোচনা শুরুরও কোনো লক্ষণ নেই। এর মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে তেল পরিবহন প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এতে ইরানের অর্থনীতির ওপর চাপ বাড়ছে।
বৃহস্পতিবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে মাত্র চারটি পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল করেছে। এর কোনোটিই বড় অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজ বা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসবাহী ট্যাংকার ছিল না। তবে বাগদাদের বারবার অনুরোধের পর কয়েকটি ইরাকি তেলবাহী ট্যাংকারকে প্রণালিটি দিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে ইরান।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট জানিয়েছেন, মার্কিন সামরিক বাহিনীর সহায়তায় গত সাত দিনে গড়ে প্রতিদিন ৮০ লাখ ব্যারেল তেল হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন হয়েছে। যুদ্ধের আগে এই পরিমাণ ছিল দিনে দুই কোটির বেশি ব্যারেল।
এর মধ্যেই ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আলী আবদোল্লাহি শুক্রবার বলেন, শত্রুর যেকোনো হুমকির জবাবে ইরান ‘ধ্বংসাত্মক ও শাস্তিমূলক’ সামরিক জবাব দেবে।
তবে একই সময়ে কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষেও কথা বলেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান। শুক্রবার তিনি বলেন, ইরান শক্তিশালী ও মর্যাদার অবস্থানে থাকা অবস্থায় এখনই যুদ্ধ শেষ করা ভালো।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা পরিকল্পনার নিন্দা জানিয়েছে তেহরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ অন্য দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ‘বহির্দেশীয় সার্বভৌমত্ব’ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা।
শনিবার এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বাঘাই বলেন, নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আন্তর্জাতিক আইনে কোনো ভিত্তি নেই। ‘সেকেন্ডারি নিষেধাজ্ঞার’ মাধ্যমে অন্য দেশের ব্যাংক, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বা বিমানবন্দরকে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধে বাধ্য করা যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে ইরানের বিরুদ্ধে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা’ আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। আগামী সোমবার স্থানীয় সময় বেলা ২টায় নতুন নিষেধাজ্ঞা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করার কথা রয়েছে তাঁর। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইরানকে যেকোনো ধরনের সহায়তা করা দেশের বিরুদ্ধে কঠোর পরিণতি ভোগ করার হুমকি দেন।
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন এই পদক্ষেপে ইরানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার চীনও চাপে পড়তে পারে। ২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী, ইরান থেকে রপ্তানি হওয়া তেলের ৮০ শতাংশের বেশি কিনেছে চীন। তবে চলমান পরিস্থিতির কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে বেইজিং।
এদিকে প্রায় ছয় মাস ধরে চলা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের মধ্যে দুই পক্ষ এখন পরস্পরের ওপর হামলা চালাচ্ছে না। তবে শান্তি আলোচনা শুরুরও কোনো লক্ষণ নেই। এর মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে তেল পরিবহন প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এতে ইরানের অর্থনীতির ওপর চাপ বাড়ছে।
বৃহস্পতিবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে মাত্র চারটি পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল করেছে। এর কোনোটিই বড় অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজ বা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসবাহী ট্যাংকার ছিল না। তবে বাগদাদের বারবার অনুরোধের পর কয়েকটি ইরাকি তেলবাহী ট্যাংকারকে প্রণালিটি দিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে ইরান।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট জানিয়েছেন, মার্কিন সামরিক বাহিনীর সহায়তায় গত সাত দিনে গড়ে প্রতিদিন ৮০ লাখ ব্যারেল তেল হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন হয়েছে। যুদ্ধের আগে এই পরিমাণ ছিল দিনে দুই কোটির বেশি ব্যারেল।
এর মধ্যেই ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আলী আবদোল্লাহি শুক্রবার বলেন, শত্রুর যেকোনো হুমকির জবাবে ইরান ‘ধ্বংসাত্মক ও শাস্তিমূলক’ সামরিক জবাব দেবে।
তবে একই সময়ে কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষেও কথা বলেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান। শুক্রবার তিনি বলেন, ইরান শক্তিশালী ও মর্যাদার অবস্থানে থাকা অবস্থায় এখনই যুদ্ধ শেষ করা ভালো।
.png)

যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত হামলা ও হুমকির জেরে হরমুজ প্রণালি কার্যত অচল করে রেখেছে ইরান। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবাহিত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ বন্ধ থাকলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আকাশচুম্বী হওয়ার কথা। তবে নৌপথটি বন্ধ থাকলেও তেলের সরবরাহ সচল রাখার নতুন কৌশল নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা।
২৪ মিনিট আগে-6d10f0-256x144.webp)
কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকার হোটেল শিখা-ইনের মালিক বীরেশ্বর মিত্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ওই হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের পর পালিয়ে যান তিনি, কলকাতা ফিরে গ্রেপ্তার হলেন। খবর দ্য প্রিন্ট
২ ঘণ্টা আগে
কানাডার প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তিন দিন ধরে আলোচনার পর কোনো সমঝোতা না হওয়ায় নতুন শুল্ক আরোপ করা হয়। খবর আল–জাজিরার। আলোচকদের চুক্তিতে পৌঁছাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা শনিবার স্থানীয় সময় রাত ১২টা ১ মিনিটে শেষ হয়। ত