উপাচার্যের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

প্রশাসনিক পদ ছাড়লেন সিকৃবির ১১ শিক্ষক-কর্মকর্তা

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
সিলেট

প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩: ১৬
মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন সিকৃবির পদত্যাগকারী ১১ শিক্ষক-কর্মকর্তারা। ছবি: সংগৃহীত
মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন সিকৃবির পদত্যাগকারী ১১ শিক্ষক-কর্মকর্তারা। ছবি: সংগৃহীত

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. আলিমুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে প্রশাসনিক বিভিন্ন পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বিএনপিপন্থী সাদা দলের ১১ শিক্ষক-কর্মকর্তা।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন তারা। এর আগে প্রশাসনিক ভবনের সামনে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন পদত্যাগকারীরা। এসময় তারা উপাচার্যের অপসারণের দাবি জানান।

পদত্যাগকারীদের মধ্যে রয়েছেন এমএজি ওসমানী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. কাওছার হোসেন, শহীদ জিয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউসুফ মিয়া, হযরত শাহজালাল (র.) হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হক, হযরত শাহপরান (র.) হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. জসিম উদ্দিন এবং দূরে সামাদ রহমান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান মজুমদার।

এ ছাড়া প্রশাসনের বিভিন্ন দায়িত্বে থাকা মো. বাসির উদ্দিন, গাজী মো. জহিরুল ইসলাম, মোহাম্মদ নেয়ামত উল্যাহ ও মো. আশরাফুজ্জামানসহ মোট ১১ জন পদত্যাগ করেছেন।

মানববন্ধনে শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, বর্তমান উপাচার্যের সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ ও আর্থিক কর্মকাণ্ডে অনিয়ম হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ইস্যুতে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও কিছু ব্যক্তিকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।

পদত্যাগকারী শিক্ষক অধ্যাপক ড. মো. কাওছার হোসেন বলেন, ‘বর্তমান প্রশাসনিক পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ কারণেই আমরা প্রশাসনিক পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

তবে শিক্ষকদের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আলিমুল ইসলাম। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে একটি পক্ষ ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলছে। সম্প্রতি যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তারা সবাই প্রয়োজনীয় যোগ্যতা পূরণ করেন। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম বা আর্থিক দুর্নীতি হয়নি।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত