স্ট্রিম ডেস্ক

ইরান ও ইসরায়েল একে অপরের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। তবে দুই দেশই ফের হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ইরান সতর্ক করেছে, ইসরায়েল লেবাননে হামলা অব্যাহত রাখলে আবারও সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে। আর ইসরায়েল বলেছে, তারাও হামলা চালাতে প্রস্তুত। খবর রয়টার্সের।
এর আগে রোববার রাতে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে ইরান। তেহরান জানায়, লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর অবস্থান লক্ষ্য করে ইসরায়েলি হামলার জবাবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
জবাবে ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও একটি পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় হামলা চালায় ইসরায়েল। দেশটির দাবি, ওই স্থাপনা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত। জবাবে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) হাইফার একটি শিল্প স্থাপনায় হামলার কথা জানায়। তবে দুই পক্ষের কেউই হতাহতের খবর জানায়নি।
এদিকে, এই সংঘাতে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ থামানোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। গত এপ্রিলে ইরানের সঙ্গে সাময়িক যুদ্ধবিরতির পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা চালিয়ে আসছে।
অবশ্য হামলা শুরুর পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই দেশকেই থামতে বলেন। তিনি বলেন, শান্তি প্রতিষ্ঠার বিষয়ে চূড়ান্ত আলোচনা চলছে এবং তা যেন অযথা বাধাগ্রস্ত না হয়।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কর্মকর্তারা জানান, নতুন করে সংঘাত নিয়ে ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে ফোনালাপ হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, তিনি নেতানিয়াহুকে সতর্ক করেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে যুদ্ধ শুরু করলে ইসরায়েল একা পড়তে পারে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়েখিয়েল লাইতার ট্রাম্পের চাপ প্রয়োগের খবর নাকচ করে দিয়েছেন। তাঁর ভাষ্য, দুই নেতার সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং আলোচনাগুলো ছিল সহযোগিতামূলক।
ট্রাম্প নতুন করে সংঘাত চান না বললেও ইরান ও ইসরায়েল সেদিকে খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছে বলে মনে হচ্ছে না।
ইসরায়েলের এক সামরিক কর্মকর্তা বলেছেন, প্রয়োজনে অভিযান চালিয়ে যেতে তাদের বাহিনী প্রস্তুত।
তেহরানও একই ধরনের অবস্থান নিয়েছে। দেশটির আধা-সরকারি তাসনিম সংবাদ সংস্থার বরাতে এক সামরিক সূত্র জানিয়েছে, দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের জন্য প্রস্তুত রয়েছে ইরান। প্রয়োজন হলে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থসংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতেও হামলা চালানো হতে পারে।
ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির প্রধান ইব্রাহিম আজিজি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ইরান কিংবা তার আঞ্চলিক মিত্রদের বিরুদ্ধে যেকোনো পদক্ষেপের জবাব কঠোরভাবে দেওয়া হবে।
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর মুখপাত্র ফারহান হক বলেছেন, পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করতে পারে-এমন কোনো পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন মহাসচিব।
ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠী লোহিত সাগরে ইসরায়েলি নৌ-চলাচল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। একই সঙ্গে তারা ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের দাবিও করেছে।
পরে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, ইয়েমেন থেকে আসা একটি সন্দেহজনক আকাশযান ভূপাতিত করা হয়েছে।
তেহরানে কিছু বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেলেও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এরই মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার কিছু লক্ষণও দেখা যাচ্ছে।
ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, প্রায় ২৪ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার তেহরানের ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল পুনরায় শুরু হয়েছে।
লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ইসরায়েলের মতে, এ অভিযান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির আওতার বাইরে। হিজবুল্লাহও পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
লেবাননে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মিশেল ইসা জানিয়েছেন, লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে আলোচনা পুনরায় শুরু করতে ওয়াশিংটনে বৈঠকের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।

ইরান ও ইসরায়েল একে অপরের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। তবে দুই দেশই ফের হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ইরান সতর্ক করেছে, ইসরায়েল লেবাননে হামলা অব্যাহত রাখলে আবারও সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে। আর ইসরায়েল বলেছে, তারাও হামলা চালাতে প্রস্তুত। খবর রয়টার্সের।
এর আগে রোববার রাতে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে ইরান। তেহরান জানায়, লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর অবস্থান লক্ষ্য করে ইসরায়েলি হামলার জবাবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
জবাবে ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও একটি পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় হামলা চালায় ইসরায়েল। দেশটির দাবি, ওই স্থাপনা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত। জবাবে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) হাইফার একটি শিল্প স্থাপনায় হামলার কথা জানায়। তবে দুই পক্ষের কেউই হতাহতের খবর জানায়নি।
এদিকে, এই সংঘাতে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ থামানোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। গত এপ্রিলে ইরানের সঙ্গে সাময়িক যুদ্ধবিরতির পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা চালিয়ে আসছে।
অবশ্য হামলা শুরুর পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই দেশকেই থামতে বলেন। তিনি বলেন, শান্তি প্রতিষ্ঠার বিষয়ে চূড়ান্ত আলোচনা চলছে এবং তা যেন অযথা বাধাগ্রস্ত না হয়।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কর্মকর্তারা জানান, নতুন করে সংঘাত নিয়ে ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে ফোনালাপ হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, তিনি নেতানিয়াহুকে সতর্ক করেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে যুদ্ধ শুরু করলে ইসরায়েল একা পড়তে পারে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়েখিয়েল লাইতার ট্রাম্পের চাপ প্রয়োগের খবর নাকচ করে দিয়েছেন। তাঁর ভাষ্য, দুই নেতার সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং আলোচনাগুলো ছিল সহযোগিতামূলক।
ট্রাম্প নতুন করে সংঘাত চান না বললেও ইরান ও ইসরায়েল সেদিকে খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছে বলে মনে হচ্ছে না।
ইসরায়েলের এক সামরিক কর্মকর্তা বলেছেন, প্রয়োজনে অভিযান চালিয়ে যেতে তাদের বাহিনী প্রস্তুত।
তেহরানও একই ধরনের অবস্থান নিয়েছে। দেশটির আধা-সরকারি তাসনিম সংবাদ সংস্থার বরাতে এক সামরিক সূত্র জানিয়েছে, দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের জন্য প্রস্তুত রয়েছে ইরান। প্রয়োজন হলে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থসংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতেও হামলা চালানো হতে পারে।
ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির প্রধান ইব্রাহিম আজিজি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ইরান কিংবা তার আঞ্চলিক মিত্রদের বিরুদ্ধে যেকোনো পদক্ষেপের জবাব কঠোরভাবে দেওয়া হবে।
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর মুখপাত্র ফারহান হক বলেছেন, পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করতে পারে-এমন কোনো পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন মহাসচিব।
ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠী লোহিত সাগরে ইসরায়েলি নৌ-চলাচল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। একই সঙ্গে তারা ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের দাবিও করেছে।
পরে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, ইয়েমেন থেকে আসা একটি সন্দেহজনক আকাশযান ভূপাতিত করা হয়েছে।
তেহরানে কিছু বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেলেও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এরই মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার কিছু লক্ষণও দেখা যাচ্ছে।
ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, প্রায় ২৪ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার তেহরানের ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল পুনরায় শুরু হয়েছে।
লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ইসরায়েলের মতে, এ অভিযান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির আওতার বাইরে। হিজবুল্লাহও পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
লেবাননে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মিশেল ইসা জানিয়েছেন, লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে আলোচনা পুনরায় শুরু করতে ওয়াশিংটনে বৈঠকের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।
.png)

যুদ্ধ পরিস্থিতি ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয় কীভাবে তুলে ধরা হবে, তা নিয়ে ইরান সরকার ও রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির সঙ্গে বিরোধ দেখা দিয়েছে। শুক্রবার (২৫ জুলাই) সরকারি তথ্য পরিষদ আইআরআইবির বিরুদ্ধে ‘সেন্সরশিপের’ অভিযোগ তোলে।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানে টানা ১৫ রাতে হামলা চালানোর পর থেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষ্য ছিল, ‘সন্তুষ্ট’ না হওয়া পর্যন্ত হামলা চালিয়ে যাওয়ার। এখন হঠাৎ হামলা বন্ধের পর কারণ নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।
৪ ঘণ্টা আগে
কাস্পিয়ান সাগরে একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। হামলায় জাহাজটির একজন নাবিক নিহত ও আরেকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে তেহরান। এ ঘটনাকে ‘শত্রুতাপূর্ণ ও অপরাধমূলক হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করে তেহরানে নিযুক্ত ইউক্রেনের ভারপ্রাপ্ত কূটনৈতিক প্রতিনিধিকে (চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স) তলব করেছে ইরান
৬ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় দফায় পাল্টাপাল্টি হামলা শুরুর পর গত ১৫ দিনে যুক্তরাষ্ট্রের ২০০’র বেশি সেনাকে হত্যার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৫টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার ধ্বংসের দাবিও করেছে বাহিনীটি।
৬ ঘণ্টা আগে