স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে আজ (৯ জুলাই) তাঁর নিজ শহর মাশহাদে দাফন করা হবে। ইরান ও ইরাকের পাঁচটি শহরে কয়েক দিনের শোকানুষ্ঠান শেষে তাঁর মরদেহ মাশহাদে নেওয়া হয়েছে।
গতকাল বুধবার ইরাকের পবিত্র শহর নাজাফে খামেনির শোকযাত্রায় লাখো মানুষের সমাগম হয়। পরে কারবালাতেও হাজারো মানুষ তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। নাজাফে খামেনির শোকযাত্রার গন্তব্য ছিল হজরত আলী (রা.)–এর সমাধি, যেখানে ইরাকের ধর্মীয় নেতাদের উপস্থিতিতে জানাজা হয়। এরপর মরদেহ নেওয়া হয় কারবালায়।
ইরানের সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, খামেনিকে মাশহাদের ইমাম রেজার মাজারের পাশে দাফন করা হবে। ১৯৩৯ সালে এই শহরেই তাঁর জন্ম। শৈশব ও কৈশোরের বড় একটি সময় তিনি মাশহাদে কাটান। পরে ধর্মীয় শিক্ষা নিতে শিয়া মতাবলম্বীদের পবিত্র শহর কোমে যান। ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর দিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় পরিবারের চার সদস্যসহ নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। যুদ্ধের তীব্রতার কারণে তাঁর দাফন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সইয়ের পর তাঁকে দাফনের সিদ্ধান্ত নেয় ইরান সরকার।

গত শুক্রবার থেকে শুরু হয় আলী খামেনির সপ্তাহব্যাপী শোকানুষ্ঠান। তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় কয়েক দিন তাঁর কফিন রাখা হয়। পরে মরদেহ নেওয়া হয় কোমে। সেখান থেকে ইরাকের নাযাফ ও কারবালা হয়ে দাফনের জন্য পুনরায় মাশহাদে আনা হয়েছে তাঁর মরদেহ।
খামেনির দাফন ঘিরে শোকানুষ্ঠান চলার সময়ে ইরানে হামলা না চালানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেনি ওয়াশিংটন। হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনার জেরে গতকাল ইরানের ৮০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। জবাবে উপসাগরীয় দেশ বাহরাইন ও কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন ও মিসাইল ছোড়ে ইরান। এরপর রাতেও ইরানের বিভিন্ন অঞ্চলে বড় আকারে হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। এমন পরিস্থিতিতেই আজ দাফন করা হচ্ছে দেশটির প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতাকে।
নাজাফের শোকযাত্রায় অংশ নেওয়া ইরাকের বাসিন্দা মোহাম্মদ আল-বায়াতি বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘যিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন, তাঁর জানাজায় আসাটা আমি কর্তব্য বলে মনে করেছি।’ আরেক অংশগ্রহণকারী মুরতাদা আল-মালিকি বলেন, ‘শহীদ খামেনি ইসরায়েলকে নিয়ন্ত্রণে রেখেছিলেন।’
শোকযাত্রায় অংশ নেওয়া হায়দার জাফার নামে এক ইরাকি নাগরিক বলেন, ‘আমি ইরানের নীতির সমর্থক নই। তবু এসেছি, কারণ আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি সত্যের পক্ষে লড়ে জীবন দিয়েছেন। তাঁকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল অন্যায়ভাবে হত্যা করেছে।’
সূত্র : তাসনিম নিউজ, রয়টার্স, আলজাজিরা ও এএফপি

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে আজ (৯ জুলাই) তাঁর নিজ শহর মাশহাদে দাফন করা হবে। ইরান ও ইরাকের পাঁচটি শহরে কয়েক দিনের শোকানুষ্ঠান শেষে তাঁর মরদেহ মাশহাদে নেওয়া হয়েছে।
গতকাল বুধবার ইরাকের পবিত্র শহর নাজাফে খামেনির শোকযাত্রায় লাখো মানুষের সমাগম হয়। পরে কারবালাতেও হাজারো মানুষ তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। নাজাফে খামেনির শোকযাত্রার গন্তব্য ছিল হজরত আলী (রা.)–এর সমাধি, যেখানে ইরাকের ধর্মীয় নেতাদের উপস্থিতিতে জানাজা হয়। এরপর মরদেহ নেওয়া হয় কারবালায়।
ইরানের সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, খামেনিকে মাশহাদের ইমাম রেজার মাজারের পাশে দাফন করা হবে। ১৯৩৯ সালে এই শহরেই তাঁর জন্ম। শৈশব ও কৈশোরের বড় একটি সময় তিনি মাশহাদে কাটান। পরে ধর্মীয় শিক্ষা নিতে শিয়া মতাবলম্বীদের পবিত্র শহর কোমে যান। ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর দিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় পরিবারের চার সদস্যসহ নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। যুদ্ধের তীব্রতার কারণে তাঁর দাফন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সইয়ের পর তাঁকে দাফনের সিদ্ধান্ত নেয় ইরান সরকার।

গত শুক্রবার থেকে শুরু হয় আলী খামেনির সপ্তাহব্যাপী শোকানুষ্ঠান। তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় কয়েক দিন তাঁর কফিন রাখা হয়। পরে মরদেহ নেওয়া হয় কোমে। সেখান থেকে ইরাকের নাযাফ ও কারবালা হয়ে দাফনের জন্য পুনরায় মাশহাদে আনা হয়েছে তাঁর মরদেহ।
খামেনির দাফন ঘিরে শোকানুষ্ঠান চলার সময়ে ইরানে হামলা না চালানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেনি ওয়াশিংটন। হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনার জেরে গতকাল ইরানের ৮০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। জবাবে উপসাগরীয় দেশ বাহরাইন ও কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন ও মিসাইল ছোড়ে ইরান। এরপর রাতেও ইরানের বিভিন্ন অঞ্চলে বড় আকারে হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। এমন পরিস্থিতিতেই আজ দাফন করা হচ্ছে দেশটির প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতাকে।
নাজাফের শোকযাত্রায় অংশ নেওয়া ইরাকের বাসিন্দা মোহাম্মদ আল-বায়াতি বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘যিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন, তাঁর জানাজায় আসাটা আমি কর্তব্য বলে মনে করেছি।’ আরেক অংশগ্রহণকারী মুরতাদা আল-মালিকি বলেন, ‘শহীদ খামেনি ইসরায়েলকে নিয়ন্ত্রণে রেখেছিলেন।’
শোকযাত্রায় অংশ নেওয়া হায়দার জাফার নামে এক ইরাকি নাগরিক বলেন, ‘আমি ইরানের নীতির সমর্থক নই। তবু এসেছি, কারণ আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি সত্যের পক্ষে লড়ে জীবন দিয়েছেন। তাঁকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল অন্যায়ভাবে হত্যা করেছে।’
সূত্র : তাসনিম নিউজ, রয়টার্স, আলজাজিরা ও এএফপি
.png)

যুদ্ধবিরতি এবং সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) সইয়ের পর ইরানে সবচেয়ে বড় বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার রাতে দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন শহরে এই হামলা হয়। এটি মঙ্গলবার রাতের হামলার তুলনায় অনেক বেশি বিস্তৃত। খবর আলজাজিরার।
১ ঘণ্টা আগে
জার্মানিতে ১৫ রোগীকে হত্যার দায়ে সেবাদানকারী ডাক্তারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। একই সঙ্গে চিকিৎসা পেশায় কাজ করার ওপর আজীবন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। খবর বিবিসির।
১০ ঘণ্টা আগে
ইরানে আরও হামলার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর এই বক্তব্যের পর ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা আরও বেড়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে ১১ বছর বয়সি এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) মধ্যরাতে এ ঘটনা বলে জানায় পুলিশ। খবর ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম দ্য হিন্দুর।
১৬ ঘণ্টা আগে