স্ট্রিম ডেস্ক

ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় বাবা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর জনসমক্ষে আসেননি ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা খামেনি। তেহরানে চলমান বাবার জানাজা ও দাফন কর্মসূচিতেও অংশ নিচ্ছেন না তিনি। ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিরাপত্তার স্বার্থে তাঁকে জনসমক্ষে না আসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, বাবার জানাজার নামাজে ইমামতি করতে চেয়েছিলেন মুজতবা খামেনি। তবে বিপ্লবী গার্ডের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা তাতে রাজি হননি। তাঁদের আশঙ্কা, তিনি প্রকাশ্যে এলে ইসরায়েল তাঁকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে। এ ছাড়া তীব্র প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কায় তাৎক্ষণিকভাবে হামলা না চালালেও তাঁর অবস্থান শনাক্ত করা হতে পারে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। ওই হামলায় তাঁর পরিবারের আরও চার সদস্য নিহত হন। হামলার সময় সেখানে উপস্থিত মুজতবা খামেনিও আহত হয়েছিলেন বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
৫৬ বছর বয়সী মুজতবা খামেনিকে এরপর আর জনসমক্ষে দেখা না গেলেও রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে তাঁর নামে একাধিক লিখিত বার্তা প্রকাশ করা হয়েছে। গত ১৮ জুন এক বার্তায় তিনি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সই হওয়া অন্তর্বর্তী সমঝোতা স্মারকে অনুমোদন দেন।
যদিও তিনি জানান, এ বিষয়ে তাঁর ‘ভিন্নমত’ ছিল। তবে শীর্ষ ইরানি কর্মকর্তাদের আশ্বাসের পর তিনি মনে করেন, চুক্তিটি ‘ইরানি জাতি ও প্রতিরোধ ফ্রন্টের অধিকার’ রক্ষা করবে। পরে ২৮ জুন দেওয়া আরেকটি বার্তায় তিনি ইরানে হামলা এবং তাঁর বাবাকে হত্যার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিচার ও জবাবদিহি দাবি করেন।
এদিকে তেহরানে প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির জানাজা ও দাফন কর্মসূচি শুরু হয়েছে। গত ৪ জুলাই শুরু হওয়া এই কর্মসূচি ৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে। এ সময় বিভিন্ন শহরে জানাজা, শোকযাত্রা ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা হবে। সব মিলিয়ে প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অন্তত এক কোটি মানুষ অংশ নেবেন বলে আশা করছে ইরানি কর্তৃপক্ষ।
এর আগে রাশিয়া, চীন, ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের নেতা ও সরকারি প্রতিনিধিদের জানাজা এবং দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানান ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান।
এদিকে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সতর্ক করেছেন ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের কমান্ডার আলী আবদেল্লাহি। তিনি বলেন, জানাজা চলাকালে কোনো ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে তার কল্পনাতীত কঠোর জবাব দেবে তেহরান।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা, দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস

ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় বাবা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর জনসমক্ষে আসেননি ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা খামেনি। তেহরানে চলমান বাবার জানাজা ও দাফন কর্মসূচিতেও অংশ নিচ্ছেন না তিনি। ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিরাপত্তার স্বার্থে তাঁকে জনসমক্ষে না আসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, বাবার জানাজার নামাজে ইমামতি করতে চেয়েছিলেন মুজতবা খামেনি। তবে বিপ্লবী গার্ডের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা তাতে রাজি হননি। তাঁদের আশঙ্কা, তিনি প্রকাশ্যে এলে ইসরায়েল তাঁকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে। এ ছাড়া তীব্র প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কায় তাৎক্ষণিকভাবে হামলা না চালালেও তাঁর অবস্থান শনাক্ত করা হতে পারে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। ওই হামলায় তাঁর পরিবারের আরও চার সদস্য নিহত হন। হামলার সময় সেখানে উপস্থিত মুজতবা খামেনিও আহত হয়েছিলেন বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
৫৬ বছর বয়সী মুজতবা খামেনিকে এরপর আর জনসমক্ষে দেখা না গেলেও রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে তাঁর নামে একাধিক লিখিত বার্তা প্রকাশ করা হয়েছে। গত ১৮ জুন এক বার্তায় তিনি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সই হওয়া অন্তর্বর্তী সমঝোতা স্মারকে অনুমোদন দেন।
যদিও তিনি জানান, এ বিষয়ে তাঁর ‘ভিন্নমত’ ছিল। তবে শীর্ষ ইরানি কর্মকর্তাদের আশ্বাসের পর তিনি মনে করেন, চুক্তিটি ‘ইরানি জাতি ও প্রতিরোধ ফ্রন্টের অধিকার’ রক্ষা করবে। পরে ২৮ জুন দেওয়া আরেকটি বার্তায় তিনি ইরানে হামলা এবং তাঁর বাবাকে হত্যার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিচার ও জবাবদিহি দাবি করেন।
এদিকে তেহরানে প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির জানাজা ও দাফন কর্মসূচি শুরু হয়েছে। গত ৪ জুলাই শুরু হওয়া এই কর্মসূচি ৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে। এ সময় বিভিন্ন শহরে জানাজা, শোকযাত্রা ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা হবে। সব মিলিয়ে প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অন্তত এক কোটি মানুষ অংশ নেবেন বলে আশা করছে ইরানি কর্তৃপক্ষ।
এর আগে রাশিয়া, চীন, ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের নেতা ও সরকারি প্রতিনিধিদের জানাজা এবং দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানান ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান।
এদিকে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সতর্ক করেছেন ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের কমান্ডার আলী আবদেল্লাহি। তিনি বলেন, জানাজা চলাকালে কোনো ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে তার কল্পনাতীত কঠোর জবাব দেবে তেহরান।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা, দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস
.png)

ভারতের রাজধানী দিল্লির জন্তরমন্তরে মধ্যরাত পর্যন্ত বিক্ষোভ চালিয়ে গেছেন আন্দোলনকারীরা। ভারী বৃষ্টি ও পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে বিক্ষোভ চালিয়ে যান তারা। এসময় কেন্দ্রীয় সরকার ও শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দিতে দেখা যায়। খবর দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের।
৩ মিনিট আগে
ইরানের পশ্চিমাঞ্চলীয় ইলাম প্রদেশের আবদানান, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর শিরাজ, পূর্বাঞ্চলের চাবাহার, কেশম দ্বীপ এবং বান্দার আব্বাসে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।
৩ ঘণ্টা আগে
হামাসের নতুন প্রধান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন খলিল আল-হাইয়া। এর মধ্য দিয়ে প্রায় দুই বছর ধরে নেতৃত্ব সংকটে থাকা সংগঠনটির সংকট কাটল।
৩ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনা এবং পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে অবস্থানরত নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। খবর আলজাজিরার।
৫ ঘণ্টা আগে