স্পোর্টস ডেস্ক

ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে জার্মানি অন্যতম সফল নাম। ১৯৫৪ সালে সুইজারল্যান্ডের বার্ন, ১৯৭৪ সালে ঘরের মাঠের মিউনিখ, ১৯৯০ সালে ইতালির রোম এবং ২০১৪ সালে ব্রাজিলের মারাকানায় ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছিল দলটি।
চতুর্থ শিরোপা জয়ের পর অনেকে ভেবেছিলেন দ্রুতই ব্রাজিলের ৫ বিশ্বকাপ জয়ের রেকর্ডে ভাগ বসাবে জার্মানি। ২০১৮ এবং ২০২২ বিশ্বকাপে সেই স্বপ্ন পূর্ণ না হলেও এবারের সেই লক্ষ্যে মাঠে নামবে দলটি।
২০১৪ বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে স্বাগতিক ব্রাজিলের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক সেই ৭-১ গোলের জয় এবং ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে নিজের রাজকীয় ফুটবলের প্রমাণ দিয়েছিল জার্মানি। তবে গত এক দশকে জার্মানির সেই অহংকারে কিছুটা মরিচা পড়েছে; টানা দুই আসরে গ্রুপ পর্বে বিদায়ে ভক্তরা হয়েছেন আশাহত। এবারের আসরে মুসিয়ালা-উইর্টজ-হাভার্টজদের নিয়ে শিরোপা পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে নামবে তারা।
১৯৩৪ বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া জার্মানদের ঝুলিতে এ পর্যন্ত ১১২ ম্যাচে ৬৮ জয়, ২৩ পরাজয় ও ২১ ড্র রয়েছে। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ১০ম দলটি ফুটবল ভক্তদের কাছে পরিচিত ডাই মানশাফট নামে।
দলের কোচের দায়িত্বে রয়েছেন জার্মানির সাবেক খেলোয়াড় ইউলিয়ান নাগেলসম্যান। এর আগে জার্মান ক্লাব আরবি লাইপজিগ এবং বায়ার্ন মিউনিখের ডাগআউট সামলানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। তাঁর অধীনে বাছাইপর্বে ৬ ম্যাচে ৫ জয় ও ১ পরাজয়ে সহজেই জায়গা করে নিয়েছে মূল পর্বে।

বিশ্বকাপে জার্মানি লড়বে গ্রুপ ‘ই’-তে। আগামী ১৪ জুন কুরাসাওর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু। এরপর ২১ জুন আইভরি কোস্ট এবং ২৬ জুন ইকুয়েডরের মুখোমুখি হবে তারা।
এবারের বিশ্বকাপে জার্মানির প্রধান ‘প্লেয়ার টু ওয়াচ’ বায়ার্ন মিউনিখের অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার জামাল মুসিয়ালা। ২০২৫-২৬ মৌসুমে বায়ার্নের হয়ে ২৪ ম্যাচে করেছেন ৫ গোল ও ৬ অ্যাসিস্ট। মাঝমাঠে লিভারপুলের তারকা ফ্লোরিয়ান উইর্টজ অন্যতম ভরসা। এই মৌসুমে ক্লাবের হয়ে করেছেন ৭ গোল ও ১০ অ্যাসিস্ট। এছাড়া আক্রমণভাগে আর্সেনালের ফরোয়ার্ড কাই হাভার্টজ মৌসুমে রয়েছে ৭ গোল ও ৫ অ্যাসিস্ট।
কাগজে-কলমে জার্মানি গ্রুপ ‘ই’-র ফেভারিট। ফুটবল বোদ্ধারা বলছেন এবারের আসরে কাপজয়ের অন্যতম ফেভারিটও তারা। বেশিরভাগ ফুটবল বিশেষজ্ঞরা নিজেদের প্রেডিকশনে জার্মানিকে দেখছেন ফাইনালে। তবে জার্মানি কি পারবে ব্রাজিলের ৫ বিশ্বকাপ জয়ের রেকর্ডে ভাগ বসাতে নাকি গত ২ আসরের ব্যর্থতা আরও দীর্ঘায়িত হবে তা জানতে অপেক্ষা আর কিছুদিনের।
জার্মানি বিশ্বকাপ স্কোয়াড
গোলরক্ষক: মানুয়েল নয়্যার, অলিভার বাউমান, আলেকজান্ডার ন্যুবেল।
রক্ষণ: অ্যান্টোনিও রুডিগার, জোনাথন টাহ, নিকো শ্লটারবেক, ভালডেমার আন্টন, ডেভিড রাউম, মালিক থিয়াও, নাথানিয়েল ব্রাউন।
মাঝমাঠ: ফেলিক্স এনমেচা, পাসকাল গ্রস, ফ্লোরিয়ান উইর্টজ, জামাল মুসিয়ালা, লিয়ন গোরেৎসকা, অ্যাঞ্জেলো স্টিলার, লেনার্ট কার্ল, নাদিম আমিরি, ইয়োশুয়া কিমিখ, আলেকজান্ডার পাভলোভিচ, জেমি লেভেলিং।
আক্রমণ: কাই হাভার্টজ, ডেনিজ উনদাভ, লিরয় সানে, নিকোলাস ভোল্টেমাড, মাক্সিমিলিয়ান বায়ার।

ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে জার্মানি অন্যতম সফল নাম। ১৯৫৪ সালে সুইজারল্যান্ডের বার্ন, ১৯৭৪ সালে ঘরের মাঠের মিউনিখ, ১৯৯০ সালে ইতালির রোম এবং ২০১৪ সালে ব্রাজিলের মারাকানায় ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছিল দলটি।
চতুর্থ শিরোপা জয়ের পর অনেকে ভেবেছিলেন দ্রুতই ব্রাজিলের ৫ বিশ্বকাপ জয়ের রেকর্ডে ভাগ বসাবে জার্মানি। ২০১৮ এবং ২০২২ বিশ্বকাপে সেই স্বপ্ন পূর্ণ না হলেও এবারের সেই লক্ষ্যে মাঠে নামবে দলটি।
২০১৪ বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে স্বাগতিক ব্রাজিলের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক সেই ৭-১ গোলের জয় এবং ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে নিজের রাজকীয় ফুটবলের প্রমাণ দিয়েছিল জার্মানি। তবে গত এক দশকে জার্মানির সেই অহংকারে কিছুটা মরিচা পড়েছে; টানা দুই আসরে গ্রুপ পর্বে বিদায়ে ভক্তরা হয়েছেন আশাহত। এবারের আসরে মুসিয়ালা-উইর্টজ-হাভার্টজদের নিয়ে শিরোপা পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে নামবে তারা।
১৯৩৪ বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া জার্মানদের ঝুলিতে এ পর্যন্ত ১১২ ম্যাচে ৬৮ জয়, ২৩ পরাজয় ও ২১ ড্র রয়েছে। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ১০ম দলটি ফুটবল ভক্তদের কাছে পরিচিত ডাই মানশাফট নামে।
দলের কোচের দায়িত্বে রয়েছেন জার্মানির সাবেক খেলোয়াড় ইউলিয়ান নাগেলসম্যান। এর আগে জার্মান ক্লাব আরবি লাইপজিগ এবং বায়ার্ন মিউনিখের ডাগআউট সামলানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। তাঁর অধীনে বাছাইপর্বে ৬ ম্যাচে ৫ জয় ও ১ পরাজয়ে সহজেই জায়গা করে নিয়েছে মূল পর্বে।

বিশ্বকাপে জার্মানি লড়বে গ্রুপ ‘ই’-তে। আগামী ১৪ জুন কুরাসাওর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু। এরপর ২১ জুন আইভরি কোস্ট এবং ২৬ জুন ইকুয়েডরের মুখোমুখি হবে তারা।
এবারের বিশ্বকাপে জার্মানির প্রধান ‘প্লেয়ার টু ওয়াচ’ বায়ার্ন মিউনিখের অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার জামাল মুসিয়ালা। ২০২৫-২৬ মৌসুমে বায়ার্নের হয়ে ২৪ ম্যাচে করেছেন ৫ গোল ও ৬ অ্যাসিস্ট। মাঝমাঠে লিভারপুলের তারকা ফ্লোরিয়ান উইর্টজ অন্যতম ভরসা। এই মৌসুমে ক্লাবের হয়ে করেছেন ৭ গোল ও ১০ অ্যাসিস্ট। এছাড়া আক্রমণভাগে আর্সেনালের ফরোয়ার্ড কাই হাভার্টজ মৌসুমে রয়েছে ৭ গোল ও ৫ অ্যাসিস্ট।
কাগজে-কলমে জার্মানি গ্রুপ ‘ই’-র ফেভারিট। ফুটবল বোদ্ধারা বলছেন এবারের আসরে কাপজয়ের অন্যতম ফেভারিটও তারা। বেশিরভাগ ফুটবল বিশেষজ্ঞরা নিজেদের প্রেডিকশনে জার্মানিকে দেখছেন ফাইনালে। তবে জার্মানি কি পারবে ব্রাজিলের ৫ বিশ্বকাপ জয়ের রেকর্ডে ভাগ বসাতে নাকি গত ২ আসরের ব্যর্থতা আরও দীর্ঘায়িত হবে তা জানতে অপেক্ষা আর কিছুদিনের।
জার্মানি বিশ্বকাপ স্কোয়াড
গোলরক্ষক: মানুয়েল নয়্যার, অলিভার বাউমান, আলেকজান্ডার ন্যুবেল।
রক্ষণ: অ্যান্টোনিও রুডিগার, জোনাথন টাহ, নিকো শ্লটারবেক, ভালডেমার আন্টন, ডেভিড রাউম, মালিক থিয়াও, নাথানিয়েল ব্রাউন।
মাঝমাঠ: ফেলিক্স এনমেচা, পাসকাল গ্রস, ফ্লোরিয়ান উইর্টজ, জামাল মুসিয়ালা, লিয়ন গোরেৎসকা, অ্যাঞ্জেলো স্টিলার, লেনার্ট কার্ল, নাদিম আমিরি, ইয়োশুয়া কিমিখ, আলেকজান্ডার পাভলোভিচ, জেমি লেভেলিং।
আক্রমণ: কাই হাভার্টজ, ডেনিজ উনদাভ, লিরয় সানে, নিকোলাস ভোল্টেমাড, মাক্সিমিলিয়ান বায়ার।

২০২৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড শিবিরে বড় চমক মিডফিল্ডার নিকো ও'রাইলি। ম্যানচেস্টার সিটির ইতিহাদ একাডেমির আবিষ্কার এই বিস্ময়বালককে ঘিরে ইংলিশ ভক্তরা স্বপ্ন বুনছেন। ছয় ফুট চার ইঞ্চির দীর্ঘদেহী এই ফুটবলার এবার টমাস টুখেলের বিশ্বকাপ অভিযানে তুরুপের তাস।
১৯ মিনিট আগে
১১ জুন পর্দা উঠছে ২০২৬ বিশ্বকাপের। এবারের আসরে গ্যালারিতে ভুভুজেলা এবং পানির বোতল নিষিদ্ধ করেছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।
২ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে ধাক্কা খেয়েছে স্পেন। বৃহস্পতিবার রাতে প্রীতি ম্যাচে ইরাকের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে মাঠ ছেড়েছে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নরা।
৯ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ শুরুর আগে নিজেদের প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে ধাক্কা খেল ফ্রান্স। বৃহস্পতিবার রাতে প্রীতি ম্যাচে এগিয়ে গিয়েও আইভরি কোস্টের কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে গেছে ফরাসিরা।
১১ ঘণ্টা আগে