স্ট্রিম ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের জেরে এবার মাইক্রোসফট, গুগল ও অ্যাপলের মতো বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ১৮টি মার্কিন প্রযুক্তি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে সরাসরি হামলার হুমকি দিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। বুধবার (১ এপ্রিল) ইরানের সময় রাত ৮টা থেকে এই হুমকি কার্যকর হবে বলে মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।
ইরানি সংবাদমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের বরাতে জানা যায়, আইআরজিসি-র তালিকায় থাকা ১৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে—মাইক্রোসফট, গুগল, অ্যাপল, ইন্টেল, আইবিএম, টেসলা, বোয়িং, ডেল, এইচপি, সিসকো, ওরাকল, মেটা (ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম), জেপি মরগান চেজ এবং জেনারেল ইলেকট্রিক।
বিবৃতিতে আইআরজিসি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ‘ইরানে সন্ত্রাসী হামলার জবাবে এসব প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলো ধ্বংসের অপেক্ষায় থাকুক। আমরা এই প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মীদের নিজেদের জীবন রক্ষার্থে অবিলম্বে কর্মস্থল ত্যাগ করার পরামর্শ দিচ্ছি।’
আইআরজিসি-র দাবি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সম্পন্ন এসব কোম্পানি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ উপসাগরীয় দেশগুলোতে মাইক্রোসফট ও অ্যাপলের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর বড় ধরনের করপোরেট অফিস ও শোরুম রয়েছে। নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়ায় এই হুমকিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
অন্যদিকে মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেন, “এই যুদ্ধ কেবল ডোনাল্ড ট্রাম্পের শর্ত অনুযায়ী শেষ হবে।” ইরানে স্থল সেনা পাঠানোর বিষয়ে তিনি সরাসরি কোনো মন্তব্য না করলেও জানান, যুক্তরাষ্ট্র যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা ‘চলছে এবং তা আরও শক্তিশালী হচ্ছে’। যদিও ইরান শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার কথা অস্বীকার করে আসছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের জেরে এবার মাইক্রোসফট, গুগল ও অ্যাপলের মতো বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ১৮টি মার্কিন প্রযুক্তি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে সরাসরি হামলার হুমকি দিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। বুধবার (১ এপ্রিল) ইরানের সময় রাত ৮টা থেকে এই হুমকি কার্যকর হবে বলে মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।
ইরানি সংবাদমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের বরাতে জানা যায়, আইআরজিসি-র তালিকায় থাকা ১৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে—মাইক্রোসফট, গুগল, অ্যাপল, ইন্টেল, আইবিএম, টেসলা, বোয়িং, ডেল, এইচপি, সিসকো, ওরাকল, মেটা (ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম), জেপি মরগান চেজ এবং জেনারেল ইলেকট্রিক।
বিবৃতিতে আইআরজিসি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ‘ইরানে সন্ত্রাসী হামলার জবাবে এসব প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলো ধ্বংসের অপেক্ষায় থাকুক। আমরা এই প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মীদের নিজেদের জীবন রক্ষার্থে অবিলম্বে কর্মস্থল ত্যাগ করার পরামর্শ দিচ্ছি।’
আইআরজিসি-র দাবি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সম্পন্ন এসব কোম্পানি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ উপসাগরীয় দেশগুলোতে মাইক্রোসফট ও অ্যাপলের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর বড় ধরনের করপোরেট অফিস ও শোরুম রয়েছে। নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়ায় এই হুমকিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
অন্যদিকে মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেন, “এই যুদ্ধ কেবল ডোনাল্ড ট্রাম্পের শর্ত অনুযায়ী শেষ হবে।” ইরানে স্থল সেনা পাঠানোর বিষয়ে তিনি সরাসরি কোনো মন্তব্য না করলেও জানান, যুক্তরাষ্ট্র যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা ‘চলছে এবং তা আরও শক্তিশালী হচ্ছে’। যদিও ইরান শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার কথা অস্বীকার করে আসছে।

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিএনআই) পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করছেন তুলসী গ্যাবার্ড। শুক্রবার (২২ মে) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। আগামী ৩০ জুন থেকে গ্যাবার্ডের পদত্যাগ কার্যকর হবে।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বিদেশে না পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি। দুইজন জ্যেষ্ঠ ইরানি সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে। শান্তি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দাবির বিপরীতে তেহরানের অবস্থান আরও কঠোর হয়েছে। খবর রয়টার্সের।
৯ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র প্রেসিডেন্টের চীন সফরের এক সপ্তাহ পরই তাইওয়ানের কাছে ১৪ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি সাময়িকভাবে স্থগিত করার কথা জানিয়েছে ওয়াশিংটন। ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে নিজেদের গোলাবারুদের মজুত ঠিক রাখতে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটি। খবর আল-জাজিরার।
১২ ঘণ্টা আগে
যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অচলাবস্থা কাটছে না। এই শোনা যাচ্ছে আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে তো পরের ঘণ্টাতেই প্রতিবেদন আসছে, বিশাল মতবিরোধ রয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রকৃত পরিস্থিতি বোঝা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। খবর আল-জাজিরার।
১৪ ঘণ্টা আগে