স্ট্রিম ডেস্ক

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার ও সাম্প্রতিক দূরত্ব ঘোচাতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে প্রথমবারের মতো ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। তবে, সফরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানোর আগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের বিষয়ে নয়াদিল্লির কাছ থেকে স্পষ্ট ও দ্রুত পদক্ষেপ চায় ঢাকা। হাসিনার প্রত্যর্পণকেই সফরের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ‘রেড লাইন’ হিসেবে দেখা হচ্ছে বলে এক বিশ্লেষণী প্রতিবেদনে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।
রোববার বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের জন্য ‘অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন’। এ লক্ষ্যে শেখ হাসিনা ও অন্যান্য পলাতক আসামিকে দ্রুত প্রত্যর্পণের পাশাপাশি শহীদ শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তদের বাংলাদেশে হস্তান্তরের জন্য ভারতকে অনুরোধ করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় বলেছে, দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী এ বিষয়ে ভারতের দ্রুত পদক্ষেপ চায় বাংলাদেশ।
ঢাকায় বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এতে নয়াদিল্লির পক্ষ থেকেও বাংলাদেশের প্রত্যর্পণের অনুরোধের বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ এবং একটি ‘যৌক্তিক জবাব’ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ২০২৪ সালে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার প্রথম শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানায়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়া বিএনপি সরকারও সেই অনুরোধ পুনর্ব্যক্ত করেছে।
তারেক রহমানের ভারত সফরের সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে নয়াদিল্লি ২১ আগস্ট প্রস্তাব করেছিল। দুদেশের কূটনৈতিক চ্যানেলে চলতে থাকা যোগাযোগে সফরে প্রাথমিক সম্মতিও ছিল ঢাকার। তবে গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের পর পরিস্থিতি জটিল হয়ে পড়ে।
ওই সংবাদ সম্মেলনে চলতি বছরের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনার কথা জানান গণ অভ্যুত্থানের মুখে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া শেখ হাসিনা। এ সময় তাঁকে হত্যা করা হতে পারে বলেও আশঙ্কা জানান তিনি। হাসিনার ওই সংবাদ সম্মেলনের পরপরই, এতে ভারতের ‘কোনো ভূমিকা’ ছিল না এবং তাঁর দেওয়া বক্তব্য ভারত সরকার সমর্থন করেনা বলে জানায় নয়াদিল্লি।
রোববার (১৬ আগস্ট) বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়, তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে দুই দেশের কর্মকর্তাদের মধ্যে যোগাযোগ চলছে।
তবে একই সঙ্গে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিত শেখ হাসিনার গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে প্রকাশ্য সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময়ের ঘটনায় এই প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থানও ভারতকে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
বাংলাদেশের আদালতে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর দল আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ রয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, প্রতিবেশীসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নিতে ‘বাংলাদেশ প্রথম’ নীতি অনুসরণ করবে ঢাকা। এ সম্পর্ক হবে সার্বভৌম সমতা, জাতীয় মর্যাদা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে।
জুনের শুরু থেকেই তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নয়াদিল্লি ও ঢাকার মধ্যে আলোচনা চলছিল। তবে সে সময় বাংলাদেশি অবৈধ অভিবাসীদের আটক ও পুশব্যাকের বিভিন্ন খবর দুই দেশের আলোচনার পরিবেশকে কিছুটা তিক্ত করে তোলে। এরপর তারেক রহমান তাঁর প্রথম দ্বিপক্ষীয় সফরে চীনে যান, যা নয়াদিল্লির জন্যও একটি বার্তা হিসেবে দেখা হয়েছিল।
২১ আগস্ট সফরের তারিখ নিয়ে আলোচনা চলার সময় ঢাকার পক্ষ জানতে পারে, শেখ হাসিনা নয়াদিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়ায় (এফসিসি) সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলবেন। এরপর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে ফোনে কথা বলে এই মতবিনিময়ের প্রতিবাদ জানান। প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিষয়টি উত্থাপন করেন।
এরপরও এফসিসিতে হাসিনার ওই মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশ ও ভারতের সাংবাদিকদের পাশাপাশি বিদেশি সাংবাদিকেরাও উপস্থিত ছিলেন। বিষয়টি নিয়ে ঢাকার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ছিল তীব্র।
হাসিনাকে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেওয়াকে বাংলাদেশে ভারতের সরকারের সমর্থন বা অনুমোদন হিসেবে দেখা হয়। তবে নয়াদিল্লি বলেছে, অনুষ্ঠান আয়োজনের সঙ্গে ভারতের ‘কোনো ভূমিকা’ ছিল না এবং হাসিনার বক্তব্যও তারা ‘সমর্থন করে না’।
এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। সেখানে তাঁকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়, হাসিনার প্রত্যর্পণ বাংলাদেশ সরকারের একটি মূল দাবি। ঢাকার পক্ষ থেকে বলা হয়, হাসিনাকে প্রত্যর্পণের বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, সে বিষয়ে নয়াদিল্লি একটি যৌক্তিক জবাব না দেওয়া পর্যন্ত তারেক রহমানের ভারত সফর করা কঠিন হবে।
ভারতের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং (র) প্রধান পরাগ জৈন গত ৯ আগস্ট বাংলাদেশ সফর করেন। ঢাকায় তিনি শীর্ষ গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে বাংলাদেশি কর্মকর্তারা নয়াদিল্লিকে ঢাকার উদ্বেগের বিষয়ে আরও সংবেদনশীল হওয়ার আহ্বান জানান।
বর্তমানে দুই দেশই পরিস্থিতির উত্তাপ কমাতে একটি কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজছে। তারেক রহমানের ২১ আগস্টের ভারত সফরের সম্ভাবনা এখনো রয়েছে। তবে কার্যকর কোনো সমাধানে পৌঁছানোর জন্য হাতে থাকা সময় বেশ সংকীর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার ও সাম্প্রতিক দূরত্ব ঘোচাতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে প্রথমবারের মতো ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। তবে, সফরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানোর আগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের বিষয়ে নয়াদিল্লির কাছ থেকে স্পষ্ট ও দ্রুত পদক্ষেপ চায় ঢাকা। হাসিনার প্রত্যর্পণকেই সফরের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ‘রেড লাইন’ হিসেবে দেখা হচ্ছে বলে এক বিশ্লেষণী প্রতিবেদনে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।
রোববার বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের জন্য ‘অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন’। এ লক্ষ্যে শেখ হাসিনা ও অন্যান্য পলাতক আসামিকে দ্রুত প্রত্যর্পণের পাশাপাশি শহীদ শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তদের বাংলাদেশে হস্তান্তরের জন্য ভারতকে অনুরোধ করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় বলেছে, দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী এ বিষয়ে ভারতের দ্রুত পদক্ষেপ চায় বাংলাদেশ।
ঢাকায় বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এতে নয়াদিল্লির পক্ষ থেকেও বাংলাদেশের প্রত্যর্পণের অনুরোধের বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ এবং একটি ‘যৌক্তিক জবাব’ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ২০২৪ সালে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার প্রথম শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানায়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়া বিএনপি সরকারও সেই অনুরোধ পুনর্ব্যক্ত করেছে।
তারেক রহমানের ভারত সফরের সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে নয়াদিল্লি ২১ আগস্ট প্রস্তাব করেছিল। দুদেশের কূটনৈতিক চ্যানেলে চলতে থাকা যোগাযোগে সফরে প্রাথমিক সম্মতিও ছিল ঢাকার। তবে গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের পর পরিস্থিতি জটিল হয়ে পড়ে।
ওই সংবাদ সম্মেলনে চলতি বছরের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনার কথা জানান গণ অভ্যুত্থানের মুখে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া শেখ হাসিনা। এ সময় তাঁকে হত্যা করা হতে পারে বলেও আশঙ্কা জানান তিনি। হাসিনার ওই সংবাদ সম্মেলনের পরপরই, এতে ভারতের ‘কোনো ভূমিকা’ ছিল না এবং তাঁর দেওয়া বক্তব্য ভারত সরকার সমর্থন করেনা বলে জানায় নয়াদিল্লি।
রোববার (১৬ আগস্ট) বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়, তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে দুই দেশের কর্মকর্তাদের মধ্যে যোগাযোগ চলছে।
তবে একই সঙ্গে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিত শেখ হাসিনার গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে প্রকাশ্য সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময়ের ঘটনায় এই প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থানও ভারতকে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
বাংলাদেশের আদালতে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর দল আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ রয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, প্রতিবেশীসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নিতে ‘বাংলাদেশ প্রথম’ নীতি অনুসরণ করবে ঢাকা। এ সম্পর্ক হবে সার্বভৌম সমতা, জাতীয় মর্যাদা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে।
জুনের শুরু থেকেই তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নয়াদিল্লি ও ঢাকার মধ্যে আলোচনা চলছিল। তবে সে সময় বাংলাদেশি অবৈধ অভিবাসীদের আটক ও পুশব্যাকের বিভিন্ন খবর দুই দেশের আলোচনার পরিবেশকে কিছুটা তিক্ত করে তোলে। এরপর তারেক রহমান তাঁর প্রথম দ্বিপক্ষীয় সফরে চীনে যান, যা নয়াদিল্লির জন্যও একটি বার্তা হিসেবে দেখা হয়েছিল।
২১ আগস্ট সফরের তারিখ নিয়ে আলোচনা চলার সময় ঢাকার পক্ষ জানতে পারে, শেখ হাসিনা নয়াদিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়ায় (এফসিসি) সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলবেন। এরপর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে ফোনে কথা বলে এই মতবিনিময়ের প্রতিবাদ জানান। প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিষয়টি উত্থাপন করেন।
এরপরও এফসিসিতে হাসিনার ওই মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশ ও ভারতের সাংবাদিকদের পাশাপাশি বিদেশি সাংবাদিকেরাও উপস্থিত ছিলেন। বিষয়টি নিয়ে ঢাকার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ছিল তীব্র।
হাসিনাকে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেওয়াকে বাংলাদেশে ভারতের সরকারের সমর্থন বা অনুমোদন হিসেবে দেখা হয়। তবে নয়াদিল্লি বলেছে, অনুষ্ঠান আয়োজনের সঙ্গে ভারতের ‘কোনো ভূমিকা’ ছিল না এবং হাসিনার বক্তব্যও তারা ‘সমর্থন করে না’।
এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। সেখানে তাঁকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়, হাসিনার প্রত্যর্পণ বাংলাদেশ সরকারের একটি মূল দাবি। ঢাকার পক্ষ থেকে বলা হয়, হাসিনাকে প্রত্যর্পণের বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, সে বিষয়ে নয়াদিল্লি একটি যৌক্তিক জবাব না দেওয়া পর্যন্ত তারেক রহমানের ভারত সফর করা কঠিন হবে।
ভারতের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং (র) প্রধান পরাগ জৈন গত ৯ আগস্ট বাংলাদেশ সফর করেন। ঢাকায় তিনি শীর্ষ গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে বাংলাদেশি কর্মকর্তারা নয়াদিল্লিকে ঢাকার উদ্বেগের বিষয়ে আরও সংবেদনশীল হওয়ার আহ্বান জানান।
বর্তমানে দুই দেশই পরিস্থিতির উত্তাপ কমাতে একটি কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজছে। তারেক রহমানের ২১ আগস্টের ভারত সফরের সম্ভাবনা এখনো রয়েছে। তবে কার্যকর কোনো সমাধানে পৌঁছানোর জন্য হাতে থাকা সময় বেশ সংকীর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে
.png)

কোনো মার্কিন সেনা সদস্যকে হত্যা বা আটক করে ইরানের কাছে হস্তান্তর করতে পারলে ৩০ হাজার ডলার পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। একই কাজ কোনো নারী করলে ঘোষণার দ্বিগুণ পুরস্কার দেওয়ার কথা জানিয়েছেন ইরানের সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল আমির হাতামি।
২ ঘণ্টা আগে
রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল লক্ষ্য করে রোববার (১৬ আগস্ট) বৃহত্তম ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। রাশিয়ার দাবি, রাতভর চালানো এ হামলায় ৮০০টির বেশি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত বা নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। এ হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব ইসরায়েলি পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে তেলআবিব। এত দিন ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এ দায়িত্ব পালন করত। ফিলিস্তিনি রাজনীতিক ও বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত পশ্চিম তীরকে কার্যত ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে আরও এগিয়ে নেবে।
৪ ঘণ্টা আগে
আফগানিস্তানে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার ও তালেবানের ক্ষমতা দখলের পাঁচ বছর পূর্ণ হয়েছে। ২০২১ সালের ১৫ আগস্ট মার্কিন সমর্থিত সরকারের পতন ঘটিয়ে আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করে তালেবান। ওই সময় সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে বিশ্ব দেখেছিল, ভিড়ে উপচে পড়া বিমানবন্দর আর হাজারো আফগানের উড়োজাহাজে পালানোর দৃশ্য