স্ট্রিম ডেস্ক

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় শুরু হয়েছে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুই দিনের এই সম্মেলনে জোটভুক্ত ৩২টি দেশের নেতারা অংশ নিচ্ছেন। এবারের সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর চাপ, ইউক্রেন যুদ্ধ এবং জোটের ভবিষ্যৎ সামরিক সক্ষমতা প্রধান আলোচ্য বিষয়। খবর আলজাজিরার।
এই সম্মেলন এমন সময়ে শুরু হলো, যখন ট্রাম্প ন্যাটো সদস্য দেশগুলোর ওপর নিয়মিত প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর চাপ দিচ্ছেন। এতে ইউরোপীয় দেশগুলো কয়েক বিলিয়ন ডলারের নতুন সামরিক চুক্তি ঘোষণা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
গত বছরের ন্যাটো সম্মেলনে সদস্য দেশগুলো জিডিপির ৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা বরাদ্দের জন্য সম্মত হয়। এর মধ্যে ২০৩৫ সালের মধ্যে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ সামরিক খাতে এবং ১ দশমিক ৫ শতাংশ নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট অন্যান্য খাতে ব্যয় করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়।
ন্যাটোর ৩২টি সদস্য দেশের নেতাদের পাশাপাশি জোটের বাইরে থেকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন।
সম্মেলনে অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও নিউজিল্যান্ড পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের প্রতিনিধি পাঠিয়েছে। ইরান যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত উপসাগরীয় দেশ বাহরাইন, কুয়েত, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাতও প্রতিনিধি পাঠিয়েছে।
সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন না। তবে আঙ্কারায় ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় থেকেই ট্রাম্প ন্যাটোর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসছেন। তার অভিযোগ, জোটের ব্যয়ের বড় অংশ বহন করছে যুক্তরাষ্ট্র। সে সময় মাত্র পাঁচটি সদস্য দেশ প্রতিরক্ষায় জিডিপির ২ শতাংশ ব্যয় করত।
তারপর থেকে সদস্য দেশগুলো প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়ানোর অঙ্গীকার করেছে।
জার্মান মার্শাল ফান্ডের তুরস্কবিষয়ক আঞ্চলিক পরিচালক ওজগুর উনলুহিসারচিকলি বলেন, গত বছরের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দিকেই এবার ন্যাটোর গুরুত্ব থাকবে।
তাঁর ভাষায়, গত বছর ন্যাটো মিত্ররা প্রতিরক্ষা ব্যয় ৫ শতাংশে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেয়। ইউরোপীয় মিত্ররা তাদের প্রতিরক্ষা শিল্প উন্নয়নে পদক্ষেপ নিয়েছে। এবার আঙ্কারায় আলোচনার বিষয় হবে কীভাবে এই ব্যয়কে বাস্তব সামরিক সক্ষমতায় রূপ দেওয়া যায়। ফলে গত বছরের তুলনায় এবার জোট আরও শক্তিশালী।
তবে গ্লোবাল পলিসি ইনস্টিটিউটের সভাপতি পাওলো ভন শিরাখ বলেন, প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ালেই তাৎক্ষণিকভাবে সামরিক সক্ষমতা বাড়বে না। আপনি অনেক অর্থ ব্যয় করতে পারেন, কিন্তু তাতে খুব বেশি কিছু নাও পেতে পারেন।
সম্মেলনের ফাঁকে বুধবার ট্রাম্পের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। ইউক্রেন ন্যাটোর সদস্য নয়।
রাশিয়ার হামলা বেড়ে যাওয়ায় জেলেনস্কি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অতিরিক্ত প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চাইবেন বলে জানা গেছে। সোমবার (৬ জুলাই) সকালেও ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রুশ ড্রোন হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত হন।
রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ গবেষণা ফেলো জ্যাক ওয়াটলিং বলেন, ইউক্রেন জোটভুক্ত দেশগুলোর কাছ থেকে সামরিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা চাইছে। ন্যাটোর সহায়তা যে অব্যাহত রয়েছে ইউক্রেন এই বার্তা দিতে চাইবে।
সম্মেলনে ইউরোপীয় দেশগুলো কয়েক বিলিয়ন ডলারের সামরিক চুক্তি ঘোষণা করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কিছু বিশ্লেষকের মতে, এটি ট্রাম্প প্রশাসনকে সন্তুষ্ট করার একটি প্রচেষ্টা।
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইউরোপীয় দেশগুলো অংশ না নেওয়ার পর ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি তাদের অর্থ নয়, শুধু আনুগত্য চান। তিনি আরও বলেন, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান আয়োজক না হলে তিনি হয়তো সম্মেলনেই অংশ নিতেন না।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তুরস্ক শুধু প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ায়নি, ন্যাটোর অন্যতম বড় সামরিক রপ্তানিকারক দেশেও পরিণত হয়েছে।
সম্মেলনের আগের দিন ট্রাম্প জার্মানির প্রতিরক্ষা ব্যয়কে হাস্যকর বলে মন্তব্য করেন। এর জবাবে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস বলেন, আমাদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা শক্তিশালী করতে এটাই আমাদের নেওয়া সবচেয়ে বড় উদ্যোগ।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো থেকে ধাপে ধাপে যুদ্ধবিমান, ডেস্ট্রয়ার ও সাবমেরিন ফিরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, কঠোর বক্তব্য ও সামরিক প্রত্যাহারের মধ্যেও ন্যাটো ঐক্যের বার্তা দিতে পারে কিনা, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।
পাওলো ভন শিরাখ বলেন, এই সম্মেলনের প্রধান গুরুত্ব রাজনৈতিক। এটি দেখায় যে মিত্ররা এখনো কথা বলছে, বৈঠক করছে এবং ঐক্যের বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছে। যদিও মতপার্থক্য এখনো দূর হয়নি। আঙ্কারা সম্মেলন মূলত আশ্বস্ত করা ও বার্তা দেওয়ার বিষয়, মাঠপর্যায়ে তাৎক্ষণিক পরিবর্তন আনার নয়।

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় শুরু হয়েছে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুই দিনের এই সম্মেলনে জোটভুক্ত ৩২টি দেশের নেতারা অংশ নিচ্ছেন। এবারের সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর চাপ, ইউক্রেন যুদ্ধ এবং জোটের ভবিষ্যৎ সামরিক সক্ষমতা প্রধান আলোচ্য বিষয়। খবর আলজাজিরার।
এই সম্মেলন এমন সময়ে শুরু হলো, যখন ট্রাম্প ন্যাটো সদস্য দেশগুলোর ওপর নিয়মিত প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর চাপ দিচ্ছেন। এতে ইউরোপীয় দেশগুলো কয়েক বিলিয়ন ডলারের নতুন সামরিক চুক্তি ঘোষণা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
গত বছরের ন্যাটো সম্মেলনে সদস্য দেশগুলো জিডিপির ৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা বরাদ্দের জন্য সম্মত হয়। এর মধ্যে ২০৩৫ সালের মধ্যে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ সামরিক খাতে এবং ১ দশমিক ৫ শতাংশ নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট অন্যান্য খাতে ব্যয় করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়।
ন্যাটোর ৩২টি সদস্য দেশের নেতাদের পাশাপাশি জোটের বাইরে থেকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন।
সম্মেলনে অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও নিউজিল্যান্ড পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের প্রতিনিধি পাঠিয়েছে। ইরান যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত উপসাগরীয় দেশ বাহরাইন, কুয়েত, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাতও প্রতিনিধি পাঠিয়েছে।
সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন না। তবে আঙ্কারায় ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় থেকেই ট্রাম্প ন্যাটোর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসছেন। তার অভিযোগ, জোটের ব্যয়ের বড় অংশ বহন করছে যুক্তরাষ্ট্র। সে সময় মাত্র পাঁচটি সদস্য দেশ প্রতিরক্ষায় জিডিপির ২ শতাংশ ব্যয় করত।
তারপর থেকে সদস্য দেশগুলো প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়ানোর অঙ্গীকার করেছে।
জার্মান মার্শাল ফান্ডের তুরস্কবিষয়ক আঞ্চলিক পরিচালক ওজগুর উনলুহিসারচিকলি বলেন, গত বছরের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দিকেই এবার ন্যাটোর গুরুত্ব থাকবে।
তাঁর ভাষায়, গত বছর ন্যাটো মিত্ররা প্রতিরক্ষা ব্যয় ৫ শতাংশে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেয়। ইউরোপীয় মিত্ররা তাদের প্রতিরক্ষা শিল্প উন্নয়নে পদক্ষেপ নিয়েছে। এবার আঙ্কারায় আলোচনার বিষয় হবে কীভাবে এই ব্যয়কে বাস্তব সামরিক সক্ষমতায় রূপ দেওয়া যায়। ফলে গত বছরের তুলনায় এবার জোট আরও শক্তিশালী।
তবে গ্লোবাল পলিসি ইনস্টিটিউটের সভাপতি পাওলো ভন শিরাখ বলেন, প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ালেই তাৎক্ষণিকভাবে সামরিক সক্ষমতা বাড়বে না। আপনি অনেক অর্থ ব্যয় করতে পারেন, কিন্তু তাতে খুব বেশি কিছু নাও পেতে পারেন।
সম্মেলনের ফাঁকে বুধবার ট্রাম্পের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। ইউক্রেন ন্যাটোর সদস্য নয়।
রাশিয়ার হামলা বেড়ে যাওয়ায় জেলেনস্কি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অতিরিক্ত প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চাইবেন বলে জানা গেছে। সোমবার (৬ জুলাই) সকালেও ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রুশ ড্রোন হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত হন।
রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ গবেষণা ফেলো জ্যাক ওয়াটলিং বলেন, ইউক্রেন জোটভুক্ত দেশগুলোর কাছ থেকে সামরিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা চাইছে। ন্যাটোর সহায়তা যে অব্যাহত রয়েছে ইউক্রেন এই বার্তা দিতে চাইবে।
সম্মেলনে ইউরোপীয় দেশগুলো কয়েক বিলিয়ন ডলারের সামরিক চুক্তি ঘোষণা করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কিছু বিশ্লেষকের মতে, এটি ট্রাম্প প্রশাসনকে সন্তুষ্ট করার একটি প্রচেষ্টা।
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইউরোপীয় দেশগুলো অংশ না নেওয়ার পর ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি তাদের অর্থ নয়, শুধু আনুগত্য চান। তিনি আরও বলেন, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান আয়োজক না হলে তিনি হয়তো সম্মেলনেই অংশ নিতেন না।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তুরস্ক শুধু প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ায়নি, ন্যাটোর অন্যতম বড় সামরিক রপ্তানিকারক দেশেও পরিণত হয়েছে।
সম্মেলনের আগের দিন ট্রাম্প জার্মানির প্রতিরক্ষা ব্যয়কে হাস্যকর বলে মন্তব্য করেন। এর জবাবে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস বলেন, আমাদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা শক্তিশালী করতে এটাই আমাদের নেওয়া সবচেয়ে বড় উদ্যোগ।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো থেকে ধাপে ধাপে যুদ্ধবিমান, ডেস্ট্রয়ার ও সাবমেরিন ফিরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, কঠোর বক্তব্য ও সামরিক প্রত্যাহারের মধ্যেও ন্যাটো ঐক্যের বার্তা দিতে পারে কিনা, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।
পাওলো ভন শিরাখ বলেন, এই সম্মেলনের প্রধান গুরুত্ব রাজনৈতিক। এটি দেখায় যে মিত্ররা এখনো কথা বলছে, বৈঠক করছে এবং ঐক্যের বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছে। যদিও মতপার্থক্য এখনো দূর হয়নি। আঙ্কারা সম্মেলন মূলত আশ্বস্ত করা ও বার্তা দেওয়ার বিষয়, মাঠপর্যায়ে তাৎক্ষণিক পরিবর্তন আনার নয়।
.png)

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে বুধবার (১৫ জুলাই) মার্কিন হামলায় ৩০ জনের বেশি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। একই দিনে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি সামরিক ব্যারাকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সাত সেনা নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হওয়ার কথা জানিয়েছে ইরানের সেনাবাহিনী।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের তেল রপ্তানির সঙ্গে জড়িত একটি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের তেল ব্যবসায়ী মোহাম্মদ হোসেইন শামখানির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ৫০টির বেশি ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জাহাজকে এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরাকে অবস্থানরত সব মার্কিন সেনা আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রত্যাহার করে নেবে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি এ তথ্য জানিয়েছেন। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র সফররত আল-জাইদি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকের পর এ ঘোষণা এলো।
৫ ঘণ্টা আগে
তিনি নিজে হামলা বন্ধের নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চলবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে আলোচনায় না বসলে আগামী সপ্তাহে দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু লক্ষ্য করে হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছেন তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে