
দক্ষিণ সৌদি আরবের একটি সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে হুতিরা। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এক্স পোস্টে জানান, দক্ষিণ সৌদি আরবের শারুরাহ সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে। সেখানে অস্ত্রের গুদাম ও নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র লক্ষ্য করা হয়েছে। তবে হামলাটি ঠিক কখন চালানো হয়েছে, তা জানাননি তিনি।
এদিকে, ইয়েমেনে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে হুতিদের সংঘর্ষ তীব্র আকার নিয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের বাস্তুচ্যুতি বাড়ছে। শনিবার সরকারি বাহিনী লোহিত সাগরের বন্দরনগর মোখায় হুতি যোদ্ধাদের ওপর হামলা চালানোর কথা জানায়। পরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের তাইজ এলাকায় হুতিদের অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়।
হুতিদের দাবি, গত ৪৮ ঘণ্টায় তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় সৌদি বিমানবাহিনী ১২৯টি হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে, সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সীমান্তের কাছে হুতিদের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র পড়েছে। এতে দুজন আহত হওয়ার পাশাপাশি একটি মসজিদ, কয়েকটি ভবন ও যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইয়েমেনে সাম্প্রতিক সংঘাতে পাঁচ শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে বলে উভয় পক্ষের সূত্র জানিয়েছে।
জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, জুলাই থেকে লড়াইয়ের কারণে প্রায় ৭৬ হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে। গত এক সপ্তাহে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা চার গুণ বেড়েছে। প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ পাশের দেশ জিবুতিতে আশ্রয় নিয়েছে।
ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয় ২০১৪ সালে হুতিরা রাজধানী সানা দখল করলে। ২০২২ সালে যুদ্ধবিরতির পর সংঘাত অনেকটা কমে গেলেও গত জুলাই থেকে আবার তা তীব্র হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দুবার ফোন করে হুতিদের বিরুদ্ধে হামলার অনুরোধ করেছিলেন। তবে ট্রাম্প সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়। পরে ট্রাম্প জানান, তাঁরা হুতির সঙ্গে সংঘাতে যেতে চান না।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
.png)
-7c29dd-256x144.webp)





