জাতিসংঘের প্রতিবেদন
তথ্যসূত্র:

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাবে আরব দেশগুলোর অর্থনীতিতে ভয়াবহ ধস নামতে পারে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) প্রকাশিত এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই সংঘাতের ফলে আরব অঞ্চলের দেশগুলোর সম্মিলিত মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ৩ দশমিক ৭ থেকে ৬ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পেতে পারে। এর আর্থিক মূল্য প্রায় ১২০ বিলিয়ন থেকে ১৯৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ১৪ লাখ কোটি থেকে ২৪ লাখ কোটি টাকা)।
‘আরব রাষ্ট্রগুলোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব’ শীর্ষক এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধ ওই অঞ্চলের দীর্ঘস্থায়ী উন্নয়নের অর্জন ধূলিসাৎ করে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। অনিশ্চয়তার কারণে এই অঞ্চলে নতুন বিনিয়োগ এবং মূলধন গঠন মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, যার প্রভাব সার্বিক জিডিপিতে পড়বে।
ইউএনডিপি-র মতে, এই যুদ্ধে ইরানের পর সবচেয়ে বেশি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে পারস্য উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) দেশগুলো—সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, ওমান এবং বাহরাইন। তেলের বাজার ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ওপর অতি-নির্ভরশীলতার কারণেই এই দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বিশেষ করে ‘হরমুজ প্রণালি’ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই দেশগুলোর জ্বালানি তেল ও গ্যাস রপ্তানি একপ্রকার স্থবির হয়ে পড়েছে। এছাড়া বিভিন্ন তেল শোধনাগার ও ডিপোতে দফায় দফায় হামলার ফলে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
অর্থনৈতিক সূচক ছাড়াও যুদ্ধের সামাজিক প্রভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে, যুদ্ধের তীব্রতা যদি আরও বাড়ে, তবে এই অঞ্চলের আরও প্রায় ৪০ লাখ মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যেতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সংকট কেবল মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনীতিতেই নয়, বরং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থাতেও দীর্ঘমেয়াদি ক্ষত তৈরি করছে। সংঘাতের কারণে আমদানি ও রপ্তানি—উভয়ই হ্রাস পাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে জাতিসংঘ।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাবে আরব দেশগুলোর অর্থনীতিতে ভয়াবহ ধস নামতে পারে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) প্রকাশিত এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই সংঘাতের ফলে আরব অঞ্চলের দেশগুলোর সম্মিলিত মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ৩ দশমিক ৭ থেকে ৬ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পেতে পারে। এর আর্থিক মূল্য প্রায় ১২০ বিলিয়ন থেকে ১৯৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ১৪ লাখ কোটি থেকে ২৪ লাখ কোটি টাকা)।
‘আরব রাষ্ট্রগুলোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব’ শীর্ষক এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধ ওই অঞ্চলের দীর্ঘস্থায়ী উন্নয়নের অর্জন ধূলিসাৎ করে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। অনিশ্চয়তার কারণে এই অঞ্চলে নতুন বিনিয়োগ এবং মূলধন গঠন মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, যার প্রভাব সার্বিক জিডিপিতে পড়বে।
ইউএনডিপি-র মতে, এই যুদ্ধে ইরানের পর সবচেয়ে বেশি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে পারস্য উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) দেশগুলো—সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, ওমান এবং বাহরাইন। তেলের বাজার ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ওপর অতি-নির্ভরশীলতার কারণেই এই দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বিশেষ করে ‘হরমুজ প্রণালি’ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই দেশগুলোর জ্বালানি তেল ও গ্যাস রপ্তানি একপ্রকার স্থবির হয়ে পড়েছে। এছাড়া বিভিন্ন তেল শোধনাগার ও ডিপোতে দফায় দফায় হামলার ফলে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
অর্থনৈতিক সূচক ছাড়াও যুদ্ধের সামাজিক প্রভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে, যুদ্ধের তীব্রতা যদি আরও বাড়ে, তবে এই অঞ্চলের আরও প্রায় ৪০ লাখ মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যেতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সংকট কেবল মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনীতিতেই নয়, বরং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থাতেও দীর্ঘমেয়াদি ক্ষত তৈরি করছে। সংঘাতের কারণে আমদানি ও রপ্তানি—উভয়ই হ্রাস পাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে জাতিসংঘ।

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিএনআই) পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করছেন তুলসী গ্যাবার্ড। শুক্রবার (২২ মে) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। আগামী ৩০ জুন থেকে গ্যাবার্ডের পদত্যাগ কার্যকর হবে।
৮ ঘণ্টা আগে
দেশের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বিদেশে না পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি। দুইজন জ্যেষ্ঠ ইরানি সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে। শান্তি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দাবির বিপরীতে তেহরানের অবস্থান আরও কঠোর হয়েছে। খবর রয়টার্সের।
১৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র প্রেসিডেন্টের চীন সফরের এক সপ্তাহ পরই তাইওয়ানের কাছে ১৪ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি সাময়িকভাবে স্থগিত করার কথা জানিয়েছে ওয়াশিংটন। ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে নিজেদের গোলাবারুদের মজুত ঠিক রাখতে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটি। খবর আল-জাজিরার।
১৭ ঘণ্টা আগে
যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অচলাবস্থা কাটছে না। এই শোনা যাচ্ছে আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে তো পরের ঘণ্টাতেই প্রতিবেদন আসছে, বিশাল মতবিরোধ রয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রকৃত পরিস্থিতি বোঝা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। খবর আল-জাজিরার।
১৮ ঘণ্টা আগে