শ্রমবাজার নিয়ে মালয়েশিয়া সরকারের রূপরেখা পাইনি: সচিব

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

মালয়েশিয়া শ্রমবাজার চালুর বিষয়ে ওই দেশের সরকারের কাছ থেকে কোনো ইন্সট্রাকশন এখনো পাওয়া যায়নি। ছবি: সংগৃহীত
মালয়েশিয়া শ্রমবাজার চালুর বিষয়ে ওই দেশের সরকারের কাছ থেকে কোনো ইন্সট্রাকশন এখনো পাওয়া যায়নি। ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়া শ্রমবাজার চালুর বিষয়ে ওই দেশের সরকারের কাছ থেকে কোনো রূপরেখা এখনো পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোখতার আহমেদ।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইস্কাটনে প্রবাসী কল্যাণ ভবনে রিক্রুটিং এজেন্সির ব্যবসায়ীদের সংগঠন বায়রার সদস্যরা স্মারকলিপি জমা দিতে গেলে তিনি তাঁদের উদ্দেশ্যে এ কথা বলেন।

মোখতার আহমেদ বলেন, ‘এখন পর্যন্ত মালয়েশিয়া সরকার থেকে আমরা কোনো ধরনের রূপরেখা পাইনি। মালয়েশিয়ায় আমাদের যে হাইকমিশন রয়েছে, তাদের মাধ্যমে যোগাযোগ করেছি।’

সচিব বলেন, ‘কিছুদিন আগে এফডাব্লিউসিএমএসের লোকজন হাইকমিশনে গিয়ে ব্রিফ করেছে। তবে আমি হাইকমিশনকে বলেছি, ওনাদের ব্রিফ শোনার দরকার নেই। আপনারা সরাসরি সরকারের সঙ্গে কথা বলেন। সরকার কীভাবে আমাদের সঙ্গে কাজ করবে এই রূপরেখা দরকার। এ ব্যাপারে গত ১৪ সেপ্টেম্বর হাইকমিশন থেকে মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় চিঠি দেওয়া হয়। সে চিঠির উত্তর আমরা এখনো পাইনি। উত্তর পেলে সিদ্ধান্ত নিতে পারব।’

মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার আগে মালয়েশিয়া নিয়ে যারা কাজ করছে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে প্রবাসী মন্ত্রণালয়ের সচিব বলেন, ‘আমরাও জানি কিছু লোক মেডিকেল করাচ্ছে, পাসপোর্ট জমা নিচ্ছে। এ ব্যাপারে আমরা বারবার সতর্ক করছি। মোবাইল কোট পরিচালনা করেছি। একটি এজেন্সিকে জরিমানাও করেছি।’

এর আগে বায়রার সদস্যদের পক্ষ থেকে সিন্ডিকেটমুক্ত মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালুর দাবিতে স্বারকলিপি দেওয়া হয়। স্বারকলিপি দেওয়া শেষে বায়রার সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘মালয়েশিয়ার এফডাব্লিউসিএমএস বারবার ২৫টা এজেন্সির নাম ও ৩১২টা এজেন্সির নাম দিচ্ছে। এভাবে তাঁরা কর্মীদেরকে প্রতারিত করছে, বাংলাদেশের মানুষদেরকে বিভ্রান্ত করছে। বারবার এই শ্রমবাজারকে নিয়ে বিভিন্ন রকমের অপপ্রচার করছে। আমাদের আজকের দাবি কোনো প্রকার সিন্ডিকেশন চাই না। আমরা চাই সব বৈধ রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি যাতে মালয়েশিয়াতে কর্মী পাঠাতে পারে। কম খরচে যেন পাঠাতে পারে সেই মেকানিজম সরকারকে করতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা সবাই এই মন্ত্রণালয়ের অধীনে লাইসেন্স পেয়েছি। সুতরাং মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব আমাদের সবাইকে ফ্যাসিলিটেট করা। মাত্র ২৫টি এজেন্সি দায়িত্ব দিলে হবে না। ৯৯ শতাংশ রিক্রুটমেন্ট এজেন্সিকে বাদ দিয়ে মাত্র ১ শতাংশ রিক্রুটমেন্ট এজেন্সিকে দিয়ে হবে না। সকল এজেন্সিকে সক্ষম করে তুলতে হবে।’

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত