যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও বোয়িং কিনছে বাংলাদেশ, দাবি গরের

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

প্রকাশ : ৩১ আগস্ট ২০২৬, ০৯: ১৩
বোয়িং বিমান। সংগৃহীত ছবি
বোয়িং বিমান। সংগৃহীত ছবি

বোয়িং বিমান কেনা নিয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের নতুন চুক্তিকে ‘অবিশ্বাস্য’ বলে প্রশংসা করেছেন ট্রাম্পের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাতে সামাজিক মাধ্যম এক্সে তিনি লেখেন, ‘এই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ আরও বিলিয়ন ডলার ব্যয় করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যা তাদের প্রাথমিক ক্রয়াদেশের চেয়ে অনেক বেশি।’

ট্রাম্পের প্রশংসা করে মার্কিন এই দূত লেখেন, ‘আমেরিকার ইতিহাসে কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ। লাখ লাখ উচ্চ বেতনের চাকরি তৈরি, ট্রিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ আনা এবং অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে প্রতিদিন নিরলস কাজ করছেন।’

সার্জিও গর লেখেন, ‘এই সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আরেকটি অবিশ্বাস্য চুক্তি করেছেন। বাংলাদেশ বিপুল অর্থ ব্যয়ে আরও বোয়িং বিমান কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।’

ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনার ধারাবাহিকতায় ২০২৫-এর জুলাইয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর আধুনিকীকরণ ও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে বোয়িং কেনার পরিকল্পনা ১৪ থেকে বাড়িয়ে ২৫টিতে উন্নীত করা হয়েছিল।

চলতি বছরের এপ্রিলে ১৪টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে বিমান বাংলাদেশ ও বোয়িংয়ের চুক্তি হয়। প্রায় ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ওই চুক্তির অধীনে আটটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার ও চারটি বোয়িং ৭৩৭-৮ ম্যাক্স জেট উড়োজাহাজ কেনার কথা রয়েছে।

চুক্তি অনুযায়ী বোয়িংয়ের প্রথম উড়োজাহাজ ২০৩১ সালের নভেম্বরের মধ্যে এবং বাকিগুলো ২০৩৫ সালের অক্টোবরের মধ্যে বিমানবহরে যুক্ত হওয়ার কথা।

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দশটি এয়ারবাস কেনার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছিল। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আসে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ব্যবধান কমিয়ে আনার লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকার এয়ারবাসের পরিবর্তে বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেয়।

এদিকে দক্ষিণ এশিয়ায় প্রতিরক্ষা সহযোগিতার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ‘জ্যাভলিন’ অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা কেনার পরিকল্পনা করছে ভারত। সার্জিও গর আরেক পোস্টে লেখেন, ‘ভারত যুদ্ধক্ষেত্রে পরীক্ষিত জ্যাভলিন অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক ব্যবস্থা কেনার পরিকল্পনা করছে। দুই দেশের সম্পর্ক এখন সর্বোচ্চ উচ্চতায় রয়েছে।’

ভারত তাদের সামরিক আধুনিকায়ন এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামরিক অংশীদারত্ব সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নিয়েছে।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত