স্ট্রিম প্রতিবেদক

এগারো কোটির বেশি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন, তথ্য গোপন ও অর্থপাচারের মামলায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে আলোচিত এই দুর্নীতি মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ শুরু হলো।
আজ রোববার (৩ মে) শুনানি শেষে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন এই আদেশ দেন। আগামী ১৩ মে থেকে মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হবে।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী সোহানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম। তবে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ পলাতক থাকায় তাঁর পক্ষে আদালতে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। এর আগে গত ৮ মার্চ মামলার অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন আদালত।
দুদকের দেওয়া অভিযোগপত্রে বেনজীর আহমেদের বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। সম্পদ বিবরণীতে তিনি ৬ কোটি ৪৫ লাখ টাকার স্থাবর ও ৫ কোটি ৭৪ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদের ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু দুদকের তদন্তে তাঁর নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৭ টাকার স্থাবর এবং ৮ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদের প্রমাণ মেলে। সব মিলিয়ে তাঁর মোট ১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকার সম্পদের খোঁজ পায় দুদক।
দুদকের হিসাব অনুযায়ী, বেনজীরের বৈধ আয়ের উৎস থেকে পাওয়া গেছে ৬ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। যাবতীয় ব্যয় বাদে তাঁর নিট সঞ্চয় দাঁড়ায় ৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫৬ হাজার ৬৭৫ টাকা। আয়-ব্যয় ও সঞ্চয়ের হিসাব শেষে বেনজীর আহমেদের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১১ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬ টাকার সম্পদ অর্জন করার প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটি।
অবৈধ সম্পদ অর্জনের পাশাপাশি বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অর্থপাচার বা মানিলন্ডারিংয়ের গুরুতর অভিযোগও আনা হয়েছে। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, তিনি এসব অর্থের অবৈধ উৎস, প্রকৃতি ও মালিকানা গোপন করে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং যৌথ মূলধনী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ, স্থানান্তর ও রূপান্তর করেছেন।
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে এই মামলা করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।

এগারো কোটির বেশি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন, তথ্য গোপন ও অর্থপাচারের মামলায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে আলোচিত এই দুর্নীতি মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ শুরু হলো।
আজ রোববার (৩ মে) শুনানি শেষে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন এই আদেশ দেন। আগামী ১৩ মে থেকে মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হবে।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী সোহানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম। তবে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ পলাতক থাকায় তাঁর পক্ষে আদালতে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। এর আগে গত ৮ মার্চ মামলার অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন আদালত।
দুদকের দেওয়া অভিযোগপত্রে বেনজীর আহমেদের বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। সম্পদ বিবরণীতে তিনি ৬ কোটি ৪৫ লাখ টাকার স্থাবর ও ৫ কোটি ৭৪ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদের ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু দুদকের তদন্তে তাঁর নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৭ টাকার স্থাবর এবং ৮ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদের প্রমাণ মেলে। সব মিলিয়ে তাঁর মোট ১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকার সম্পদের খোঁজ পায় দুদক।
দুদকের হিসাব অনুযায়ী, বেনজীরের বৈধ আয়ের উৎস থেকে পাওয়া গেছে ৬ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। যাবতীয় ব্যয় বাদে তাঁর নিট সঞ্চয় দাঁড়ায় ৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫৬ হাজার ৬৭৫ টাকা। আয়-ব্যয় ও সঞ্চয়ের হিসাব শেষে বেনজীর আহমেদের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১১ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬ টাকার সম্পদ অর্জন করার প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটি।
অবৈধ সম্পদ অর্জনের পাশাপাশি বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অর্থপাচার বা মানিলন্ডারিংয়ের গুরুতর অভিযোগও আনা হয়েছে। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, তিনি এসব অর্থের অবৈধ উৎস, প্রকৃতি ও মালিকানা গোপন করে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং যৌথ মূলধনী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ, স্থানান্তর ও রূপান্তর করেছেন।
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে এই মামলা করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।

পল্লবীতে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে তার বাসায় গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার রাতে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে রামিসা আক্তারের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান তিনি।
৩৫ মিনিট আগে
বাংলাদেশের কোরবানির বাজারে একসময় যেখানে গরু ও ছাগলই ছিল প্রধান আকর্ষণ, সেখানে উট, দুম্বা এবং বিদেশি জাতের পশুর বাজার তৈরি করছে। যদিও এবার উট আমদানির অনুমতি মেলেনি। দেশের খামারের উৎপাদিত বা আগে আমদানি করা উট যাচ্ছে বাজারে।
৪৩ মিনিট আগে
রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিশু শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে (৭) ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় শুক্রবার (২১ মে) সন্ধ্যায় মিরপুর এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ক্ষুব্ধ জনতা।
১ ঘণ্টা আগে
নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য সহজলভ্য করতে অনুষ্ঠিত হলো ‘বাংলাদেশ কান্ট্রি কনক্লেভ ২০২৬’।
২ ঘণ্টা আগে