ওয়াশিংটন পোস্ট-এবিসি নিউজের জরিপ
স্ট্রিম ডেস্ক

নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা সর্বনিম্নে পৌঁছেছে। ইরান যুদ্ধ এবং জীবনযাত্রার অসহনীয় ব্যয়ের কারণে আমেরিকানদের বড় অংশই ট্রাম্পের নেতৃত্বের ওপর আস্থা হারিয়েছে।
সাম্প্রতিক ওয়াশিংটন পোস্ট-এবিসি নিউজ-ইপসসের এক জরিপে দেখা গেছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধনীতি এবং অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন ইস্যুতে মার্কিনিরা ব্যাপকভাবে অসন্তুষ্ট। একই সঙ্গে ভোটারদের মধ্যে ডেমোক্র্যাটদের ভোট দেওয়ার আগ্রহ রিপাবলিকানদের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
জরিপ অনুযায়ী, ডোনাল্ড ট্রাম্পের সার্বিক কাজের প্রতি জনসমর্থন মাত্র ৩৭ শতাংশের। বিপরীতে তাঁর কাজের প্রতি ‘অসন্তুষ্টি’ দেখিয়েছেন প্রায় ৬২ শতাংশ আমেরিকান। ট্রাম্পের দুই মেয়াদের রাজনৈতিক জীবনে এটিই সর্বোচ্চ নেতিবাচক রেটিং।
রিপাবলিকানদের মধ্যে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা ৮৫ শতাংশে স্থির থাকলেও, রিপাবলিকান ঘেঁষা স্বতন্ত্র ভোটারদের মধ্যে তাঁর সমর্থন ৫৬ শতাংশে নেমে এসেছে। সামগ্রিকভাবে স্বতন্ত্র ভোটারদের মাত্র ২৫ শতাংশ ট্রাম্পের কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করছেন।
ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ট্রাম্পের অর্থনৈতিক ও বৈদেশিক নীতির প্রতি মানুষের আস্থা কমতে শুরু করে। জরিপে দেখা গেছে, ৬৬ শতাংশ আমেরিকান ইরানের পরিস্থিতি মোকাবিলায় ট্রাম্পের ভূমিকার বিপক্ষে এবং মাত্র ৩৩ শতাংশ পক্ষে।
৭২ শতাংশ মানুষ মনে করেন যুদ্ধের প্রভাবে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্প ব্যর্থ হয়েছেন।
তবে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে; এই ইস্যুতে মাত্র ২৩ শতাংশ মানুষ ট্রাম্পকে সমর্থন করছেন এবং ৭৬ শতাংশই তাঁর ওপর চরম অসন্তুষ্ট। মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রেও ৬৫ শতাংশ মানুষ ট্রাম্পের নীতির বিরোধিতা করেছেন।
জরিপে দেখা গেছে, কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে ডেমোক্র্যাটদের প্রতি জন-আস্থা বেড়েছে। বর্তমানে অর্থনীতির বিষয়ে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের ওপর সমানভাবে আস্থা রাখছে মানুষ (৩৪% বনাম ৩৩%)। অথচ ২০২২ সালের নির্বাচনের আগে এই ইস্যুতে রিপাবলিকানরা ডাবল ডিজিট ব্যবধানে এগিয়ে ছিল। একইভাবে মুদ্রাস্ফীতি এবং অভিবাসন ইস্যুতেও রিপাবলিকানদের একচেটিয়া আধিপত্য অনেক কমে এসেছে। তবে অপরাধ দমনের ক্ষেত্রে মানুষ এখনো রিপাবলিকানদের বেশি বিশ্বাস করে (৩৯%), অন্যদিকে স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা খাতে ডেমোক্র্যাটদের ওপর আস্থা বেশি (৪২% ও ৩৮%)।
অনেক আমেরিকান কোনো দলের ওপরই আস্থা রাখছেন না। মুদ্রাস্ফীতি মোকাবিলায় ৩৩ শতাংশ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে ৫১ শতাংশ মানুষ ‘কাউকেই বিশ্বাস করি না’ বলে মত দিয়েছেন।
ট্রাম্প প্রশাসনের কিছু নির্বাহী আদেশের বিরুদ্ধে জনমত অত্যন্ত জোরালো। জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের উদ্যোগের বিপক্ষে ৬৫ শতাংশ মার্কিনি অবস্থান নিয়েছেন। এছাড়া চিকিৎসা গবেষণায় ফেডারেল ফান্ড কমানোর সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন ৭৮ শতাংশ মানুষ। প্রতিরক্ষা বাজেট ১ ট্রিলিয়ন থেকে বাড়িয়ে ১ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন করার পেন্টাগনের প্রস্তাবের বিপক্ষে মত দিয়েছেন ৬৫ শতাংশ আমেরিকান।
ট্রাম্পের ব্যক্তিগত গুণাবলি নিয়েও প্রশ্ন বাড়ছে। জরিপে অংশ নেওয়া ৫৯ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের মতো ‘মানসিক তীক্ষ্ণতা’ নেই। ৫৫ শতাংশ মনে করেন তিনি শারীরিকভাবেও ফিট নন। এছাড়া ৭১ শতাংশ মানুষ মনে করেন ট্রাম্প সৎ ও বিশ্বাসযোগ্য নন এবং ৬৭ শতাংশের মতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ট্রাম্প চিন্তা করেন না।
মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এই জরিপ রিপাবলিকানদের জন্য উদ্বেগের বার্তা দিচ্ছে। ডেমোক্র্যাটদের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা এবং ট্রাম্পের প্রতি রেকর্ড জন-অসন্তোষ মার্কিন কংগ্রেসের ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় ধরনের রদবদলের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরান যুদ্ধই ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের সবচেয়ে বড় ‘পলিটিক্যাল লায়াবিলিটি’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তথ্যসূত্র: দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট

নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা সর্বনিম্নে পৌঁছেছে। ইরান যুদ্ধ এবং জীবনযাত্রার অসহনীয় ব্যয়ের কারণে আমেরিকানদের বড় অংশই ট্রাম্পের নেতৃত্বের ওপর আস্থা হারিয়েছে।
সাম্প্রতিক ওয়াশিংটন পোস্ট-এবিসি নিউজ-ইপসসের এক জরিপে দেখা গেছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধনীতি এবং অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন ইস্যুতে মার্কিনিরা ব্যাপকভাবে অসন্তুষ্ট। একই সঙ্গে ভোটারদের মধ্যে ডেমোক্র্যাটদের ভোট দেওয়ার আগ্রহ রিপাবলিকানদের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
জরিপ অনুযায়ী, ডোনাল্ড ট্রাম্পের সার্বিক কাজের প্রতি জনসমর্থন মাত্র ৩৭ শতাংশের। বিপরীতে তাঁর কাজের প্রতি ‘অসন্তুষ্টি’ দেখিয়েছেন প্রায় ৬২ শতাংশ আমেরিকান। ট্রাম্পের দুই মেয়াদের রাজনৈতিক জীবনে এটিই সর্বোচ্চ নেতিবাচক রেটিং।
রিপাবলিকানদের মধ্যে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা ৮৫ শতাংশে স্থির থাকলেও, রিপাবলিকান ঘেঁষা স্বতন্ত্র ভোটারদের মধ্যে তাঁর সমর্থন ৫৬ শতাংশে নেমে এসেছে। সামগ্রিকভাবে স্বতন্ত্র ভোটারদের মাত্র ২৫ শতাংশ ট্রাম্পের কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করছেন।
ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ট্রাম্পের অর্থনৈতিক ও বৈদেশিক নীতির প্রতি মানুষের আস্থা কমতে শুরু করে। জরিপে দেখা গেছে, ৬৬ শতাংশ আমেরিকান ইরানের পরিস্থিতি মোকাবিলায় ট্রাম্পের ভূমিকার বিপক্ষে এবং মাত্র ৩৩ শতাংশ পক্ষে।
৭২ শতাংশ মানুষ মনে করেন যুদ্ধের প্রভাবে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্প ব্যর্থ হয়েছেন।
তবে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে; এই ইস্যুতে মাত্র ২৩ শতাংশ মানুষ ট্রাম্পকে সমর্থন করছেন এবং ৭৬ শতাংশই তাঁর ওপর চরম অসন্তুষ্ট। মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রেও ৬৫ শতাংশ মানুষ ট্রাম্পের নীতির বিরোধিতা করেছেন।
জরিপে দেখা গেছে, কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে ডেমোক্র্যাটদের প্রতি জন-আস্থা বেড়েছে। বর্তমানে অর্থনীতির বিষয়ে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের ওপর সমানভাবে আস্থা রাখছে মানুষ (৩৪% বনাম ৩৩%)। অথচ ২০২২ সালের নির্বাচনের আগে এই ইস্যুতে রিপাবলিকানরা ডাবল ডিজিট ব্যবধানে এগিয়ে ছিল। একইভাবে মুদ্রাস্ফীতি এবং অভিবাসন ইস্যুতেও রিপাবলিকানদের একচেটিয়া আধিপত্য অনেক কমে এসেছে। তবে অপরাধ দমনের ক্ষেত্রে মানুষ এখনো রিপাবলিকানদের বেশি বিশ্বাস করে (৩৯%), অন্যদিকে স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা খাতে ডেমোক্র্যাটদের ওপর আস্থা বেশি (৪২% ও ৩৮%)।
অনেক আমেরিকান কোনো দলের ওপরই আস্থা রাখছেন না। মুদ্রাস্ফীতি মোকাবিলায় ৩৩ শতাংশ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে ৫১ শতাংশ মানুষ ‘কাউকেই বিশ্বাস করি না’ বলে মত দিয়েছেন।
ট্রাম্প প্রশাসনের কিছু নির্বাহী আদেশের বিরুদ্ধে জনমত অত্যন্ত জোরালো। জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের উদ্যোগের বিপক্ষে ৬৫ শতাংশ মার্কিনি অবস্থান নিয়েছেন। এছাড়া চিকিৎসা গবেষণায় ফেডারেল ফান্ড কমানোর সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন ৭৮ শতাংশ মানুষ। প্রতিরক্ষা বাজেট ১ ট্রিলিয়ন থেকে বাড়িয়ে ১ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন করার পেন্টাগনের প্রস্তাবের বিপক্ষে মত দিয়েছেন ৬৫ শতাংশ আমেরিকান।
ট্রাম্পের ব্যক্তিগত গুণাবলি নিয়েও প্রশ্ন বাড়ছে। জরিপে অংশ নেওয়া ৫৯ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের মতো ‘মানসিক তীক্ষ্ণতা’ নেই। ৫৫ শতাংশ মনে করেন তিনি শারীরিকভাবেও ফিট নন। এছাড়া ৭১ শতাংশ মানুষ মনে করেন ট্রাম্প সৎ ও বিশ্বাসযোগ্য নন এবং ৬৭ শতাংশের মতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ট্রাম্প চিন্তা করেন না।
মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এই জরিপ রিপাবলিকানদের জন্য উদ্বেগের বার্তা দিচ্ছে। ডেমোক্র্যাটদের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা এবং ট্রাম্পের প্রতি রেকর্ড জন-অসন্তোষ মার্কিন কংগ্রেসের ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় ধরনের রদবদলের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরান যুদ্ধই ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের সবচেয়ে বড় ‘পলিটিক্যাল লায়াবিলিটি’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তথ্যসূত্র: দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট

রাত পোহালেই ঘোষণা হবে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল। তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি চতুর্থবারের মতো ক্ষমতা আসবেন নাকি প্রথমবারের শুভেন্দু অধিকারী ইতিহাস গড়বেন? সবার নজর এখন সেদিকেই।
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন নৌঅবরোধ এড়িয়ে ২২০ মিলিয়ন ডলারের ইরানি তেলবাহী জাহাজ এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে পৌঁছেছে। এই সুপারট্যাঙ্কারে ১৯ লাখ ব্যারেলেরও বেশি অপরিশোধিত তেল রয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় শহর শেফা-আমরে ৫০ বছর বয়সীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তিনি ইসরায়েলের আরব নাগরিক। এই হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে চলতি বছরের প্রথম চার মাসে ইসরায়েলে আরব বা ফিলিস্তিনি নাগরিক নিহত ১০০-তে ঠেকেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোট শেষ হয়েছে। এখন রাজ্যজুড়ে কেবল অপেক্ষা ফল ঘোষণার। কিন্তু ভোটগ্রহণ শেষ মানেই রাজনৈতিক উত্তাপ শেষ, এমনটা কখনও হয় না। বরং অনেক সময় ভোটের পরের সময়টাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। রাজনীতির ময়দানে লড়াই সরে গিয়ে শুরু হয় ব্যাখ্যার লড়াই—মানুষ কী ভাবল, কার বিরুদ্ধে রাগ জমল,
৯ ঘণ্টা আগে