মৌলভীবাজারের ক্যামেলিয়া ডানকান হাসপাতাল
স্ট্রিম সংবাদদাতা

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর চা-বাগান এলাকায় টানা ১৮ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে ক্যামেলিয়া ডানকান ফাউন্ডেশন হাসপাতালের চিকিৎসা। এতে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন ডানকান ব্রাদার্সের অধীন ১৫টি বাগানের লক্ষাধিক চা-শ্রমিক ও তাদের পরিবার। ইতিমধ্যে চিকিৎসা না পেয়ে বিভিন্ন বাগানে ৫ জন শ্রমিক ও স্বজনের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় চা-শ্রমিক নেতা।
গত ২৭ মার্চ স্থানীয় এক চা-শ্রমিকের স্কুল পড়ুয়া মেয়ের মৃত্যু কেন্দ্র করে হাসপাতালের ভাঙচুর ও চিকিৎসক লাঞ্ছিতের পর নিরাপত্তার অযুহাতে কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। হাসপাতালের পর একই ফাউন্ডেশনের অধীন লংলার ক্যামেলিয়া স্কুলের কার্যক্রম চালানো নিয়েও দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। এতে সবচেয়ে বড় ক্ষতির মুখে পড়বে চা-শ্রমিক ও তাঁদের সন্তানেরা।
স্থানীয় চা-শ্রমিক নেতা সীতারাম বীন বলেন, ‘ক্যামেলিয়া হাসপাতালে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করতে কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করছি, অতীতের মতো সব ধরনের অপারেশন চালুসহ শিশু মৃত্যুর কারণ তদন্ত, হাসপাতালে সংঘটিত অপ্রীতিকর ঘটনার তদন্তসহ সব বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।’
স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, ২৬ মার্চ বিকেলে মাথাব্যথা নিয়ে ক্যামেলিয়া হাসপাতালে ভর্তি হয় সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ঐশী রবিদাস (১৩)। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন চিকিৎসক। তবে স্থানান্তর না হওয়ায় পরদিন সকালে ওই হাসপাতালেই মৃত্যু হয় তার। এতে হামলা চালিয়ে হাসপাতাল ভাঙচুর ও চিকিৎসকদের হেনস্তা করে ক্ষুব্ধ লোকজন। পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও নিরাপত্তাহীনতার অযুহাতে হাসপাতাল ত্যাগ করেন চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এরপর থেকেই বন্ধ রয়েছে হাসপাতালের সব কার্যক্রম।

এদিকে হাসপাতাল বন্ধের কারণে চিকিৎসা নিতে পেরে ৫ জন বিভিন্ন অসুখে মারা গেছেন বলে দাবি করেছেন চা-শ্রমিক নেতা সীতারাম বীন। তিনি জানান, কমলগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন চা-বাগানে সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে আছেন আলীনগর চা-বাগানের চন্দ্র দেও কৈরীর মেয়ে রাজ দেও কৈরী (৫৮), কানিহাটি চা-বাগানের মহা দেও কৈরীর স্ত্রী লক্ষ্মী মনি তেলি (৮০), একই বাগানের রঞ্জন সাহার স্ত্রী মাধুরী সাহা (৪০), চাতলাপুর চা-বাগানের কৃষ্ণ ভড়ের স্ত্রী রুমি ভড় (২৩) এবং পালকি ছড়া চা-বাগানের নারায়ণ ভড়ের স্ত্রী মাধুরী ভড় (৫৫)।
জানা গেছে, তারা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ছিলেন। তবে সীতারাম বিন অভিযোগ করেন, হাসপাতাল খোলা থাকলে সেখানে চিকিৎসা নিতে পারতেন তাঁরা, তাহলে তাঁদের বাঁচার সম্ভাবনা থাকত।
আলীনগর চা-বাগানের চন্দ্র দেও কৈরী বলেন, ‘আমার মেয়ে অসুস্থতায় মারা গেছে, কিন্তু অন্তত সাধারণ চিকিৎসাটুকু তো পেতে পারত।’
কানিহাটি চা-বাগানের মহা দেও কৈরী বলেন, ‘আমার স্ত্রী ভালো চিকিৎসার অভাবে মারা গেছে। চা-শ্রমিকদের জন্য যদি হাসপাতাল থাকে, তাহলে সেটি কেন বন্ধ থাকবে?’
একাধিক নারী চা-শ্রমিক বলেন, এই হাসপাতালই তাঁদের ভরসা। অভিযোগ থাকলে তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া যেত। কিন্তু এখন তাঁরা চিকিৎসা থেকে পুরোপুরি বঞ্চিত। হাসপাতাল চালুর দ্রুত সমাধান না এলে চা-শ্রমিকদের স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও বাড়বে।

এদিকে ঘটনার পর ২৯ মার্চ শমশেরনগর চা-বাগানে একটি জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও হাসপাতাল চালুর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। বাগান সংশ্লিষ্টরা জানান, ইংল্যান্ডে অবস্থিত ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নির্দেশনা ছাড়া কার্যক্রম পুনরায় চালু করা সম্ভব নয়। ইতিমধ্যে ঘটনাটির তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রামভজন কৈরী বলেন, ‘ঐশীর মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। তবে এ ঘটনায় হাঙ্গামা না করে তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল। দ্রুত হাসপাতালের সেবা চালুর দাবি জানাই।’
শমশেরনগর চা-বাগান ব্যবস্থাপক ও ডানকান ব্রাদার্সের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. কামরুজ্জামান বলেন, হাসপাতালটি সম্পূর্ণ আলাদা একটি ফাউন্ডেশনের অধীনে পরিচালিত হওয়ায় তাদের সরাসরি হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। তবে চিকিৎসা বন্ধ থাকায় শ্রমিকদের দুর্ভোগের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘চা-শ্রমিক নেতারা আমার কাছে এসেছিলেন হাসপাতালটি পুনরায় চালু করার জন্য। একটি লিখিত আবেদনও দিয়েছেন। হাসপাতালটি পুনরায় চালুর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে।’
ইউএনও জানান, হাসপাতালটি বন্ধ থাকায় চা-শ্রমিকদের বাধ্য হয়ে জেলা ও উপজেলা সদরে গিয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। এতে আয়ের তুলনায় তাঁদের ব্যয় অনেক বেশি বাড়িয়ে দিচ্ছে। তবে প্রাথমিক চিকিৎসা না পেয়ে বিভিন্ন বাগানের চা-শ্রমিকদের মৃত্যু হয়েছে বলে শ্রমিক নেতাদের দাবি বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য তাঁর জানা নেই।
ক্যামেলিয়া ডানকান হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শেখ মো. রফিক উদ্দিন বলেন, ‘একজনের মৃত্যুতে স্বজনদের হামলা ও ভাঙচুরের পর হাসপাতালের সব সেবা বন্ধ রয়েছে। বিদেশ থেকে একটা প্রতিনিধি দল এসে হাসপাতালে হামলা ও মৃত্যুসহ সব বিষয় নিয়ে পর্যবেক্ষণ করে গেছেন। তাঁরা প্রতিবেদন দিলে হাসপাতালটি পুনরায় চালু হবে।’

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর চা-বাগান এলাকায় টানা ১৮ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে ক্যামেলিয়া ডানকান ফাউন্ডেশন হাসপাতালের চিকিৎসা। এতে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন ডানকান ব্রাদার্সের অধীন ১৫টি বাগানের লক্ষাধিক চা-শ্রমিক ও তাদের পরিবার। ইতিমধ্যে চিকিৎসা না পেয়ে বিভিন্ন বাগানে ৫ জন শ্রমিক ও স্বজনের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় চা-শ্রমিক নেতা।
গত ২৭ মার্চ স্থানীয় এক চা-শ্রমিকের স্কুল পড়ুয়া মেয়ের মৃত্যু কেন্দ্র করে হাসপাতালের ভাঙচুর ও চিকিৎসক লাঞ্ছিতের পর নিরাপত্তার অযুহাতে কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। হাসপাতালের পর একই ফাউন্ডেশনের অধীন লংলার ক্যামেলিয়া স্কুলের কার্যক্রম চালানো নিয়েও দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। এতে সবচেয়ে বড় ক্ষতির মুখে পড়বে চা-শ্রমিক ও তাঁদের সন্তানেরা।
স্থানীয় চা-শ্রমিক নেতা সীতারাম বীন বলেন, ‘ক্যামেলিয়া হাসপাতালে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করতে কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করছি, অতীতের মতো সব ধরনের অপারেশন চালুসহ শিশু মৃত্যুর কারণ তদন্ত, হাসপাতালে সংঘটিত অপ্রীতিকর ঘটনার তদন্তসহ সব বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।’
স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, ২৬ মার্চ বিকেলে মাথাব্যথা নিয়ে ক্যামেলিয়া হাসপাতালে ভর্তি হয় সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ঐশী রবিদাস (১৩)। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন চিকিৎসক। তবে স্থানান্তর না হওয়ায় পরদিন সকালে ওই হাসপাতালেই মৃত্যু হয় তার। এতে হামলা চালিয়ে হাসপাতাল ভাঙচুর ও চিকিৎসকদের হেনস্তা করে ক্ষুব্ধ লোকজন। পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও নিরাপত্তাহীনতার অযুহাতে হাসপাতাল ত্যাগ করেন চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এরপর থেকেই বন্ধ রয়েছে হাসপাতালের সব কার্যক্রম।

এদিকে হাসপাতাল বন্ধের কারণে চিকিৎসা নিতে পেরে ৫ জন বিভিন্ন অসুখে মারা গেছেন বলে দাবি করেছেন চা-শ্রমিক নেতা সীতারাম বীন। তিনি জানান, কমলগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন চা-বাগানে সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে আছেন আলীনগর চা-বাগানের চন্দ্র দেও কৈরীর মেয়ে রাজ দেও কৈরী (৫৮), কানিহাটি চা-বাগানের মহা দেও কৈরীর স্ত্রী লক্ষ্মী মনি তেলি (৮০), একই বাগানের রঞ্জন সাহার স্ত্রী মাধুরী সাহা (৪০), চাতলাপুর চা-বাগানের কৃষ্ণ ভড়ের স্ত্রী রুমি ভড় (২৩) এবং পালকি ছড়া চা-বাগানের নারায়ণ ভড়ের স্ত্রী মাধুরী ভড় (৫৫)।
জানা গেছে, তারা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ছিলেন। তবে সীতারাম বিন অভিযোগ করেন, হাসপাতাল খোলা থাকলে সেখানে চিকিৎসা নিতে পারতেন তাঁরা, তাহলে তাঁদের বাঁচার সম্ভাবনা থাকত।
আলীনগর চা-বাগানের চন্দ্র দেও কৈরী বলেন, ‘আমার মেয়ে অসুস্থতায় মারা গেছে, কিন্তু অন্তত সাধারণ চিকিৎসাটুকু তো পেতে পারত।’
কানিহাটি চা-বাগানের মহা দেও কৈরী বলেন, ‘আমার স্ত্রী ভালো চিকিৎসার অভাবে মারা গেছে। চা-শ্রমিকদের জন্য যদি হাসপাতাল থাকে, তাহলে সেটি কেন বন্ধ থাকবে?’
একাধিক নারী চা-শ্রমিক বলেন, এই হাসপাতালই তাঁদের ভরসা। অভিযোগ থাকলে তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া যেত। কিন্তু এখন তাঁরা চিকিৎসা থেকে পুরোপুরি বঞ্চিত। হাসপাতাল চালুর দ্রুত সমাধান না এলে চা-শ্রমিকদের স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও বাড়বে।

এদিকে ঘটনার পর ২৯ মার্চ শমশেরনগর চা-বাগানে একটি জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও হাসপাতাল চালুর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। বাগান সংশ্লিষ্টরা জানান, ইংল্যান্ডে অবস্থিত ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নির্দেশনা ছাড়া কার্যক্রম পুনরায় চালু করা সম্ভব নয়। ইতিমধ্যে ঘটনাটির তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রামভজন কৈরী বলেন, ‘ঐশীর মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। তবে এ ঘটনায় হাঙ্গামা না করে তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল। দ্রুত হাসপাতালের সেবা চালুর দাবি জানাই।’
শমশেরনগর চা-বাগান ব্যবস্থাপক ও ডানকান ব্রাদার্সের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. কামরুজ্জামান বলেন, হাসপাতালটি সম্পূর্ণ আলাদা একটি ফাউন্ডেশনের অধীনে পরিচালিত হওয়ায় তাদের সরাসরি হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। তবে চিকিৎসা বন্ধ থাকায় শ্রমিকদের দুর্ভোগের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘চা-শ্রমিক নেতারা আমার কাছে এসেছিলেন হাসপাতালটি পুনরায় চালু করার জন্য। একটি লিখিত আবেদনও দিয়েছেন। হাসপাতালটি পুনরায় চালুর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে।’
ইউএনও জানান, হাসপাতালটি বন্ধ থাকায় চা-শ্রমিকদের বাধ্য হয়ে জেলা ও উপজেলা সদরে গিয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। এতে আয়ের তুলনায় তাঁদের ব্যয় অনেক বেশি বাড়িয়ে দিচ্ছে। তবে প্রাথমিক চিকিৎসা না পেয়ে বিভিন্ন বাগানের চা-শ্রমিকদের মৃত্যু হয়েছে বলে শ্রমিক নেতাদের দাবি বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য তাঁর জানা নেই।
ক্যামেলিয়া ডানকান হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শেখ মো. রফিক উদ্দিন বলেন, ‘একজনের মৃত্যুতে স্বজনদের হামলা ও ভাঙচুরের পর হাসপাতালের সব সেবা বন্ধ রয়েছে। বিদেশ থেকে একটা প্রতিনিধি দল এসে হাসপাতালে হামলা ও মৃত্যুসহ সব বিষয় নিয়ে পর্যবেক্ষণ করে গেছেন। তাঁরা প্রতিবেদন দিলে হাসপাতালটি পুনরায় চালু হবে।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাঙ্গাবাড়িতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর শূন্যরেখায় আটকাপড়া ২৮ জনকে শনিবার ভোরে দেখা যায়নি। বিএসএফ আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু না জানালেও তাদের সরিয়ে নিয়েছে বলে ধারণা বিজিবির।
২ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম নগরীর নন্দনকানন এলাকায় আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘের (ইসকন) কর্মীদের সঙ্গে স্থানীয় হিন্দু ধর্মালম্বীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। ওই এলাকায় লোকনাথ মন্দিরের দখল নিয়ে শনিবার (৬ জুন) ভোর ৪টার দিকে এই সংঘর্ষ হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
২ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম নগরের খুলশী এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়িয়েছে দুটি পক্ষ। শুক্রবার রাত ১টার দিকে ওই সংঘর্ষে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়ায় আতঙ্ক ছড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও কঠোর অবস্থান নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ‘পুশইন’র আটটি চেষ্টা সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।
৪ ঘণ্টা আগে