মৌলভীবাজারে চা-বাগানের পতিত জমিতে ড্রাগন চাষ, বাড়ছে আয়
স্ট্রিম সংবাদদাতামৌলভীবাজার
-322e16-480x270.webp)
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার সিরাজনগর চা-বাগানে পতিত ও অনুপযোগী জমিতে ড্রাগন ফল চাষ করে আয়ের নতুন উৎস তৈরি করেছে কর্তৃপক্ষ। পরীক্ষামূলক এই উদ্যোগে দ্বিতীয় বছরেই প্রায় ১২ লাখ টাকার ফল বিক্রি হয়েছে।
২০২৪ সালে প্রায় ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে এই ড্রাগন চাষ শুরু হয়। বর্তমানে ওই বাগানে প্রায় ১৫ হাজার ড্রাগন গাছ রয়েছে। এর মধ্যে থাই রেড, জাম্বো রেড ও হোয়াইট পিংক—এই তিন জাতের ড্রাগন ফল উৎপাদন হচ্ছে।
চাষ শুরুর দ্বিতীয় বছরেই কাঙ্ক্ষিত ফলন আসছে। চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত প্রায় ১২ লাখ টাকার ড্রাগন ফল বিক্রি হয়েছে। উৎপাদন ও বাজারে ভালো সাড়া পাওয়ায় চাষের পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি দেশের চাহিদা মিটিয়ে ভবিষ্যতে বিদেশেও রপ্তানির পরিকল্পনা করছে বাগান কর্তৃপক্ষ।
-b4a09c.jpeg)
সিরাজনগর চা-বাগানের ম্যানেজার শামীম ইসলাম বলেন, ‘এই পদ্ধতিতে অনাবাদি জমি উৎপাদনমুখী হচ্ছে, অন্যদিকে বাগানের আয় বাড়ছে। ড্রাগন ফলের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। তবে আমরা উৎপাদনে ক্ষতিকর কীটনাশক ব্যবহার না করে জৈব পদ্ধতিকে গুরুত্ব দিচ্ছি।’
এই ড্রাগন চাষ কেবল বাগানের অর্থনৈতিক পরিবর্তনই আনেনি, বরং স্থানীয় শ্রমিকদের জন্যও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। গাছের পরিচর্যা, আগাছা পরিষ্কার, ফল সংগ্রহ ও বাছাইসহ বিভিন্ন কাজে শ্রমিকদের সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। এ ছাড়া প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ সারি সারি ড্রাগন গাছ ও এর সৌন্দর্য দেখতে ভিড় করছেন।
-3dc3be.jpeg)
কুলাউড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জসীম উদ্দিন বলেন, ‘অনুপযোগী জমিকে বিকল্প কৃষিতে ব্যবহার করে আয়ের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়। একই সঙ্গে মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণেও এ ধরনের উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।’
তিনি আরও জানান, কুলাউড়ার স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ফল পাঠানোর সুযোগ রয়েছে এবং মানসম্মত উৎপাদন নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে বিদেশে রপ্তানির সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।
.png)

-7c29dd-256x144.webp)




